Zakir's BCS specials

Zakir's BCS specials

Share

This is a BCS oriented job related educational page. Our aim is to serve information and guidelines to the BCS warriors.

22/05/2026

আসন্ন ব্যাংকের "সিনিয়র অফিসার" পদের লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি বিষয়ক রোডম্যাপ :
Section No : 01 (বিষয়ভিওিক প্রস্তুতি)
Category 01 = বাংলা ব্যাকরণ (১০ নম্বর) :
নির্ধারিত সিলেবাস : বানান, বাক্য শুদ্ধি, প্রবাদ প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ, কারক, সমাস, সন্ধি বিচ্ছেদ, প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ, এক কথায় প্রকাশ
প্রথমেই বাংলা ব্যাকরণের এই টপিকগুলো শেষ করতে পারেন। শীকর বাংলা সাহিত্য পাঠ হতে উল্লেখিত টপিকগুলোর ৩৫-৫০তম বিসিএসে আসা প্রশ্নগুলো সমাধান করে শেষ করে ফেলতে পারেন। এর জন্য দুইটি সেট নির্বাচন করে টার্গেট করে শেষ করে ফেলতে পারেন।
Set 01 (খুবই গুরুত্ব দিয়ে) = বানান, বাক্যশুদ্ধি, প্রবাদ প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ, সমাস
Set 02 (মোটামুটি গুরুত্ব দিয়ে) = সন্ধি বিচ্ছেদ, কারক, প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ, এক কথায় প্রকাশ
***** [Set 01 এক বসায় যেকোন একদিন বসে শেষ করে ফেলতে পারেন, অতঃপর আরেকদিন টার্গেট করে Set 02 শেষ করতে পারেন এক বসায়। যদিও কৌশল যার যার উপর নির্ভর করে]
Category 02 = Financial and Banking Knowledge (১০ নম্বর) :
"Alals Finance and Banking Hour" বইটি হতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং টার্মস, গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো শেষ করার চেষ্টা করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপের কিছু মানসম্মত শীটও চোখ বুলিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
Category 03 = Focus Writing (বাংলা ও ইংরেজি উভয়) - ৭০ নম্বর
ফোকাসের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিকের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে চর্চা করতে হবে এবং সেটা মোটামুটি প্রতিদিন একটি সুনির্দিষ্ট সময় ধরে চর্চা করতে হবে যেহেতু খুব ভালো একটা নম্বর এখানে।
হরমুজ প্রণালী সংকট, বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা
জ্বালানি বিষয়ক সমস্যা - বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট + উওরন ; নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার-সম্ভাবনা-সমস্যা, জ্বালানি নিরাপওায় সৌর শক্তির সম্ভাবনা-চ্যালেঞ্জ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ-সম্ভাবনা-ভবিষ্যৎ
এলডিসি উওরণ ; সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
জলবায়ু সংশ্লিষ্ট যেমন - বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন, জলবায়ু পরিবর্তন, কপ ৩০
অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট যেমন - মূল্যস্ফীতি, মুদ্রাস্ফীতি রেমিট্যান্স, সমুদ্র অর্থনীতি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট-চ্যালেঞ্জ-করণীয়
AI, 5IR, SDG
❇️❇️ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট যেমন - ব্যাংকিং খাতে ৪র্থ শিল্প বিপ্লব, ঋণ খেলাপি ও সমস্যা সমাধানে করণীয়, ডিজিটাল আর্থিক রূপান্তর ও নারীর ক্ষমতায়ন/ক্যাশলেস ব্যাংকিং , (Crisis in banking sector, Green Banking, Money laundering)
বৈদেশিক বিনিয়োগ, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ -বিশ্ব অর্খনীতিতে প্রভাব; ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও বাংলাদেশে প্রভাব, বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি
[বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে পড়ত হবে ফোকাস]
যেকোন ফোকাস রাইটিং বইয়ের সহায়তা যেমন লতিফুর ফোকাস রাইটিং /Aspirants বা আরও যে বইগুলো আছে যেকোন একটি বই হতে সমাধান করা যেতে পারে।
Category 04 = গনিত (৩০ নম্বর)
Bank Math Written বই হতে চর্চা করতে পারেন। এসএসসির সাধারন গনিত ও উচ্চতর গনিত হতেও কিছু অধ্যায় চর্চা করে যেতে হবে।
যে অধ্যায়গুলো চর্চা করে যেতে হবে - পরিমিতি, লাভ-ক্ষতি ও শতকরা, অনুপাত, সময়-দূরত্ব-কাজ, সম্ভাবনা, বিন্যাস ও সমাবেশ, সমীকরণ সমাধান টাইপ, সেট, এিকোণমিতি, সরল ও যৌগিক মুনাফা, ট্রেন ও পাইপের ম্যাথ
নবম-দশম শ্রেণির "সাধারণ গনিত" বই হতে অধ্যায় ১৬ (১৬.১-১৬.৪), অধ্যায় ৩ (৩.১,৩.২,৩.৫), অধ্যায় ৫ (৫.১,৫.২), অধ্যায় ৯ (৯.২), অধ্যায় ১০, অধ্যায় ১১ (১১.১,১১.২), অধ্যায় ১২ (১২.৪), অধ্যায় ২ (২.১,২.২)
নবম-দশম শ্রেণির "উচ্চতর গনিত" বই হতে অধ্যায় ৫ (৫.৩,৫.৪,৫.৫,৫.৬), অধ্যায় ৬ (৬.২), অধ্যায় ১৩
Category 05 = ইংরেজি গ্রামার (২০ নম্বর)
নির্ধারিত সিলেবাস : English Language Proficiency: (Sentence structure, Subject-verb Agreement, Finite and Non-finite verb, transformation, speech, clause & phrase, group verb, Idioms, Right forms of verb)
ইংরেজি গ্রামারের যেকোন বই যেমন Master বা অন্য যেকোন বই হতে উল্লেখিত টপিকের প্রিলির জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ রুলসগুলো + বিগত Question সমাধান করি সেভাবেই করতে হবে মূলত। বিগত Question হিসেবে বিসিএস, ব্যাংক ও আইবিএ এর Question গুলো উল্লেখিত টপিকগুলোর উপর বিশেষ ভাবে করা যেতে পারে।
তবে (Idiom Phrase, Transformation, Right form of Verb, Group Verb, Clause and Phrase আইটেমগুলো একটু বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শেষ করতে হবে আর Group Verb and Idiom Phrase Sentence Make করা সহ শিখতে হবে লিখিতের জন্য)
Category 06 = Bangla -English Translation (২০ নম্বর)
Preceptor Translation Manual বই হতে বা যেকোন Translation Book হতে বিভিন্ন ব্যাংকে আসা translation গুলো সমাধান করতে হবে। ফোকাসের টপিকগুলো + বর্তমানে আলোচিত বিষয়গুলোর উপর ধারনাকে ইংরেজিতে রূপান্তরের চেষ্টা করতে হবে এটাও Translation দক্ষতা বৃদ্ধি করবে ইনশাআল্লাহ।
Category 07 = General Knowledge -GK (১০ নম্বর)
বেসিক ভিউ / Spotlight Gk বা যেকোন সাধারণ জ্ঞান বই হতেই নিচের টপিকগুলো নিয়ে ধারণা রাখা যেতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি
❇️ বাংলাদেশের শিল্প-বাণিজ্য
❇️ সংবিধানের বেসিক কিছু জায়গা
❇️ বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, খেলাধুলা
❇️ জাতিসংঘের অধ্যায়টি বিস্তারিত
❇️ ব্যাংকিং টার্মস + গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Financial Banking Knowledge Part ভালোমতো পড়লেই হবে)
❇️আলোচিত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, যুদ্ধ, প্রণালি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশের আলোচিত ঘটনা, বিপ্লব
📊 Category 08 = Argument Writting and Analytical Skill (৪০ নম্বর)
****** খুব সম্ভবত ২০/২৫/৩০ নম্বর Argument Writting এবং ১০/১৫/২০ নম্বর Analytical Skill হতে আসতে পারে।
🎯🎯 Argument এর একটা Pattern দেখে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে আর Previous Question গুলো সমাধান করে ভালো ধারণা রাখতে হবে যাতে যেকোন একটা টপিক আসলে সেই আঙ্গিকে লেখা যায়।
🎯🎯 Analytical Skill মূলত চর্চা করার টপিক। Recent Publications /Mentors বা যেকোন বই হতে বেছে বেছে কিছু Analytical Skill এর Question সমাধান করতে হবে।
------------------------------------------------------------------------
✴️✴️ Section No : 02 (যেই Pattern অনুসরণ করে পড়াগুলো গোছানো যেতে পারে)
[যদিও এটা যার যার উপর নির্ভর করে]
➡️ বাংলা ব্যাকরণের প্রস্তুতি আগে শেষ করা। প্রয়োজনে উপরে বর্ণনা করা টপিকগুলোর মধ্যে ১ দিনে একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে Set 1 শেষ করা এবং পরবর্তী আরেকদিন একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে Set 2 শেষ করা।
➡️ Financial and Banking Knowledge টপিকটি আলালস Finance and banking hour বই হতে দ্রুত টার্গেট করে শেষ করা।
[প্রথম শুরুটা এভাবে করতে পারেন এতে কম সময়ে অনেক টপিক পড়া হয়ে যাবে আর লিখিত পড়ার সূচনাটাও ভালো হবে]
➡️ গনিত ও ফোকাস প্রতিদিন চর্চায় রাখা। Translation চর্চাটাও প্রয়োজনে প্রতিদিন করা ভালো।
➡️ বাংলা ব্যাকরণ ও Financial and Banking Knowledge - এগুলো আগে টার্গেট নিয়ে শেষ করা হলে ইংরেজি গ্রামারের আইটেমগুলো চর্চা শুরু করতে পারেন। ২-৩ দিন একটা Fix টাইম রেখে জাস্ট চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ রুলস গুলো।
➡️ Grammar Item শেষ হলে তারপর Argument Writting দেখতে পারেন।
➡️ GK এর টপিকগুলো তারপর পড়তে পারেন।
➡️ Analytical Skill প্রতিদিন চর্চায় না রেখে যে বই হতে চর্চা করবেন সেই বই হতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু Concept এর Analytical Skill, বিগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যাংক জব Question সমাধান করে সেইভাবে আইডিয়া দাঁড় করাতে হবে।
[সত্যি বলতে ১০ নম্বরের যে আলাদা GK Question ও Analytical Skill এর Question সেটা কিছুটা Unpredictable হতে পারে, তাই খুব বেশি প্রতিদিন চর্চা না করে অল্প কিছুদিন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা মোটামুটি টাচ করে গেলেই ভালো]
------------------------------------------------------------------------
✴️✴️ Section No : 03 (লিখিত পরীক্ষার দিন Time Management)
[যদিও এটা যার যার উপর নির্ভর করে এবং নির্ধারিত পরীক্ষার দিন Question এর উপর কিছুটা তারতম্য হবেই তবুএ মোটামুটি একটা খসড়া Pattern দাঁড় করালে যেমন হতে পারে]
👉 ফোকাস রাইটিং (২টি) = ৩০-৩৫ মিনিট
👉 গনিত = ২০-২৫ মিনিট
👉 বাংলা ব্যাকরণ, Financial Banking Knowledge, GK = ১৫-২০ মিনিট
👉 Translation = ১০-১৫ মিনিট
👉 English Grammar = ১০ মিনিট
👉 Argument, Analytical Skill = ২০-২৫ মিনিট
[🟨 তবে পরীক্ষার শুরুটা যদি বাংলা ব্যাকরণ, Financial Banking Knowledge, GK, English Grammar দিয়ে করে যত দ্রুত পারা যায় যদি সমাধান করা যায় তাহলে বাকি অংশগুলোতে কিছু অতিরিক্ত সময় বের করে আনা সম্ভব]
🟨🟨 ইতিবাচক মানসিকতা, নিজের উপর আস্থা এবং মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে খুব ভালোমতো প্রস্তুতি নিলে ইনশাআল্লাহ ভালো করা সম্ভব। রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ পাক, তাই ফলাফল কি হবে সেটা নিয়ে না ভেবে অন্তত Process এ থেকে ভালো করার মানসিকতা রেখে এগিয়ে যেতে হবে, ইনশাআল্লাহ মহান আল্লাহ আমাদের সাথে থাকবেন।
//
সৌজন্য
নাহিদুল হক অনিক

22/05/2026

জব সলুশন পড়ার কার্যকরী কৌশল
/
(১) প্রথমত বিষয়ভিত্তিক গাইড বই পড়া শেষ করবেন। তারপর জব সলুশন পড়া শুরু করবেন। মনে রাখবেন জব সলুশন হল চাকরি পাওয়ার তাবিজ। জব সলুশন ভালোমতো Cover করলে BCS প্রিলিমিনারির অন্তত ১০০ টি প্রশ্ন Common পাবেন। ১১-২০ গ্রেডের চাকরির পরীক্ষায় অন্তত ৮০% প্রশ্ন জব সলুশন ভিত্তিক হয়ে থাকে। তাই জব সলুশন পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
/
(২) Recent প্রশ্ন আগে পড়বেন। মানে আপনি জব সলুশন থেকে আগে ২০২5 সালের প্রশ্নগুলি পড়বেন। তারপর ২০২৪, ২০২৩ , ২০২২, ২০২১ এভাবে বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন মুখস্থ রাখবেন।
/
(৩) প্রথমবার পড়ার সময় আপনি ব্যাখ্যা ছাড়া শুধু সালের প্রশ্নগুলি পড়বেন। অনেকে প্রথমবার ব্যাখ্যাসহ পড়তে গিয়ে ৬ মাসে ১টি সালের প্রশ্নই শেষ করতে পারেনা। তখন অনেকে হতাশ হয়ে পড়েন।আরে বাবা, আপনি তো সবগুলি সালের প্রশ্নই পড়ে শেষ করতে পারেন নাই, আপনি ব্যাখ্যা পড়তে গেলেন কেন? আমার সাজেশন হল আপনি প্রথমবার ব্যাখ্যা ছাড়া শুধু সালের প্রশ্নগুলি পড়ে শেষ করবেন। ২য় বার Revision করার সময় আপনি ব্যাখ্যাসহ পড়বেন।
/
(৪) জব সলুশন পড়ার সময় আগে বিগত বছরের BCS এর প্রশ্ন পড়বেন এবং বুঝার চেষ্ঠা করবেন যে কোন Subject থেকে বা কোন অধ্যায় থেকে কি ধরনের প্রশ্ন আসে পরীক্ষায়।
/
(৫) যেসকল প্রশ্ন মনে থাকতে চাচ্ছেনা সেটি আলাদা করে দাগ দিয়ে রাখবেন।যেমন- আপনি ১০ম BCS এর ১০০টি প্রশ্ন একবার Reading পড়লেন। যেই ১০০টি প্রশ্ন পড়া শেষ হল ঠিক তখনই আবারো ১-১০০টি প্রশ্ন ২য় বারের মত পড়বেন। পড়তে গিয়ে দেখবেন যে একটু আগেই যে প্রশ্নগুলি পড়লেন এখনই সেই ১০০টি প্রশ্নের মধ্যে ৬টা বা ৮টা বা কিছু প্রশ্নের উত্তর পারছেন না। উদাহরণস্বরুপ, আপনি ৮টি প্রশ্নের উত্তর পারছেন না। তাহলে আপনি ঐ ৮টি প্রশ্ন আলাদা করে দাগিয়ে রাখবেন এবং সেগুলি ৩য় বারের মত পড়বেন। পুরো জব সলুশন একবার করে পড়া শেষ হলে আপনি যেগুলি পারতেন না, ৩য় বারের মত পড়তে হয়েছিল সেগুলি আবার একবার পড়বেন। এবার দেখবেন যে, ১০ম BCS এর যে ৮টি প্রশ্নের উত্তর আপনি পারতেন না এখন তার মধ্যে সবই পারে, শুধু ২/৩টি পারেন না। আপনি কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আগে Revision করার সময় ১০ম BCS থেকে শুধু এই ২/৩টি প্রশ্ন পড়বেন। এভাবে পড়লে দেখবেন যে পুরো জব সলুশন থেকে আপনি পারেন না এমন প্রশ্নের সংখ্যা ৫০০/৬০০ টির বেশি হবেনা। পরীক্ষার ২/১দিন আগে শুধু এই কয়টি প্রশ্ন পড়বেন। যে প্রশ্ন আপনি পরীক্ষার ২/১ দিন আগে না পড়লেও উত্তর দিতে পারতেন সে সকল প্রশ্ন পড়ে সময় নষ্ট করবেন না।
///
(৬) জব সলুশন থেকে ৫০০টি প্রশ্ন পড়তে আপনার যদি ৫ ঘন্টা সময় লাগে, আপনি এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সেটি ৩ ঘন্টা তে শেষ করতে পারবেন। উদাহরনস্বরুপ, আপনি ১০-১৪তম BCS এর ৫০০টি প্রশ্ন আপনি পড়বেন, শুরুতেই আপনি ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪তম BCS এর মুখস্থ প্রশ্নগুলি আগে পড়ে নিবেন। সাধারণ জ্ঞান, বাংলা এসব প্রশ্ন হল মুখস্থ প্রশ্ন। এখন ১০-১৪তম BCS এর আপনার পড়া বাঁকি আছে গণিত এবং ইংরেজি। আপনি যখন ইংরেজি পড়বেন তখন ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪তম BCS এর শুধু ইংরেজিই পড়বেন। এবার যখন গণিত পড়বেন তখন ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪তম BCS এর শুধু গণিতই পড়বেন।
//
এভাবে পড়লে আপনার পড়তেও বিরক্ত লাগবেনা আর সময়ও কম লাগবে। আর একসাথে আপনি এখনই সাধারণ জ্ঞান, এখনই গণিত, এখনই ইংরেজি পড়তে গেলে আপনার অরুচি লাগবে এবং সময়ও বেশি লাগবে

22/05/2026

অল্প সময়ে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিনিয়র অফিসার
সিলেবাস:
✅ ফোকাস রাইটিং বাংলা ও ইংরেজি
✅ সাধারণ জ্ঞান
✅গণিত
✅ট্রান্সলেশন (বাংলা টু ইংরেজি)
✅ ক্রিটিকাল থিংকিং এন্ড আর্গুমেন্ট রাইটিং
☑️বাংলা ব্যাকরণ - সিলেক্টেড অধ্যায়
☑️ইংরেজি - সিলেক্টেড অধ্যায়
☑️ফিন্যান্সিয়াল এন্ড ব্যাংকিং নলেজ
⏹️ফোকাস রাইটিং:
🔷স্টেপ-১- সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সকল (বাংলা ও ইংরেজি) ফোকাস রাইটিং এর লিস্ট করে নিন। আজ আমি হাইলাইটেড ২০টি ফোকাস রাইটিং শেয়ার করেছি।
🔷স্টেপ-২: ২/৩ টা বই (ইউনিক, লতিফুরস ইত্যাদি), বিভিন্ন অনলাইন পেইজ, গ্রুপ, একত্র করে নিজের মত করে প্রতিটি ফোকাস নোট করে রাখুন।
🔷স্টেপ-৩: সামনের দিনগুলোতে প্রতিদিন পত্রিকা রাখুন, অর্থনৈতিক ডেটা,টেবিল চার্ট সংগ্রহ করুন। পরীক্ষায় আসার মত হাইলাইটেড কোন সম্পাদকীয় পেলে সেটার কাটিং সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।
🔷স্টেপ-৪: এসব ডেটা, চার্ট, পেপার কাটিং নোট খাতার সংশ্লিষ্ট ফোকাসের সাথে স্ট্যাপল করে রাখবেন।
🔷স্টেপ-৫: নিয়মিত না পড়তে পারলেও ২ দিন পর হলেও একবার দেখে রাখতে পারেন যেনো ডেটাগুলো মনে থাকে।
⏺️ট্রান্সলেশন:
এখানে ভালো করার ব্যাপার আছে।
🔷স্টেপ-১: প্রথমে বিগত সালে যতগুলো ট্রান্সলেশন (বাংলা/ইংরেজি) আসছে প্রশ্ন ব্যাংক থেকে কিছু প্রাকটিস করে নিন।
🔷স্টেপ-২: অবশ্যই নিয়মিতভাবে প্রাকটিস করুন। অনুবাদ কম বেশি সবাই পারবেন কিন্তু বিষয় হলো কতটা সঠিক ও দ্রুত লিখতে পারলেন। আমি ভাবানুবাদ করার চেষ্টা করতাম। আক্ষরিক অনুবাদ লেখার কোয়ালিটি কমাতে সাহায্য করে।
🔷স্টেপ-৩: এই কম সময়ে বাজারের একটা বই থেকে প্রতিদিন একটি করে বাংলা টু ইংরেজি অনুবাদ প্রাকটিস করবেন।
🔷স্টেপ-৪: যেসকল ইংরেজি শব্দ নতুন মনে হবে, সাথে সাথে সেটা নোট রাখবেন।
🔷স্টেপ-৫: আপনার করা অনুবাদ কোনো মেন্টরকে দেখাতে পারেন।
⏹️গনিত:
এখানে যা করা যাবে না.....
❎ শুরুতেই শর্টকাট পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রব সমাধান করা যাবে না।
❎সূত্র না আয়ত্ত করে অধ্যায়ে যাওয়া যাবে না।
কারণ : এতে করে আপনি যখন সমাধান করতে না পারবেন, আত্মবিশ্বাস কমে যাবে।
❎এলোমেলো ভাবে অনুশীলন করা একদমই অনুচিত।
❎একদিন অনুশীলন করে ২ দিন বসে থাকার অভ্যাস পরিহার করা আবশ্যক।
➡️যা করতে হবে...
১। গণিতে দুর্বল হলে আগে নবম-দশম শ্রেণির বই থেকে সিলেক্টেড অধ্যায় করে নিতে হবে।
বীজগাণিতিক রাশি(৩.৫), ত্রিকোণমিতিক অনুপাত, দূরত্ব ও উচ্চতা, বীজগাণিতিক অনুপাত ও সমানুপাত এবং পরিমিতি।
২। এরপর আপনার সুবিধা ও পছন্দ অনুসারে বাজারের যেকোনো বই থেকে চ্যাপ্টার ওয়াইজ অনুশীলন করতে পারেন। আমি শাহীনস ম্যাথ থেকে করতাম।
এখান থেকে নিম্নোক্ত চ্যাপ্টারগুলো অনুশীলন করতে পারেন...
শতকরা, লাভ-ক্ষতি, মুনাফা, ঐকিক নিয়ম(কাজ, চৌবাচ্চা, ট্রেন, নৌকা ও স্রোত), অনুপাত, গড়, বয়স সংক্রান্ত সমস্যা, সংখ্যার স্থান বিনিময় সংক্রান্ত সমস্যা, জ্যামিতি, পরিমিতি, ঘন জ্যামিতি ও সম্ভাবনা।
৩। একটু এডভান্সড প্রিপারেশন এর জন্য(যদি পারেন) Quantitative Aptitude by R.S. Agarwal দেখতে পারেন।
⏹️ইংরেজি ও বাংলা ব্যাকরণ :
সিলেবাসের প্রদত্ত চ্যাপ্টারগুলো বাংলার জন্য অগ্রদূত বা জর্জের বই এবং ইংরেজির জন্য জাস্ট MASTER থেকে পড়ুন।
✅সাধারণ জ্ঞান: এই অংশে ১০ নম্বর বরাদ্দ আছে। ৫টি বা ১০ টি প্রশ্ন থাকবে এবং এক কথায় উত্তর করতে হবে।
এখানে ভাল করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদি প্রিপারেশন থাকতে হয়। কিন্তু এখন যেহেতু সময় কম তাই একটু কৌশল অবলম্বন করা উচিত। আগে যা পড়েছেন তাই যথেষ্ট নতুন করে শুধু সাম্প্রতিক হাইলাইটস বা ক্যাপসুল(লাস্ট ১ বছর) দেখতে পারেন।
✅ফিন্যান্সিয়াল এন্ড ব্যাংকিং নলেজ:
বাংলাদেশ এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয়গুলো দেখুন। বিভিন্ন ব্যাংকিং সম্পর্কিত শব্দ, সংজ্ঞা, পূর্ণরুপ দেখুন।
✅আর্গুমেন্ট রাইটিং:
আর্গুমেন্ট বা ক্রিটিকাল থিংকিং দুটো দিক থাকে...
১। পক্ষে
২। বিপক্ষে
আপনাকে দুই দিকেই যুক্তি দিয়ে আলোচনা করতে হবে।
➡️প্রথমে ইন্ট্রুডাক্টরী কথাবার্তা
➡️ পক্ষে- বিপক্ষে আলোচনা
➡️ একটা কনক্লুশন
এখানে ভালো করতে বিশ্লেষণধর্মী দক্ষতা থাকতে হবে।
অনেকেই এই পার্ট নিয়ে বেশ চিন্তিত। কিন্তু এটা নিয়ে এখন বেশি প্যারা নিয়েন না। একটা ফরমেট তৈরি করে সে অনুসারে প্রস্তুতি নিন।
👉👉এরপরের পোস্ট কি নিয়ে হতে পারে তা কমেন্ট করে জানাবেন।
✅চাকুরির পরীক্ষার প্রস্তুতি বিষয়ক গাইডলাইন পেতে আমাকে ফলো দিয়ে রাখুন।
ধন্যবাদ ❤️
শুভকামনায়,
ব্যাসদেব দে
সহকারী পরিচালক
বাংলাদেশ ব্যাংক।

22/05/2026

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি দুই-ই আটকে

22/05/2026

ব্যাখ্যা সহ পড়ুন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা?
ক)৩০০ নটিক্যাল মাইল
খ)২০০ নটিক্যাল মাইল
গ)২৫০ নটিক্যাল মাইল
ঘ)১২ নটিক্যাল মাইল
।।
**সঠিক উত্তর: ঘ) ১২ নটিক্যাল মাইল**

আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী (UNCLOS):

- **আঞ্চলিক সমুদ্র (Territorial Sea):** ১২ নটিক্যাল মাইল — এটিই "রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা"
- **একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ):** ২০০ নটিক্যাল মাইল
- **মহীসোপান (Continental Shelf):** ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দাবি করা যায়

১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে বাংলাদেশের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বিদ্যমান।

22/05/2026

বিসিএস ভাইবা প্ল্যানিংঃ পর্ব-১

ভাইবাতে কোথায় থেকে কি প্রশ্ন হবে, কেমন প্রশ্ন হবে, তা স্পেসিফিক ভাবে জানা অসম্ভব। তবে প্রিভিয়াস প্রশ্ন প্যাটার্ন থেকে অনুমান করা যায় কি ধরনের প্রশ্ন হয়। তাই অনুমান করা প্রশ্ন কমন পাইলে তার উত্তর সুন্দর করে করাটা জরুরি।

কারণ এমন অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে যা আমরা জানবো না বা পারবো না বা কনফিউজিং বা পক্ষপাতমূলক হবে। যা জোর করে উত্তর না করাই ভালো।

তাই অনন্ত যে প্রশ্নগুলো অনুমান করা যায় সেগুলো সুন্দরভাবে, স্পষ্ট, কনফিডেন্সের সাথে গোছানো উত্তর করতে পারলে ভাইবা সুন্দর করা যায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই প্রশ্নগুলো আর প্যাটার্নগুলো কই পাবেন, কিভাবে পাবেন, উত্তর কিভাবে পাবেন? প্যাটার্ন আমি দিয়ে দিচ্ছি আর প্রশ্নগুলো আপনি সংগ্রহ করে নিবেন। প্রশ্ন কই থেকে পাবেন তাও বলে দিচ্ছি।

সাধারণভাবে ভাইবা বোর্ডে যে প্যাটার্নগুলো থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকেঃ(আমার ব্যক্তিগত মতামত)

১.নিজ ও নিজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে:
ভাইবার খুব কমন আর আইস ব্রেকিং প্রশ্ন হচ্ছে: আপনার পরিচয় দিন, আপনার সম্পর্কে বলুন, আপনি বর্তমানে কি করেন, আপনার পরিবার ইত্যাদি ইত্যাদি।

২.নিজের জেলা:
আপনার জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, নামের ইতিহাস, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা,ব্যক্তি, তাদের কাহিনি, অর্থনৈতিক গুরুত্ব, বিখ্যাত এলাকা, খাবার, সীমান্তবর্তী জেলা, কোন বিখ্যাত কৃষি পন্য তার বানিজ্যিক অবদান, সম্ভাবনা ইত্যাদি। আর জেলা সম্পর্কে আরেকটা বিষয় জরুরি তা হলো জেলার মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ইতিহাস ও অবদান।

৩.নিজের ভার্সিটি ও সাবজেক্ট:
নিজের ভার্সিটির জেলাও গুরুত্বপূর্ণ। জেলার মতো এই জেলার ডিটেইলসও জানতে পারলে ভালো হয়। নিজের ভার্সিটির ইতিহাস, বিভিন্ন অর্জন, ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ স্যারদের সম্পর্কে, ভিসি সম্পর্কে ( বিভিন্ন স্যার বা ভিসিরা দেখা যায় বোর্ডের পরিচিত থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি যদি তাদের সম্পর্কে জানেন তাহলে এটা একটা পজিটিভ ভাইব দেয় ভাইবাতে)।
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হচ্ছে অনার্স মাস্টার্সের সাবজেক্ট.
এখন সাবজেক্ট থেকে কেমন প্রশ্ন আসে? আমি যেহেতু জেনারেল ক্যাডারে ভাইবা দিছি তাই জাস্ট বেসিক কিছু বিষয় সম্পর্কে জানছি এবং তাতেই কমন পাইছি। প্রশ্ন কই পাবেন বলছি পরে।

৪. ক্যাডার চয়েস:
ভাইবাতে একটা অন্যতম প্যাটার্নের প্রশ্ন হয় ক্যাডার চয়েস নিয়ে। কেন দিছি, উদ্দেশ্য কি, ভবিষ্যতে কি করতে চাই, আমার সাবজেক্টের সাথে এই ক্যাডারের সম্পর্ক কি? কিভাবে আমার অনার্স মাস্টার্সের সাবজেক্ট জ্ঞান এই ক্যাডারে কাজে লাগবো এগুলো নিয়ে।
"দেশের সেবার জন্য *** ক্যাডারে আসতে চাই, দেশের সেবা করতে চাই" এমন উত্তরে বোর্ড তেমন ভালোভাবে নেয় না।

৫.বর্তমান বিষয়:
সাম্প্রতিক কিছু হট টপিক থাকে আলোচনায়। এগুলো হতে পারে দেশের ভেতরের কোন ঘটনা বা আন্তর্জাতিক, খেলাধূলা, অর্থনীতি, চুক্তি, সম্মেলন, যুদ্ধ, বিজ্ঞানের সফলতা, বিখ্যাত ব্যক্তিদের সফর ইত্যাদি।

৬:বিবিধ :
এটা হচ্ছে আমার কাছে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয়। প্রশ্ন করে উল্টাপাল্টা, জগাখিচুরির মতো। কিন্তু উত্তর না পারলেও সমস্যা নাই। বরঞ্চ উত্তর দেয়াটাই উচিত। এগুলো নিয়ে স্যাররাই আলোচনা করে বেশি। আপনি শুধু জ্বি স্যার, হ্যাঁ স্যার করে মাথা নাড়াইলেই হবে।

প্রশ্নগুলো কই পাবেন:
ভাইবার প্রশ্ন গুলো পাবেন বিভিন্ন বই,পত্রিকা, ফেসবুক গ্রুপ, পেজ, সিনিয়রদের কাছ থেকে, ভাইবার অভিজ্ঞতা থেকে।আমার ভাইবার জন্য আমি ২০১৯ থেকে ভাইবার প্রিভিয়াস প্রশ্ন সংগ্রহ করতাম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ থেকে। এক সময় অনেক হইছে এবং এগুলো থেকেই আমি এই প্রশ্ন প্যাটার্ন বের করছি।

প্রশ্ন বাছাই:
প্রিভিয়াস প্রশ্ন তো অনেক পাবেন। এখন বিষয় হচ্ছে কোন গুলো আপনার জন্য?
মনে করেন আপনার বাসা রাজশাহী, কোন দিনও আপনাকে জিজ্ঞেস করবে না কুমিল্লার রসমালাই কেন বিখ্যাত? আবার আপনার যদি সাবজেক্ট হয় ইংলিশ তাহলে আপনাকে পরিসংখ্যানের কোরিলেশন,রিগ্রেশন নিয়ে প্রশ্ন করবে না। মোট কথা ওই প্রশ্ন গুলোই আপনাকে করবে যেগুলো আপনার জেলা, সাবজেক্ট, চয়েসের সাথে যায়।

প্রশ্নের উত্তর:
ভাইবার জন্য আলাদা একটা খাতা বানাবেন, পাঁচ টা প্যাটার্নের জন্য আলাদা আলাদা ভাগ রাখবেন। যে প্রশ্ন পাবেন, সেই প্রশ্ন সেই ভাগে লিখবেন।এবার প্রশ্নের উত্তর আপনার নিজের মতো করে লিখবেন।
আবার কিছু প্রশ্ন করা হয় নিজের দেয়া উত্তরের মধ্য থেকেই। তাই উত্তরের শব্দ চয়নও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন সংগ্রহ, বাছাই আর নিজে উত্তর গুলো তৈরি করে বারবার প্যাকটিস করলে বোর্ডের সামনে অনন্ত এই কমন প্রশ্নগুলোর উত্তর সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা যায়। স্টেজে মেরে দিতে গেলে কিন্তু সমস্যা হবে বোর্ডের সামনে। তাছাড়া এমন গোছানো প্রিপারেশন ক্যান্ডিডেটের কনফিডেন্সও বাড়াবে।

বেস্ট অব লাক!!!💜
মে হে দী
সহকারী পুলিশ সুপার

22/05/2026

জব সল্যুশন থেকে মোটামুটি সব বিষয়ের উপর আমার ব্যক্তিগত নোট আপনাদের সাথে ইতোমধ্যে শেয়ার করেছি।

সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ের কিছু নোট ছিল। ব্যস্ততার কারণে গুছিয়ে দিতে পারিনি।

আপনারা নিচের নোটটি কপি করে Gemini -কে দিয়ে গুছিয়ে নিবেন🌿

সাধারণ বিজ্ঞান
১। অর্কিড কি ধরণের উদ্ভিদ - পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ
২। ধানের বাদামি রোগ হয়- ছত্রাক দ্বারা
৩। ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ- ডিপথেরিয়া
৪। ফনোগ্রাম আবিষ্কার করেন - এডিসন
৫। স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ পড়ে - ১৫ পাউন্ড
৬। আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে- ৫%
৭। আয়নার পেছনে কোন ধাতুটি ব্যবহৃত হয়- পারদ বা রূপা
৮। আমলকিতে কোন এসিড থাকে- এমাইনো এসিড
৯। রক্তে প্রোটিনের হার- ৬-৮%
১০। হাটুতে কান থাকে- ফড়িংয়ের
১১। পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে রক্তের পরিমাণ- ৫-৬ লিটার
১২। প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষের শরীরে পানির পরিমাণ- পুরুষ ৬০%, মহিলা ৫০%
১৩। ক্লোরিন গ্যাসের বর্ণ- পীতাভ সবুজ
১৪। কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়- সিলিকন ডাই অক্সাইড
১৫। শিখা পরীক্ষায় নিচের কোন আয়নের বর্ণ পোড়া ইটের মত লাল?- সোডিয়াম (Na)
১৬। রক্তে রক্তরসের হার- ৫৫%, রক্তকণিকা- ৪৫%
১৭। গাড়ির ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিড- ৩৫%, পানি- ৬৫%। মিশ্রণকে বলে ইলেক্ট্রোলাইট।
১৮। প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়- এলুমিনিয়াম
১৯। HIV একটি- RNA ভাইরাস
২০। হলুদ ও নীল রং মিলে হয়- সবুজ রং
২১। উদ্ভিদদেহে পটাশিয়ামের কাজ কী?- ফল ও বীজ গঠনে সাহায্য করে
২২। বণ্যপ্রাণী আইন চালু হয়- ১৯৭৪ সালে।
২৩। নিচের কোনটি বোরো ধান?- চন্দনা
২৪। রক্তশূন্যতা হলে চুপসে যায়- শিরা
২৫। ঐচ্ছিক পেশি পাওয়া যায়- মধ্যচ্ছদায়
২৬। দেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ- ইউট্রিকুলাস
২৭। ফাইব্রিনোজেন তৈরি হয়- যকৃতে
২৮। কোন খাদ্য সক্রিয় পরিশোষণে শোষিত হয়?- খনিজ লবণ
২৯। কোনটি পুষ্পায়নে সহায়তা করে?- ফ্লোরিজেন
৩০। সমুদ্রের লবণাক্ত পানিতে শতকরা কতভাগ NaCl দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে? - ২.৫৬%
৩১। মৃদু চেতনানাশকরূপে ব্যবহৃত গ্যাস কোনটি?- N20
৩২। চায়না ক্লে যৌগে কোন ধাতু বিদ্যমান? Al
৩৩। আলোর তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের অবতারণা করেন- ম্যাক্সওয়েল
৩৪। কোনটি তাপ অপরিবাহক?- ফেল্ট
৩৫। 'Historia Animalia' গ্রন্থের রচয়িতা- এরিস্টটল
৩৬। অ্যারোমাটিক অ্যামাইনো এসিড কোনটি?- ফিনাইল এলানিন
৩৭। র‍্যাফ্লেশিয়া- পৃথিবীর বৃহত্তম ফুল কোন দেশে পাওয়া যায়?- ইন্দোনেশিয়া
৩৮। হরলিক্স পাউডার বাতাসে রাখলে যে প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে পানি শোষণ করে- ইমবাইবিশন
৭৪। কোন গ্যাসের বর্ণ বাদামী?- NO2
৭৫। কোন পদার্থটির আন্তঃআণবিক শক্তি কম?- লবণ
৭৬। কোনটি ধনাত্মক যৌগমূলক?- অ্যামোনিয়াম
৭৭। বিকীর্ণ তাপ কোনটির উপর নির্ভর করে না?- তরঙ্গের তীব্রতা
৭৮। দৃশ্যমান বর্ণালির মাঝামাঝি তরঙ্গদৈর্ঘ্যসবচেয়ে কোন রঙের আলোর?- সবুজ
৭৯। ভয় পেলে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়?- অ্যাড্রোলিন
৮০। কোনটি সাবানকে শক্ত করে?- সোডিয়াম সিলিকেট
৮১। কোরয়েডের নিচে অবস্তিত একমাত্র আলোক সংবেদী অংশ- রেটিনা
৮২। বস্তুর প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে- রেটিনা
৮৩। কোনটিকে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়- মেডুলা
৮৪। মানুষের চোখের শ্বেতমণ্ডলের সামনের অংশের নাম- কর্নিয়া
৮৫। প্রকৃতিতে পারদ কী রূপে থাকে?- সালফাইড সিনাবার, পারমাণবিক সংখ্যা ৮০।
৮৬। পানিতে শব্দের গতি- ১৪৫০ মি/সে, লোহায়- ৫২২১ মি/সে, বাতাসে ৩৩২ মি/সে
৮৭। তড়িৎ প্রবাহের একক- অ্যাম্পিয়ার
৮৮। নিউক্লিয়াসের উপাদান- ৪টি (নিউক্লিওলাস, নিওক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম
৮৯। ক্রোমোজম থাকে- নিউক্লিয়ার রেটিকুলামের ভেতরে
৯০। 'ডায়নামো' আবিষ্কার করেন- মাইকেল ফ্যারাডে (১৮৩১)
৯১৷ টেলিফোন আবিষ্কার- ১৮৭৬
৯২। বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কত শতাংশের বেশি হলে কোনো প্রাণী বাঁচতে পারবে না?- ২৫%
৯৩। ক্রোমোজমে কোন দুই ধরনের প্রোটিন থাকে?- হিস্টোন ও নন-হিস্টোন
৯৪। টাংস্টেনের গলনাংক- ৩৪১০° সেন্টিগ্রেড
৯৫। ক্ষমতার একক- অশ্বশক্তি (হর্স পাওয়ার)
৯৬। সর্বাপেক্ষা বেশি কর্মদক্ষতা সম্পন্ন ইঞ্জিন- বৈদ্যুতিক মোটর
৯৭। সল্টকেকের রাসায়নিক নাম- সোডিয়াম সালফেট
৯৮। হাইপো এর রাসায়নিক নাম- সোডিয়াম থায়োসালফেট
৯৯। লিভারের গ্লাইকোজেনকে ভেঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে- গ্লুকাগন
১০০। ছত্রাক সংক্রান্ত বিদ্যা- Mycology
১০১। বৈদ্যুতিক যন্ত্রে ইলেক্ট্রোডরূপে ব্যবহৃত হয়- গ্রাফাইট (বিদ্যুৎ পরিবাহী)
১০২। ভিটামিন বি-১ বা থিয়ামিনের অভাবে হয়- বেরিবেরি রোগ
১০৩। ভিটামিন বি-৬ বা ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে হয়- পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়া রোগ
১০৪। রূপান্তরিত কাণ্ড- পেয়াজ, রসুন
১০৫। কোন ভিটামিনের অভাবে মুখে ও জিহ্বায় ঘা হয়?- ভিটামিন বি-২
১০৬। বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী উপাদানের নাম কী?- ক্রোমোজোম
১০৭। বায়োগ্যাসে শতকরা কতভাগ মিথেন থাকে?- ৬০-৭০
১০৮। রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে- অণুচক্রিকা, ফাইব্রিনোজেন, ফ্রোথ্রোম্বিন, থ্রোম্বোপ্লাস্টিন, ক্যালসিয়াম আয়ন।
১০৯। মানবদেহের রাসায়নিক দূত- হরমোন
১১০। প্রকৃতিতে পাওয়া মৌলিক পদার্থের সংখ্যা- ৯৮, কৃত্রিম ১৬/২০
১১১। মানুষের রক্তের pH- ৭.২ - ৭.৪
১১২। পাকা কলায় কোন এস্টার থাকে?- অ্যামাইল অ্যাসিটেট
১১৩। স্তন্যপায়ী প্রাণী- বাদুর, প্লাটিপাস, কোয়ালা, তিমি
১১৪। দানাদার শ্বেতকণিকা তিন প্রকার- নিউট্রোফিল, ইউসিনোফিল, বেসোফিল
১১৫। প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান- মিথেন (৮০-৯০), ইথেন (১৩), প্রোপেন (৩)
১১৬। আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ- ৯৫%-৯৯%
১১৭। রোধ পরিমাপের একক- ওহম
১১৮। সিজিএস পদ্ধতিতে বলের একক- ডাইন
১১৯। উদ্যান বা বৃক্ষচাষ বিষয়ক বিদ্যা- হর্টিকালচার
১২০। প্রস্বেদন পাতার একটি- বিশেষ কাজ
১২১। কোন কাণ্ড খাদ্য তৈরি করে- সবুজ কাণ্ড
১২২। সিলিন্ডারে যে গ্যাস বিক্রি হয় তার নাম- বিউটেন
১২৩। মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি- যকৃত
১২৪। উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী গ্রন্থি- পিটুইটারি গ্রন্থি। একে গ্রন্থিরাজ বলা হয়। এর অবস্থান অগ্রমস্তিষ্কে।
১২৫। দুধে যে প্রোটিন থাকে তার নাম- কেসিন
১২৬। স্টেইনলেস স্টীলের উপাদান- লোহা (৭৩%), ক্রোমিয়াম (১৮%), নিকেল (৮%), কার্বন (১%)।
১২৭। রক্তরসে থাকে- শর্করা, লবণ, ইউরিক এসিড।
১২৮। রক্তকণিকায় থাকে- হিমোগ্লোবিন।
১২৯। সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম, মূল্যবান পদার্থ- হীরক।
১৩০। পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে কী বের হয়?- বেরিয়াম ও ক্রিপ্টন।
১৩১। চৌম্বক পদার্থ নয়- পারদ, বিসমাথ, অ্যান্টিমনি।
১৩২। পাটের সোনালী আঁশ পাওয়া যায়- ফ্লোয়েম তন্তু থেকে।
১৩৩। মরিচার সংকেত- nH2O.Fe2O3 (আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড)
১৩৪। বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে- থাইরয়েড গ্রন্থি।
১৩৫। গ্লুকোজ একটি- মনোস্যাকারাইড।
১৩৬। পোলিও রোগের টিকার নাম- OPV; ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টংকার রোগের টিকা- DPT; যক্ষা রোগের টিকা- BCG; গর্ভাবস্থায় মায়েদের অত্যাবশকীয় টিকা- TT (Tetanus Toxoid).
১৩৭। রক্ত সংগ্রহ করা হয়- মিডিয়ান কিউবিটাল শিরা থেকে।
১৩৮। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে বলে- জন্ডিস।
১৩৯। ইউরিয়া সারের রাসায়নিক সংকেত- NH2-CO-NH2
১৪০। রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কার করেন- মেরী ক্যুরি।
১৪১। 'মহাবিশ্ব ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে' এ তত্ত্ব দেন- বিজ্ঞানী হাবল।
১৪২। পানিতে দ্রবণীয়- ক্ষার ধাতুর কার্বনেট লবণ।
১৪৩। জেরোপথ্যালমিয়া রোগ হয়- ভিটামিন-এ এর অভাবে।
১৪৪। নিউমোনিয়ার টিকা- PCV (Pneumococcal Conjugate Vaccine).
১৪৫। পানি কোন পদ্ধতিতে তাপ পরিবহন করে?- পরিচলন পদ্ধতিতে।
১৪৬। তুঁতের রাসায়নিক নাম- ব্লু ভিট্রিয়ল বা পেন্টাহাইড্রেড কপার সালফেট। এর বর্ণ নীল।
১৪৭। কোন পদার্থের প্রসারণ ব্যতিক্রমধর্মী?- পানি।
১৪৮। সূর্যের আলো থেকে আগত শক্তির কতটুকু সবুজ উদ্ভিদ ব্যবহার?- ১%
১৪৯। ব্যাটারির ক্যাপাসিটি পরিমাপ করা হয়- Ampere-hour.
১৫০। পড়ন্ত বস্তুর সূত্র- h:t2
১৫১। কোন মৌলিক পদার্থ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আছে?- অক্সিজেন।
১৫২। লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি আর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
১৫৩। অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় বলে- ফিটকিরি।
১৫৪। কোন অধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী?- ক্লোরিন।
১৫৫। পানির চেয়ে হালকা ধাতু- সোডিয়াম ও পটাশিয়াম।
১৫৬। পানিতে কার্বনডাইঅক্সাইডের দ্রবণকে বলা হয়- সোডা ওয়াটার।
১৫৭। আলোর কণা তত্ত্বের প্রবর্তক- নিউটন।
১৫৮। আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবর্তক- হাইগেন।
১৫৯। কলয়েডধর্মী বিভিন্ন পদার্থ যে প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের তরল পদার্থ শোষণ করে তাকে ইমবাইবিশন বলে।
১৬০। বিশুদ্ধ এসকরবিক এসিড (ভিটামিন সি) সাদা, দানাদার, সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। এ ভিটামিন তাপ, আলো, বাতাস, ক্ষার ও ধাতবের সংস্পর্শে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।
১৬১। ডিমের সাদা অংশে, রক্তরসে ও দুধে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিন থাকে। যেসব প্রোটিন পানিতে সহজে দ্রবীভূত হয়ে ঘোলাটে দ্রবণ সৃষ্টি করে, তাকে অ্যালবুমিন বলে। তাপ দিলে এরা জমাট বাঁধে।
১৬২। লুপ অব হেনলি মানব শরীরের কোন অঙ্গের অংশ?- নেফ্রন।
১৬৩। আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশকীয় ফ্যাটি এসিড- ওমেগা-৩ (তৈলাক্ত মাছ, তিসির বীজ, মাছের তেলের সাপ্লিমেন্ট। এটি রক্তকে পাতলা করে শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রা কমায়)
১৬৪। ১ গ্রাম প্রোটিনে ক্যালরির পরিমাণ- ৪ ক্যালোরি।
১৬৫। বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় বিনামূল্যে ১০টি রোগের টিকা সরবরাহ করা হয়।
১৬৬। অণুচক্রিকা বর্ণহীন, নিউক্লিয়াসবিহীন, নির্দিষ্ট আকৃতিবিহীন।
১৬৭। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। এর pH এর মাত্রা ৭.৩৫-৭.৪৫। অজৈব লবণের উপস্থিতির জন্য রক্ত লবণাক্ত।
১৬৮। অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট কোন তন্ত্রের অংশ?- স্নায়ুতন্ত্র।
১৬৯। পরম তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের গাণিতিক আয়তন শূন্য হয়। পরম তাপমাত্রা হলো- ০° কেলভিন বা -২৭৩.১৫° সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭° ফারেনহাইট।
১৭০। খাদ্য হজম প্রক্রিয়া শুরু হয়- পাকস্থলীতে।
১৭১। কার্বন মনোক্সাইড হলো একটি বিষাক্ত গ্যাস, যার রঙ এবং গন্ধ নেই।
১৭২। কোষের অংশ নয়- প্লাজমা৷ অংশ- সেলমেমব্রেন বা কোষঝিল্লী, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস।
১৭৩। রক্তের তরল অংশকে বলে- প্লাজমা
১৭৪। রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় হেপাটাইটিস-বি, সি ও ম্যালেরিয়া। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ায় হেপাটাইটিস-এ, ই।
১৭৫। ভ্যাক্সিন বা টিকা আবিষ্কার করেন- এডওয়ার্ড জেনার।
১৭৬। ক্যান্সার রোগের কারণ- অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস কোষ বিভাজন।
১৭৭। মানবদেহের সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি- পিটুইটারি গ্রন্থি।
১৭৮। পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন- বি ও সি। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন- এ, ডি, ই, কে।
১৭৯। ক্রোমোজোমের কার্যগত একক- জিন।
১৮০। আদর্শ অ্যামিটারের রোধ- শূন্য। আদর্শ ভোল্টমিটারের রোধ- অসীম।
১৮১। সিলিকনের সাথে কোন পদার্থ যোগ করলে p- টাইপে পরিণত হয়?- বোরন।
১৮২। n-p-n ট্রানজিস্টরে 'p' অংশটি হলো- ভিত্তি।
১৮৩। যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল মৌল তেজস্ক্রিয় ধর্ম প্রদর্শন করে।
১৮৪। Ductility হলো কোনো পদার্থের বাকা বা প্রসারিত হবার ধর্ম। সর্বাধিক ductility পদার্থ হলো প্লাটিনাম।
১৮৫। 'জেনেটিক্স' শব্দের প্রথম প্রয়োগ করেন- বেটসন।
১৮৬। রক্তে লোহিত কণিকা ও শ্বেত কণিকার অনুপাত ৭০০:১। রক্তে শ্বেত কণিকা বেশি থাকলে তাকে লিউকোসাইটোসিস এবং কম থাকলে তাকে লিউকোপেনিয়া বলে।
১৮৭। বায়োগ্যাসে মিথেনের পরিমাণ- ৬৫%
১৮৮। জীবাশ্ম অধ্যয়ন- Paleontology.
১৮৯। দুধ পাস্তুরিকরণে কত ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করতে হয়?- ১৪৫° ফারেনহাইট।
১৯০। দেহের মোট চাহিদার ৮০% ভিটামিন-ডি আসে- সূর্যালোক থেকে।
১৯১। গাছ বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন।
১৯২। গ্যাসের আণবিক গতির সাথে যে শক্তি নিহিত থাকে- অভ্যন্তরীণ শক্তি।
১৯৩। চাপের একক- বার (bar).
১৯৪। রাসায়নিক সাম্যাবস্থার উপর কোনটির প্রভাব কার্যকর নয়?- প্রভাবক।
১৯৫। রেকটিফাইড স্পিরিটে পানি থাকে- ৪.৪%।
১৯৬। ফেনফথ্যালিন নির্দেশকের অম্লীয় মাধ্যমে বর্ণ- বর্ণহীন।
১৯৭। তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ- কোনো চার্জ বহন করে না।
১৯৮। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ প্রদর্শন করে- পোলারায়ন।
১৯৯। ড্রাইসেলে উপাদান হিসেবে থাকে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পেস্ট, কার্বন দণ্ড, দস্তার তৈরি চোঙাকৃতির পাত্র, ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড, কয়লার গুড়ো, পিতলের টুপি এবং শক্ত কাগজ। এতে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দণ্ড ও দস্তার তৈরি চোঙাকৃতি পাত্র ব্যবহৃত হয়।
২০০। ফুসফুসযুক্ত মাছ- কৈ, শিং, মাগুর।
২০১। প্রেসার কুকারে বাষ্পের বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধির ফলে পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
২০২। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে- পরমাণু। অণু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। অণুকে ভাঙলে পরমাণু পাওয়া যায়।
২০৩। ইস্পাতে লোহার পরিমাণ ৯৮.৫%-৯৯.৮৫% এবং কার্বনের পরিমাণ ০.১৫%-১.৫%
২০৪। রকেট উড্ডয়নের ক্ষেত্রে কাজ করে- নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র।
২০৫। মাধ্যম পরিবর্তনে আলোক রশ্মি অভিমুখ বদলায়। এর নাম প্রতিসরণ। প্রতিসরণের ফলে লঘু মাধ্যম (বায়ু) থেকে ঘনতর (পানি) মাধ্যমে গেলে প্রতিসৃত রশ্মি আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্বের দিকে সরে আসবে। আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে বড় হবে। ঘন মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে গেলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ থেকে ছোট হবে।
২০৬। অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে- পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে।
২০৭। তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে কম্পনাঙ্ক কমবে। তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে।
২০৮। রোগ নির্ণয়, ধাতব বস্তুর ভেতরে কোনো ত্রুটি থাকলে তা ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়- আলট্রাসনোগ্রাফি।
২০৯। যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতো কম সে আলোর বিক্ষেপণ ততো বেশি। নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে এর বিক্ষেপণ বেশি। যার ফলে বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলো ছড়ায় বলে আকাশ নীল দেখায়।
২১০। ফনোগ্রাম, সিনেমাস্কোপ আবিষ্কার করেন- টমাস আলভা এডিসন।
২১১। বিশুদ্ধ অবস্থায় হীরক- বর্ণহীন।
২১২। প্রোটিন পরিপাকে সহায়তা করে- 'ট্রিপসিন' ও 'পেপসিন' নামক এনজাইম।
২১৩। কার্বোহাইড্রেট পরিপাকে সহায়তা করে- 'এমাইলেজ' নামক এনজাইম।
২১৪। দেহের কোষ ও অঙ্গসমূহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে- হরমোন।
২১৫। নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা সমান, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন- আইসোমার।
২১৬। উদ্ভিদ কোষ আবিষ্কার করেন- রবার্ট হুক।
২১৭। পীতজ্বরের জীবাণু বহন করে- এডিস মশা।
২১৮। তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন- ফ্যারাডে।
২১৯। হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র- স্টেথোস্কোপ।
২২০। হৃৎপিণ্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- কার্ডিওগ্রাফ।
২২১। হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা ও রোগ শনাক্তকরণ যন্ত্র- ইকোকার্ডিওগ্রাফ।
২২২। মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে কিন্তু ফুল ও ফল হয় না- ফণিমনসা।
২২৩। কোমল কাণ্ডযুক্ত ছোট ছোট উদ্ভিদ- বীরৎ (ধান, ছোলা, আদা)।
২২৪। যেসব উদ্ভিদ আকারে ছোট ও কাষ্ঠল কিন্তু গুড়ি নেই তাদেরকে গুল্ম বলে (গোলাপ, জবা)।
২২৫। কিছু শৈবাল ও ছত্রাক যাদের মূল নেই- মিউকর, সারগামাস, ঈস্ট।
২২৬। সার্কিট ব্রেকারের ফিউজ তৈরি হয় সাধারণত- টিন ও সীসা দিয়ে।
২২৭। তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র- অ্যামিটার।
২২৮। সংকর ধাতু নাইক্রোমের আপেক্ষিক রোধ বেশি এবং উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধিতে রোধের পরিবর্তন কম।
২২৯। স্যালিক এসিড পাওয়া যায়- টমেটোতে।
২৩০। সালোকসংশ্লেষণ একেবারেই হয় না- সবুজ আলোতে।
২৩১। গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য অন্য সব রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় ক্ষুদ্র।
২৩২। ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে- প্যাপিলোমা ভাইরাস।
২৩৩। পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে ক্ষার ধাতু ব্যবহার করা হয়। কারণ ক্ষার ধাতুসমূহের তাপ পরিবাহকতা ও তাপ স্থানান্তর করার ক্ষমতা বেশি।
২৩৪। টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় ব্যবহৃত হয়- সিরামিক চুম্বক।
২৩৫। ভূত্বকে প্রাপ্ত ধাতু- অ্যালুমিনিয়াম (৮%), লৌহ (৫%)।
২৩৬। চুনের রাসায়নিক সংকেত- ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, কস্টিক সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaOH. সেভিং সোপের মূল উপাদান- পটাসিয়াম স্টেয়ারেট।
২৩৭। অক্সিজেন আবিষ্কার করেন- জোসেফ প্রিস্টলি, অক্সিজেন নামকরণ করেন- ল্যাভয়সিয়ে।
২৩৮। পুরনো মডেলের টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরে ক্যাথোড রে টিউব (CRT) ব্যবহার করা হয়।
২৩৯। সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণায়ক যন্ত্র- ক্রনোমিটার।
২৪০। সংকর ধাতু ব্রোঞ্জ বা কাসার উপাদান- তামা ও টিন।
২৪১। তাপ পরিমাপক যন্ত্র- ক্যালরিমিটার।
২৪২। বিদ্যুৎ পরিবাহী- কার্বন, কয়লা, মাটি, পারদ।
২৪৩। যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি। এক্ষেত্রে রূপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।
২৪৪। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ- ৪৬%।
২৪৫। বেকিং পাউডারের সংকেত- NaHCO3 সোডিয়াম বাইকার্বনেট। ক্যালসিয়াম কার্বনেটকে বলা হয়- কোরাল।
২৪৬। নিউক্লিয়াসে শুধু প্রোটন আছে এমন পদার্থ- হাইড্রোজেন।
২৪৫। হিমোগ্লোবিনে লৌহের পরিমাণ ৪% আর প্রোটিন বা আমিষের পরিমাণ ৯৬%।
২৪৬। ডিএনএ প্রথম উপস্থাপন করেন- ফ্রেডরিক মাসচার।
২৪৭। আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে- ট্রিপসিন।
২৪৮। থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো-থাইরয়ডিজম বলে।
২৪৯। মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো- ত্বক, অশ্রু, শ্লেষ্মা, মুখের লালা, চোখের পাতা, পাকস্থলী এসিড।
২৫০। সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়- পেনিসিলিয়াম।
২৫১। শুষ্ক বরফ করতে কার্বনডাইঅক্সাইডকে -৭৮.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করতে হয়।
২৫২। ডায়াচুম্বক পদার্থ: পানি, দস্তা, পারদ, স্বর্ণ, সীসা, টিন। প্যারাচুম্বক পদার্থ: অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, এন্টিমনি, অক্সিজেন। ফেরোচুম্বক পদার্থ: লোহা, ইস্পাত, কোবাল্ট।
✍️✍️
ফরহাদ চৌধুরী
৪৯ ও ৪৬তম বিসিএস এ সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka