বুমেরাং

বুমেরাং বুমেরাং আহাজারি যতোই তীব্র হোক
অধিকার হারানোর পর আর বিরক্ত করতে নেই।

হঠাৎ করে তোমাকে ছেড়ে আসিনি। তোমাকে ছেড়ে আসার আগে নিজেকে ভাবনার গোল টেবিলে বসিয়ে বুঝাতে হয়েছে অনেককিছুই। হুট করে ভালোবাসা...
11/07/2026

হঠাৎ করে তোমাকে ছেড়ে আসিনি। তোমাকে ছেড়ে আসার আগে নিজেকে ভাবনার গোল টেবিলে বসিয়ে বুঝাতে হয়েছে অনেককিছুই। হুট করে ভালোবাসা যায়, কিন্তু হুট করে ছেড়ে আসা যায় না।

মেনে নিতে নিতে, মানিয়ে নিতে নিতে ক্লান্ত হয়ে যখন আমি আর নিজের সাথে পেরে উঠছিলাম না, তখন দূরে সরে এসেছি। অভিযোগ করা বন্ধ করেছি, অভিমান করা বন্ধ করেছি, ঝগড়া করা বন্ধ করেছি, চোখের জল ফেলা বন্ধ করেছি, বন্ধ করেছি মন খারাপ করা। তোমাকে আর কখনো দেখাতে যাইনি বুকের ক্ষতগুলো, ইনিয়েবিনিয়ে বোঝাতে যাইনি, আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। দাঁতে দাঁত কামড়ে সহ্য করে নিয়েছি সবটুকুন বেদনা।

তারপর, অনেকদিন পর, ঝাপসা চোখ মুছতে মুছতে তোমাকে ভালোবাসাও বন্ধ করে দিলাম। অপুষ্টিতে ভুগতে থাকা মাথার অবাঞ্চিত একটা চুলের মত তোমার জীবন থেকে এমনভাবে টুপ করে ঝরে গেলাম যে- তুমি টেরই পেলে না...

29/06/2026
কোথায় যেন পড়ছিলাম যে আপনার যদি পান্তা ভাত কাচামরিচ পেয়াজ দিয়ে খেতে ভাল্লাগে জীবনেও এই কথা কাউরে বলতে যায়েন না।বলবেন বিরি...
02/05/2026

কোথায় যেন পড়ছিলাম যে আপনার যদি পান্তা ভাত কাচামরিচ পেয়াজ দিয়ে খেতে ভাল্লাগে জীবনেও এই কথা কাউরে বলতে যায়েন না।
বলবেন বিরিয়ানি ভালো লাগে, তাইলে ডাল ভাত পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আর কেউ যদি জানে পান্তা ভাত দিয়েই আপনারে খুশি রাখা যায় সে আপনারে আর গণায় ই ধরবেনা। ভাববেও না এই মানুষের চাহিদা কম, এই সম্মান টুকু করি।

কোন দিন যদি মুখ ফুটে পান্তা পাচ্ছেন না বলে বলেন কেন পাচ্ছিনা তাতেই অপর পাশের পিত্তি জ্বলে যাবে। আরেহ কেন বললো এই কথা? এত কমপ্লেইন ,এত বিরক্তিকর আচরণ।

যত লো মেন্টেনেন্স হবেন, তত কম্প্রোমাইজ করা লাগবে, আর এপ্রিশিয়েশন ও থাকবে না কোন।
কোন দিন নিজের ভাল্লাগার কিছু চাইলেই বি-ষ হয়ে যাবেন।

So never let anyone feel that you are low maintenance, create the tension so atleast the other person should have the mentality to give efforts for you.🌻

আমরা যাকে ‘সেটেলড লাইফ’ ভাবি,অনেক সময় তা আসলে মরীচিকা।কাস্টমস অফিসার বুলেট বৈরাগী, কিংবা জামিল-বৃষ্টির মতো পিএইচডি গবেষক...
29/04/2026

আমরা যাকে ‘সেটেলড লাইফ’ ভাবি,অনেক সময় তা আসলে মরীচিকা।

কাস্টমস অফিসার বুলেট বৈরাগী, কিংবা জামিল-বৃষ্টির মতো পিএইচডি গবেষক—যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় সফল ছিলেন।

তাঁদের দেখে অনেকেই হয়তো আফসোস করেছেন—“আহা! কী সুন্দর জীবন!” কেউ কেউ হয়তো হিংসাও করেছেন।

অথচ একবার ভেবে দেখুন তো—তাঁদের মতো সমাপ্তি কি আপনিও চাইতেন?

আমরা প্রায়ই নিজের জীবন নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকি, অন্যের জীবন দেখে হিংসা করি। কিন্তু সত্য হলো, প্রত্যেকের জীবন তার নিজের পথেই চলে। কারোর পথের সাথে কারো মিল নেই।

আমাদের অনেকের ধারণা—সরকারি চাকরি পেলেই জীবন ‘সেট’, কিংবা বিদেশে পিএইচডি করতে পারলেই সব ঠিক হয়ে যায়।

কিন্তু জীবন তো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য না; এটি এক অস্থায়ী সরাইখানা।

এখানে আমরা সবাই যাত্রী।

কার জীবনের শেষে কী অপেক্ষা করছে, তা স্রষ্টা ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।

তাই অন্যের রঙিন মলাট দেখে নিজের জীবনের সাদাকালো পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলা নিছক বোকামি।

বাস্তবে জীবন কোন প্রতিযোগিতার ময়দান না এটি প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব সফর।

আপনি যদি আপনার নিজের জীবনে সন্তুষ্ট থেকে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন, তবে আপনি সেই ব্যক্তির চেয়েও বেশি সফল, যে ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে।

বুলেট বৈরাগী, নাহিদা বৃষ্টি বা জামিল—তাঁরা প্রত্যেকেই তথাকথিত ‘সফলতার’ এক একটি শিখর ছুঁয়েছিলেন। কেউ ক্ষমতার কেন্দ্রে, কেউ মেধার জোরে বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করছিলেন।

কিন্তু, তাঁদের আকস্মিক প্রস্থান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল—সাফল্যের চাকচিক্য আর জীবনের নিরাপত্তা এক সুতোয় গাঁথা নয়।

কারণ দিনশেষে সফলতার চেয়েও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা অনেক বেশি জরুরি।

সাফল্য হয়তো মরীচিকা হতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকাটা চরম সত্য। প্রতিটি নিঃশ্বাস এক একটি উপহার।

তাই অন্যের ট্রেনের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজের সফরটাকে উপভোগ করুন।

কারণ আপনার ট্রেনের সময়সূচী এবং গন্তব্য—দুটোই সম্পূর্ণ আলাদা।

জীবনরে যত সহজ করতে যাই, তত খালি জটিল হইয়া যায়। যেনো আমি লুডু খেলতেছি— প্রতিটি সিঁড়ির শেষে গিয়া তাকায় দেখি হা কইরা আছে সর...
18/04/2026

জীবনরে যত সহজ করতে যাই, তত খালি জটিল হইয়া যায়। যেনো আমি লুডু খেলতেছি— প্রতিটি সিঁড়ির শেষে গিয়া তাকায় দেখি হা কইরা আছে সর্বনাশের সাপ।

জীবনরে যতো সুন্দর করতে যাই, ততই খালি ধূসর হইয়া। যেন আলমারিতে তুইলা রাখা ঈদের জামা খুইলা দেখি নিয়তির উইপোকা কেটে-কুটে কইরা রাখছে দীর্ঘ খোসটা।

জীবনরে যত গড়তে যাই, তত খালি ভাইঙা যায়, যেন আমি নদীর কিনারে চিনামাটির ঘর বানাইয়া ঘুমাইছি তার ভিতর; ঘুম ভাঙার পর চাইয়া দেখি সাঁতরাইতেছি জলের উপর; কোথাও কিচ্ছু নাই।

জীবন এমনই এক কবিতা হইয়া গেছে যে—
সুখ ছুঁইতে গিয়া দুঃখ ছুঁইয়া ফেলি, স্বর্গের কাছে যাইতে গিয়া চইলা যাই নরকের কাছে, সফলতার নিকটে গিয়া দেখি খিকখিক করে হাসে হতাশার শয়তান।

এই শ্মশানে পোড়া জীবনের রেডিওতে আনন্দের গানের হায়াৎ খুব কম; একদিন, এক রাত, অথবা এক সন্ধ্যায়— দীর্ঘস্থায়ী শুধু বিতৃষ্ণার অবর্ননীয় ব্যথা আর বিরতিহীন যুদ্ধ।

এ তো জীবন নয় যেনো ধূধূ মরুভূমি
বারোমাসিই চলছে দুঃখ রোপন কর্মসূচি।

আইজ তোমার চোউক্ষের সামনে অসহায় মানুষের লাহান সহজলভ্য হইয়া আছি দেইখা হেলাফেলায় রাইখা দিতাছো, গুরুত্ব দিতাছো না। বুঝতাছো ন...
18/04/2026

আইজ তোমার চোউক্ষের সামনে অসহায় মানুষের লাহান সহজলভ্য হইয়া আছি দেইখা হেলাফেলায় রাইখা দিতাছো, গুরুত্ব দিতাছো না। বুঝতাছো না অবহেলা বড়-ই খরাপ জিনিস। অবহেলা পাইলে লোহাও ক্ষয় হইয়া যায়, আমি তো মানুষ। আমার পিরিতও ক্ষয় হইবার পারে, আমিও হারইবার পারি এতদূর যে— তামাম দুনিয়া তন্নতন্ন কইরা খুঁইজাও আমারে পাওয়া যাইবো না আর কোত্থাও।

যেই চোউক্ষের দিকে আইজ ক্ষুণাক্ষরেও কদ্দুর মায়া কইরা ফিরা চাইতেছো না। একবার যদি এই চোউক্ষু দুইডার জল মুইছা ফেলি, যদি ফিরাইয়া নেই এই মুখ, তাইলে সইতে পারবা কও? তোমার বুকের ভিতরটা ফাঁফাঁ বাঁশির লাহান ফাঁকা হাইয়া যাইবা না কও? বুকের ভিতরে সাত সমুদ্র তৃষ্ণা লইয়া একবার দেহনের লাইগা গলাকাটা মুরগির মতোন তড়পাইবা না কও? তহন কি মনে হইবো না, বুকের মানুষরে বুকে না রাইখা অনাদরে অবহেলায় রাইখা বড্ড ভুল কইরা ফেলছো? হইবো, হইবো! নিশ্চয়ই মনে হইবো।

মানুষ হারানোর আগে মানুষ মানুষ চিনেনা, পিরিত হারানোর আগে পিরিত বুঝে না। মানুষ তো যত্ন শিখে মানুষ হারাইবার পর, মানুষ তো পিরিত বুঝে পিরিত ফুরাইবার পর। তুমি ভাইবা নিছো "আমি তোমারে ভালোবাসি" মানি তুমি যাকিছু ই করো- বেবাককিছু মাইনা লইয়া তোমার লগে থাইকা যাওয়াটা আমার নিয়তি, আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই।

অথচ তুমি একবারও এইটা ভাবতাছো না; এইসব অপমান, অভিমান, অযত্ন, রাগ, অবহেলা, হজম করতে করতে একদিন মানুষ ক্লান্ত হইয়া যায়, উইঠা দাঁড়ায়, বেবাক মায়া ছাঁয়া উপড়ে তুইলা নিয়া সোজাসাপ্টা চইলা যায়- আর কোনদিনও না ফেরার দিকে।

অবহেলার এই জানালা একদিন পালায় যামু—
আর তোমারে দিয়া যামু জন্মের আফসোস। তুমি ঐ আফসোস নাকে-মুখে মাইখা পুড়তে থাকবা অনন্তকাল ধইরা, আর নিজেরে নিজে জিগাইতে থাকবা, আমি তারে হারাইলাম— নাকি সে আমারে হারাইলো?

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বুমেরাং posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share