RafiTalks

RafiTalks

Share

দেশ, বিদেশ, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

17/06/2025

ইরান মিলিটারি ই/স্রায়েলের তেল আবিব এবং হাইফা থেকে সরে জনসাধারণকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

17/06/2025

" The world can move on without the United States.

100 years ago, the British Empire dominated global commerce, commanding more than 20% of the world’s wealth. Many believed its sun would never set.

200 years ago, France bestrode Europe’s stage, its armies feared, its culture envied. Napoleon declared himself immortal.

400 years ago, the Spanish crown reigned from Manila to Mexico, its treasure fleets groaning with silver and silk. The kings thought their glory would last eternal.

Each empire proclaimed itself indispensable. Each was ultimately eclipsed."
- President Xi Jinping

17/06/2025

আলফা থেকে ব্রাভো পর্যন্ত ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চলের সকল সামরিক ঘাঁটিতে সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন মিলিটারি।



Photos from RafiTalks's post 16/06/2025

তেল আবিবের সকাল...

15/06/2025

ইরানে পূর্ব- পশ্চিম ফ্রন্ট থেকে বিদ্রোহের ঘোষণা দিয়েছে কুর্দিরা এবং বালুচ বিদ্রোহীরা। ইস্রায়েল ও আম্রিকা চাইছে বিদ্রোহীদের ফুয়েলিং করে শাহকে আবার ক্ষমতায় আনতে। দেখা যাক ইরান যুদ্ধ এবং আলী খামেনীর ক্ষমতা কিভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

14/06/2025

হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে ইরান বলেছে, ‘আমরা হজরত আব্বাস (রা.)-এর অনুসারী। আমাদের অনুমতি ছাড়া একটি মাছিও আমাদের জলসীমায় প্রবেশ করতে পারবে না '।
ইরানের এই সিদ্ধান্ত তেলের দাম বাড়িয়ে দিবে। এর প্রভাব কয়েকদিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে পড়তে পারে।


14/06/2025

ছয় জাতির পরমাণু চুক্তি ও ইর|নে ইস্রায়েলি হামলা

২০১৫ সালে ছয় জাতির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় JCPOA ( Joint Comprehensive Plan of Action) বা P5+1 চুক্তি। এই চুক্তির মূলত উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নির্দিষ্ট একটি মাত্রায় রাখাকে নিশ্চিত করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে থাকলেও ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন এই চুক্তি থেকে বের হয়ে যায়। এই চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তেলআবিব সব সময় মনে করে এসেছে এই চুক্তি কোনভাবেই কার্যকরী হবে না কারণ ইরান গোপনে তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে। কারন মোসাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা গুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পরমাণু অস্ত্র তৈরীর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ইরানের অনেকগুলো প্রক্সি থাকার কারণে ইসরাইল সবসময় ইরান এবং ইরান সমর্থিত প্রক্সি গুলোর হামলার সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে ইসরাইলকে চিন্তা করে। এবং ইস্রাইল এটাও ভালো ভাবে জানে যে ইরান যদি পরমাণু বোমার অধিকারী হয়ে যায় তাহলে ইরানকে হামলা করার সাহস ইস্রাইল পাবে না। কারণ ইরান " নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স" কে কাজে লাগাবে। তাই ইস্রাইলের প্রধান টার্গেট হল ইরানের পরমাণু কার্যক্রম, তাদের সামরিক কর্মকর্তা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী । ২০১৮ সালে আমেরিকা JCPOA থেকে বের হয়ে যাওয়ার কারণ হল ইস্রাইল হোয়াইট হাউজে প্রশাসনকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে এই চুক্তি গোপনে ভঙ্গ করবে তেহরান।
ইরানের যদি পরমাণু অস্ত্র থাকে সেটি হয়তো বর্তমান যুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে। সেটি নির্ভর করবে ইস্রায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একযোগে আক্রমণ ইরানের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে তার উপর। বিভিন্ন অসমর্থিত গণমাধ্যম থেকে ইরানের পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। যদি এই যুদ্ধটা সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে যায় তাহলে ইরানের ব্যাপক আকারে ক্ষয়ক্ষতি হবে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে ইরান সহযোগিতা পাবে না বললেই চলে। তুরস্ক ব্যাপারটা মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করবে। গত কালকের খবর অনুযায়ী ইরান ও সীমিত আকারের মিসাইল হামলা চালিয়ে যাবে। ইরানের জেনারেল বাহিদি ঘোষণা দিয়েছেন "Operation True Promise 3" ততদিন চলবে যতদিন ইরান তা জরুরি মনে করবে। অর্থাৎ ইজরায়েল হামলা বন্ধ না করলে ইরান ও হামলা বন্ধ করবে না। এখানের রাশিয়ার ভূমিকাটা দারুন হতে পারে। আলেকজান্ডার দুগিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের মাধ্যমে মস্কো কিন্তু তেহরানকে সামরিক জোটের প্রস্তাব দিয়েছে । ক্রেমলিন যদি এই যুদ্ধে সরাসরি টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে থাকে তাহলে বড় রকমের যুদ্ধের সম্ভাবনা আচঁ করা যায়।

13/06/2025

ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন “ Operation Rising lion" শুরু করেছে।

এরই মধ্যে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও পারমাণবিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছে -জেনারেল হোসেইন সালামি ( ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC)-এর প্রধান কমান্ডার),
জেনারেল গোলামআলি রাশিদ (খাতাম-আল-অম্বিয়া’ সদর দপ্তরের প্রধান, যা ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক কমান্ড সেন্টার), ড. মোহাম্মদ তেহরানচি( ইরানের প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ), ফারিদুন আব্বাসি-দাভানি (ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার (AEOI) সাবেক প্রধান ও সাবেক সংসদ সদস্য, ইরানের শহীদ বেহেস্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পারমাণবিক প্রকৌশল বিভাগের প্রধান ডঃ আব্দুলহামিদ মিনুচেহর।

এছাড়া তেহরানের কেইতারিয়েহ, নিয়াভারান, চিতগার, মেহরাবাদ, নারমাক, সাদাত আবাদ, আন্দারজগু, সত্তারখান, শহরক-এ মহাল্লাতি, শহরক-এ চামরান
,কামরানিয়ে, ফারাহজাদি, ওজগোল, মারজদারান
শামখানির বাসভবন, সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর ইত্যাদি।

একই সাথে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারমানবিক স্থাপনা নাতাঞ্জের চুল্লি ধ্বংস করে দিয়েছে ইস্রাইল। বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে ইরানে ইসরাইলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম প্রায় ১১% বেড়েছে।

11/06/2025

আজকে আমরা জানবো ' Shatter Belt' সম্পর্কে -

আমরা পৃথিবীতে কিছু এলাকা দেখি যেগুলো Super power সমূহের ক্রীড়াক্ষেত্র। এই ক্রীড়াক্ষেত্র গুলো নিয়ে Super power গুলোর মধ্যে বিবাদ লেগেই থাকে। সেটা হতে পারে Proxy War এর মাধ্যমে বা সরাসরি যুদ্ধের মাধ্যমে। তবে বেশির ভাগ সময় আমরা দেখি বড় রাষ্ট্র( Militarily Powerful) গুলো বিভিন্ন প্রক্সির মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করে নিজেদের প্রভাব নিশ্চিত করার চেষ্টা করে। তেমনি Shatter Belt / Shatter Zone / Crush Zone হল Geoplolitics এর এমন একটা ধারণা যেটি সেই সমস্ত এলাকাকে নির্দেশ করে যেগুলো শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু। এলাকাগুলোতে বিভিন্ন সময় Super Power দের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। এলাকাগুলিকে Shatter Zone বলার কারণ হল সাটার খুলে গেলে এখানকার দ্বন্দ্ব ঘনীভূত হবে এবং যুদ্ধ হবে; যুদ্ধে Super Power গুলো বিবাদে জড়িয়ে যাবে।

১৯৬১ সালে Shatter Belt শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন বিখ্যাত আমেরিকান স্কলার গর্ডন ইস্ট। মুলত এটি একটি ভূতত্ত্বের টার্ম। বর্তমানে ভু রাজনীতি এবং ভূ কৌশলগত রাজনীতির ক্ষেত্রে এই টার্মের বহুল আলোচিত।

আমরা যদি কোরিয়া উপদ্বীপের কথা বলি ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যথাক্রমে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার দায়িত্ব পায় সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখতে পাই ১৯৫০ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। দুই কোরিয়ার মধ্যকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল দুই সুপার পাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যেহেতু এই উপদ্বীপটি দুটি সুপার পাওয়ারের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল সেহেতু এটিকে আমরা Shatter Zone বলতে পারি।
একই সাথে আমরা সিরিয়াকে Shatter এরিয়া বলতে পারি কারণ ২০১১ সালে সিরিয়ান গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত সিরিয়া বিশ্বের সুপার পাওয়ারগুলো সহ ইরান, তুর্কিয়ে, ইস্রায়েল এবং বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী যথা- IS, YPG ' র ক্রীড়াক্ষেত্র হিসেবে পরিণত হয়ে আসছে। তাছাড়া তাইওয়ান নিয়েও বেইজিং ও ওয়াশিংটনের টানাপোড়েন, কাশ্মির নিয়ে দিল্লী- ইসলামাবাদ দ্বৈরথ। এর বাইরেও ঐতিহাসিক কিছু Shatter Belt এর মধ্যে রয়েছে - বলকান অঞ্চল, পূর্ব ইউরোপ, ককেশাস রিজিওন, মধ্যপ্রাচ্য ইত্যাদি।

09/06/2025

Multi vector Doctrine / Multi Vector Policy

এটি এমন এক ধরনের বৈদেশিক নীতি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রসমূহ কোন এক রাষ্ট্র কিংবা কোন এক ব্লকের ছত্রছায়ায় না থেকে বিভিন্ন শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক রক্ষা করে থাকে। বিভিন্ন রাষ্ট্র এই নীতি গ্রহণ করে থাকে কারণ তারা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় (preserve sovereignty), অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা বর্ধিতকরণ (enhance economic opportunities), জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করা ( navigate complex international dynamics) র এই নীতিটি কে চাবি হিসেবে ব্যবহার করে।

ধারণাটি প্রথম প্রকাশ করেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভ। ১৯৯২ সালের মে মাসে তার একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল - "Strategy for the Formation and Development of Kazakhstan as a Sovereign State"। প্রবন্ধটিতে বিশ্বের Super Power গুলোর সাথে সমন্বিত সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করেন, যা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য ভূমিকা রাখবে।
পরবর্তীতে এই নীতিটি ইউক্রেন গ্রহণ করেছিল। ১৯৯৪ সালের দিকে ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট লিওনিদ কুচমা " Pavlychko Doctrine " অবলম্বনে ইউক্রেনেও মাল্টি ভেক্টর ডকট্রিন গ্রহণ করা হয়। ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্রহীন (Denuclearization) এবং বেসামরিকরণ
(Demilitarization) করার ক্ষেত্রে " Pavlychko Doctrine " দারুণ ভূমিকা রাখে। কারণ ১৯৮৬ সালের চেরেনোবিল দুর্ঘটনা ( Chernobyl Disaster) ওই অঞ্চলের মানুষকে মারাত্মকভাবে আতঙ্কিত করে তুলেছিল। যেটি পরবর্তীতে ইউক্রেন কে এই নীতিটি গ্রহণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিল।
বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের অধিকাংশ দেশ মাল্টি ভেক্টর ডক্ট্রিন অনুযায়ী বৈদেশিক নীতি গ্রহণ করতে দেখা যায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka