বাংলাদেশ উদ্যোক্তা স্কুল

বাংলাদেশ উদ্যোক্তা  স্কুল

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ উদ্যোক্তা স্কুল, Educational consultant, House#01, Road#02, Santek, Jatrabari, Dhaka.

Photos from বাংলাদেশ উদ্যোক্তা  স্কুল's post 04/08/2022

সুপ্রিয় বন্ধুরা, সালাম এবং শুভেচ্ছা। আমাদের 'চবি ২৩ ব্যাচ' এর শিক্ষানুরাগী কিছু বন্ধুর সহায়তায় প্রস্তাবিত 'মেঘনাপাড় ধীবর কারিগরি স্কুল' এর জন্য জমির সীমানা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। লক্ষ্মীপুর জেলার মজু চৌধুরী হাটে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের কাছাকাছি এই কারিগরি স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হবে। বন্ধুদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই ভিজিট করার জন্য। বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা যারা এই মহৎ কর্মে যুক্ত হয়ে কর্মটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

ছবিতে- ১. প্রফেশনাল আমিন দ্বারা চিহ্নিতকরা জমির স্কেচ বা নকশা।
২-৫: খুঁটি গেড়ে জমির স্বত্ব চিহ্নিতকরণ।

Photos from বাংলাদেশ উদ্যোক্তা  স্কুল's post 26/06/2020

স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু...

25/06/2020

করোনার কারণে বেকার হবেন দেড় কোটি মানুষ। কেউ বলছেন আড়াই কোটি। আচ্ছা তখন কি হবে ভেবে দেখেছেন? এই বেকারত্ব আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটাবে। তাই দরকার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

সরকারই সব কিছু করে দেবে এমন চিন্তা থেকে বের হয়ে আসা উচিত। নিজেদের অবস্থান থেকে ভাবা উচিত। কৃষি, নিরাপদ খাদ্য, কৃষি প্রকৌশল, কারিগরি, স্থানীয় প্রকৌশল, টেকনিশিয়ান, মেডিকেল টেকনোলজি ইত্যাদির উপর জোর দিতে হবে।

17/06/2020

বাংলাদেশ উদ্যোক্তা স্কুলের তিনটি বিভাগ।
১. কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য বিভাগ;
২. কারিগরি ও প্রকৌশল বিভাগ;
৩. শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

১. কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য বিভাগের অধীনে ৪০০ বিঘা কৃষি জমি। থাকবে। এই বিভাগের অধীনে মৎস্য, পোল্ট্রি ও ক্যাটেল ফার্ম থাকবে। শিক্ষার্থীরা 'জৈব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিজ পণ্য উৎপাদন' হাতেকলমে শিখবে। এই বিভাগের অধীনে অর্গ্যানিক এগ্রো রিসোর্ট থাকবে।

২. কারিগরি ও প্রকৌশল বিভাগঃ এই বিভাগের অধীনে, বিল্ডিং, মেশিনারি, অটোমোবাইল, ওয়েল্ডিং, লেদ, ফার্নিচার ইত্যাদি সহ চাহিদা অনুযায়ী যুগোপযোগী ট্রেডকোর্স থাকবে।

৩. শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগঃ এই বিভাগের অধীনে অণুজীব নিয়ে গবেষণা কেন্দ্র থাকবে এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে টেকনিক্যাল পারসন গড়ে তোলার কার্যক্রম থাকবে।

15/06/2020

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বক্তব্যঃ
(তারুণ্যের প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা আয়োজিত নিয়মিত অনুষ্ঠান 'লেটস টক' এর অনলাইন আলোচনা)

'ডিমান্ড ড্রাইভেন' কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, 'আমাদের ডেমোগ্রাফিক সুবিধা হিসেবে রয়েছে তরুণরা। কিন্তু তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই তরুণদের সম্পদকে গড়ে তুলতে হলে আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে। আর এই বিনিয়োগ এমন হতে হবে, যেনো তা থেকে সর্বোচ্চটা পাওয়া যায়। আমাদের সামনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ আছে। সেই সঙ্গে বর্তমানে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ কোভিড১৯। এই ভাইরাসের কারণে আইএলও বলছে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারাবে। যেটি ভয়াবহ। করোনাকালে ত মানুষ কর্মসংস্থান হারাচ্ছেই। করোনা পরবর্তী সময়েও চাকরি হারাবে। তাই বর্তমান সময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। যেনো আমরা পিছিয়ে না যাই।'

তিনি বলেন, "কোভিড১৯ পরবর্তী সময়টা কেমন হবে? অনেকেই বলছেন 'নতুন স্বাভাবিক বা 'নিউ নরমাল'-এর কথা। এই যে আমরা আজকে যেভাবে আলোচনা করছি। আগে হলে আমরা কী জুম মিটিং করতাম? না। হয়ত সামনা সামনি বসে এই মিটিং করতাম। তার বদলে হচ্ছে জুম মিটিং। ফেসবুকের মাধ্যমে সবাই দেখছে, অংশ নিচ্ছে। এই 'নিউ নরমাল'এর সঙ্গে আগে আমাদের খাপ খাইয়ে নেয়া শিখতে হবে। আর সে জন্য প্রথমে মানসিকভাবে খাপ খাওয়াতে হবে।"

ভবিষ্যতে কী ধরণের দক্ষতার প্রয়োজন হবে তা অনুসারে আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "ভবিষ্যৎ প্রয়োজন কী হবে, সেগুলো আগে খুঁজে বের করতে হবে। সারা বিশ্বে কী ধরণের দক্ষতা, কী ধরণের কাজ প্রয়োজন হবে এই 'নিউ নরমাল' অবস্থায়, স্থানীয় পর্যায়েও কী দক্ষতার প্রয়োজন হবে; তার একটি ম্যাপিং করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর সেই প্রয়োজন অনুসারে দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে। যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা বেশি, তাই বিশ্ব বাজারের চাহিদা অনুসারে কী ধরণের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে, তা বুঝে আমাদেরকে তৈরি হতে হবে।"

এ সময় তিনি বলেন, 'অনেকে এমন আছে, যারা হয়ত কাজ করতে করতে শিখেছেন। তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোন স্বীকৃতি নেই। তাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়েও একটি কার্যক্রম নেয়া হবে। সেই সঙ্গে তাদের আরো দক্ষতার বাড়াতে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পরও প্রশিক্ষণ নেয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।'

তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একাডেমি ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরির কথা বলছি আমরা। এই প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে কোর্স আউটলাইন তৈরি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং এই কোর্স নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ক্লাসরুম প্রস্তুত করতে হবে। সেগুলোর জন্য নতুন 'এসিসমেন্ট ম্যাথড'ও থাকতে হবে।

আলোচনায় তিনি আরো বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষা হিসেবে প্রচলিত করার আমাদের যেই চেষ্টা, তা তখনই সফল হবে যখন সবার মনোজগতে এ বিষয়ক চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন আসবে।

14/06/2020

বাংলাদেশ উদ্যোক্তা স্কুল
১. কারিগরি ও প্রকৌশল বিভাগ;
২. কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য বিভাগ;
৩. শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

12/06/2020

একজন অনুসন্ধিৎসু মনের শিক্ষার্থীর জন্য 'অণুজীববিজ্ঞান' হতে পারে পছন্দের বিষয়।

করোনাভাইরাসের মতো প্রাণঘাতী জীবাণু শনাক্ত করতে এবং এর প্রতিষেধক তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন অণুজীববিজ্ঞানীরা। ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হলে তাই আমাদের এমন অনেক লোকবল দরকার, যাঁরা অণুজীব নিয়ে গবেষণা করবেন। অণুজীববিজ্ঞান বিষয়ে পড়ালেখার নানা দিক নিয়ে লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক আনোয়ারা বেগম।

১৯৭৬ সালে ডাচ বিজ্ঞানী অ্যানটনি ভ্যান লিউভেনহুক ‘অ্যানিমেলকিউলস’ (animalcules) নামে যে জীবটি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে দেখেছিলেন, তা ছিল একটি অণুজীব। অণুজীব হলো ক্ষুদ্র জীব, যা খালি চোখে দেখা যায় না। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, নীলাভ সবুজ শৈবাল, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের পৃথিবীতে যত অণুজীব আছে, তার ৯৫ শতাংশই মানুষের জন্য কল্যাণকর। শুধু ৫ শতাংশ অণুজীব ক্ষতিকর; যা মানুষ, পশু-পাখি, গাছপালায় রোগ–ব্যাধি সৃষ্টি করে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন—ওষুধ, কৃষি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, খাদ্য ইত্যাদিতে অণুজীববিজ্ঞানের (মাইক্রোবায়োলজি) ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অণুজীব ব্যবহার করে আমরা পরিবেশ দূষণ দূর করতে পারি, যা পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী। এ ছাড়া খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো, বিভিন্ন রোগ শনাক্তকরণ, রোগের প্রতিষেধক তৈরি, বিরূপ আবহাওয়ায় বীজ ও গাছ উৎপাদন (লবণ প্রতিরোধী গাছ) করাসহ বিজ্ঞানের প্রায় সব ক্ষেত্রে অণুজীববিজ্ঞানীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। অণুজীববিজ্ঞান একটি গবেষণাধর্মী বিষয় হওয়ায় এর নতুন নতুন আবিষ্কার এবং মানব কল্যাণে এর প্রয়োগ অত্যন্ত আনন্দের, যা নতুন প্রজন্মকে এ বিষয়ে পড়তে আগ্রহী করতে পারে।

অণুজীববিজ্ঞানীদের কাজের সুযোগ
শুধু আনন্দের জন্য নয়, পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্যও অণুজীববিজ্ঞানে পড়া যেতে পারে। দেশে যেমন বাংলাদেশ শিল্প ও গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (এনআইবি), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর, বি), জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর (আইপিএইচ), নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ বিমান, বিএসটিআই ইত্যাদি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ও গবেষণার সুযোগ আছে। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণাও করা যায়।

এ ছাড়া বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ওষুধ কোম্পানি, বায়োটেক কোম্পানি, বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ নানা ক্ষেত্রে অণুজীববিজ্ঞানীদের চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সহজেই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারেন।

অণুজীব ও অণুজীববিজ্ঞানীদের ভূমিকা

এই মুহূর্তে সারা বিশ্ব যে অণুজীবের কারণে থমকে আছে, তা হলো করোনা নামক একটি ভাইরাস। পুরো মানবজাতির জীবন এই ভাইরাস বিপন্ন করে তুলেছে। তাই শুরুতে স্বাস্থ্য খাতে অণুজীব ও অণুজীববিজ্ঞানীদের গুরুত্বের কথা খানিকটা বলে নিলাম। বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের জীবাণু শনাক্তকরণ, রোগের প্রতিষেধক তৈরি, অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি, ওষুধের মাইক্রোবায়োলজিক্যাল গুণগত মান নির্ণয়, ইত্যাদিতে অণুজীবদের গুরুত্ব অনেক। এ ছাড়া বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে বিভিন্ন অণুজীব থেকে জীবন রক্ষাকারী ইনসুলিন, হরমোন, এনজাইম, রিকমবিন্যান্ট ড্রাগও তৈরি করা যায়।

কৃষি ক্ষেত্রে অণুজীববিজ্ঞানীরা বিভিন্ন অণুজীব ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব সার ও কীটনাশক তৈরি করছেন, যা বিভিন্ন দেশে রাসায়নিক কীটনাশকের পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়া জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে, যা পৃথিবীতে খাদ্যচাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোগপ্রতিরোধী বীজ ও গাছ উৎপাদনে অণুজীববিজ্ঞানীদের ভূমিকাও অপরিসীম।

এবার আসি স্বাস্থ্য খাতে। বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, যারা বায়োটেকের মাধ্যমে ইনসুলিন, হরমোন, ক্যানসার প্রতিরোধক ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক, রোগপ্রতিষেধক টিকা ইত্যাদি জীবনদানকারী উপাদান উৎপাদন করছে, যেখানে অণুজীববিজ্ঞানীরা তাঁদের অবদান রাখছেন। অণুজীববিজ্ঞানীরা বিভিন্ন খাদ্য, ওষুধ, পানি ইত্যাদির মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বাংলাদেশ একটি নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এ দেশের জনগণ নিজেদের স্বাস্থ্য ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা নিয়ে এখনো সচেতন নয়। এ বিষয়ে অণুজীববিজ্ঞানীরা সচেতনতা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন।

কৃষি ও খাদ্য গবেষণার ক্ষেত্রে অণুজীববিজ্ঞানীদের ভূমিকাও আলাদা করে বলা প্রয়োজন। অণুজীববিজ্ঞানীরা বিভিন্ন অণুজীব ব্যবহার করে পোকামাকড় ও বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধী গাছ (যা ট্রান্সজেনেটিক প্লান্ট নামে পরিচিত। যেমন: বিটি কটন, বিটি কর্ন) উৎপাদন করে থাকেন। যার ফলে মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অনেক অণুজীব আছে, যেগুলোকে জৈব সার ও কীটনাশক হিসেবে বিভিন্ন দেশে ব্যবহার করা হয়। এটি পরিবেশবান্ধব। কারণ, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ক্যানসারসহ অনেক রোগ সৃষ্টি এবং পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। অণুজীববিজ্ঞানীরা খাদ্য ও পানির মাইক্রোবায়োলজিক্যাল গুণগতমানও নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। এ ছাড়া বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য যেমন রুটি, দই ইত্যাদি তৈরিতে অণুজীব ব্যবহার করা হয়।

অনেক অণুজীব ব্যবহার করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত করা যায়। একে বলা হয় বায়োরেমিডিয়েশন। যেমন এই পদ্ধতির মাধ্যমে সমুদ্রের তেল, বায়ুদূষণ, মাটিদূষণ দূর করা সম্ভব। বিভিন্ন শিল্প যেমন চামড়া ও ডিটারজেন্ট তৈরিতে অণুজীব থেকে তৈরি বিভিন্ন এনজাইম ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন শিল্প–কারখানার বর্জ্য পরিশোধনেও অণুজীব ব্যবহার করা হয়। মানবকল্যাণে অণুজীববিজ্ঞানের বহুমাত্রিক ব্যবহার একটি পরিবেশবান্ধব ও সুন্দর পৃথিবী গড়তে সাহায্য করে।

বাংলাদেশে অণুজীববিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয়তা

আমাদের দেশে প্রায় ১০-১২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ আছে। তবে আমরা এখনো অণুজীববিজ্ঞান গবেষণায় উন্নত দেশের তুলনায় অনেকখানি পিছিয়ে আছে। গবেষণার তহবিলের অপ্রতুলতা, গবেষণার সুবিধার অভাব, এখনো অনেক বায়োটেক প্রোডাক্ট, কেমিক্যাল রিজেন্ট ইত্যাদির জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হয়। আমরা এখনো সংক্রামক ব্যাধি, যেমন—শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য দায়ী ভাইরাসের জন্য কোনো আলাদা গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারিনি। এ কথা বলার অর্থ হলো, এখন যেমন সারা বিশ্ব করোনাভাইরাসের কারণে ভুগছে; এই সংক্রমণের ফলে আক্রান্ত রোগী শনাক্তকরণ, প্রতিষেধক আবিষ্কারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সঙ্গে অণুজীববিজ্ঞানীরাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

আরও একটি উদাহরণ হলো কৃষি ক্ষেত্র। পৃথিবীর অনেক দেশ তাদের নিজস্ব জৈব কীটনাশক তৈরি করছে এবং তা রাসায়নিক কীটনাশকের পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে। কারণ, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ক্যানসারসহ অনেক রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী এবং পরিবেশ দূষণের অন্যতম একটি কারণ। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে ল্যাবরেটরি পর্যায়ে কিছু গবেষণা হলেও মাঠপর্যায়ে ব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে উৎপাদন শুরু করতে আমাদের এখনো অনেক দূর যেতে হবে।

21/05/2020

করোনা আপদকালীন সময়ে অনলাইন হতে পারে শিক্ষার মাধ্যম
(লেখাটি ভালো লেগেছে তাই শেয়ার করলাম।)

শেখ মো. নজরুল ইসলাম

আমাদের প্রিয় নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের জীবনের একটি কাহিনী দিয়ে শুরু করতে চাই। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের বাড়ি বরিশালে। ফজলুল হকের মায়ের জবানীতে পাওয়া যায়-১৮৭৬ সালে ৩১ অক্টোবরে বরিশালে প্রচণ্ড বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় হয়। এতে অনেক ঘর বাড়ি জান মালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এমন অবস্থা যে, ঘর বাড়ি জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যাচ্ছে। পিতার সামনে পুত্র পানিতে তলিয়ে মারা যাচ্ছে। অনেক পরিবারের সদস্যকে ঘূর্ণিঝড় বিছিন্ন করে দিচ্ছে। ঐ সময়ে সবাই অসহায়। এই দৃশ্য দেখে এ কে ফজলুল হকের মা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। নিজে কিভাবে বাঁচবেন আর ছেলেমেয়েদেরই কিভাবে বাঁচাবেন। মা নিজের জীবন দিয়ে সবসময় সন্তানদের বাঁচান।

ঘরের ভিতর বড় তামার পাতিল ছিল। ৩ বছরের শেরে বাংলা ও ছোটবোনকে পাতিলের মধ্যে রেখে হাতে ঠিকানা লিখে আল্লাহর নামে পানিতে ভাসিয়ে দিলেন। ঝড় থামার পর প্রতিবেশী শেরে বাংলা ও তাঁর ছোট বোনকে পাতিলের ভিতর থেকে বের করে মাকে দিলেন। মা আনন্দে আত্মহারা হলেন। দুর্যোগের পর আমরা পেলাম আমাদের মহান নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হককে।

বর্তমান করোনার মহা দুর্যোগে আমরা কী করব! বৈশ্বিক মহামারীর প্রেক্ষাপটে আমরা অনেকেই হয়তো বাঁচব না। আমরা সতর্ক থেকে আমাদের প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতে পারি। তাঁরা গড়বে ক্ষুধা দারিদ্র্য দুর্নীতিমুক্ত স্বপ্নের বাংলাদেশ। আধুনিক যুগ বিজ্ঞান ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের প্রতিটি দেশে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তির জয় জয়কার। সভ্যতা আজ নির্ভর করছে বিজ্ঞান ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর। আমাদের জীবনের প্রাত্যহিক কাজ কর্মে আইসিটির প্রভাব ব্যাপক। প্রতিটি ক্ষেত্রে আইসিটির প্রয়োগ লক্ষ্যনীয়। স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ। অবস্থা দেখে মনে হয় স্মার্টফোন না হলে জীবন অচল। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। প্রাত্যহিক কাজের অংশ হয়ে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর অন্যতম হলো ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, ওয়াটসআপ,ভাইভার ইত্যাদি।


অভিভাবক শিক্ষার্থী শিক্ষক প্রত্যেকেই দুই একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেন। শিক্ষক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখলাম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মা-ই বেশী তদারকি করেন। কথা প্রসঙ্গে এইচ.এস. সি. শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মা বললেন “স্যার আমার মেয়ে আপনার কলেজে পড়ে।সে কলেজের নোটিশ বিজ্ঞপ্তি ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করে। “শিক্ষার্থী ফেসবুক গ্রুপে সহপাঠীদের সাথে যোগাযোগ করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পড়াশুনা অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বায়নের মহামারী করোনার কারণে আমরা আজ লকডাউন। অভিভাবক শিক্ষার্থী শিক্ষক সবাই গৃহবন্দী। আইসিটির যুগে লকডাউন থাকাকালীন সময়ে আমরা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বন্ধ করতে পারিনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অলস সময় কাটাচ্ছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এ থেকে শিক্ষার্থীদের পরিত্রাণের পথ হচ্ছে অনলাইন শিক্ষা।

আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা বলতে চাই, আমার দুই মেয়ে ৩য়, ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ে। করোনাকালীন সময়ে তাদের পড়ালেখায় মনোযোগ নেই। বিভিন্ন অজুহাতে তার পড়তে বসতে চায় না। একদিন শ্রেণি শিক্ষক ফোন দিয়ে বললেন আগামী এত তারিখ এই সময়ে তাদের অনলাইনে ক্লাস হবে। তাদের প্রস্তত করে রাখবেন। আমি লক্ষ্য করলাম এরপর থেকে আমার দুই মেয়ে পড়ালেখার জন্য তৎপর। কখন কী ক্লাস হবে, কী হোম ওয়ার্ক দেওয়া হবে তা নিয়ে ব্যস্ত। যথারীতি নির্দিষ্ট তারিখে জুমে ক্লাস হলো, শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে শ্রেণি কার্যক্রমে মজা পেল। এখন নিয়মিত অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে গেল। আগে যে পড়তে চাইত না এখন সে অনলাইন ক্লাস ও হোমওয়ার্ক নিয়ে ব্যস্ত।


তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আইসিটি জ্ঞানে সমৃদ্ধ। বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষক প্রতি প্রতিষ্ঠানে আছেন। গ্লোবালাইজেশনের যুগে ডিজিটাল কন্টেন্টসহ পাঠদান অনুশীলনে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে অনলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম শিক্ষার অন্যতম একটি মাধ্যম হতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় মনোযোগী হবে। শিক্ষার্থীদের একঘেয়েমি কমবে। শিক্ষক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উন্নয়নে শিক্ষা এগিয়ে যাবে। লকডাউনের সামাজিক ও পারিবারিক সংকট কমবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুললেই দেখতে পাই, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভাল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে পাঠদান করতে সক্ষম। স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের নির্দেশনায় শিক্ষক শিক্ষার্থীর সংযোগ সাধন করতে পারলেই আমরা অনলাইন ক্লাসের সুফল পাব।

কিভাবে অনলাইনে ক্লাস নিবেন?
আমরা সোস্যাল মিডিয়ার যুগে বাস করছি। শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবক কোন না কোন সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। তাই বহুল প্রচলিত সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনলাইন পাঠদান সম্পাদন করতে হবে। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যম হলো- zoom, coursera, YouTube live, Google classroom, facebook live, Microsoft team etc. ফেসবুক লাইভ ও জুমে ক্লাস নেওয়া অধিকতর উপযোগী। অনলাইনে স্বল্প সময়ে শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করা যায়। যে অ্যাপে ক্লাস নিতে চান ঐ অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। ধরে নেয়া যাক আমি জুম এ অনলাইন ক্লাস নিব। জুম অ্যাপ ডাউনলোড করে নিব। জি-মেইল একাউন্টের মাধ্যমে জুমে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।

জুমে ৪টি অপশন পাওয়া যাবে- new meeting, Join, Schedule, Share screen



শিক্ষক হোস্ট হিসাবে ক্লাসের জন্য নিউ মিটিং অপশনে যাবেন, মিটিং কল করে Manage participation গিয়ে Invite এ শিক্ষার্থীদের যে কোন যোগাযোগ মাধ্যমে Invite করবেন।
New meeting Manage participation Invite শিক্ষার্থীরা জুম অ্যাপে গিয়ে জয়েন এ ক্লিক করে আই ডি পাসওয়ার্ড দিয়ে অংশ গ্রহণ করবে।
জুমে আরো চারটি অপশন Chat, Screen share, Record, Reaction শিক্ষক শিক্ষার্থী এই অপশন ব্যবহার করে পাঠদান আরো আকর্ষনীয় করতে পারেন। শিক্ষক Screen share এর মাধ্যমে ফাইল ইমেজ শিক্ষার্থীদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে অংশগ্রহণ মূলক পদ্ধতিতে পাঠদান সম্পাদন করতে পারবেন। ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব ক্লাসরুমের স্বাদ পেয়ে শিক্ষায় মনোযোগী হবে।

অনলাইন ক্লাস রুমে যা লাগবে-
•স্মার্ট ফোন/ ল্যাপটপ/ কম্পিউটার
•হেড ফোন
•উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট
•প্রয়োজনীয় অ্যাপস।

অভিভাবক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের পজেটিভ মনোভাব থাকলে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম শিক্ষার অন্যতম একটি বাহন হবে। তথ্যের আদান প্রদান বৃদ্ধি পাবে। সহজেই তথ্য আহরণ করা যাবে। অনলাইন মিডিয়ার ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বায়নের বাণিজ্যে বাংলাদেশ প্রাগ্রসর হবে। সৃজনশীল বিনোদনে সবাই আকৃষ্ট হবে। শিক্ষার প্রসারের ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। অনলাইন প্রসারের ফলে উপকারের সাথে সাথে নেতিবাচক দিক ও অস্বীকার করা যায় না। নেতিবাচক সাইটগুলো থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বর্তমানে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উত্তম হাতিয়ার। যে দেশে তথ্য যোগাযোগ বেশি উন্নত সে দেশ তত বেশি উন্নত। ইন্টারনেটবিশ্ব দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করে নেট ব্যবহার কারীদের বিশ্বায়নের নাগরিকে পরিণত করছে। তাই আমরা দেখতে পাই এম.সি. কলেজের শিক্ষার্থী আমেরিকার নাসায় চাকুরী করে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী গুগল কোম্পানীর সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। তাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা হবে অনলাইনের বহুমাত্রিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া। এতে সম্ভব হবে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন।

লেখক:
মাস্টার ট্রেইনার, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
এম.সি. কলেজ, সিলেট।
Email: [email protected]

19/05/2020

উদ্যোক্তা উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলির কথা বলা হতো। সেই বাংলাদেশ আর নেই। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সামনে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশে বর্তমানে বর্তমানে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। এর মধ্যে পুরোনো ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ২০টি, যেগুলো পুরোপুরি সরকারি। নতুন রাজস্বভুক্ত ইন্সটিটিউটের সংখ্যা পাঁচটি, মনোটেকনিক ইন্সটিটিউট তিনটি, প্রকল্পভুক্ত ১৮টি ও মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সংখ্যা তিনটি। ‘প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০০টির কাজ শুরু করা হয়েছে।’ এ ছাড়া ৪টি সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ও ২৩টি বিশ্বমানের নতুন পলিটেকনিক স্থাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। ৩২৯ উপজেলায় ২০ হাজার ৫২৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে দক্ষ নাগরিক গঠনের কাজ ত্বরান্বিত হবে।’

18/10/2018

বিদ্যুৎ ব্যাটারী ছাড়াই চলবে ফ্যানঃ

(আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এমন অনেক চমকপ্রদ আবিষ্কার করেন যা অনেক সময় পত্র-পত্রিকায় দেখি কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তা হারিয়ে যায়। আশা করি এ আবিষ্কারটি হারাবে না।)

লোডশেডিং হলেও অস্বস্তিতে পড়ার কিছুই নেই। অর্থাৎ আমাদেরকে আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। কারণ বিদ্যুৎ না থাকলেও ঘুরবে ফ্যানের পাখা। তাও আবার মোমবাতির আলোতে।
এই বিস্ময়কর আবিষ্কারটি করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী দীপ্ত সরকার। তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে মোমবাতি আলো ছড়ানোর পাশাপাশি চালাবে পাখাও। কাচের চেম্বারে মোমবাতি রাখার দুই মিনিটের মধ্যে ঘুরবে পাখা। এটি একনাগাড়ে ১০ হাজার ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে।

সম্প্রতি ডিজাইন অ্যান্ড ফেব্রিকেশন অব এ টার্মোইলেক্ট্রিক জেনারেটর ‘পাওয়ারড বাই ক্যান্ডেললাইট’ শিরোনামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন তিনি।

এ বিষয়ে দীপ্ত সরকার জানান, আমরা প্রতিনিয়ত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ যোগান দেয়া সম্ভব না। ফলে প্রতিনিয়ত লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভুগছে মানুষ। এ যন্ত্রণা থেকে নিস্তার পেতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা জেনারেটর বা আইপিএসের উপর নির্ভর করে।
কিন্তু গরমের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পান না মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ। কারণ জেনারেটর কিংবা আইপিএস কেনার সামর্থ্য তাদের অনেকেরই নেই। এসব লোকের কথা ভেবেই বিকল্প বিদ্যুৎ উৎসের চিন্তা করতে থাকি। এক পর্যায়ে মোমবাতির তাপ শক্তি দিয়ে ফ্যান চালানোর পরিকল্পনাটি মাথায় আসে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেই আমরা মোমবাতি ব্যবহার করি। মোমবাতি থেকে আলো ও তাপ দুটোই আমরা পেয়ে থাকি। কিন্তু আলো ব্যবহার করলেও তাপ শক্তি কোনো কাজে লাগানো হয় না। থার্মোইলেক্ট্রিক যন্ত্রের মাধ্যমে এ তাপ শক্তি দিয়ে ছোট আকারের একটি ফ্যান চালানো সম্ভব। বাণিজ্যিকভাবে এটি উৎপাদনে খরচ পড়বে মাত্র ১৫০০ টাকা। থার্মোইলেক্ট্রিক যন্ত্র দিয়ে টানা ১০ হাজার ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।

তিনি আরও জানান, এক টুকরো কাঠ, একটি কাচের বাক্স, একটি থার্মোইলেকট্রিক কুলার, বেশ কিছু অ্যালুমিনিয়ামের পাত, একটি ফ্যান, একটি ইলেকট্রিক মোটর ও লোহারপাত দিয়ে এটি তৈরি করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানাউল বারী বলেন, বর্তমানে যে লোডশেডিং তাতে দীপ্ত সরকারের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিটি খুবই কাজে আসবে। কারণ এটির লাইফটাইম প্রায় ১০ হাজার ঘণ্টা। প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসলে প্রযুক্তিটি স্বল্প খরচে বাণিজ্যিভাবে তৈরি করা সম্ভব। তখন এটি আরও মডিফাই করা যাবে।

07/09/2018

এআই বা আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স এর জন্য আমরা কতটুকু প্রস্তুত?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রশ্ন উঠছে—কৃত্রিম বুদ্ধিমান রোবট কি মানুষের জায়গা দখল করবে? এসব যন্ত্র কি কেড়ে নেবে মানুষের চাকরি আর তাতে বেকারত্ব বাড়বে? জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ব্যাপক আকারে বেকারত্ব সৃষ্টির আশঙ্কা কম। কারণ, সৃজনশীলতার দিক থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্রের থেকে এগিয়ে থাকবে মানুষ। পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক নীতি এবং জব ইউনিটের পরিচালক এককাহার্ড আর্নেস্ট বলেছেন, উন্নত দেশগুলোতে উৎপাদন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আশানুরূপ মুনাফা অর্জন করতে পারবে না। তবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে নির্মাণশিল্প, স্বাস্থ্য খাত ও ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে।

আইএলওর ওই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে চাকরি হারানোর চেয়ে চাকরি ক্ষেত্রের রূপান্তর দেখা যাবে। এসব খাতের কর্মীরা তাঁদের প্রোফাইলে নতুন ধরনের কাজ যুক্ত করবেন যাতে কম্পিউটার, রোবট বা অন্যান্য যন্ত্রের সহযোগিতা লাগে। এসব কাজ রুটিনওয়ার্ক বা নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে এআই অ্যালগরিদম দিয়ে করা যাবে। একঘেয়েমি কাজগুলো সহজেই রোবট বা যন্ত্র করে ফেলবে। এতে মানুষ আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক, সামাজিক ও আন্তরিক দক্ষতার অংশ হতে পারবে।

আর্নেস্ট বলেন, উন্নত দেশগুলোতে কৃষি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে সুবিধা পাওয়া যায়। এই প্রযুক্তি কৃষকদের সঠিক বাজারদর জানাসহ নানা কাজে সাহায্য করছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আফ্রিকা অঞ্চলের জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছে, যা পোকামাকড় শনাক্ত করতে পারে।

জাতিসংঘের ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, মানুষকে এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে হবে, যাতে যন্ত্রের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা না থাকে। যন্ত্রের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সাধারণ গাড়ির বা দরকারি কুড়ালের মতো সাধারণ যন্ত্র ভেবে এর ব্যবহার করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

আর্নেস্ট বলেন, মানুষের কেনাকাটার ধরন বদলে যাচ্ছে। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য বা যন্ত্র তৈরি করবে। সেই অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। মানুষ যন্ত্রের চেয়ে বেশি সৃজনশীল ও সাশ্রয়ে কাজ করতে পারে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার বিভাগ (ইউএনডিইএসএ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একটি গবেষণা করেছে। তাতে দেখা গেছে, শ্রমবাজারে প্রযুক্তির দারুণ প্রভাব রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বৈষম্য দূর করা যায়।

সবখানে যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যাও রয়েছে। যেমন যন্ত্র চালানোর মতো দক্ষ জনবল, দুর্বল অবকাঠামো ও ব্রডব্যান্ড সেবা, দুর্বল যোগাযোগের নেটওয়ার্ক প্রভৃতি। এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতের মতো স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এ ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় রয়েছে। এতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে?

14/03/2018

পাই দিবস, হকিং ও আইনস্টাইনঃ

পাই = পরিধি ÷ ব্যাস। বৃত্তের পরিধিকে ব্যস দিয়ে ভাগ করলে কখনোই ভাগশেষ হবে না। তার মানে পরিপূর্ণ বৃত্ত বলতে কিছু নেই। আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের পরিধিও তাই নির্ণয় করা সম্ভব নয়। পাইয়ের মান ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৭৯......ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ঘর তবুও অনন্ত। আজ ৩/১৪ অর্থাৎ মার্চের ১৪ তারিখ। বিশ্ব পাই দিবস। পাইয়ের এ মান উদঘাটন করা গেলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব বলে অনেকের বিশ্বাস। পাইয়ের এই রহস্যময় আচরণের কারণ নিয়ে গণিতবিদরা আজও মাথা ঘামিয়ে চলেছেন কিন্তু রহস্য ভেদ করতে পারছেন না। বৃত্তের পরিধিকে ব্যাস দিয়ে ভাগ করলে কেন নিঃশেষে বিভাজ্য হবে না তা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে এক রহস্য হয়েই থেকে যাবে?

১৮৭৯ সালের ১৪ মার্চ অর্থাৎ ১৩৯ বছর আগে আজকের এ দিনটিতে অর্থাৎ পাই দিবসে আইনস্টাইন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যুগান্তকারী তত্ত্ব দিয়ে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধারণাটাকেই তিনি পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। কাকতালীয় হলেও ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ অর্থাৎ আজ বিশ্ব পাই দিবসে বর্তমান সময়ের শ্রেষ্ঠ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং প্রয়াত হয়েছেন। মহাবিশ্বের অসীমতা নিয়ে কাজ করা দুই দিকপাল গণিতের 'পাই' নিয়ে চিন্তা করেছেন কিনা তা জানা যায় না। পাইয়ের মান দশমিকের পর ৪৩ ঘর পর্যন্ত ধরে পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের পরিধি নির্ণয় করলে তা প্রোটনের আকারের সমান সুক্ষ্ম হয়। আরও সুক্ষ্মভাবে নির্ণয় করার জন্য আরও ডিজিট নিতে হবে। কি জানি, পাইয়ের মানের এই রহস্যময় অসীমতার উপরই কোয়ান্টাম বলবিদ্যা তথা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অসীমতার রহস্য নির্ভর করছে কিনা!

পাই দিবসে মহান দুই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিংকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

House#01, Road#02, Santek, Jatrabari
Dhaka
1236