14/02/2026
⚠️ সাবধান! তিন দিনের বেশি কথা বন্ধ রাখা কি আপনাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাচ্ছে?
মূল বিষয়বস্তু:
প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,
রাগ বা অভিমান মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। কিন্তু এই জেদ যখন আমাদের কোনো মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি কথা বলা থেকে বিরত রাখে, তখন সেটি আর সাধারণ রাগ থাকে না—তা কবিরা গুনাহে পরিণত হয়। আমরা কি সামান্য দুনিয়াবি স্বার্থের জন্য আমাদের আমলগুলো ধ্বংস করতে চাই?
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর অমোঘ বাণী:
হাদিসে ইরশাদ হয়েছে—
"কোনো মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়। তারা যখন মিলিত হয়, তখন একজন এদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয় এবং অন্যজন ওদিকে। তাদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই উত্তম, যে সালামের মাধ্যমে প্রথমে কথা শুরু করে।" (সহিহ বুখারি: ৬২৩০, সহিহ মুসলিম: ২৫৬০)
কেন এই গুনাহটি ভয়াবহ?
১. আমল কবুলের অন্তরায়: সোমবার এবং বৃহস্পতিবার মানুষের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। কিন্তু যারা পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন রাখে, তাদের আমল ঝুলে থাকে যতক্ষণ না তারা আপোষ করে।
২. জাহান্নামের ভয়: দীর্ঘ সময় সম্পর্ক ছিন্ন রাখা ঈমানের দুর্বলতার লক্ষণ এবং এটি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করার একটি বড় কারণ।
৩. শয়তানের বিজয়: দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ শয়তানকে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত করে।
আসুন আজই উদ্যোগ নিই:
যার সাথে কথা বন্ধ, নিজে থেকে এগিয়ে গিয়ে সালাম দিন।
ক্ষমা করে দেওয়া ছোট হওয়া নয়, বরং আল্লাহর কাছে সম্মান বৃদ্ধির পথ।
মনে রাখবেন, অহংকার জান্নাতে যাওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা।
আল্লাহ আমাদের সবার অন্তরকে প্রশস্ত করে দিন এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲
"আচ্ছা আপনার কি এমন কেউ আছে যার সাথে অনেকদিন কথা হয় না? আজই তাকে একটি মেসেজ বা সালাম দিয়ে সম্পর্কটি ঠিক করে নিলে কেমন হয়?
অন্তত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হলেও ?"
আহবানে: হযরত মাওলানা মোঃ রহমতুল্লাহ সাহেব দা. বা.
খলিফা: আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ হাকিম মোহাম্মদ আখতার সাহেব রহ.
মুহতামিম: মাদ্রাসা রওজাতুল উলুম
নাযেম: খানকায়ে আবরারিয়া আখতারিয়া, ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪
#ইসলামিক_সচেতনতা #কবিরা_গুনাহ #ভ্রাতৃত্ব #ক্ষমা #হাদিস #ইসলামিক_পোস্ট #সতর্কতা #শান্তি #মুমিনের_গুণাবলী