09/02/2026
ফ্যামিলি কার্ড বহনকারী ট্রাক উল্টে ০৭ কোটি ফ্যামিলি কার্ড নিখোঁজ।
লোকেশন- কেউ চিনতে পারলে গিয়ে উদ্ধার করুন?
✨ 𝓣𝓱𝓮 𝓶𝓸𝓻𝓮 𝓵𝓲𝓰𝓱𝓽 𝓸𝓯 𝓴𝓷𝓸𝔀𝓵𝓮𝓭𝓰𝓮 𝓼𝓹𝓻𝓮𝓪𝓭𝓼,
𝓽𝓱𝓮 𝓶𝓸𝓻𝓮 𝓫𝓮𝓪𝓾𝓽𝓲𝓯𝓾𝓵 𝓽𝓱𝓮 𝔀𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓫𝓮𝓬𝓸𝓶𝓮𝓼,
𝓽𝓱𝓮 𝓶𝓲𝓷𝓭 𝓯𝓲𝓷𝓭𝓼 𝓹𝓮𝓪𝓬𝓮, 𝓪𝓷𝓭 𝓵𝓲𝓯𝓮 𝓰𝓮𝓽𝓼 𝓲𝓵𝓵𝓾𝓶𝓲𝓷𝓪𝓽𝓮𝓭. 🌟
09/02/2026
ফ্যামিলি কার্ড বহনকারী ট্রাক উল্টে ০৭ কোটি ফ্যামিলি কার্ড নিখোঁজ।
লোকেশন- কেউ চিনতে পারলে গিয়ে উদ্ধার করুন?
29/01/2026
সহজ হিসাবঃ
৪ কোটি পরিবার × মাসে ২,৫০০ টাকা
= ৪০,০০০,০০০ × ২,৫০০
= ১,০০০,০০০,০০০,০০০ টাকা
এটা কোটি টাকায় হলে
= ১০,০০০ কোটি টাকা (দশ হাজার কোটি টাকা!)
অর্থাৎ চার কোটি মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দিতে লাগে দশ হাজার কোটি টাকা!
প্রশ্নঃ এটা কি প্রতিমাসে কোনভাবেই সম্ভব?
উঃ না, এটা বাস্তবসম্মত কোন প্রকল্প না (কাল্পনিক)।
এটাও ফ্যাসিস্ট হাসিনার দশ টাকায় কেজিতে চাল খাওয়ানোর প্রকল্পের মতই আরেকটা ধোকাবাজির ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প মাত্র।
আমাদের বোকা বানানোর জন্য অসাধারণ কৌশল
24/01/2026
– বাবা, তুমি ঘন্টায় কত টাকা আয় করো?
– সেটা তোমার জানার বিষয় না।
– প্লিজ বাবা, আমাকে বলো।
– ১০০০ টাকা।
– ও! আচ্ছা বাবা, তুমি কি আমাকে ৫০০ টাকা ধার দিতে পারবে?
– (রেগে গিয়ে) কেন? তুমি কি কোনো খেলনা কিনতে চাও?
ছোট্ট মেয়েটি এই প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে মন খারাপ করে উঠে চলে যায়।
কিছুক্ষণ পর বাবার মেজাজ ঠান্ডা হলে তিনি ভাবেন, আমার মেয়েটা তো আমার কাছে কখনোই কিছু চায় না! আজ হয়তো টাকাটা ওর সত্যিই প্রয়োজন ছিল। তিনি মেয়েকে ডেকে অনুতাপের সুরে বলেন, "৫০০ টাকা নিয়ে তুমি কি করবে মা?"
মেয়েটি কোনো কথা না বলে তার ড্রয়ার থেকে কিছু খুচরা টাকা বের করে। বাবা দেখলেন, মেয়ের কাছে আগে থেকেই টাকা আছে। তিনি আবার রাগতে শুরু করলেন। মেয়েটি তার ছোট ছোট হাত দিয়ে টাকাগুলো গুণে বাবার দিকে মুখ তুলে তাকায়।
বাবা জিজ্ঞাসা করেন, "তোমার কাছে তো টাকা আছেই, তাহলে তুমি আবার টাকা চাচ্ছ কেন?"
মেয়েটি জবাব দেয়, "কারণ আমি ভেবেছিলাম আমার কাছে হয়ত যথেষ্ট পরিমাণে নেই। এই টাকাগুলো আমি অনেকদিন ধরে জমিয়েছি। আমি তোমাকে এখান থেকে ১০০০ টাকা দিতে চাই এবং তার বিনিময়ে তোমার কাছ থেকে ১ ঘন্টা সময় কিনে নিতে চাই। এই নাও টাকা, আগামীকাল তুমি এক ঘন্টা আগে বাড়ীতে আসবে। এক ঘন্টা সময় আমি তোমার কাছ থেকে কিনে নিলাম। এই এক ঘন্টা তুমি অন্য কোনো কাজ করতে পারবে না, শুধু আমার সাথে খেলবে।"
একথা শুনে বাবা ভীষণভাবে আন্দোলিত হলেন। তিনি তার ছোট্ট মেয়েটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন।
শিক্ষা: জীবনে ব্যস্ততা থাকবেই। কিন্তু সেই অজুহাতে পরিবারের সদস্যদেরকে বঞ্চিত করলে এমন একদিন আসবে যেদিন আফসোসের সীমাও থাকবেনা। বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর
23/01/2026
চা বেচে অমুক দিনে ১০ হাজার কামাচ্ছে!
টমেটোর ক্ষেত থেকে মাসে ২ লক্ষ টাকা ইনকাম!
চাকরি ছেড়ে গোবর ছেনে কোটিপতি!
— এসব গল্প এখন অনেকেই শোনায়।
তরুণদের জন্য পরামর্শ, এই ফাঁদে পড়বেন না। একদম নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা, আমাদের বয়সী একজন, ওয়েল পেইড জব ছেড়ে এইসব কুইক ক্যাশের নেশায় পড়ে গেল, এখন হাউমাউ করে মরছে।
আপনি যাই করেন, সেটার এক্সপান্ডিবিলিটি থাকতে হবে। ধরুন, একজন রিকশাওয়ালা, সে ডিসেন্ট আয় করে, এন্ট্রি লেভেল চাকরিজীবীর চেয়ে বেশি। রিকশাওয়ালারা মাসে ৩০ হাজার কামায় আর জবে নতুন হলে স্যালারি মাত্র ১৫ হাজার, ভিউ শিকারীরা আপনাকে এটুকুই বলবে।
এবার পরের হিসাবটা! ভাবুন, ওই রিকশাওয়ালা তার ইনকাম ডাবল করতে চায় বা নিদেনপক্ষে আর একটু বাড়াতে চায়। তার জন্য একমাত্র অপশন রিকশা চালানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া। ডাবল করতে চাইলে তাকে ১০ ঘন্টার জায়গায় ২০ ঘণ্টা রিকশা চালাতে হবে। এটা কী ফিজিক্যালি পসিবল? রোদ, বৃষ্টি তো আছেই, ছুটির দিনে কাজে না গেলে আয় নেই।
কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের জবে ৪/৫ বছরে বেতন ডাবল হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, কোনো অতিরিক্ত ঘন্টা না বাড়িয়েই।
আপনি যে কাজটা করতে চান সেটা তো আগে ভালো লাগতে হবে। ফেসবুকের এক লাইকখোরের লেখা পড়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাজারে বসে চা বেচবেন, চাকরির ডাবল ইনকাম। ভেবে দেখুন, আগামী ৩০ বছর আপনি কাপ পিরিচ আর চুলা নিয়ে চা বানাতে রাজি আছেন কিনা।
লাইফস্টাইলের ব্যাপার তো আছেই। আপনার যখন তেমন ইনকাম ছিল না, তখন আপনি বাইক চালাতেন। সামনে টাকা হবে, গাড়ি কিনবেন। কিন্তু এসব কাজে গাড়ির ভূমিকা কি? গাড়ি চালিয়ে কি আপনি ঝালমুড়ি বেচতে যাবেন?
চাকরিজীবি বা ডিসেন্ট লেভেলের উদ্যোক্তা হলে আপনি তার সাথে একটা লাইফস্টাইল আর নেটওয়ার্ক বাই ডিফল্ট পাবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন, আপনি একটা স্টেশনারি কোম্পানির মার্কেটিংয়ে জব করেন। আপনি আজ এই ভার্সিটিতে, কাল ওই ঝকঝকে অফিসে বি-টু-বি ডিল করতে যাবেন। কত হাই স্কিল লোকের সাথে পরিচিতি হবে, কন্টাক্ট বিনিময় হবে।
কিন্তু আপনি টাকা দেখে রাস্তায় বাদামের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ালেন। আপনার নেটওয়ার্ক হবে পাশের ফুচকাওয়ালা, আইসক্রিম বিক্রেতা ইত্যাদি। ওই ফুচকাওয়ালার ওই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা সে কতক্ষণে তার সব মাল বিক্রি করে ঘরে যাবে। আগামীকালও সে একই কাজ করবে। আপনার মতো তার অ্যাম্বিশন নেই, বড় কিছু করার ইচ্ছে নেই, দেশের মানুষের উপকারে আসার খায়েশ নেই।
মনে রাখবেন, Your network is your net-worth. আর ওই সমস্ত পেশায় যে খুব বেশি ইনকাম হয় তাও কিন্তু না। খবরের শিরোনামে লেখা "চাকরি ছেড়ে বেগুন চাষে লাখপতি", ভিতরে থাকে ১ বছরে আয় সর্বসাকুল্যে ৩ লাখ টাকা। মানে ওই লোক মাসে মাত্র ২৫ হাজার টাকা কামায়, এটা নিয়ে আবার নিউজও হয়!
তাই এইসব ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না। প্রতি বছর মিডিয়াগুলো নিজেদের স্বার্থেই এসব নিউজ করে। গত ৫ বছরে নিউজ তো কম দেখেননি, আইফোন হাতে চানাচুরওয়ালা, ডিএসএলআর হাতে চটপটি বিক্রেতা, আরো কত কি! প্রশ্ন হলো তারা এখন কোথায়? তারা এখনও কেন সেই রাস্তায় বসছে না আর ওরকম আয় করছে না? তাহলে এগুলো রিলায়েবল পেশা হয় কিভাবে?
কোনো কাজই ছোট নয়। কিন্তু সব কাজই যে আপনার ফিল্ড, তা-ও নয়। আপনার কাছে খুব ভালো একটা প্ল্যান আছে, কিন্তু পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য আপনি এগোতে পারছেন না। এখন আপনি যদি মাছ কুটে, চানাচুর বেচে ওই ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে ফেলতে পারেন, তাহলে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যেভাবে এসব পেশাকে সরাসরি একটা ওয়েল পেইড জবের বিকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তা মোটেও রিয়েলিস্টিক নয়। বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর
ড্রোন দেখেই কুকুরগুলোর এমন রিঅ্যাকশন 😳🐕
ছোট বাচ্চাদের ভয় আর হাসি—সব মিলিয়ে একদম রিয়েল মুহূর্ত!
When dogs see a drone for the first time 😱
Kids + Dogs + Drone = Pure chaos 😂
ভিডিওটা শেষ পর্যন্ত দেখুন ❤️
21/01/2026
বনের রাজা সিংহ রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে একটা ঝাঁকি দিল! লাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করল!
সিংহ যতটা না অবাক হলো, তার চেয়ে বিরক্ত হলো বেশি। বাঁদরের ভ্রুক্ষেপ নেই। সে সিংহকে ভেংচি কেটে লাফাতে লাফাতে চলে গেল।
শেয়াল পাশ থেকে পুরো ঘটনা লক্ষ্য করে সিংহকে উদ্দেশ্য করে বলল, “বনের রাজার সাথে এত্ত বড় বেয়াদবি! আর আপনি কিনা তাকে কিছুই বললেন না!”
সিংহ মৃদু হেসে বলল, বলার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি! একটু অপেক্ষা করো, সবকিছু দেখতে পাবে।”
কয়েকদিন পর হঠাৎ করেই বাঁদর সিংহের সামনে পড়ল এবং সিংহ তাকে সেখানেই এক থাপ্পড়ে শেষ করে দিল।
শেয়াল অবাক হয়ে সিংহকে জিজ্ঞাসা করল, “সেদিন বাঁদর অত অন্যায় করল, আপনি তাকে কিছুই বললেন না। অথচ আজকে সে তেমন কিছু করেনি, কিন্তু আপনি তাকে মেরে ফেললেন!"
জবাবে সিংহ বলল, “দিস ইজ পলিটিক্স! সেদিনের পর বাঁদর ভালুককে পিছন থেকে লাথি মেরেছে! হাতির শুঁড় ধরে দুলেছে! গন্ডারের পিঠে চড়ে নেচেছে! হায়নাকে কাতুকুতু দিয়েছে! বাঘকে খোঁচা মেরেছে! আর সবাইকেই বলছে, রাজাকেই আমি মানি না! সেখানে তুমি কে?”
“সেদিন ওরে মারলে সবাই বলত, আমি বনের রাজা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছি।"
"আজকে একটু পর দেখবে সবাই এসে বলবে, থ্যাংক ইউ, রাজা সাহেব!”
"বুঝলে তো! মাঝে মাঝে লাই দিয়ে মাথায় তুলতে হয়। যাতে শক্ত করে আছাড় দিলে কেউ কিছু মনে না করে এবং আপদ শেষ হয়ে যায় একেবারে!"collected বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর
21/01/2026
মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে,
আমি তো মিষ্টি খাই না, তাই মিষ্টিতে ভেজাল মেশালে আমার কোনো সমস্যা নাই।
বেকারির মালিক মনে করে,
আমি তো বিস্কুট খাই না, তাই পচা ডিম ময়দা দিয়ে বিস্কুট বানালে আমার কোনো সমস্যা নাই।
ফল বিক্রেতা মনে করে,
আমি তো ফল খাই না, তাই ফলে কেমিক্যাল দিলে আমার কোনো সমস্যা নাই।
মাছ বিক্রেতা মনে করে,
আমি এই মাছ খাব না, তাই মাছে ফরমালিন দিলে আমার কোনো সমস্যা নাই।
দিনের শেষে...
মিষ্টি বিক্রেতা মিষ্টি বিক্রি করে বিস্কুট, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
বেকারির মালিক বিস্কুট বিক্রি করে মিষ্টি, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করে মিষ্টি, বিস্কুট, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
মাছ বিক্রেতা মাছ বিক্রি করে ফল, বিস্কুট, মিষ্টি কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
এরা সবাই মনে মনে নিজেকে অনেক চালাক ভাবে, বেশি লাভ করছে ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে। আসলে তারা নিজেরাই নিজেদের পায়ে কুড়াল মারছে, অন্যের ক্ষতি করতে গিয়ে নিজেদেরই ক্ষতি করছে — তা তারা বুঝতেও পারে না। collected বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর
যে তোমার কাছে অন্যের
সমালোচনা করে, তাহলে ধরে নাও সে অন্যের কাছে তোমার সমালোচনাও করে।
সমালোচনা করতে যোগ্যতা লাগে না, কিন্তু সমালোচিত হতে যোগ্যতা লাগে।
Dream
1000K♥️ 1000K
Cutest baby smile ever 👶💖This is an AI generated cute baby short video 👶✨
Sweet smile and adorable expressions to make your day better 💖
If you like it, don’t forget to like 👍 comment 💬 and share.
📌 AI Generated Content.
#কিউট_বেবি #শিশুদের_ভিডিও