উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo

উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo, Education, 289/3 pirerbag, jilper, Dhaka.

গার্মেন্টস জগতের স্ক্রিনপ্রিন্ট সহ মোট ২৪ ধরনের প্রিন্ট হাতে কলমে ধরে ধরে শিখানোর একটি নির্ভরযোগ্য ট্রেনিং সেন্টার।

বিশেষ বৈশিষ্ট:
২,৪,৫,১০, যতদিন লাগবে আপনাকে শিখিয়ে হিরো করে তারপর আপনাকে বাসায় পাঠানো হবে, ইনশাল্লাহ।

11/09/2025

১১ই সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের শেষভাগে, অর্থাৎ জুমাবার তাহাজ্জুদের সময় দুই রাকাত নামাজ পড়ে কষ্ট লাঘবের দোয়া একশত বার পড়ে আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে গাজার অসহায় মুসলিমদের জন্য দোয়া করার আবেদন জানিয়েছেন ফিলিস্তিন ভিত্তিক প্রতিরোধ সংগঠন হামা/সের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল কাস/সাম বিগ্রেড।

উম্মাহর প্রতি হামা/সের সামরিক শাখার আবেদনটি নিম্নরূপ--

"আমরা আমাদের উম্মাহর সন্তানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা গাজায় আপনাদের অসহায় ভাইদের থেকে কষ্ট দূর করার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করুন—রাতের নিঃশব্দ সময়ে বিনীতভাবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে, এরপর নিম্নোক্ত দোয়াটি একশবার পাঠ করে:

{لَا ‌إِلَهَ ‌إِلا ‌اللهُ ‌الْعَظِيمُ ‌الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلا اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلا الله رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ}

বাংলা অর্থঃ
"আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই, তিনি মহামহিমান্বিত, সহনশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি মহা আরশের প্রতিপালক। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি আসমানসমূহের প্রতিপালক, যমীনের প্রতিপালক এবং সম্মানিত আরশের প্রতিপালক।"

তারপর মহান আল্লাহ তাআলা'র কাছে গাজার মানুষদের দ্রুত পরিত্রাণের জন্য দোয়া করুন। কারণ, তিনিই আমাদের একমাত্র অভিভাবক এবং তিনি তা করতে সক্ষম। তিনি ব্যতীত কোন ভরসাস্থল বা শক্তি নেই।"

03/09/2025

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন 💔

26/08/2025

যে খুৎবার জন্য গ্রেফতার হন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ সালেহ আল তালেব (হাফি.)
゚viralシfypシ゚viralシ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

25/08/2025

আপনি যদি এই পোস্টটি দেখে থাকেন, তাহলে আপনি আমাদের এই পেইজের একজন সম্মানিত এ'ক্টি'ভ মে'ম্বা'র। জানতে পারি আপনি কোথায় থেকে যুক্ত আছেন আমাদের সাথে!!?

25/08/2025

রাসুল (সা.) বিখ্যাত নারী সাহাবি উম্মে সালমা (রা.)-কে বলেছিলেন, তোমাদের কেউ কি এতে খুশি নয় যে সে যখন স্বামীর পক্ষ থেকে গর্ভবতী হয় এবং স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্টও থাকে, তখন (এই গর্ভকালীন) সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বদা রোজা পালনকারী ও সারা রাত নফল ইবাদতকারীর মতো সওয়াব পেতে থাকবে। তার যখন প্রসব ব্যথা শুরু হয়, তখন তার জন্য নয়ন শীতলকারী কী কী নিয়ামত লুকিয়ে রাখা হয়, তা আসমান-জমিনের কোনো অধিবাসীই জানে না। সে যখন সন্তান প্রসব করে, তখন তার দুধের প্রতিটি ফোঁটার পরিবর্তে একটি করে নেকি দেওয়া হয়।

এ সন্তান যদি কোনো রাতে তাকে জাগিয়ে রাখে (অসুখ ইত্যাদির কারণে বিরক্ত করে মাকে ঘুমানে না দেয়) তাহলে সে আল্লাহর পথে নিখুঁত ৭০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে।

[তাবরানি, হাদিস: ৬৯০৮]

21/08/2025

বুটিডং শহরে আরকান আর্মি কতৃক চালানো রোহিঙ্গা
গণহ #ত্যার একবছর পূর্ণ হল। আজ থেকে ঠিক এক বছর পূর্বে ১৭ মে ২০২৪ সালে; রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এক লোমহর্ষক এবং ভয়ংকর দিনের সম্মুখীন হয়, যেটা তারা সারাজীবন মনে রাখবে। বিশেষ করে আরাকানের বুটিডং শহরে বসবাস করা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম।

তবে আশ্চর্যজনকভাবে খুব কাছেই বসবাস করা কোটি কোটি মুসলিম এই দিনটি সম্পর্কে ০.০০০১% জ্ঞান নেই; যদিও তারা সারাবিশ্বের খবর নখদর্পনে রাখে। সেদিন আসলে কি হয়েছিল??

-----------------------------

তুর্কী ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে একজন রোহিঙ্গা একটিভিস্ট বলেন - " ১৭ মে আরাকান আর্মি আমাদের বুটিডং শহরে আসে। তারা হঠাৎ ১৮ মে সকাল ১০টা পর্যন্ত আমাদের সময় দেয় সবাইকে শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার। রোহিঙ্গা জনবহুল এই শহরে তখন ৫ লক্ষ মানুষ বসবাস করতো। সবাই একবাক্যে আরকানের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে। সেদিন রাত ৯.৩০ মিনিটে তারা শহরের চতুর্দিক থেকে হামলা শুরু করে। এমনকি নিজেদের দেওয়া আল্টিমেটামের আগেই তারা পুরো শহরে আগুন ধরিয়ে দেয়। চোখের সামনেই একেরপর এক বাড়িগুলো পুড়ে যাচ্ছিল।"

রোহিঙ্গা ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Arakan Now আনোয়ার ফারুক নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান নেয়। তিনি ওই দিনের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন-

" ১৭ মে ২০২৪ এর রাতের সময় আমি দেখতে পাই আরাকান আর্মিরা বুটিডং শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিকে মার্চ করছে। আমি দ্রুতই আমার বাড়িতে ফিরে আসি সবাইকে সতর্ক করতে। ইতোমধ্যে দেখতে পাই রোহিঙ্গাদের বাড়িগুলো আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে, আর আতংকিত মানুষ দিগবিদিক ছুটাছুটি করছে।

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আমরা দ্রুতই আমাদের প্রয়োজনীয় কাগজ এবং জিনিসপত্র গুছিয়ে নিই এবং পরবর্তী গন্তব্য ঠিক করি। আমরা যখন পালাচ্ছিলাম; আরাকান আর্মি তখন আমাদের বাড়িগুলো জ্বালাচ্ছে, নিরীহ রোহিঙ্গাদের গণহারে হ #ত্যা করছে। যেসব রোহিঙ্গা সরকারি ভবনে আশ্রয় নিয়েছিল; তাদেরকে জী #বন্ত পু #ড়িয়ে মা'রা হচ্ছে।

পুরো শহর আমার সামনে জ্বলছিল। ছাই/আশ এসে আমার চোখ-মুখ আচ্ছাদিত হয়ে যাচ্ছিল। আমার পরিবারসহ পুরো শহরের ৫,০০,০০০ রোহিঙ্গা তখন শহরের প্রধান সড়ক ধরে প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছিল।

কিন্তু আরাকান আর্মি প্রধান সড়ক ধরে যেতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়; আমাদের বাধ্য করে গ্রামের প্রতিকূল রাস্তা ধরে যেতে। যাত্রাপথে আমরা ক্ষুধা, তৃষ্ণার সাথে সাথে নিয়মিত আরাকান আর্মি কতৃক আক্রমণের স্বীকার হচ্ছিলাম। হঠাৎ আমরা একটি গ্রামে পানি এবং খাবারের সন্ধান পাই। কিন্তু সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি শুধু আমাদের কিছু খেতে বাঁধাই দেয়নি; এমনকি আমাদের সাথে যত মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সব ফেলে যেতে বাধ্য করে। তারা তখন আমাদের উপর ক্রমাগতভাবে গুলিবর্ষণ করে যাচ্ছিল।

যখন অবশেষে আমরা পূর্বপরিকল্পিত গ্রামে আসতে সক্ষম হই; আরাকান আর্মি আমাদের ওই গ্রামে প্রবেশে বাঁধা দেয়। তারা আমাদের গ্রামের বাইরের পথ দিয়ে হাঁটিয়ে নিচ্ছিল। আমরা বুঝতে পারছিলাম না আমাদের সাথে কি হবে।

অবশেষে আমরা Hpon Nyo Neik নামের একটি গ্রামে আসতে সক্ষম হই। সেখানের গ্রামবাসীরা আমাদের স্বাগত জানায় এবং নিজ পরিবারের মতো আমাদের সাথে আচরণ করে। তারা আমাদের থাকার জন্য জায়গা এবং খাওয়ার জন্য খাদ্য দেয়।"

--------------------

বুটিডং এর এই গণহ #ত্যায় ঠিক কত হাজার মানুষ মারা গিয়েছে তার কোন সঠিক সংখ্যা নাই। তবে সেদিন এবং তার পরবর্তী সময়ে আরকান আর্মির চালানো হ #ত্যাকান্ডে বুটিডং এর প্রত্যেকে তার আপন মানুষ হারিয়েছে।

#ভিডিওতে আরাকান আর্মির গণহ #ত্যা থেকে বাঁচতে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের বুটিডং শহর ছেড়ে যাওয়ার মুহুর্ত।

19/08/2025

゚viralシfypシ゚viralシ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

19/08/2025

সকাল ১১টার দিকে গলির মোড়ের চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছি। এমন সময় পিছন থেকে কেউ একজন আমায় ডাক দিলো। আমি পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি পাঞ্জাবি-পায়জামা পরা ১২-১৩ বছরের একটা ছেলে। ছেলেটা আমায় সালাম দিয়ে বললো,
-" ভাই, আমায় লজিং রাখবেন? আমায় দুইবেলা অল্প খেতে দিলেই হবে। বিনিময়ে আমি আপনাদের টুকটাক বাসার কাজ করার পাশাপাশি আপনার ছেলে মেয়েকে কুরআন শিক্ষা দিবো । আর রাতে আমি মাদ্রাসাতেই থাকবো"

আমি মুচকি হেসে ছেলেটাকে বললাম,
--হুজুর, আমি তো বিয়েই করি নি। ছেলে-মেয়ে কোথা থেকে হবে?

আমার কথাশুনে ছেলেটা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো। আমি চা'টা একটানে শেষ করে ছেলেটাকে বললাম,
-- চলেন হুজুর, আপনার লজিং থাকার ব্যবস্থা করছি...

কলিংবেল বাজাতেই আমার ছাত্রের বড় বোন দরজা খুললো। আমার দিকে বিরক্তি কর চোখে তাকিয়ে বললো,
-" এই টাইমে তো রাফি স্কুলে থাকে। আপনি এখন কেন পড়াতে আসলেন?"

আমি তখন বললাম,
-- আমি রাফির কাছে আসি নি। আন্টির কাছে একটা দরকারে এসেছিলাম।

ছাত্রের বোন আর কিছু না বলে চলে গেলো। আমি হুজুর ছেলেটাকে সাথে নিয়ে বাসার ভিতর বসলাম। কিছুক্ষণ পর আন্টি আসলে আমি আন্টিকে বললাম,
-- আন্টি, রাফি তো আরবি পরতে পারে না এই ছেলেটা রাফিকে আরবি শিখাবে আর তার বিনিময়ে ছেলেটাকে প্রতিদিন দুইবেলা খেতে দিয়েন। ছেলেটা এতিম বাবা মা কেউ নেই। কয়েকমাস পর ছেলেটা কোরআনে হাফেজ হয়ে যাবে। আপনি না হয় ছেলেটাকে একটু সাহায্য সহযোগিতা করলেন।

আন্টি আমার দিকে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে বললো,
-"পিয়াস, আমাদের অবস্থা খুব একটা ভালো না যে বাড়তি একটা লোকের খাওয়ার দায়িত্ব নিতে পারবো। তুমি বরং অন্য কোথাও চেষ্টা করে দেখো"...

এমন সময় কাজের মেয়েটা বাহির থেকে বাসার ভিতর ঢুকলে আন্টি কাজের মেয়েটাকে রেগে গিয়ে বলতে লাগলো,
-"তোকে না বলেছিলাম লিও আর টুকির মাংসের তরকারিটা রান্না করে বাহিরে যেতে। কখন থেকে ওরা না খেয়ে আছে "

আমি আর কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম। রাস্তায় যখন হুজুর ছেলেটাকে নিয়ে হাটছিলাম তখন হুজুর ছেলেটাকে বললাম,
--আচ্ছা হুজুর বলেন তো, লিও আর টুকি আন্টির কে হয়?

হুজুর ছেলেটা কতক্ষণ চিন্তা করে বললো,
-" এমন নাম তো আগে কখনো শুনি নি। উনার ছেলে মেয়েই হবে হয়তো"

আমি হাসতে হাসতে হুজুর ছেলেটাকে বললাম,
- লিও আর টুকি হলো দুইটা উন্নত বিদেশি জাতের কুকুর। এই শহরের বড়লোক মানুষ গুলো প্রতিদিন বিদেশি জাতের কুকুরকে মাংস দিয়ে ভাত খাওয়াতে পারবে কিন্তু কোন এতিম বাচ্চাকে দুইবেলা ডাল ভাত খাওয়াতে পারবে না।

দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত হুজুর ছেলেটাকে সাথে নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরলাম অথচ কেউ ছেলেটার দুইবেলার খাওয়ার দায়িত্ব নিলো না। কেউ কেউ বললো, "যদি বাংলা পড়াতে পারতো তাহলে ভেবে দেখতাম"

সন্ধ্যার আগে আগে ছেলেটাকে সাথে নিয়ে ওর মাদ্রাসার সামনে গেলাম। মানিব্যাগ খুলে দেখি মানিব্যাগে দুইটা ১হাজার টাকার নোট আছে আর কিছু খুচরো টাকা। আমি ছেলেটার হাতে দুই হাজার টাকা দিয়ে বললাম,
-- বুঝলেন হুজুর এই শহরের মানুষদের কুরআন শিক্ষার কোন দরকার নেই ওরা মনে করে ওরা মৃত্যুর পর এমনিতেই চেলচেলাইয়া বেহেশতে চলে যাবে। আমি নিজে থাকি মেসে টিউশানি করে নিজের পড়াশোনার খরচ চালায় তবুও চেষ্টা করবো প্রতিমাসে আপনায় সাহায্য সহযোগিতা করতে..

তারপর থেকে প্রতিমাসে ছেলেটাকে আমি কিছু টাকা পয়সা দিতাম। পরিচিত কয়েকজন বন্ধু বান্ধবের সহযোগিতাই ছেলেটাকে একটা হোটেলে প্রতিবেলা খাবারের ব্যবস্থা করে দিলাম।

ছেলেটা যেদিন কুরআনে হাফেজ হয়েছিলো সেদিন সর্বপ্রথম আমার সাথে দেখা করে। আমায় বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলো,
"ভাই আপনি আমার জন্য অনেক করেছেন। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন প্রতি ওয়াক্ত নামাজ শেষে আপনার জন্য দোয়া করবো"

কথাটা শুনে আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গিয়েছিলো। একজন মুসলিমের এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না...

----
------

আমার ৪বছরের বাচ্চা ছেলেটা যখন আমার দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে বললো,
-"বাবা, আমি আরবি শিখবো না। আমিও তন্ময় ভাইয়ার মত গান শিখবো আর জেনি আপুর মত নাচ শিখবো "

কথাটা শুনে আমি মোটেও অবাক হয় নি বরং কিছুক্ষণ আগে যা ঘটলো তা শুধু আমার বাচ্চা ছেলের মনে প্রভাব ফেলে নি। আমার মনেও প্রভাব ফেলেছে...

আমার শ্বশুর চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর পারিবারিক একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উনার সকল ছেলেমেয়েরা আসে।

সন্ধ্যার পর আমরা সবাই মিলে যখন কথাবার্তা বলছি তখন আমার ছোট সালা বাচ্চাদের জন্য একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। সেই প্রতিযোগিতায় বাচ্চারা যে যা পারে সেটা তারা করে দেখাবে। আমার ছেলেকে প্রথম ডাকলে আমি আমার ছেলের কানে কানে বলি,
--বাবা, তুমি সূরা ফাতিয়া খুব সুন্দর করে পাঠ করবে কেমন?

আমার ছেলে যখন সূরা পাঠ করছিলো তখন কেউ সেটা মনোযোগ দিয়ে শুনছিলো না। সবাই যার যার মত ফোন টিপছিলো, কথাবার্তা বলছিলো। কিন্তু আমার স্ত্রী শ্রাবণীর বড় বোনের ৬ বছরের ছেলেটা যখন মাইয়া ও মাইয়ারে তুই অপরাধীরে এই গানটা গাইছিলো তখন সবাই অনেক মনোযোগ দিয়ে শুনছিলো। কেউ কেউ গানের সাথে সুর মেলাচ্ছিল। গান শেষে সবাই করজোড়ে হাততালি দিলো। কেউ কেউ জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো। শ্রাবণীর বড় ভাইয়ের ৮ বছরের মেয়েটা যখন ও সাকি গানের সাথে নাচ করছিলো তখন ওর সাথে উপস্থিত অনেকেই নাচছিলো। হেসে খেলে খুব মজা করছিলো।
এটা দেখেই আমার বাচ্চা ছেলেটার মন খারাপ হয়ে গেলো। সে মনে মনে হয়তো ভাবছে, সে গান নাচ পারে না দেখে তাকে কেউ আদর করে নি...

রাতে খাবার টেবিলে বসে যখন সবাই খাচ্ছিলাম তখন শ্রাবণীর বড় ভাই আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-"তুমি নিজে হলে কাঠমোল্লা আর আমার ছোট বোনটাকেও বানালে তোমার মতো। এই গরমের ভিতর দেখি তুমি আমার বোনটাকে আলখাল্লা পরিয়ে নিয়ে এসেছো। এইভাবে নাকমুখ ঢেকে চলাচল করলে দম আটকে তো মরে যাবে। ছেলেটাকে তোমাদের মত না বানিয়ে ক্রিয়েটিভ কিছু শিখাও"

আমি ঘাড় নেড়ে শুধু বললাম,
--জ্বি আচ্ছা

শ্রাবণীর বড় বোন তখন বললো,
-" আমার ছেলের গানের মাস্টারকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়। আমি তো শ্রাবনীকে সব সময় বলি তোর ছেলেকেও একটা গানের টিচার রেখে দে। কিন্তু শ্রাবণী তো আমার কোন কথায় শুনে না।"

কথাটা শুনে শ্রাবণীর বড় ভাই আমায় খোঁচা দিয়ে বললো,
-" গানের টিচার রাখলে তো পিয়াসের টাকা নষ্ট হবে। তাই সে ও ওর ছেলেকে ওর মত কাঠমোল্লা বানাবে। বিয়ের পর দেখলাম না কখনো আমার বোনকে দামি কিছু কিনে দিতে "

কথাগুলো কেন জানি সহ্য করতে পারছিলাম না তাই মৃদু হেসে শ্রাবনীর বড় ভাইকে বললাম,
-- ভাই, আপনি মারা গেলে আপনার মেয়ে প্রতিদিন আপনায় স্মরণ করে সাকি সাকি গানের তালে তালে নাচবে। এতে কি আপনার কবরের আজাব কমবে না বাড়বে সেটা আমি ঠিক জানি না

আর তারপর শ্রাবণীর বড় বোনের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- আপা, আপনি মারা গেলে আপনার ছেলে প্রতিদিন আপনার কবরের সামনে গিয়ে অপরাধী গান শুনিয়ে আসবে। এতে মনে হয় কবরের আজাবটা দ্বিগুন বৃদ্ধি পাবে। তখন শুধু এটাই বলবেন, যদি ছেলেকে ৫ হাজার টাকা খরচ করে গান না শিখিয়ে ৫০০টাকা খরচ করে একটু কুরআন শিক্ষা দিতাম তাহলে কবরে আমার এতটা আজাব হতো না..

আমি মারা গেলে না হয় আমার কাঠমোল্লা ছেলে কবরে পাশে দাড়িয়ে একটু দোয়া করে আসবে। এতে নিশ্চয়ই আমার কবরের আজাব পুরোটা না কমলেও কিছুটা হলেও কমনে

আমার কথাগুলো শুনে সবাই মাথা নিচু করে চুপ করে রইলো আর কিছু না বলে নিজের প্লেটে থাকা খাবারটা শেষ করলাম...
---
-----

রাতে ঘুম আসছিলো না তাই বেলকনিতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ শ্রাবণী পিছন থেকে আমার কাঁধে হাত রেখে বললো,
-" ভাইয়া আপুর কথায় কিছু মনে করেছো কি?"

আমি হেসে বললাম,
--আরে না, আচ্ছা আমি যে তোমায় দামী কিছু কিনে দিতে পারি না এজন্য কি আমার প্রতি তোমার কোন অভিযোগ আছে?

শ্রাবণী আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো,
-" তোমার মত একজনকে আমি পেয়েছি এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার আর কিছু চাই না"

প্রাপ্তি
আবুল_বাশার_পিয়াস

বিঃদ্রঃ- লেখাটা মুসলিমদের উদ্দেশ্যে লেখা। অন্য ধর্মের মানুষদের দ্বিমত থাকতে পারে তাই আপনারা লেখাটা ইগনোর করেন...

পড়া শেষে যদি নিজের মধ্যে পরিবর্তন অনুভব করেন দয়া করে উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo কে follow,like দিবেন।

15/08/2025

১. শান্ত থেকে কথা বলুন
বাচ্চা জেদ করলে চিৎকার না করে শান্তভাবে বলুন, “আমি তোমার কথা বুঝতে চাই, কিন্তু আগে একটু শান্ত হও।”
এতে বাচ্চাও ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়।

২. মনোযোগ দিয়ে শুনুন
তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন, “তুমি কি কিছু বলতে চাও?”
সে বুঝবে, তার অনুভূতি আপনি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।

৩. অন্য বিকল্প দিন
সে যদি আইসক্রিম চায়, আপনি বলুন, “আইসক্রিম নয়, কিন্তু তুমি ফল বা দই পেতে পারো, কোনটা খাবে?”
এতে বাচ্চা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সে নিজেকে সিদ্ধান্তের অংশ মনে করে।

৪. নিয়ম তৈরি করুন, শাস্তি নয়
আগে থেকেই বলুন, “টিভি দেখার সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, এরপর আর নয়।”
এতে সে জানবে কোন কাজ কখন করতে হবে।

৫. জেদের পেছনের কারণ বুঝুন
হয়ত সে ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত বা ঘুমাচ্ছে না। এমন সময় সহজেই জেদ বাড়ে।
তার আবেগ ও শারীরিক অবস্থা বুঝে প্রতিক্রিয়া দিন।

৬. ভালো আচরণের প্রশংসা করুন
সে শান্তভাবে খেলছে? বলুন, “তুমি আজ অনেক ভালো behaved করছো, খুব গর্ব হচ্ছে!”
এতে ভালো আচরণ বাড়ে, জেদ কমে।

৭. ধৈর্য ধরে সময় দিন
সে জেদ করলে কিছুক্ষণ একা থাকতে দিন বা বলুন, “আমরা পরে আবার কথা বলব।”
একা থাকলে সে নিজে ঠান্ডা হতে শিখে।

৮. আদর দিয়ে বোঝান
বকা না দিয়ে জড়িয়ে ধরুন আর বলুন, “আমি তোমায় খুব ভালোবাসি, কিন্তু এইভাবে জোরে চিৎকার করা ঠিক না।”
এতে সে ভালোবাসা থেকে শিখে, ভয় থেকে নয়।

৯. খেলনার মাধ্যমে শেখান
পুতুল বা গাড়ি দিয়ে নাটক করে শেখান: “এই পুতুলটা খুব জেদ করত, কিন্তু সে বুঝে গেছে কথা শুনলে কত ভালো হয়।”
শিশুরা খেলতে খেলতে সবচেয়ে বেশি শিখে।

১০. নিজে ভালো উদাহরণ দিন
আপনি রেগে না গিয়ে ধৈর্য ধরলে, বাচ্চাও শেখে কিভাবে শান্ত থাকতে হয়।
বাচ্চা সব সময় আপনাকে অনুকরণ করে।

এই কৌশলগুলো ধীরে ধীরে প্রয়োগ করলে বাচ্চার জেদ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
©
উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo

12/08/2025

একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছে। পথের মধ্যে ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের নেশা ধরলো। তাই তারা রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার & হেলপার দোকানে চা খেতে নামলো।
তারা দোকানে বসে চা খাচ্ছে। এইদিকে এক লোক ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে গাড়ীর অপেক্ষায় রাস্তার পাশে থাকতে থাকতে অনেক রাত হয়ে গেলে গাড়ি না পেয়ে রাস্তায় বসেছিলো।

হঠাৎ লোকটা ট্রাকটি দেখে ভাবলো এই ট্রাকটি খালি ড্রাইভার এবং হেলপারকে না দেখিয়ে উঠে পড়ি। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ উঠে পড়ল ট্রাকে। ট্রাকে উঠে অন্ধকারে লাশের ওপর বসে পড়ল।

কারন, অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। অতঃপর ( ড্রাইভার & হেলপার) চা খাওয়া শেষ করে যথারীতি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর ট্রাকে বসা লোকটা একটা সিগারেট ধরে মনের সুখে টানতে লাগলো। হঠাৎ হেলপারের চোখ পিছনে পড়তেই দেখলো পিছনে লাশটা বসে সিগারেট টানছে।
হেলপার ভয়ে ভয়ে ড্রাইভারকে বললঃ

হেলপারঃ-- ওস্তাদ গাড়ি থামান!
ওস্তাদঃ-- কেন?
হেলপারঃ-- পিছনে তাকিয়ে দেখেন লাশ বসে সিগারেট টানছে!
ওস্তাদঃ-- দূর বেটা এইটা কেমনে হয়?

হেলপারঃ-- দেখেন না আপনি?
এবার দুইজনে ( ড্রাইভার & হেলপার) গাড়ি থেকে নামল দেখার জন্য যে ব্যাপারটা কি?
লাশের ওপর বসে থাকা লোকটা সিগারেট টানতে টানতে বললঃ-- কিরে গাড়ি থামালি কেন?

এই শুনে ওস্তাদ বলল কাম সারছে অতঃপর দূইজনে মিলে দিল খিচ্ছা দৌড়!
দৌড়ের দৃশ্য দেখে লোকটা ভাবলো মনে হয় কোনো সমস্যা হইছে!
নইলে ওরা দৌড় দিল কেন!

বসে থাকলে সে বিপদে পড়বে ভেবে সেও ওদের পিছনে পিছনে দিল দৌড়।
হেলপার পিছনে তাকাইয়া দেখে লাশটা ওদের পিছনে পিছনে দৌড়াইতাছে!

হেলপার বললঃ ওস্তাদ আজ আর রক্ষা নেই ঐ লাশটাও আমাদের পিছনে দৌড়াচ্ছে তাড়াতাড়ি জান বাঁচাইয়া ভাগেন!
সত্যি করে বলেন মন খুলে কত দিন পর হাসলেন? হেসে থাকলে দয়া করে বলো দিবেন।
উদ্যোক্তা হব-Uddokta Hobo
Nusaiba gadget.bd
Ghuraba's Sign-علامة الغرابة

11/08/2025

আপনাদের শিশুদের খাওয়াতে পারেন

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

289/3 Pirerbag, Jilper
Dhaka
1216