28/11/2025
This is a business 🎯
১. ডিসকাউন্ট বলতে অনেক সময় কিছুই থাকে না—১০০ টাকার জিনিস ২০০ করে, তারপর ৫০ টাকা “ছাড়” দিয়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি করে।
২. কেউ যদি বলে, “এই অফার আর আসবে না”—বিশেষ করে জামা-কাপড়, তেল বা খাবারের ক্ষেত্রে—সিউর থাকুন, ওই অফার আবার আসবে।
৩. “দ্রুত স্টক আউট হয়ে যাচ্ছে!”—এটা এখন অনেকটাই ফাঁকা কথা। জিনিস কম কিনেছে বা কাস্টমার কম, তাই FOMO তৈরি করতে ভয় দেখায়। সবার ক্ষেত্রে সত্য না হলেও ব্যক্তিগতভাবে আমি কাউকেই বিশ্বাস করি না।
৪. প্রি-অর্ডার নিলেও জিনিস অনেক আগেই হাতে থাকে—শুধু Artificial Hype তোলার জন্যই “প্রি-অর্ডার” বলা হয়।
৫. “লাস্ট ২ পিস আছে!”—অধিকাংশ সময়ই সত্য নয়; আরো থাকে।
৬. অনেক ওয়েবসাইটে Countdown দেখায়—আর ৬ ঘণ্টা বাকি!—কিন্তু আপনি ৬ ঘণ্টা পরে গেলেও আবার নতুন Countdown পাবেন।
৭. কোনো অচেনা গেস্টকে পডকাস্টে হঠাৎ হাইপে উঠতে দেখলে বুঝবেন—নিজের ব্যবসা প্রমোট করতে এসেছে বা শিগগিরই কোনো কোর্স লঞ্চ করবে।
৮. FREE DELIVERY আসলে ফ্রি নয়—২৫০ টাকার জিনিস ৩২০ করে, তারপর বলে ডেলিভারি ফ্রি।
৯. Warranty মানে: নষ্ট হলে ঠিক করে দেবে।
Guarantee মানে: নষ্ট হলে চেঞ্জ করে দেবে।
কেনার আগে পরিষ্কারভাবে জেনে নিন।
১০. “পাকিস্তান থেকে ইম্পোর্ট করা!”—বেশিরভাগ সময়ই ভুল; এসব দেশের বিভিন্ন জায়গায় লোকালভাবেই বানানো হয়।
১১. দামী জিনিসকে সস্তা মনে করানোর জন্য Round Number না রেখে Odd Number রাখা হয়—যেমন ১২,৯০০ না রেখে ১২,৭৮৪।
আর “কম দামে” অনুভব করাতে ১০০ না রেখে ৯৯ দেওয়া হয়।
১২. “প্রিমিয়াম কোয়ালিটি”—নিউমার্কেটে খুঁজলে পাবেন।
১৩. গত বছর যে Polo Sweater ৭০০–১২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তার পাইকারি লটে ১০০ পিস নিলে প্রতি পিস ১৯৫ টাকা—আমি নিজে কল করে নিশ্চিত হয়েছি (একই প্রোডাক্ট)।
১৪. অনলাইনে কাপড়ের ছবি ইচ্ছা করে Saturation বাড়িয়ে, Vivid Filter দিয়ে তোলা হয়—বাস্তবে হাতে পেলে রঙ মেলে না।
১৫. “লাইভ থেকে কিনলে ডিসকাউন্ট”—কাপড়ের বিজনেসে এটা খুব কমন; ঘুরে-ফিরে ২ দিন পরই একই ডিসকাউন্ট দেবে।
১৬. কিছু ওয়েবসাইট প্রথমে ডিসকাউন্ট দেখায় না। আপনি ৩–৪ বার Add to Cart দিয়ে না কিনে বের হয়ে গেলে তখন ডিসকাউন্ট অফার পপ-আপ দেয়।
১৭. “কাস্টমাররা অনুরোধ করেছে আবার আনতে”—বেশিরভাগ সময়ই কেউ অনুরোধ করে না।
১৮. অনেক ফেসবুক পেজে পণ্যের ক্ষতি, ডেলিভারি সমস্যা বা কাস্টমার টাকা না দেওয়া—এসব নিয়ে পোস্ট দেয়। কিছু সত্য হলেও অনেক পোস্ট ভুয়া, Sympathy Marketing-এর জন্য করা হয়। ফেসবুক অ্যালগরিদম এগুলো ভালো প্রমোট করে।
১৯. লোকাল মার্কেটের ৩০০ টাকার জিনিস “এস্থেটিক রিল” বানিয়ে ১২০০ টাকায় বিক্রি করে।
২০. অনেক দোকান ইচ্ছা করে “স্টক আউট” দেখায়—Artificial Scarcity তৈরি করে দাম বাড়ানোর জন্য।
২১. খাবারের রিভিউ দেওয়া ৯০% ইন্সফ্লুয়েন্সারই ভুয়া—Heavily Saturated Video, Sponsored ফ্রি খাবার, আর মুখে মুখে সেই কয়েকটা শব্দ: “Juicy, Tender, Crispy”—যা খুশি তাই বলে দেয়।