লুকিয়ে বিয়ে করা যায়না✅
Deen View
ইসলামিক ভিডিও পেতে আমার পেজ ফলো দিন🫶☺️❤️
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস'আলুকাল হুসনাল খতিমাহ।🥺❤️✅
18/05/2026
দু'আ কবুলের গল্প♥
আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার এবং একটি দোয়া কবুলের গল্প। দোয়া জীবন পরিবর্তন করতে পারে। বিশেষ করে বোনেরা বিয়ের আগে কেমন জীবনসঙ্গী চান সেটা সবার আগে আল্লাহকে বলুন।
খুব বাজে একটা দাম্পত্য সম্পর্কের (মা-বাবার) পরিবার থেকে বিলং করি আমি। ছোট থেকে খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে পরিবার নিয়ে। বিয়ে জিনিসটা খুব অসহ্য লাগতো একসময়। দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর ডিসিশন নেই বিয়ে করব। বেশ কিছু বায়ো ডাটা পাই। তার মধ্যে একজনের সাথে কথা বেশ অনেকটুকু আগায়।
খুব ভয় করছিলো। তার আখলাক ভাল, দেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানে পড়েন। সব দিক থেকেই ভাল। আমার নিজের সম্পর্কে বিশেষ কিছু ব্যক্ত করে বলার মতো তেমন কিছু নেই। প্রতিদিন ভয়ে ভয়ে দিন যেতো। যদি কষ্ট পাই? বিয়ের পরের স্মৃতিচারণ যদি তিক্ত হয়!
আল্লাহর কাছে খুব দোয়া করেছি, খুব কান্না করেছি। মাসের পর মাস রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়েছি। শত-শত বার ইস্তেগফার করেছি। রোজা রেখেছি। অনেক ঝড়-ঝাপটা মাড়িয়ে অবশেষে অর্ধ বছর লম্বা সময় অপেক্ষা করে সপ্তাহের পবিত্র দিনে জুমা’র পরে আমাদের বিয়ে হয়।
এর পরের জীবনটা আমার অবর্ণনীয়। আল্লাহ আমাকে এমন নিয়ামত দিয়েছেন যে সত্যি বলতে মাঝে মাঝে মনে হয় আমি এতটাও উপযুক্ত নই এসবের। আল্লাহ আমাকে এমন একজন জীবন সঙ্গী দিয়েছেন যার তুলনা আমি কোথাও খুঁজে পাই না। চক্ষুশীতলকারী অন্তর শীতলকারী একজন।
আমার প্রতিটি কাজ মুগ্ধ হয়ে এপ্রিশিয়েট করেন। রান্নাটা খারাপ হলেও পেটপুরে খেয়েদেয়ে ওঠে যান। অফিস থেকে ফিরে সুন্দর সুন্দর নাম ধরে ডাক দেন। মাঝে মাঝে কবিতা শুনান। মন খারাপ হলে গল্প শোনান। দিনের কিছু সময় এটা ওটা বলে খুব হাসান। মাঝে মাঝে বলি, "আমি কি একটু রেগেও থাকতে পারবো না?"
- নাহ, বউরা রাগ করলে বাসায় ভালো লাগে নাকি!
এই ভালবাসা গুলো কি হারামে ডুবন্ত গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ডরা অনুভব করতে পারবে?
আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আমি দুনিয়াতে এক টুকরো জান্নাত হিসেবে আমার সংসারটাকে পেয়েছি। প্রত্যেক দিন মনে হয় যে, আমি নতুন করে তার প্রেমে পড়ি।
সত্যি বলতে আমি দুনিয়াতে টাকা পয়সা নাম ডাক কিছু চাই না। শুধু চাই যখন মৃত্যু আসবে এই মানুষটার দিকে তাকিয়ে থেকে কালেমা পড়ে যাতে আমি দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারি।
[এমন নয় যে আমাদের ঝগড়া হয় না কিংবা কোনো কষ্ট নেই জীবনে। আমি শুধু ভালোটুকু বেঁছে নিয়েছি জীবনে ভাল থাকার জন্য]
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বোন
17/05/2026
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে হাকীমে যিলহজ্বের প্রথম দশরাত নিয়ে ক্বসম করেছেন। এমন ক্বসম আল্লাহ তায়ালা আরো অনেক সৃষ্টি নিয়ে করেছেন। সেগুলো আল্লাহ তায়ালার জাতে পাক ও কুদরত নিয়ে। সেইসব ক্বসমের বিষয়বস্তু এবং ক্বসমের পর আল্লাহ জাল্লা শানুহু এমনসব বক্তব্য দিয়েছেন যেগুলো আমাদের বোধের বাইরে। সৃষ্টিগুলোর বড়ত্বের পরিমাণ এতবেশি যে যা আমাদের যাপিত জীবনের সাথে মেলানোর সাধ্য আমাদের নাই। চাঁদ-সূর্য ও দিন-রাতের ক্বসমের মাহাত্ম্য আমরা বুঝি কিন্তু এগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
কিন্তু রমাদ্বান মাস ও যিলহজ্বের দশদিন এগুলো আমাদের যাপিত জীবনের অংশ ও ঈমান আমলের মৌসুম। তথাপি আল্লাহ তায়ালা রমাদ্বান মাস নিয়ে শপথ করেননি। করেছেন যিলহজ্বের দশরাত নিয়ে।
পানির ফিল্টারে পানি দিলেই সাথে সাথে ময়লা পানি পরিষ্কার হয়ে যায় না। অনেকগুলো ধাপ পার হয়। প্রথমে বালি তারপর নুড়িপাথর পেরিয়ে ছাঁকনিতে ছেঁকে এরপর পরিষ্কার পানি বেরিয়ে আসে। এই যে ধাপে ধাপে বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া এটা আল্লাহ তায়ালার নিযাম। শুধু বস্তুতেই নয় বরং ঈমান আমলেও।
এই উদাহরণের সাথে যিলহজ্বের দশদিনকে মেলানো যায়। যিলহজ্ব মাসে ফরজ ওয়াজিব অনেকগুলো ইবাদাত। হজ্ব ও কুরবানি। সাথে অনেকগুলো সুন্নাহ আমল। হজ্ব ও কুরবানি অনেক বড় আমল। আল্লাহ তায়ালার জন্য জান ও মাল কুরবানি করার জন্য দীলের হালত এতটা কামালিয়াতে পৌঁছা দরকার যেন এই আমলগুলো আল্লাহ তায়ালার কাছে কবুল না হওয়ার কোনো পথই বাকী না থাকে। এইজন্য নয়দিনের ফিল্টারিং দরকার। এই নয়দিনের ঈমান আমলের মাধ্যমে অন্তরের বিশুদ্ধিকরণ সম্পন্ন হবার পর হজ্ব ও কুরবানি যে করবে নিশ্চিত সে জিতে যাবে!
এইজন্য নয়দিন ও দশরাতের ক্বসম করেছেন। উপরন্তু রমাদ্বান মাস পুরোটাই ছিলো প্রশিক্ষণ। যেখানে বান্দার সারামাসের প্রশিক্ষণ তাকে সারাবছরের জন্য তৈরী করবে। হজ্ব ও কুরবানির জন্যও তৈরি করবে।
এই দশদিন বহুত দামী। বহুত মানে বহুদ দামী। কাজে লাগাতে না পারলে এরচে হতভাগা আর কে হতে পারে!
~ Ammarul Hoque (Hafi.)
একা একা সালাত আদায় করবেন না।🥺❤️✅
আগুনের শাস্তি থেকে আমাদের বাঁচান আমিন।❤️🌸✅😌
রাস্তায় মুচি গিরি করে হলেও খাবেন ✅🌸🥀🙂
তখন হয়তো আল্লাহ্ এতটা খুশি হয়ে যাবেন!..😌🥀❤️
সেই যুবককে দেখে আল্লাহ্ পাক অবাক হয়ে যান।❤️🥀🥺
যে তিনটি দোয়া জুম্মার দিনে কখনো ফেরত যায় না
মানুষ ভাবে- “আমার দোয়া কি কবুল হবে?"
ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) বলেন- জুম্মার দিনে এমন কিছু দোয়া আছে, যা ফেরেশতারা আকাশে তুলে নেয়- খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।
জুম্মার দিন দোয়া কবুলের দিন।
কিন্তু আমরা অনেকেই জানিই না-
কোন দোয়াগুলো এই দিনে বিশেষভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়।
ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) এর বর্ণনা অনুযায়ী বোঝা যায়- যে ব্যক্তি জুম্মার দিনে আন্তরিকতা নিয়ে দোয়া করে, তার দোয়ায় আল্লাহর দরবারে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।
আজ সেই তিনটি দোয়া জেনে নিন- যা জুম্মার দিনে পড়লে অন্তর নরম হয়, দুশ্চিন্তা হালকা হয়, আর তাকদিরেও পরিবর্তনের দরজা খুলে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ।
১. “হাসবুনাল্লাহ” – ভয় ও দুশ্চিন্তা কেটে যায়
দোয়া:
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
বাংলা উচ্চারণ:
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিআ'মাল ওয়াকীল
অর্থ:
“আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম অভিভাবক।”
রেফারেন্স:
ইবরাহিম (আ.) এবং সাহাবীরা এই দোয়া পড়েই আল্লাহর সাহায্যে কঠিন বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছিলেন।
– সহীহ বুখারী: ৪৫৬৩
জুম্মার দিনে করণীয়:
আসরের নামাজের পর শান্তভাবে, গভীর তাওয়াক্কুল রেখে কমপক্ষে ৭ বার এই দোয়াটি পড়ুন। প্রতিবার পড়ার সময় মনে মনে নিজের সব ভয়, দুশ্চিন্তা ও চিন্তার বোঝা
আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।
২. “ইয়া রহমানু, ইয়া রহীম” – আল্লাহর বিশেষ দয়া নামানোর -
দোয়া
দোয়া:
يَا رَحْمَنُ يَا رَحِيمُ
বাংলা উচ্চারণ:
ইয়া রহমানু, ইয়া রহীমু
অর্থ:
“হে পরম দয়ালু, হে অতিশয় দয়ালু।”
রেফারেন্স:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন-
“আমার দয়া সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে।”
- সূরা আল-আরাফ: ১৫৬
ইমাম নববী (রহ.) বলেন-
জুম্মার দিন রহমত ও দয়ার দোয়া অন্যান্য দিনের তুলনায় দ্রুত কবুল হওয়ার আশাবাদ থাকে।
জুম্মার দিনে করণীয়:
জুমার দিনের আগে, বিশেষ করে জোহরের আগের সময় কমপক্ষে ১০০ বার এই দোয়াটি পড়ুন। মনকে নরম করে, নিজের গোনাহ, দুর্বলতা আর অভাবের কথা স্মরণ করে আল্লাহর দয়া ভিক্ষা চান।
৩. “আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা...” — হালাল ও বরকতময়
রিজিকের দোয়া
দোয়া:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ رِزْقًا طَيِّبًا
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিযক্বান তয়্যিবান
অর্থ:
“হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে হালাল ও বরকতময় রিজিক চাই।"
রেফারেন্স:
– সুনান ইবনে মাজাহ: ৯২৫
ইমাম সুয়ূতী (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে—
রিজিকের জন্য সবচেয়ে পরীক্ষিত দোয়াগুলোর মধ্যে এ দোয়াটি অন্যতম।
জুম্মার দিনে করণীয়:
ফজরের নামাজের পর ৭ বার
এবং জুমার নামাজের আগে ১১ বার পড়ুন।
শুধু টাকা-পয়সা নয়, হালাল, পরিশুদ্ধ, শান্তি ও কৃতজ্ঞতা আনে এমন রিজিকের জন্য দোয়া করুন।
জুম্মার দিন - "দিনের রাজা”
এই দিনের দোয়া সহজে ফেরত যায় না।
যে বান্দা এদিন দোয়া ছেড়ে দেয়, সে যেন নিজের জন্য খোলা দরজাটা নিজেই বন্ধ করে দেয়।
শেষ কথা
জুম্মার দিন এমন এক দিন-
যেদিন অন্তর থেকে বের হওয়া আর্জি সরাসরি আসমানের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়ে।
আজ যদি আপনি শুধু অভিযোগ না করে, এই তিনটি দোয়া দিয়ে জুম্মার দিনকে ধরেন, আর জীবনের আমলগুলোকে গুছিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন- তাহলে খুব সম্ভব, আপনার জীবনের আকাশেও বরকতের মেঘ জমতে শুরু করবে ইনশাআল্লাহ।
14/05/2026
اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
(আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ) ﷺ
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রহমত ও শান্তি দান করুন।
[সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব : ১/২৭৩]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka
1005