15/08/2026
https://www.facebook.com/share/v/1BdmbMwkno/
এই যে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মোটামুটি সব জায়গায় তারা ব্যর্থ—কোনো জায়গায় তারা সফলতার বিন্দুমাত্র প্রমাণ রাখতে পারেনি। শুধুমাত্র একটা জায়গা বাদে, আর সেটি হচ্ছে দলীয় নিয়োগের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেকোনোভাবে বিন্দুমাত্র বিএনপিকে তাদের ন্যারেটিভ দিয়ে, তাদের কথা দিয়ে, তাদের বুদ্ধি দিয়ে, অথবা যুক্তি-কুযুক্তি-অযুক্তির যাই হোক না কেন, যা দিয়েই সাহায্য করেছে, বিএনপির পক্ষে বলেছে, বিএনপির পক্ষে কিছু করার চেষ্টা করেছে, অথবা এ ধরনের একটা অন্তত পাবলিক পার্সেপশন তৈরি করতে পেরেছে যে তারা বিএনপির জন্য অনেক খেটে চলেছে—বিএনপি থেকে দলীয়ভাবে অথবা সরকারি টাকায় (বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি টাকায় সরকারের দায়িত্ব দিয়ে) তাদের পুরস্কৃত করেছে।
আমরা যদি নাম বলি, এই নাম শুরু হয় ডক্টর জাহিদুর রহমানকে দিয়ে। কিন্তু ডক্টর জাহিদুর রহমানের তেমন বেশি সমালোচনা হয়নি, কারণ মানুষ—আমি আসলেই বিশ্বাস করি বাংলাদেশের অনেক মানুষ বিশ্বাস করে—জাহিদুর রহমান যথেষ্ট জ্ঞানী একজন মানুষ। ফলে তাঁর একটা জায়গায় থাকাটা অনেক বেশি মানুষকে বিক্ষুব্ধ করেনি। মানুষ দেখেছে, এই লোকটা জুলাই-আগস্টের আগে থেকেই কারো পক্ষে না গিয়ে, কোনো দলের পক্ষ না নিয়ে, নিজে থেকেই একটা প্রবল শক্তিশালী স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। এবং ওই সময় যতটুকু শক্তভাবে বলা যায়, ততটুকুই বলেছে।
কিন্তু বিএনপির এই নিয়োগ ওখানেই থেমে থাকেনি। তারপর থেকে এক নিয়োগ শুরু হলো—এভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খানের নিয়োগ, জিটিভির কাজী জেসিনকে বিটিভিতে মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ। এই সমস্ত নিয়োগগুলো এখন বিএনপির তৃণমূলে হয়তো তীব্র একটি বার্তা দিয়েছে—যে যেভাবেই হোক, তারেক রহমানকে খুশি করা যায়, বিএনপির পক্ষে বলতে হবে, সেটা যৌক্তিক, অযৌক্তিক, কুযুক্তি—যেভাবেই হোক না কেন। নয়নকে দেখে হয়তো মানুষ শিখেছে—মানুষও মারা যাবে, তারপরেই সে পুরস্কার পাবে। তারেক রহমান হয়তো তাদেরকে নাম ধরে ডাকবে, কাঁধে হাত রেখে বলবে—"কেমন আছো তুমি?"
যার ফলে সমাজের পূর্বের যে আওয়ামীপনা, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ যা করত, তাই ঘটতে যাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এবং অবশেষে আমরা তাই ঘটতে দেখছি। এই ভিডিওই তার প্রমাণ।
#বিভ্রম #বিএনপি #দলীয়নিয়োগ #বাংলাদেশরাজনীতি #রাজনৈতিকবিশ্লেষণ #সত্য