তাওহীদের ডাক

তাওহীদের ডাক তাওহীদের শিক্ষা ছড়ানোই আমাদের মিশন — কুরআন ও সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে।
(2)

আল-কোরআন এর গুরুত্বপূর্ণ সুরা-সমূহ।       #তাওহীদের_ডাক                              ゚
02/12/2025

আল-কোরআন এর গুরুত্বপূর্ণ সুরা-সমূহ।

#তাওহীদের_ডাক ゚

10/07/2025

উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য জুম’আর দিনের ফযীলত সমূহঃ

১) সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিন হল সর্বোত্তম দিন।

এ দিনে যা কিছু ঘটেছিল তা হলঃ -

(ক) এই দিনে আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল।
(খ) এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল।
(গ) এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল [মুসলিমঃ৮৫৪]।
(ঘ) এই দিনেও তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল।
(ঙ) এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল।
(চ) এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল [আবু দাউদঃ১০৪৬]।
(ছ) এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে।
(জ) এই দিনেই কিয়ামত হবে।
(ঝ) এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে [আবু দাউদঃ১০৪৭]।
(ঞ) প্রত্যেক নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা, আকাশ, পৃথিবী, বাতাস, পর্বত ও সমুদ্র এই দিনটিকে ভয় করে। [ইবনে মাজাহঃ১০৮৪, ১০৮৫; মুয়াত্তাঃ৩৬৪]।

২) উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এটি একটি মহান দিন। এ জুম’আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা এ উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে মুহাম্মদী তা গ্রহন করে নিল। [বুখারী ৮৭৬, ইফা ৮৩২, আধুনিক ৮২৫; মুসলিমঃ ৮৫৫]

৩) জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন। [ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮]

৪) জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন। (মুসনাদে আহমদঃ৩/৪৩০; ইবনে মাজাহঃ১০৮৪)

৫) জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই তাকে দেওয়া হয়। আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত। [বুখারীঃ৯৩৫, ইফা ৮৮৮, আধুনিক ৮৮২; মুসলিমঃ৮৫২]

৬) জুম’আর রাতে বা দিনে যে ব্যক্তি মারা যায় আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন। [তিরমিযীঃ১০৭৮]

৭) জান্নাতে প্রতি জুম’আর দিনে জান্নাতীদের হাট বসবে। জান্নাতী লোকেরা সেখানে প্রতি সপ্তাহে একত্রিত হবেন। তখন সেখানে এমন মনমুগ্ধকর হাওয়া বইবে, যে হাওয়ায় জান্নাতীদের সৌন্দর্য অনেক গুণে বেড়ে যাবে এবং তাদের স্ত্রীরা তা দেখে অভিভূত হবে। অনুরূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি স্ত্রীদের বেলায়ও হবে। [মুসলিমঃ২৮৩৩, ৭১/৭৫৩]

৮) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সুরা কাহফ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেবেন। [জামেউস সাগীরঃ৬৪৭০]

৯) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত পড়বে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে। [মুসলিম]

১০) প্রত্যেক সপ্তাহে জুম’আর দিন আল্লাহ তায়ালা বেহেশতী বান্দাদের দর্শন দেবেন। [সহীহুত তারগীব]

১১) এই দিনে দান খয়রাত করার সওয়াব অন্য দিনের চেয়ে বেশী হয়। ইবনুল কায়্যিম বলেছেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজান মাসের দানের সওয়াব যেমন বেশী তেমনি শুক্রবারের দান খয়রাত অন্য দিনের তুলনায় বেশী। [যাদুল মা’আদ]

১২) ইবনুল কায়্যিম আরও বলেছেন যে, অন্য মাসের তুলনায় রমজান মাসের মর্যাদা যেমন, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুম’আ বারের মর্যাদা ঠিক তেমন। তাছাড়া রমজানের কদরের রাতে যেমন ভাবে দোয়া কবুল হয়, ঠিক তেমনি শুক্রবারের সূর্যাস্তের পূর্বক্ষণেও দোয়া কবুল হয়। [যাদুল মা’আদঃ১/৩৯৮]

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি আমল ও ফজিলত। শায়েখ আহমাদুল্লাহ। #জুমার_দিনের_আমল  #জুমার_দিনের_আমল_ও_ফজিলত  #শায়েখ_...
10/07/2025

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি আমল ও ফজিলত। শায়েখ আহমাদুল্লাহ।

#জুমার_দিনের_আমল #জুমার_দিনের_আমল_ও_ফজিলত #শায়েখ_আহমাদুল্লাহ #তাওহীদের_ডাক ゚

#জুমার_দিনের_আমল_ও_ফজিলত #শায়েখ_আহমাদুল্লাহ #তাওহীদের_ডাক ...

আজ রাতেই সেহরি করে আগামী ৫ ও ৬ জুলাই বাংলাদেশের সময় অনুসারে মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখে দুইটি রোজা রাখুন।কেননা রাসূলুল্লাহ্ ...
04/07/2025

আজ রাতেই সেহরি করে আগামী ৫ ও ৬ জুলাই বাংলাদেশের সময় অনুসারে মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখে দুইটি রোজা রাখুন।
কেননা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাররমের ১০ তারিখে রোজা রাখার পাশাপাশি ৯ তারিখেও রোজা রাখার আকাঙ্ক্ষা করেছিলেন।

কিন্তু আগামী বছর আসার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকাল হয়ে যায়। [বি.দ্র. - সহিহ মুসলিম : ১১৩৪]

াসের_আমল #আশুরা #সিয়াম #তাওহীদের_ডাক

01/07/2025

আমরা মানুষ বড্ড বোকা।

#তাওহীদের_ডাক

30/06/2025

🌸 আয়াতুল কুরসিঃ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
(শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়,অতি দয়ালু।)

اللَّهُ لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।
(আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই,
তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক ও সংরক্ষক।)

لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ
লা তা'খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা নাউম।
(তাঁকে ঘুম বা তন্দ্রা স্পর্শ করে না।)

لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ
লাহূ মা ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্ব।
(আকাশমণ্ডলী ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর।)
مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ
মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লা বিইযনিহ।
(কে আছে, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে?)

يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ
ইয়া'লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম।
(তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও তাদের পেছনে।)
وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ
ওয়ালা ইউ-হিতুনা বিশাই'য়িম মিন'ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ।
(তাঁর জ্ঞানের কিছু অংশও তারা আয়ত্ত করতে পারে না, তবে তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন।)

وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ
ওয়াসি'আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব।
[তাঁর কুরসি (সিংহাসন) আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে আছে।]
وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا
ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা
(এই দু’টির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না।)

وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
ওয়া হুয়াল 'আলিয়্যূল আ'জিম।
(তিনি সর্বোচ্চ, মহান।)

🌸 আয়াতুল কুরসি পড়ার নিয়মঃ
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়া উত্তম। এছাড়াও ঘুমানোর আগে, সকালে ও সন্ধ্যায় এবং যেকোনো বিপদ বা ভয়ের সময় পাঠ করা যায়।

🌸 আয়াতুল কুরসির ফজিলতঃ
১) আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে?
রাসূল (সাঃ) বলেছিলেন, আয়াতুল কুরসী। [নাসায়ী]

২) হজরত আলী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাত প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। [সুনানে বায়হাকী]

৩) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, সূরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। [মুসতাদরাকে হাকিম]

৪) যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরে, প্রতিবেশির ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। [সুনানে বায়হাকী]

৫) শয়নকালে পাঠ করলে,
সকাল পর্যন্ত তার হেফাযতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযুক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হ'তে না পারে। [বুখারী]

৬) আল্লাহর আশ্রয়ঃ
আয়াতুল কুরসি পাঠ করা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার একটি মাধ্যম, যা শয়তান ও জিনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৭) মানসিক শান্তিঃ
নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে অন্তরে প্রশান্তি আসে এবং দুশ্চিন্তা ও ভয় দূর হয়।

৮) সকালে ও সন্ধ্যায় পাঠ করলে,
সারাদিন আল্লাহর নিরাপত্তায় থাকা যায় এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৯) ওজু করার পর পাঠ করলে,
আল্লাহর নিকট ৭০ গুন মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

১০) বাড়িতে ঢুকার সময় পাঠ করলে,
বাড়িতে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না।

১১) বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পাঠ করলে,
৭০,০০০ ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে তাকে রক্ষা করে।

#আয়াতুল_কুরসি #তাওহীদের_ডাক

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাওহীদের ডাক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share