15/06/2026
মা দুই ধরনের হয়।
এক ধরনের মা আছে, সন্তান কাঁদুক, ঘুমে ঢুলুক, বিপদে পড়ুক—তাতে তাদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। টিকটক ঠিকমতো হচ্ছে কি না, ক্যামেরায় ভালো দেখা যাচ্ছে কি না, সেটাই তাদের প্রধান চিন্তা।
আরেক ধরনের মা আছে, সন্তানের একটু কান্না শুনলেই বুক ধড়ফড় করে ওঠে। বাথরুমে গেলেও তাড়াহুড়া করে ফিরে আসে। কোলে সন্তান, এক হাতে রান্না, অন্য হাতে সংসার—তবুও সন্তানের নিরাপত্তার সঙ্গে কখনো আপস করে না।
মা হওয়া সবার ভাগ্যে জোটে, কিন্তু মাতৃত্ব সবার মধ্যে জাগে না।
সন্তানকে জন্ম দিলেই মা হওয়া যায়, কিন্তু সন্তানের অনুভূতি, ক্লান্তি আর নিরাপত্তাকে নিজের সবকিছুর আগে রাখতে পারলেই প্রকৃত মা হওয়া যায়। ❤️
15/06/2026
শিশুর বারবার সর্দি লাগে ? মুখ খুলে ঘুমায়? তাহলে অবহেলা করবেন না।
দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকা, ঘুমের সময় নাক ডাকা, মুখ খুলে শ্বাস নেওয়া, ঘন ঘন কান বা গলার ইনফেকশন,ওজন না বাড়া—এসবের পেছনে এডেনয়েড (Adenoid) বড় হয়ে যাওয়া কারণ হতে পারে।
এডেনয়েড হলো নাকের পেছনের অংশে থাকা এক ধরনের টিস্যু, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তবে এটি অতিরিক্ত বড় হয়ে গেলে শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে।
⚠️ যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন: • ঘুমের সময় নাক ডাকা
• মুখ খুলে শ্বাস নেওয়া।
• ঘুমের মধ্যে শ্বাস আটকে যাওয়া।
• বারবার সর্দি-কাশি বা কান ইনফেকশন।
• নাক বন্ধ থাকার কারণে খাওয়া বা ঘুমে সমস্যা।
সব নাক ডাকা বা নাক বন্ধ থাকাই এডেনয়েড নয়। তাই নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ বা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
একজন মা হিসেবে আমি শিখেছি, শিশুর ছোট ছোট লক্ষণগুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। কারণ সময়মতো সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসাও সহজ হয়।
#শিশুর_স্বাস্থ্য #সচেতন_অভিভাবক
14/06/2026
আফার নাকি ভাইরালের নেশা নাই। তবু এই টাইপ ভিডিও পোস্ট করেই যাচ্ছে। এখন বুঝতে পারছি আসলে কাদের বাচ্চাদের গলায় খাবার, খিচুড়ি,চানাচুর,লিচু আটকে দূর্ঘটনা ঘটে। এমন কিছু অশিক্ষিত মূর্খদের ঘরে জন্ম নিয়ে নিষ্পাপ বাচ্চাগুলো জিবন দেয়।
13/06/2026
আবার শুরু হয়েছে বাচ্চাদের ব্যবহার করে ভাইরাল হওয়ার নেশা। এইটুকু বাচ্চাকে মুখ ভর্তি করে খাবার দিয়ে আঙ্গুল দিয়ে গলার ভেতরে দিয়ে দিচ্ছে। বাচ্চাটার জিবন ঝুঁকিতে আছে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদি কোনো শিশুর প্রতি এমন ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ নিয়মিত হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হোক।
প্রতিটি শিশুর নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠার অধিকার আছে।
এই শিশুটিকে একটি নিরাপদ জীবন পেতে সাহায্য করুন।
12/06/2026
শিশুর খাবার একবার রান্না করে সবসময় বারবার গরম করে খাওয়ানো নিরাপদ নয়!
⚠️ কিছু খাবার আছে যা রান্নার পর দীর্ঘ সময় বাইরে রেখে আবার খাওয়ানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে—
🔸 খিচুড়ি।
🔸 ডিম দিয়ে তৈরি খাবার।
🔸 মাছ বা মাংসের রান্না।
🔸 ডাল।
🔸 সুজি।
🔸 ওটস।
🔸 দুধ মিশিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার।
কারণ এসব খাবারে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। একবার দূষিত হয়ে গেলে শুধু গরম করলেই সব জীবাণু বা তাদের তৈরি টক্সিন নষ্ট হয় না।
✔️ শিশুর জন্য যতটা সম্ভব এক বেলার খাবার এক বেলাতেই রান্না করুন।
✔️ যদি সংরক্ষণ করতেই হয়, তাহলে রান্নার ২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখুন এবং পরবর্তী একবারের জন্য ভালোভাবে গরম করে ব্যবহার করুন।
❌ সারাদিন বাইরে রাখা খাবার বারবার গরম করে শিশুকে খাওয়ানো উচিত নয়।
শিশুর খাবারে একটু অসর্তকতা ডায়রিয়া, বমি বা ফুড পয়জনিংয়ের কারণ হতে পারে।
11/06/2026
এত কষ্ট করে কত মজার খাবার বানাই, তাও খেতে চায় না— এই অভিযোগ করার আগে একবার ভেবে দেখুন, বাচ্চাটার আসলে কী অবস্থা!
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শিশুকে শুইয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। খাবার মুখে দেওয়ার পর কাশতেছে। একজন সচেতন অভিভাবকের প্রথম কাজ হওয়া উচিত খাওয়ানো বন্ধ করে বাচ্চার অবস্থা দেখা। কিন্তু না, ভিডিও চলছেই, খাবারও চলছেই!
শিশুরা খেলনা নয়, কনটেন্টও নয়। তাদের দিয়ে নাটক বানানোর আগে মনে রাখুন, একটা ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য কখনো কখনো অনেক বড় হতে পারে।
11/06/2026
বাচ্চার শ্বাসকষ্ট এইসব কিসমিস লবঙ্গতে নাকি ভালো হয়ে যায়! এই যুগেও এমন মূর্খতা মানা যায়?এইদিকে আমি হসপিটাল ডাক্তার ঔষধ পরিবর্তন করতে করতে পাগল হয়ে যাচ্ছি 🙂
10/06/2026
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স নিয়ে কথা বললেই আমরা সাধারণ মানুষকে দোষ দিই। কিন্তু পুরো দোষ কি শুধু জনগণের?
অনেক বাবা-মা আছেন, বাচ্চার জ্বর, সর্দি বা কাশি হলেই ফার্মেসি থেকে নিজেরাই অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাওয়ান। এটা অবশ্যই ভুল।
তবে আরেকটা বিষয়ও আছে, যেটা নিয়ে খুব কম কথা হয়। অনেক সময় দেখা যায়, বাচ্চার সাধারণ ঠান্ডা-কাশি নিয়েও ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ভাইরাসজনিত সমস্যা, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো দরকারই হয় না।
সব ডাক্তার এক রকম নন। অনেক দায়িত্বশীল ডাক্তার আছেন, যারা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ দেন না। কিন্তু এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই যে কিছু চিকিৎসক অযথা বেশি ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। ওষুধ কোম্পানির প্রভাব, কমিশনের লোভ বা অন্যান্য কারণ—যে কারণই হোক না কেন, এর খেসারত শেষ পর্যন্ত রোগীকেই দিতে হয়।
আজ অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হচ্ছে, কাল যখন সত্যিই প্রয়োজন হবে তখন হয়তো সেটি আর কাজ করবে না।
তাই শুধু জনগণকে সচেতন হওয়ার কথা বললেই হবে না। ডাক্তার, ফার্মেসি, ওষুধ কোম্পানি—সবারই দায়িত্বশীল হওয়া দরকার।
কারণ অ্যান্টিবায়োটিক কোনো সাধারণ ওষুধ নয়। এটা এমন একটি অস্ত্র, যা আমরা নিজেরাই ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে অকার্যকর করে ফেলছি। আর এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে আমাদের সন্তানরাই।
10/06/2026
সন্তান জন্ম দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, বরং শুরু হয়।
আমি মা হয়েছি ১৯ মাস হয়েছে। এই অল্প সময়েই একটা জিনিস খুব ভালোভাবে বুঝে গেছি—সন্তান জন্ম দেওয়া তুলনামূলক সহজ, কিন্তু তাকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ভীষণ কঠিন।
আমার এক পরিচিত নানী ছিলেন। তার নিজের ছেলেই একদিন তাকে এমন মারধর করেছিল যে মাথায় সেলাই লেগেছিল, পা ভেঙে গিয়েছিল, দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। আমি তখন ভেবেছিলাম, নিজের সন্তান কিভাবে মায়ের গায়ে হাত তোলে!
পরে জানতে পারলাম, ছোটবেলা থেকে ছেলেটার অনেক অন্যায়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। চুরি করলে ক্ষমা, অন্যের সাথে মারামারি করলে পক্ষ নেওয়া, ভুল করলে শাসনের বদলে আড়াল করা—এভাবেই সে বড় হয়েছে। সে শিখেছে, তার কাজের কোনো জবাবদিহি নেই।
আজ রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানার মা তার ছেলের জন্য ক্ষমা চাইছেন। কিন্তু রামিসার মাও তো একজন মা। তার বুকের হাহাকার কে ফিরিয়ে দেবে?
সন্তানকে ভালোবাসা আর সন্তানের সব অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া এক জিনিস নয়। অনেক মা-বাবা সন্তানের প্রতি ভালোবাসার নামে তার প্রতিটি ভুলকে ঢেকে দেন। অথচ সেই ছোট ছোট ভুলগুলোই একদিন বড় অপরাধে রূপ নিতে পারে।
একজন অপরাধী একদিনে তৈরি হয় না। বছরের পর বছর ভুলকে প্রশ্রয়, অন্যায়কে সমর্থন আর দায়িত্বহীনতার মধ্য দিয়েই তার জন্ম হয়।
সন্তান জন্ম দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। বরং তখনই দায়িত্বের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় শুরু হয়—একজন মানুষ তৈরি করার দায়িত্ব।❤️
08/06/2026
"ভালোবাসা অন্ধ হতে পারে, কিন্তু আত্মসম্মান অন্ধ হওয়া উচিত নয়।
যে পুরুষ নিজের স্ত্রী-সন্তানের পরিচয় দিতে বারবার সংকোচ বোধ করে, তাকে নিয়ে একজন নারীকে বারবার জনসমক্ষে বলতে হয়— 'আমি তার স্ত্রী', 'সে আমার সন্তানের বাবা'— এর চেয়ে অপমানজনক আর কী হতে পারে?
একটা সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি স্বীকৃতি। সেখানে যদি একজন মানুষ প্রকাশ্যে নীরব থাকে, আর অন্যজন সারাজীবন সম্পর্কের প্রমাণ দিয়েই যায়, তাহলে সেটা সম্পর্ক নয়, আত্মমর্যাদার বিসর্জন।
স্ত্রী হওয়ার চেয়ে সম্মানিত নারী হওয়া বেশি জরুরি। কারণ যে পরিচয় বারবার দাবি করে আদায় করতে হয়, সেটা কখনোই প্রকৃত মর্যাদা নয়।
শাকিব খান ও বুবলীর দ্বিতীয় সন্তানের খবরও মায়ের দিক থেকে এলো, কিন্তু বাবার দিক থেকে কোনো স্বীকৃতি নেই। একজন নারী কতটা ভালোবাসলে এমন পরিস্থিতিও মেনে নিতে পারে জানি না, তবে আত্মসম্মান থাকলে বারবার নিজেকে কারও জীবনে প্রমাণ করার প্রয়োজন হওয়ার কথা না।"