24/07/2026
শায়খ খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানির গতকালের সেমিনার থেকে হজরতের হুবহু আলোচনা তুলে ধরেছেন খালিদ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ—
"আজই খেলাফত কায়েম হয়ে যাবে—এই প্রত্যাশা ছেড়ে দিন। আমি জানি, বাংলাদেশের ওলামাদের মাঝে ত্বরাপ্রবণতা আছে; তারা দ্রুত খেলাফত চায়।
যদি পৃথিবীতে ইমাম মাহদীর পূর্বে খেলাফত মুকাদ্দর হতো, তবে তো মাহদীকে পাঠানোর প্রয়োজনই ছিল না।
আমি স্পষ্ট ভাষায় বলছি— যেসব শাসনব্যবস্থা নিজেদের ইসলামি হুকুমত বলে না, খেলাফত বলেও দাবি করে না; কিন্তু মাদরাসা চালানোর স্বাধীনতা দেয়, নারীদের পর্দার অনুমতি দেয়, আজান ও নামাজের সুযোগ দেয়; এমনকি আপনারা সরকারি চাকরিও নিতে পারছেন, পাশাপাশি সন্তানদের তরবিয়ত করতে পারছেন, সেমিনার করতে পারছেন...।
আমি তো এটাও বলি—আপনারা হজম করতে পারবেন কি না জানি না—আলেমদের এখন এই সুযোগ রয়েছে যে, চাইলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দ্বীনের কাছে টানার জন্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রিকেট-ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা উচিত।
আপনারা মনে করতে পারেন, আমার বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়া হবে। আপনারা যত ইচ্ছা ফতোয়া লাগান; ইনশাআল্লাহ, আমার ওপর আপনাদের ফতোয়া কোনো কাজে আসবে না—আমি এমন প্রুফ আদমি!
নদওয়ার মাঠে ফুটবল-ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন হতো, সেখানে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসত। নদওয়ার শিক্ষার্থীরাও মাঠে ফুটবল খেলতে নামত।
কলেজের ছাত্রদের জন্য নাশতার ব্যবস্থা রাখা হতো; এমনকি হিন্দুরাও আসত।
কখনো কখনো হিন্দুরা মসজিদে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাগরিবের নামাজ পড়তে চাইত; তারা দেখে দেখে অনুসরণ করে নামাজ পড়ত।
এভাবে ৭ জন হিন্দু ইসলাম কবুল করেছিলেন।
হে আলেম ভাইয়েরা! উম্মত বিগড়ে যাওয়ার পেছনে আমাদের বদ-আখলাকিরও দায় রয়েছে। আসুন, আমরা আমাদের হৃদয়কে উম্মতের জন্য প্রসারিত করি।
কপি