15/03/2022
দ্বীন ইসলাম
(বেস্ট কোয়ালিটি এন্ড বেটার সার্ভিস)
15/03/2022
"সব ই প্রয়োজন"
কথাটা ভূল |
হজরত আলী (রাঃ)
বলতেন "হে আল্লাহ!
আমাকে অপ্রয়োজনীয়
জ্ঞান
থেকে রক্ষা কর"...
অপর এক
যায়গাতে বর্ণিত
হয়েছে "যে জ্ঞান
ইসলামের কোন
কাজে লাগেনা তা কোন
জ্ঞানই না"
আমাদের
অনেকে বলেন
"যেখানে যা পাও তাই
পড়" ........ বুদ্ধিমান
রা ইসলামিক কোন
কিছুর কথা বলেন
না |
নাস্তিকতার জন্য
আজে বাজে জ্ঞান ই
যথেষ্ঠ || না, দুষ্ট
গরুর চেয়ে শুন্য
গোয়াল ঢের ভালো ||
তাই সাবধানে সঠিক
তথ্য জানতে হবে |
আর নির্ভূল জ্ঞান
হলো কুরআন ||
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।
- সূরা বুরূজ : ১১
# # আপনার প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন ইসলামের শাশ্বত বাণী। হৃদয় থেকে হৃদয় উদ্ভাসিত হোক ঈমানের আলোকচ্ছটায়।
"হে আল্লাহ! তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।
তোমার উপর ভরসা করলাম। তোমার প্রতি ঈমান
আনলাম। তোমার দিকে প্রত্যাবর্তন করলাম।
তোমাকে কেন্দ্র করে বিবাদে লিপ্ত হলাম। তোমার নিকট
বিচার ফয়সালা সোপর্দ করলাম। অতঃপর
আমাকে ক্ষমা কর, যা আগে করেছি এবং যা পরে করব,
যা প্রকাশ্যে করেছি এবং যা গোপনে করেছি। তুমিই
আমার মা‘বুদ। তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোন মা‘বুদ নেই।"
[বোখারি : ৫৮৪৩]
তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।
- সূরা আহযাব : ২১
25/08/2013
জাহান্নামের পরিচিতিঃ
[-] জাহান্নামের গভীরতা এমন যে, এর মুখ থেকে একটি পাথর
ফেলে দিলে জাহান্নামের তলদেশে পৌছাতে ৭০ বছর সময় লাগে ।
[-] বিচারের দিন জাহান্নামকে ৭০ হাজার শিকল
দ্বারা টেনে আনা হবে যার প্রত্যেক শিকল ৭০ হাজার
ফেরেশতা বহন করবেন ।
[-] জাহান্নামে চাঁদ এবং সূর্যকে নিক্ষেপ করা হবে আর
জাহান্নামে তা অবলীলায় হারিয়ে যাবে ।
[-] জাহান্নামবাসীর শরীরের চামড়া ১২৬ ফুট পুরু
করে দেওয়া হবে যাতে করে আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ হয় । তাদের
শরীরে আরও থাকবে তিল যার এক একটি হবে উহুদ পাহাড়ের সমান
। আর জাহান্নামবাসীর বসার
জায়গা হবে মক্কাথেকে মদীনা পর্যন্ত দূরত্বের সমান ।
[-] প্রতিদিন জাহান্নামের আযাব পূর্বের দিন থেকে আরও তীব্র
আর ভয়াবহ করা হবে ।
[-] জাহান্নামের খাদ্য হবে কাঁটাযুক্তগাছ আর পানীয় হবে ফুটন্ত
পানি, পুঁজ, পুঁজও রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ত তেল । এরপরও
জাহান্নামবাসীর পিপাসা এত বেশি হবে হবে যে তারা এই পানীয়
পান করতে থাকবে ।
[-] জাহান্নামের এই ভয়াবহ কল্পনাতীত আযাব অনন্ত কাল
ধরে চলতে থাকবে । জাহান্নামবাসীরা এক পর্যায়ে জাহান্নামের
দেয়াল টপকিয়ে পালাতে চেষ্টা করলে তাদেরকে লোহ
হাতুড়ি দ্বারা আঘাত করে ফেলে দেওয়া হবে l
জাহান্নাম থেকে মুক্তির দু'আ । اللهم أجرني من النار আল্লাহুম - মা আজিরনী মিনান্না -র । হে আল্লাহ আমাদের জাহান্নাম এর আজাব থেকে মুক্তি দান করুন।
প্লীজ শেয়ার করে সকল কে দেনোর সুযোগ করে দিন ।
এক রাতে হযরত আলী (রাঃ) হযরত উমর (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে তাঁর বাসভবনে যান। হযরত উমর (রাঃ) আলী (রাঃ)-কে ভিতরে আসতে বলেন। হযরত আলী (রাঃ) ভিতরে আসতেই তিনি প্রদীপটা নিভিয়ে দেন। আলী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন- আমি আসা মাত্রই আপনি বাতিটা নিভিয়ে দিলেন ব্যাপার কি? হযরত উমর (রাঃ) উত্তরে বললেন, এই প্রদীপে বাইতুল মাল তথা সরকারী কোষাগারের তৈল আছে। আমি এতক্ষণ বায়তুল মালের কাজে রত ছিলাম, তাই বাতিটা জ্বলছিল। এখন যেহেতু আমি ও আপনি ব্যক্তিগত কথা বলব। আর এটা বায়তুল মালের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং এ বাতি জ্বালিয়ে আমাদের ব্যক্তিগত কথা বলা ঠিক হবে না।
{পছন্দীদাহ ওয়াকে'আত}
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
“পারস্পরিক ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার ক্ষেত্রে মুসলমানদের উদাহরণ হচ্ছে একটি দেহের মতো। তার একটি অঙ্গ যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন অন্য সকল অঙ্গও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
মুসলিমঃ ৬৯৫৮, মুসনাদে আহমদ।
“খাজা তোমার দরবারেতে,
কেউ ফিরেনা খালি হাতে!!!”
(নাউজুবিল্লাহ)
বোকা কিছু মানুষ আছে যারা জীবনে কোনোদিন নামাজ পড়ে না, রোজা রাখেনা, কোনো সমস্যায় পড়লেই খাজা তথা গাঁজা বাবাদের দরবারে দৌড় দেয়।
এই আবালরা মনে করে সমাধান সব গাঁজা বাবাদের কাছেই!!
কোটি টাকার মালিক, অথচ যাকাত দেয় না। গরীবদের সাহায্য করে না। রাষ্ট্রকে ইনকাম টেক্স দেয় না। কিন্তু সব টাকা খাজার দরবারে দিয়ে আসে। ভন্ডের দল খাজারাই কোটিপতি হয়।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে এসব ভন্ড পীরদের আস্তানা অত্যধিক বেশি। একই উপজেলায় কয়েকটা থেকে কয়েকশত মাজার আছে।
এই ভন্ডরা তাদের রবদের কবরগুলোকে ‘কবর’ বলে না; বলে কিনা ‘মাজার’। আর মূর্খ পাবলিকও বোঝে না যে যেটাই ‘নূন’ সেটাই ‘লবণ’।
এসব ভন্ড গাঁজা বাবা, বদনা পীরদের ধর্ম ব্যাবসা বন্ধ করতে ইসলামের মৌলিক জ্ঞান তাদের নিকট পৌঁছানো প্রয়োজন। প্রথমত মানুষের আক্কিদাহ পরিবর্তন করা গেলে এই গাঁজাবাবাদের ধম্ম ব্যবসায় এমনিতেই লালবাত্তি জ্বলবে।
আহ্! মানুষ যদি অন্তত সূরা ফাতিহার ৪ নং আয়াতের অর্থটুকুন বুঝত!! অর্থাত্ যিনি দেয়ার মালিক, তাঁর কাছেই চাইতে হবে। তাহলে হয়তবা কথিত বদনা পীর ও গাঁজা বাবাদের ধ্বস পড়লেও পড়তে পারত!!
--- Collected From:
All Praise Belongs to Allah (সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহ'র)
......আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) এর কিছু চারিত্রিক গুণাবলী........ ..
১. কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না ।
২. লৌকিকতার প্রয়োজনেও ছোট
প্লেটে খাবার খেতেন না ।
৩. সর্বদা আল্লাহর ভয়ে ভীত
থাকতেন ।
৪. অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন ।
৫. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন
না ।
৬. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই
বুঝে নিতে পারে ।
৭. বক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন
না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত
হয়ে যায় ।
এবং খুব সংক্ষিপ্তও করতেন, না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায় ।
৮. কথা, কাজে ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না ।
৯. নম্রতাকে পছন্দ করতেন ।
১০. তার নিকট আগত ব্যক্তিদের
অবহেলা করতেন না ।
১১. কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না ।
১২. শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত রাখতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন ।
১৩. আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন ।
১৪. খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন
না । মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন ।
১৫. ক্ষমাকে পছন্দ করতেন ।
১৬. যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন,যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপুর্ন অবহিত হয় ।
১৭. সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন ।
১৮. হাতে যা আসত, তা আল্লাহর
রাস্তায় দান করে দিতেন ।
রাসুল (সাঃ) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সাঃ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন,,,,আমীন ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka