20/05/2026
দরজার বাইরে অসহায় মা,
ভেতরে ছোট্ট পাখি রামিশার পৃথিবীটা ছিন্নভিন্ন করছিল নরপিশাচরা।
একটি শিশুর কান্না শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের ব্যর্থতা।
শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুর নিরাপত্তা, সম্মান ও বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রকে আরও কঠোর হতে হবে।
The Ulama Network BD
20/05/2026
খু'নি টা ছিলো মাদকাসক্ত। সাথে স্ত্রীও।
সে ছিলো চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ও বিকৃত পর্নোগ্রাফি তে এডিক্টেড।
একটা লোক কে খু'নীতে পরিণত করছে প্রথমে রাষ্ট্র। কারণ সে প'র্নোর এক্সেস দিয়া রাখছে৷ মাদকের এক্সেস দেশে দিয়া রাখছে৷
আর দ্বিতীয়ত,দেশের বিদ্যমান বিচার ব্যবস্থার ত্রুটি৷
এখানে সমস্যা ও সমাধান দুইটাই দৃশ্যমান।
বাট সাদিকুর রহমান ও ইসলামফোব গ্যাং সেটাকে সাইকোলজি আর মোল্লাদের অশিক্ষিত ফতোয়া কে নিয়ে ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে ব্যস্ত৷
আর তাদের পোস্টে তাল মেলানো শয়'তানদের সংখ্যাটাও বিশাল।
এরা হইলো এমন লালসালুদের ভণ্ডামি কে আশ্রয় করে ধর্ম কে কটাক্ষ করে যাবে৷ আবার এই ভণ্ডামির আখড়া মাজার গুড়িয়ে দিলে ভিন্নভাবে মায়াকান্না করবে৷
এরা হুজুরদের দোষারুপ করবে৷ আবার হুজুররা কিসাস কায়েম করতে চাইলে সেটাকে গঙিবাদ বলে ট্যাগিং করবে৷
এসব শব্দ ও ন্যারেটিভ স'ন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন৷
The Ulama Network BD
20/05/2026
ছোট্ট রামিসা। পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তার বড় বোন পড়ে নবম শ্রেণীতে। প্রতিদিনই বোনের সাথে স্কুলে যায় সে। গতকালকেও যাওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু, স্কুল টাইমের আগে আগে রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সারা বাসা খুঁজে কোথাও না পেয়ে, রামিসার মা ঘরের দরোজা খুলে দেখেন, তাদের ঠিক অপোজিট ফ্ল্যাটের দরোজার কাছে রামিসার একটা জুতো পড়ে আছে। মা ভাবলেন, হয়তো প্রতিবেশিদের বাসায় গিয়েছে ছোট্ট মেয়েটা।
তিনি দরোজায় নক করলেন। একবার, দুইবার, তিনবার। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ পেলেন না। আরও জোরে নক করলেন, ধাক্কা দিলেন দরোজায়। কিন্তু না, কোনো আওয়াজ পাওয়া যায় না।
মায়ের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে৷ মেয়ের জুতো পড়ে আছে একটা৷ আরেকটা তাহলে কোথায় গেল? আর, এই বাসা তো তালাবদ্ধও না। তাহলে কেউ সাড়াশব্দ করছে না কেন?
রামিসার মা জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন দরোজায়। চিৎকার করতে শুরু করেন। আশেপাশের সকলে এসে জড়ো হয়। তারপরও কেউ দরোজা খুলে না৷ ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডেকে আনা হয়৷ তারা দরোজা কেটে ভেতরে ঢুকে যা দেখে, তা যেকোনো বাবা-মায়ের জন্য একজীবনের ট্রমা।
ভেতরে, খাটের তলায় পাওয়া যায় রামিসার মস্তকবিহীন শরীর। আর, কর্তিত মস্তক পাওয়া গেল ওয়াশরুমের মধ্যে।
মনে হচ্ছে সিনেম্যাটিক কোনো ক্রাইম স্টোরির স্ক্রিপ্ট, তাই না? জি না। এই ঘটনা গতকালকের। ঢাকার মিরপুরের।
ছোট্ট মেয়েটার সাথে JOUNO নির্যাতনের ঘটনার আলামত পাওয়া গেছে। যে নৃশংস, নরাধম এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তার নাকি এধরণের বিকৃত চাহিদা রয়েছে৷
সবচেয়ে বেদনাদায়ক ব্যাপার কী জানেন? এই ঘটনাটায় ওই নরাধমকে সহায়তা করেছে তার নিজের বউ।
একটা মেয়ে মানুষ, কীভাবে হতে দিলো একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে এই কাজ? এই ঘটনা কী ব্যাখ্যা আপনি দাঁড় করাবেন?
আইয়্যামে জাহিলিয়াতের যুগে বাচ্চা মেয়েদের জীবন্ত পুঁতে ফেলা হতো। এখন, এই আইয়্যামে জাহিলিয়াত থেকে বাঁচতে, আমরা যারা মেয়েদের বাবা-মা আছি, মেয়ে সন্তানদের আমরা কি আবারও জীবন্ত পুঁতে ফেলা শুরু করব?
কী নৃশংস! কী নৃশংস!
The Ulama Network BD
17/05/2026
দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য।
The Ulama Network BD
15/05/2026
কখন আমাদের চুপ থাকা উচিত?
১.রেগে গেলে চুপ থাকো।
২.যখন কোনো যুক্তি থাকবে না, তখন চুপ থাকুন।
৩.কোনো বিষয়ে তদন্ত না করে থাকলে চুপ থাকুন।
৪.শোনার ও শেখার সময় হলে চুপ থাকুন।
৫.কেউ ‘পাপ’ শব্দটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা শুরু করলে চুপ থাকা।
৬.আপনার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হলে চুপ থাকুন।
৭.অন্যরা যখন নিজেদের কাজ সামলাচ্ছে, তখন চুপ থাকো।
৮.যখন আপনার কথার কারণে কারো বন্ধুত্ব ভেঙে যায়, তখন চুপ থাকুন।
৯.কারো সমালোচনা শুরু করলে চুপ থাকুন।
১০.যখন আন্তরিকভাবে কিছু বলতে পারবেন না, তখন চুপ থাকুন।
১১.যখন কিছু বলার প্রয়োজন হয়, তখন চুপ থাকুন।
১২.যখন কোনো কথা অনেকবার বলা হয়ে গেছে, তখন চুপ থাকুন।
১৩.চুপ থাকুন, যখন আপনার কথা কারো কাছে আপত্তিকর হয়ে ওঠে।
The Ulama Network BD
14/05/2026
রফিকুল ইসলাম মাদানীর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে প্রথম স্ত্রীর প্রতি সহানুভূতি দেখানো বাম ও সুশীল মিডিয়া দেখবেন এখন চুপ থাকবে, সানভীর একসাথে দুই রক্ষিতা রাখতে পারবে। এটা দুইজনের সাথেই ইকুয়ালিটি। অপরদিকে সানভিরের বউয়ের সাথেও ইকুইটি। এটাই বাংলাদেশ।
সায়েম সোবহান আনভিরের কথা মনে আছে না? বউ রেখে মুনিয়াকে রক্ষিতা বানিয়ে চাহিদা মেটানো। অতঃপর হ'ত্যাকাণ্ড। আনভির যে তাঁর বউ ও রক্ষিতা দুইজনের কারো প্রতিই ইকুয়ালিটি বা ইকুইটি দেখায় নি সেটা নিয়ে তাঁর নিন্দা করা গোনাহ। শুধু রফিকুল ইসলাম মাদানি আর হুজুররাই না'রীলিপ্সু। কথা ঠিক আছে না?
শাকিব খান নামে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা লোক আছে না? অপু বিশ্বাসের পেটে বাচ্চা আসার পর নাটকীয় বিয়ে। হিন্দু মহিলাকে ধর্মান্তরিত করার মিথ্যা বয়ান। এর কদিন পর বুবলি নামে আরেক মহিলার সঙ্গে অ'পকর্ম। এখানেও একটা বাচ্চা। দুই মহিলার কারো সঙ্গে কথিত সুপারস্টার সংসার করেছে? প্রেগন্যান্সির সময় শাকিব খান কোনো বাচ্চার মায়ের পাশে থেকেছে? কোনো বাচ্চার লালন পালনে শাকিব খানকে আপনারা দেখেছেন? উত্তর হলো, না। এরপরও দেখেন, শাকিব আদর্শ বাবা। আদর্শ স্বামী সব। তাঁরে নিয়ে সমালোচনা নাই। খালি হুজুররা দুই বিয়ে করে ফেলতেছে। নারীদের প্রতি ইনসাফ হচ্ছে না। এটা খুব খারাপ। হুজুর হয়েও এসব!
হেফাজত মহাসচিব প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করেছেন। শেষ জীবনের সাথী বা সঙ্গিনী হিসেবে। সেটা নিয়েও মিডিয়ার কাটছাঁট করা চটকদার বয়ান দেখে আপনি বিরক্ত হননি বলেন তো?
অথচ পরীমনি নামে এক মহিলা আছে। সে দুই দিন পরপর বেডা বদলায়। এই মহিলার দুইটা বাচ্চাও আছে। দুইটা বাচ্চার বাপ কে সে নিজেও জানে কি না আল্লাহ মালুম। অথচ তারে দিয়ে মিডিয়া আদর্শ মাতৃত্বের গল্প শোনায়। কী নোংরা এরা ভাবতে পারেন?
সবকথার সারমর্ম হলো, যে যাই করুক সব দোষ হুজুরদের উপর রটাতে হবে। হুজুররা বলা'ৎকার/ধ'র্ষণ করে দুইদিন পরপর। এসব নাটকীয় কিচ্ছা কাহিনী মিডিয়া আপনাকে জোর করে শোনাবে। অথচ আজকের খবর দেখলাম, মেডিকেল কলেজের হলরুমে চারজন ছাত্রের সিট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। কারণ ওরা পরস্পর সমকামিতায় লিপ্ত। এরমধ্যে দুইজন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের গর্বিত কর্মীও আছে। একটা সে'ক্সটয়ও উদ্ধার করা হয়েছে। এসবকিছু ওয়াও না? এগুলো মাদরাসায় পাওয়া গেলে মিডিয়া কী করত ভাবতে পারেন?
অথচ এখন দেখেন, পরিবেশটা কী সুন্দর না? কোথাও কোনো হৈচৈ আছে? চিল্লায়া মার্কেট পাওন যাইবো? না একদমই না। এতকিছু বুঝি না। সব দোষ হুজুরদেরই। চাপিয়ে দাও মোল্লাদের উপর।
সাইফুল ইসলাম
The Ulama Network BD
14/05/2026
এগুলো পরিপূর্ণ কখনো সম্ভব না যতক্ষণ না দাইয়্যুস পিতা তার দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত হবে৷ যতক্ষণ না সে তার অধীনস্থ নারীদের প্রটেক্ট করবে৷
ইনবক্সে আমাকে অনেক কেইস অনেকে দিচ্ছেন। আমি আন্তরিক ভাবে দু:খিত এসব নিয়ে ধারাবাহিক কাজ করা সম্ভব না৷ আপনারা ব্যক্তিগত ভাবে কাজ করুন৷ যতটুকু সম্ভব সাপোর্ট দিব ইনশাআল্লাহ।
আর এগুলো আপনি কিভাবে বা কয়জন কে আটকাবেন?
যাস্ট আমাদের এলাকার অবস্থাই পারছি না নিয়ন্ত্রণ করতে৷
এলাকার অনেক যুবক প্রতিকার চায়৷ সংক্ষেপে কিছু অভিযোগ বলি -
- এলাকার একটা মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে সুসাইড করে। এক দ্বীনি ভাই বললো ঐ মেয়ের অন্তরঙ্গ ছবি এক হেদুর কাছে ছিলো। যে হেদু ছেলের প্রতি অভিযোগ সে পরে বিদেশে চলে যায়।
- এক হেদু পল্লি চিকিৎসক এক মুসলিম তরুণীকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে অবৈধ সম্পর্কে জড়ায়। তাদের মাঝে অসংখ্যবার ফিজিক্যাল হয়৷
- আরেকটা স্কুলে এক হেদু ছেলের সাথে দুই মুসলিম তরুণীর প্রেম৷ এক হেদু প্রেমিকের জন্য দুই মুসলিম মেয়েত হাতাহাতি পর্যন্ত হয়েছে।
- অসংখ্য হেদুর স্বর্ণের দোকানে অসংখ্য প্রবাসী স্ত্রীর পরকীয়ার কেলেংকারি অনেকের হাতে এসেছে৷
- হেদু কাপড়/মুদি দোকানীর সাথেও এমন কেইস এসেছে।
আপনি কয়টা নিয়ন্ত্রণ করবেন?
নদীর বাধ ভেঙে জমির আইল দিয়ে কী ফসল রক্ষা করতে পারবেন?
দাইয়্যুস পিতা যখন তার কন্যাকে অনুশাসন ও গৃহে না রাখবে৷ কস্মিনকালেও আপনি এসের প্রটেক্ট পুরোপুরি করতে পারবেন না৷
The Ulama Network BD
14/05/2026
তুরস্কের একজন ২১ বছরের মুসলিম তরুণী শুধু আল্লাহর আইনের কথা বলার অপরাধে তুরস্কের আদালত তাকে গ্রেপ্ত|র করে জেলে পুরেছে।
এমিনি শাহিন সাহস করে বলেছিল: আতাতুর্ক ইলাহ নয়! আল্লাহর আইন আছে! তিনি পশ্চিমা কু*ফরি আইন এনেছেন!
এই কথা বলার অপর|ধে তাকে হে*নস্থ|, ল|ঞ্ছিত ও কারাপ্রকোষ্ঠে নি*ক্ষেপ করা হয়েছে।
এটা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটা তুরস্কের ভ*ণ্ড সেকুলার গণতন্ত্রের ন*গ্ন মুখোশ।
রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান মুসলমানদের ভোটে ক্ষমতায় এসে ২০ বছর ধরে ক্ষমতা ভোগ করছেন। তিনি আয়া সোফিয়া খুলে ইসলামের নামে ফটোসেশন করেন, কিন্তু যারা আসলেই রিয়াহ ও খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাদের উপর নি°র্য|তন চালাতে দ্বিধা করেন না। আতাতুর্কের ক|লো আইন (Law 5816) এখনো বহাল রেখে তিনি মুসলিম যুবতীদের জে*লে পাঠাচ্ছেন।
এটা স্পষ্ট প্রমাণ যে, গণতান্ত্রিক পথে ইসলাম কায়েম করা অসম্ভব। গণতন্ত্রের মূল কথাই হলো মানুষের আইনের সার্বভৌমত্ব, যা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের সাথে সরাসরি স|ংঘ*র্ষিক । এরদোয়ান এই সেকুলার সংবিধানের উপর বসে আছেন বলেই আজও একজন মুসলিম মেয়েকে আল্লাহর আইনের কথা বলার জন্য শ|স্তি দিতে পারছে।
যারা তুরস্ককে মুসলিম উম্মাহর অভিভাবক মনে করে, তাদের এই কঠিন সত্যটা গিলে ফেলতে হবে:
এরদোয়ান সরকার খিলাফতপন্থীদের দ*মন করছে, যারা শরীয়াহ আইন চায় তাদের উপর নি°ষেধ|জ্ঞা বজায় রেখেছে, শরিয়াহ চায় এমন যুবক-যুবতীদের জে*লে ভরছে। তিনি নিজের ক্ষমতা, নয়া- আতাতুর্কের জাতীয়তাবাদ আর পশ্চিমা সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখতে মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত ইসলামি আকাঙ্ক্ষাকে বারবার জলাঞ্জলি দিয়ে আসছেন।
এমিনি শাহিন, তুমি একা নও বোন।
তোমার এই সাহস হাজার হাজার যুবক-যুবতীর চোখ খুলে দিয়েছে যে, ভ*ণ্ড গণতন্ত্র আর ভোটের রাজনীতির মধ্য দিয়ে আল্লাহর দ্বীন কস্মিনকালেও কায়েম করা সম্ভব না।
The Ulama Network BD