Bongo Info ·

Bongo Info ·

Share

সত্য, অজানা, বিস্ময়কর জ্ঞান অর্জনের জন্য ফলো দিন .

28/02/2026

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন, মারা গেছেন।’

ট্রাম্প আরও লিখেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের একমাত্র শ্রেষ্ঠ সুযোগ।’

তিনি বলেন, ইরানের ভেতরে কিছু মানুষ দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

26/02/2026

দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ক্ল্যাক্সটন এলাকার আকাশজুড়ে বিশাল চিমনি থেকে কয়লার ধোঁয়া ছাড়ত। আজ তা ইতিহাসের অংশ। ‘বুল রান ফসিল’ প্ল্যান্টের সেই চিমনি দুটি ধ্বংস করে এখন সেখানে তৈরি করা হচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন ও বৈপ্লবিক এক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিল গেটসের অর্থায়নে পরিচালিত টাইপ ওয়ান এনার্জি নামের একটি প্রতিষ্ঠান সেখানে তৈরি করছে একটি ফিউশন রিঅ্যাক্টর। রিঅ্যাক্টরকে বিজ্ঞানীরা ডাকছেন কৃত্রিম সূর্য নামে।
চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি টাইপ ওয়ান এনার্জি টেনেসি ভ্যালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে ইনফিনিটি ওয়ান প্রকল্পের জন্য লাইসেন্স আবেদন জমা দিয়েছে। সফল হলে এটিই হবে টেনেসি অঙ্গরাজ্যের প্রথম বাণিজ্যিক ফিউশন প্রকল্প। সাধারণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফিশন পদ্ধতিতে পরমাণুকে ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করা হয়। আর ফিউশন হলো তার উল্টো। এই প্রক্রিয়ায় সূর্য ও নক্ষত্ররা শক্তি উৎপাদন করে। এতে হালকা পরমাণুকে একত্র বা ফিউজ করা হয়। এ থেকে নির্গত হয় বিপুল পরিমাণ শক্তি। এতে তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের ঝুঁকি ফিশনের তুলনায় অনেক কম।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

25/02/2026

স্যার আইজ্যাক নিউটনকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী হিসেবে গণ্য হয়। তিনি গতির সূত্র আর মহাকর্ষ নিয়ে কাজের জন্য জগদ্বিখ্যাত। একটি বিষয় অনেকেরই অজানা। নিউটন তাঁর জীবনের কয়েক দশক ব্যয় করেছিলেন ধর্মতত্ত্ব, বাইবেল ও ঐতিহাসিক নিয়ম নিয়ে গবেষণায়। ১৭০৪ সালে লেখা তাঁর একটি ব্যক্তিগত নথি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে। সেই লেখায় তিনি ২০৬০ সালকে একটি ঐতিহাসিক যুগের অবসান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অনেকে নিউটনের চিঠির সূত্র ধরে ২০৬০ সালকে পৃথিবী ধ্বংসের সময় হিসেবে ভবিষ্যদ্বাণী করেন। যদিও এ বিষয় নিয়ে ঐতিহাসিক ও বিজ্ঞানীদের মধ্যে ভিন্ন ভাবনা রয়েছে। নিউটন মূলত বাইবেলের বুক অব ড্যানিয়েল ও বুক অব রেভেলেশন-এর সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসাব করেছিলেন। তিনি বাইবেলের একটি নির্দিষ্ট বাক্যাংশ এক সময়, দুই সময় ও অর্ধেক সময়কে সাড়ে তিন বছর হিসাবে ধরেন। এরপর তৎকালীন পণ্ডিতদের ব্যবহৃত পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতিটি দিনকে এক বছর হিসাবে ধরে তিনি ১২৬০ বছরের একটি সময়কালের হিসাব পান। নিউটন তাঁর হিসাবের শুরুর সময় ধরেন ৮০০ খ্রিষ্টাব্দকে। সে সময় রোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা সুসংহত হয়েছিল। সেই ৮০০ বছরের সঙ্গে ১২৬০ বছর যোগ করে তিনি ২০৬০ সালে পৌঁছান।
Source :Prothomalo.

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

24/02/2026

এআই কি কখনো মানুষের চেয়ে বেশি সৃজনশীল হতে পারবে ?

চ্যাটজিপিটি বা জেমিনাই এখন নিমেষেই কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে, এমনকি জোকসও শোনাচ্ছে। এসব দেখে মনে হতেই পারে, মানুষের দিন বুঝি শেষ! সৃজনশীলতার কাজটুকু বোধ হয় এবার রোবটদের মাথায় উঠতে চলল। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা।

এআইয়ের এর নাকি একটা গাণিতিক সীমা আছে, যা পার হওয়া অসম্ভব। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনোভেশন বিভাগের অধ্যাপক ডেভিড ক্রপলি সম্প্রতি একটি গবেষণা করেছেন। তাঁর সোজা কথা, এআইয়ের দৌড় ওই অ্যামেচার বা শৌখিন শিল্পীদের পর্যন্তই। সত্যিকারের এক্সপার্ট মানুষের সৃজনশীলতাকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা এআইয়ের নেই।
’তিনি আরও বলছেন, ‘চ্যাটজিপিটি গল্প বা কবিতা লিখলেই সেটাকে সৃজনশীলতা বলা যাবে না। কিছু একটা তৈরি করা আর সৃজনশীল হওয়া আলাদা জিনিস।’ সমস্যা হলো, আমাদের সমাজের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের সৃজনশীলতা গড়পড়তা মানের। তাই সাধারণ মানুষ যখন এআইয়ের কাজ দেখে, তারা মুগ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু যারা সত্যিকারের সৃজনশীল, তারা ঠিকই এআইয়ের কাজের ফাঁকফোকর ধরে ফেলেন। এআই খুব চমৎকারভাবে মানুষের নকল করতে পারে, কিন্তু সে কখনোই একজন পেশাদার শিল্পীর মানের কাজ দিতে পারে না।
Source : prothomalo .

20/02/2026

অত্যাশ্চর্য তথ্য❗
পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্বল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অঞ্চল লুকিয়ে আছে অ্যান্টার্কটিকার নিচে!

বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের গ্র্যাভিটি বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পরিমাপ করে দেখেছেন— অ্যান্টার্কটিকার Wilkes Land অঞ্চলের নিচে একটি অস্বাভাবিক “গ্র্যাভিটি অ্যানোমালি” (gravity anomaly) রয়েছে। এখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আশপাশের তুলনায় তুলনামূলক কম।

কিন্তু কেন এমন হলো?

গবেষণায় ধারণা করা হয়, প্রায় ২৫০ মিলিয়ন বছর আগে একটি বিশাল উল্কাপিণ্ড (meteorite) এই অঞ্চলে আঘাত হানে। সেই সংঘর্ষে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে বিশাল এক গহ্বর তৈরি হয়, যার ব্যাস প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে! এই আঘাতের ফলে ভূত্বকের ঘনত্বে পরিবর্তন আসে— আর সেই কারণেই আজও সেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অস্বাভাবিকতা রয়ে গেছে।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো— এই সংঘর্ষই নাকি প্রাচীন সুপারকন্টিনেন্ট গন্ডোয়ানার (Gondwana) ভাঙনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিল! অর্থাৎ, পৃথিবীর মহাদেশগুলোর বর্তমান বিন্যাসের ইতিহাসের সাথেও জড়িয়ে থাকতে পারে এই রহস্যময় অঞ্চল।

আজ সেই স্থানটি ঘন বরফের স্তরের নিচে ঢাকা, তাই সরাসরি অনুসন্ধান করা কঠিন। কিন্তু স্যাটেলাইট ডেটা আর ভূ-ভৌতিক বিশ্লেষণ (geophysical analysis) বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরেছে পৃথিবীর লুকানো এক গভীর রহস্য।
ভাবতে পারেন— পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল মহাদেশের বরফের নিচে এখনো লুকিয়ে আছে মহাজাগতিক এক সংঘর্ষের চিহ্ন!
Source: Prothomalo.

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

19/02/2026

অত্যাশ্চর্য তথ্য❗
৫,০০০ বছর আগেই প্রস্তর যুগের মানুষ জীবাণুনাশক ও চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করত বার্চ গাছের কষ।

শুনতে অবাক লাগলেও— প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় পাওয়া গেছে ইউরোপের প্রাচীন বসতিগুলোতে বার্চ (Birch) গাছের কষ বা Birch tar ব্যবহারের প্রমাণ। এই কালচে আঠালো পদার্থটি তারা শুধু অস্ত্র বা পাথরের সরঞ্জাম জোড়া লাগানোর জন্যই নয় ক্ষত সারানো ও সংক্রমণ ঠেকাতেও ব্যবহার করত।

বার্চ গাছের ছাল পুড়িয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি হতো এই কষ। এতে প্রাকৃতিকভাবে থাকে শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান— যেমন phenols এবং অন্যান্য জৈব যৌগ। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপাদানগুলো জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকর।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো— কিছু প্রাচীন “চুইংগামের” মতো শক্ত কষের টুকরো পাওয়া গেছে, যেগুলো মানুষ চিবিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, দাঁতের ব্যথা উপশম বা মুখের সংক্রমণ কমানোর জন্যই এটি ব্যবহার করা হতো।
Source: BBC News.

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

18/02/2026

অত্যাশ্চর্য তথ্য❗
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার ‘মিশিগান মাইক্রো মোট’— যার আকার মাত্র ০.৩ মিলিমিটার।

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের University of Michigan–এর গবেষকরা তৈরি করেন এই ক্ষুদ্রতম কম্পিউটারটি। এতটাই ছোট যে এটি একটি চালের দানার চেয়েও ক্ষুদ্র— এমনকি একটি মুদ্রার প্রান্তে অনায়াসে বসানো যায়।

এর নাম Michigan Micro Mote (M³)। আকার মাত্র ০.৩ মিলিমিটার হলেও এটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটারের মতোই কাজ করতে পারে। এতে আছে প্রসেসর, মেমোরি, সেন্সর এবং ওয়্যারলেস যোগাযোগ ব্যবস্থা।
তবে এত ছোট হওয়ায় একটি বড় সমস্যা ছিল— ব্যাটারি। সাধারণ ব্যাটারি ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তাই এটি আলো থেকে শক্তি (photovoltaic power) সংগ্রহ করে কাজ করে। কিন্তু আলো না থাকলে? তখন এটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেমোরি রিসেট হয়ে যায়!
এই ক্ষুদ্র কম্পিউটার মূলত মেডিকেল গবেষণার জন্য তৈরি— যেমন মানবদেহের ভেতরে স্থাপন করে কোষের তাপমাত্রা বা টিউমারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। অর্থাৎ ভবিষ্যতে হয়তো শরীরের ভেতরেই থাকবে অদৃশ্য ছোট ছোট কম্পিউটার।
ভাবতে পারেন— একসময় পুরো একটি রুম জুড়ে থাকত কম্পিউটার, আর আজ তা চোখে প্রায় দেখা যায় না।
Source: University of Michigan.

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

17/02/2026

অত্যাশ্চর্য তথ্য❗
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা করেছিলেন একজন মার্কিন স্থপতি— Louis Isadore Kahn।

১৯৬২ সালে যখন ঢাকায় নতুন আইনসভা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু হয়, তখন এই দায়িত্ব দেওয়া হয় বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই. কানকে। তিনি শুধু একটি ভবন নয়, বরং একটি “চিন্তার স্থাপত্য” তৈরি করতে চেয়েছিলেন— যেখানে আলো, ছায়া, জ্যামিতি এবং নীরবতার এক অসাধারণ সমন্বয় থাকবে।

সংসদ ভবনের নকশায় দেখা যায় বিশাল বৃত্ত, ত্রিভুজ এবং আয়তক্ষেত্রের ব্যবহার। এই জ্যামিতিক ফাঁকগুলো শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়— এগুলো প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করানোর জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত। ফলে দিনের বেলায় সূর্যের আলো দেয়ালে পড়ে এক রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করে।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো— ভবনটির চারপাশে কৃত্রিম লেক রাখা হয়েছে, যা শুধু নান্দনিকতার জন্য নয়, বরং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। অর্থাৎ নকশার মধ্যেই লুকিয়ে আছে পরিবেশবান্ধব চিন্তা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কারণে নির্মাণকাজ থেমে গেলেও, স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে ভবনটি সম্পূর্ণ হয়। আজ এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম স্থাপত্য বিস্ময় হিসেবে স্বীকৃত।

ভাবতে পারেন— এক বিদেশি স্থপতির হাতে গড়া এই স্থাপত্য আজ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক!
Source: Architecture Department, Bangladesh.

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন Bongo Info ·

08/01/2026

📢 নাম পরিবর্তন ঘোষণা পোস্ট

প্রিয় দর্শক ও অনুসারীরা ❤️

আপনাদের ভালোবাসায় বড় হওয়া আমাদের পেজ “অত্যাশ্চর্য”
এখন থেকে নতুন নামে—

✨ Bongo Info · ✨

নাম বদলালেও আমাদের উদ্দেশ্য একদম একই থাকবে—
🧠 বিজ্ঞান
🌌 মহাকাশ
🔬 জ্ঞান
🕵️ রহস্য
🌍 পৃথিবীর অজানা গল্প

আগের মতোই সহজ ভাষায়, ভিজ্যুয়াল কনটেন্টে
আপনাদের জানার কৌতূহল জাগিয়ে তুলতেই আমরা আছি 💙

📌 Formerly known as অত্যাশ্চর্য

নতুন নামের এই যাত্রায়
আপনাদের সাথেই থাকতে চাই—
ভালো লাগলে পাশে থাকুন, শেয়ার করুন, মতামত জানান 🙌

— Bongo Info ·

30/11/2025

অত্যাশ্চর্য তথ্য❗
অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় জলপ্রপাত— Blood Falls— যার পানি প্রকৃতিগতভাবেই লাল।

অ্যান্টার্কটিকার টেলর গ্লেসিয়ারের গভীরে রয়েছে প্রায় ২০ লাখ বছর ধরে আটকে থাকা অতিপ্রাচীন নোনাজল। এই পানিতে লোহা (Iron) অত্যধিক মাত্রায় থাকে। বরফ ভেঙে পানি যখন বাইরে আসে, তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে সংস্পর্শে এসে সেই লৌহসমৃদ্ধ পানি জংধরা লালের মতো রঙ ধারণ করে। এই রাসায়নিক বিক্রিয়াকে বলা হয় oxidation যেভাবে লোহার ওপর মরচে পড়ে লালচে হয়ে যায়, ঠিক সেভাবেই পানিও লাল হয়ে ওঠে।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো— এই লাল রঙের পানিতে এমন কিছু মাইক্রোব (অণুজীব) রয়েছে, যারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। অর্থাৎ পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল, অন্ধকার এবং অক্সিজেনহীন পরিবেশেও জীবন টিকে আছে যা বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয় যে, চরম পরিবেশেও জীবনের সম্ভাবনা থাকতে পারে।
Source:NSF .

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন অত্যাশ্চর্য •

28/11/2025

অত্যাশ্চর্য তথ্য ❗
মানুষের চোয়ালের পেশী এতটাই শক্তিশালী যে এটি প্রায় ৯০.৭ কেজি পর্যন্ত চাপ তৈরি করতে পারে যা আমাদের শরীরের অন্যতম শক্তিশালী পেশী চাপ ক্ষমতা।

মানব চোয়ালের প্রধান শক্তির উৎস হলো Masseter muscle। এটি খুলির সাথে ম্যান্ডিবলকে সংযুক্ত রেখে দাঁত বন্ধ করার সময় প্রচণ্ড বল উৎপন্ন করে। চিবানো কামড়ানো এবং খাবার গুঁড়ো করার জন্য এই পেশী নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে এবং এর গঠন সম্পূর্ণরূপে ক্ষমতা (force) উৎপাদনের জন্য ডিজাইন করা।

বিজ্ঞানীরা বলেন, একটি সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চোয়াল বন্ধ করার সময় Masseter পেশী যে চাপ উৎপন্ন করতে পারে সেটিই মানবদেহের অন্যতম সর্বোচ্চ একক-পেশী বল।
এই শক্তি এতটাই কার্যকর যে কঠিন খাদ্য ভাঙা, হাড়ের মতো কঠিন জিনিস কামড়ে ধরার মতো কাজও অনেক সময় সামলাতে পারে।
Source: Guinness World Records .

এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ফলো করুন অত্যাশ্চর্য •

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka