31/05/2026
Al quran dawah academy
A network of Islamic Scholars.
31/05/2026
07/04/2026
হজ্বের তওয়াফকালীন সময়ের জন্য কিছু মোনাজাত
√"আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাশ্শিরকি আশাককি অল কুফরি অনিফাকি অশিক্বাক্বী অসুয়িল আখলাকি অ সুয়িল মানজারি ফিল আহলি অল মালি অল অলাদি"
অর্থাৎ হে মাবুদ! আমি শিরক্, সন্দেহ, কুফরী, নিফাক, দ্বেষ-বিদ্বেষ, কুস্বভাব এবং পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তাভর মধ্যে কুদৃশ্য থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
√"আল্লাহুম্মা আজিল্লানী তাহতা আরশিকা ইয়াওমি লি আজাল্লিকা আল্লাহুম্মা আসক্বিনী বি কা'সি মুহাম্মাদিন ছাল্লাল্লাহু আলাইহি অ সাল্লাম শারবাতান্ লা আজমায়ু বা'দাহা আবাদান।"
অর্থাৎ হে মাবুদ! আমাকে তোমার আরশের ছায়ায় স্থান দান কর। যেদিন তোমার আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোন ছায়া থাকবে না। হে মাবুদ! আমাকে হযরত মুহাম্মদ (দঃ)-এর পান পেয়ালা হতে পানীয় পান করতে দিও। যাতে আমার পিপাসা স্থায়ীভাবে নিবৃত্ত হয়।
√"আল্লাহুম্মাজআলহু হাজ্জাম্ মাকুবুলাও অসা'ইআম্ মাশকুরাও অ যামবাম মাগফুরাও অ তিজারাতান লান তাবুরু ইয়া আযীযু ইয়া গাফুরু রাব্বিগফির অরহাম অ তাজাওয়্যায আম্মা তা'লাম আনতাল আআযফুল আকরামু"
অর্থাৎ হে মাবুদ! তুমি একে মকবুল হজ্জ্বে পরিণত কর। আমার পরিশ্রম (সায়ী) কে সফল কর। গুনাহ্ ক্ষমা কর। এ ব্যবসাকে স্থায়ী ও লাভবান কর। হে মহা প্রতাপশালী! তুমি আমাকে ক্ষমা ও রহম কর। তুমি আমার যে গুনাহর বিষয় জান তা' মার্জনা কর। নিশ্চয় তুমি মহান সম্মানিত।
√"আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল কুফরি অ আউযুবিকা মিনাল ফাকুরি অ মিন আযাবিল ক্বাবরি অ মিন ফিতনাতিল মাহইয়ায়ি অল মামাতি অ আউযুবিকা মিনাল খিযইয়ি ফিদ্দুনইয়া অল আখিরাতি"
অর্থাৎ হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফর থেকে, আরও আশ্রয় চাচ্ছি দারিদ্র্য থেকে এবং কবর আযাব থেকে, জীবন-মরণের বালা-মুছীবত থেকে এবং আরও আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়া ও আখেরাতের লাঞ্ছনা ও অপদস্থতা থেকে।
√"আল্লাহুম্মা রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও অফিল আখিরাতি হাসানাতাও অক্বিনা বিরাহমাতিকা ফিতনাতিল ক্বাবরি অ আযাবি নারি"
অর্থাৎ হে মাবুদ! হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে দুনিয়াতে ও আখেরাতে কল্যাণ দান কর। তুমি নিজ রহমত গুণে আমাদেরকে কবরের মুছীবত ও দোযখের আগুনের আযাব থেকে নিরাপদ রাখ।
√"আল্লাহুম্মাগফিরলী বিরাহমাতিকা আউযু বিরাব্বি হাযাল হাজরি মিনাদ্দাইনি অল ফাকুরি অ দ্বাইকুিছ ছিদরি অ আযাবিল ক্বাবরি"
অর্থাৎ হে মাবুদ! তোমার করুণায় আমাকে ক্ষমা কর। এই পাথরের প্রভুর নিকট আমার ঋণ, দারিদ্র্য, বক্ষের সংকীর্ণতা এবং কবর আযাব থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি।
06/04/2026
দেশে এবং দেশের বাহিরে যারা অবস্থান করছেন সকলের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষা 📖
সময় নেই?
তবুও থেমে থাকবে কেন কোরআন শেখা!
চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার—যাদের ব্যস্ততার কারণে বাসায় শিক্ষক দিয়ে কোরআন শেখা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি অনলাইন কোরআন শিক্ষা কোর্স।
এছাড়াও যেসব বাবা-মা চাকরি করেন এবং সন্তানকে বাসায় আরবি শিক্ষক দিতে পারছেন না—তাদের জন্যও এটি হতে পারে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ সমাধান।
✨ আমাদের অনলাইন কোরআন কোর্সের বিশেষ
সুবিধাসমূহঃ
✔️ বাড়িতে বসেই শেখার সুযোগ
✔️ অভিজ্ঞ হাফেজ ও আলেম শিক্ষকের তত্ত্বাবধান
✔️ সময় অনুযায়ী ক্লাস করার সুবিধা
✔️ শিশু ও বড় সবার জন্য আলাদা ক্লাস
✔️ একদম বেসিক থেকে অগ্রসর পর্যায়
📞 যোগাযোগ / WhatsApp: 01758-898225
কোরআন শিখুন সহজে, নিরাপদে, ঘরে বসে।
আজই ভর্তি হন অনলাইন কোরআন শিক্ষা কোর্সে! 🌙✨
06/04/2026
অনলাইনের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষা 📖
সময় নেই? তবুও থেমে থাকবে কেন কোরআন শেখা!
চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার—যাদের ব্যস্ততার কারণে বাসায় শিক্ষক দিয়ে কোরআন শেখা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি অনলাইন কোরআন শিক্ষা কোর্স।
এছাড়াও যেসব বাবা-মা চাকরি করেন এবং সন্তানকে বাসায় আরবি শিক্ষক দিতে পারছেন না—তাদের জন্যও এটি হতে পারে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ সমাধান।
✨ আমাদের অনলাইন কোরআন কোর্সের বিশেষ
সুবিধাসমূহঃ
✔️ বাড়িতে বসেই শেখার সুযোগ
✔️ অভিজ্ঞ হাফেজ ও আলেম শিক্ষকের তত্ত্বাবধান
✔️ সময় অনুযায়ী ক্লাস করার সুবিধা
✔️ শিশু ও বড় সবার জন্য আলাদা ক্লাস
✔️ একদম বেসিক থেকে অগ্রসর পর্যায়
📞 যোগাযোগ / WhatsApp: 01758-898225
কোরআন শিখুন সহজে, নিরাপদে, ঘরে বসে।
আজই ভর্তি হন অনলাইন কোরআন শিক্ষা কোর্সে! 🌙✨
Al quran dawah academy #কোরআন #শিক্ষা #অনলাইনকোরআনশিক্ষা #ঘরেবসেকোরআনশিক্ষা #হাদিস #কোরআনহিপস #বাংলাদেশ #ঢাকা #ব্যবসায়ী #অনলাইনকোরআনশিক্ষা #কোরআনহিপস #ঘরেবসেকোরআনশিক্ষা #হাদিস #ব্যবসায়ী #গৃহিণী
05/04/2026
হজ্জের কার্যাবলীর আভ্যন্তরীণ খুশু খুজু
হজ্জের ব্যাপারে আভ্যন্তরীণ কতিপয় খুশু খুজু আছে। সেগুলো ধাবাহিকভাবে উল্লেখ করছি।
(১) হজ্জ উপলক্ষে যে অর্থাদি ব্যয় করা হবে, তা' নিখুঁৎ হালাল হতে হবে। মন শুধু আল্লাহ্র যিকিরে লিপ্ত এবং তাঁর নিদর্শনাবলীর দিকে আকৃষ্ট হতে হবে। এক হাদীসে বর্ণিত রয়েছে যে, শেষ যমানায় মানুষ কেবল চারটি উদ্দেশ্য নিয়ে হজ্জ করতে যাবে। যেমনঃ
(ক) রাজা-বাদশাহ ও শাসনকর্তাগণ যাবে দেশ পর্যটন ও ভ্রমণ বিলাস সমাপন উদ্দেশ্যে।
(খ) ধনীগণ যাবে ব্যবসা-বাণিজ্যমূলক লক্ষ্য সিদ্ধির জন্য। (গ) ফকীর ও অভাবী লোকেরা যাবে ভিক্ষাবৃত্তির লক্ষ্যে এবং ঘ) আলিমগণ যাবে সুনাম ও সুখ্যাতি লাভের আশায়।
অত্র হাদীসে বর্ণিত বিষয়গুলো হজ্জ সফরের মাধ্যমে অর্জিত হয়ে থাকে, যা হজ্জের ফজীলতের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। অর্থাৎ এসব লক্ষ্য নিয়ে হজ্জ করায় কোন ফজীলতই হাছিল হবে না। যারা এসব উদ্দেশ্য নিয়ে হজ্জ করে, হাজীগণ যে বিশেষ লোকদের তালিকাভুক্ত থাকে, তাদের নাম সে দফতরে লিখিত হবে না। যারা মজুরী নিয়ে অন্যের পক্ষ থেকে হজ্জ আদায় করে দেয়, তা' তাদের আখেরাতের কাজে দুনিয়া অন্বেষণ ছাড়া আর কিছু নয়। মুত্তাকী লোকেরা এরূপ কাজকে অতীব ঘৃণা করেন। হাঁ তবে যদি কেউ মক্কায় বসবাস করার খেয়ালে নিজের আর্থিক অনটন হেতু সেখানে পৌঁছার খরচ বাবত অন্যের থেকে কিছু অর্থ নেয়, তবে তা' তেমন দোষণীয় নয়। মোটকথা, আখেরাতকে সামনে রেখে তার দ্বারা দুনিয়া লাভের উপায় করবে না; বরং দুনিয়াকে আখেরাত হাছিলের উপায় করা চাই। অন্যের পক্ষ থেকে হজ্জ করার ক্ষেত্রে যিয়ারাতে কা'বা ও মুসলমান ভ্রাতার ফরজ আদায়ের ব্যাপারে তাকে সাহায্য করার নিয়ত করতে হবে। এই মর্মেই হুযুরে পাক (দঃ) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা এক হজ্জের কারণে তিনজন লোক বেহেশতে প্রবেশ করাবেন। যথাঃ-(১) যে হজ্জের অছিয়ত করে (২) যে হজ্জকে জারী করে এবং (৩) যে তার ভ্রাতার পক্ষ থেকে হজ্জ আদায় করে।
(চলবে)
04/04/2026
(৩) তামাতু' হজ্জ : এ হজ্জের রীতি হল, প্রথম মীকাত থেকে ওমরাহর এহরাম বাঁধতে হয়। তারপর মক্কায় এসে এহরাম বাঁধতে হয়। তারপর মক্কায় এসে এহরাম ভেঙ্গে হজ্জের পূর্ব পর্যন্ত এহরামে নিষিদ্ধ বিষয়গুলো সে ভোগ করবার অধিকারী হয়ে যাবে। তারপর আবার সে হজ্জের জন্য এহরাম বাঁধবে। তামাতু' হজ্জের জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে। যথাঃ (১) তামাত্তু'কারীর বাসস্থান এবং মসজিদে হারামের মধ্যে শরীয়ত সম্মত সফরের দূরত্ব না থাকা (২) হজ্জের পূর্বে ওমরাহ করা (৩) হজ্জের মাসসমূহের মধ্যেই ওমরাহ করা (৪) হজ্জের এহরাম বাঁধার জন্য মীকাত পরিমাণ দূরে ফিরে না যাওয়া (৫) একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ ও ওমরাহ হওয়া। তামাতু' হজ্জ আদায়কারীর পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানী করা ওয়াজিব। এতে কোন কারণবশতঃ মাযুর হলে দশই যিলহজ্জের পূর্ব পর্যন্ত সে তিনটি রোযা রাখবে। হজ্জের সময়ে ঐ রোযাত্রয় না রাখলে দেশে ফিরে এসে লাগাতার ভাবে বা পৃথক পৃথকভাবে দশটি রোযা রাখবে। উল্লিখিত তিন প্রকার হজ্জের মধ্যে সর্বোত্তম এফরাদ।
তারপর তামাত্তু,' তারপর কেরান।
হজ্জ ও ওমরায় ছয়টি নিষিদ্ধ বিষয়ঃ (১) জামা, পায়জামা, মোজা ও পাগড়ী পরিধান করা। তবে সিলাই না করা লুঙ্গি, চাদর এবং কাষ্ঠের পাদুকা পরিধানে বাধা নেই। লুঙ্গির অভাবে পায়জামা পরা যায়। মাথা আবৃত করবে না। (টুপী ব্যবহার করাও এর মধ্যে শামিল) কেননা পুরুষের এহরাম মাথার অন্তর্ভুক্ত। স্ত্রীলোকেরা সিলাই করা কাপড় পরতে পারে কিন্তু মুখ খোলা রাখবে। কেননা স্ত্রীলোকের এহরাম তার মুখের অন্তর্গত।
(২) সুগন্ধি দ্রব্য ব্যবহার করা। সুগন্ধি দ্রব্য ব্যবহার করলে এবং কাল পোশাক পরলে একটি বকরী কুরবানী
করতে হবে।
(৩) চুল মুণ্ডন করা, কর্তন করা ও নখ কর্তন করা। এগুলো করলেও একটি বকরী কুরবানী করতে হবে। অবশ্য সুর্মা ব্যবহার করা, চুলে চিরুণী করা বা সিঙ্গা লওয়াতে কোন বাধা নেই।
(৪) স্বামী-স্ত্রী সহবাস করা। এটা মাথা মুণ্ডন এবং কুরবানীর আগে করলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে এবং উষ্ট্র, গরু অথবা সাতটি বকরী যবেহ করা অত্যাবশ্যক হবে। তবে কুরবানী ও মাথা মুণ্ডনের পরে করলে হজ্জ বাতিল হবে না কিন্তু কুরবানী ওয়াজিব হবে।
(৫) স্বামী-স্ত্রী চুম্বন, আলিঙ্গন এবং এমনি ভাবের স্পর্শন যে, মজি নির্গত হয়ে যায়, তা' নিষিদ্ধ। এতে একটি বকরী কুরবানী করা আবশ্যক হবে।
(৬) যে কোন স্থলচর হালাল জন্তু, যার গোশত খাওয়া যায়, তা' শিকার করা। এটা নিষিদ্ধ। তা' শিকার করলে অনুরূপ কোন চতুষ্পদ জন্তু কুরবানী করা ওয়াজিব হবে। তবে জলচর কোন জন্তু শিকার করলে কুরবানী করা প্রয়োজন হবে না।
(চলবে)
03/04/2026
হজ্জ আদায়ের তিনটি রীতি
(১) এফরাদ হজ্জ : এ রীতিই সর্বোত্তম। এটা এরূপ যে, শুধু হজ্জের নিয়তে এহরাম বেঁধে আবশ্যকীয় কাজগুলো সমাধা করে হরমের বাইরে গিয়ে পুনঃ ওমরাহর জন্য এহরাম বাঁধতে হয়। ওমরাহর এহরাম বাঁধার জন্য সর্বোত্তম মীকাত হল, জায়ারানাহ, তারপর তানয়ীম, তারপর হোদায়বিয়াহ। এভাবে এফরাদ হজ্জকারীদের প্রতি কুরবানী ওয়াজিব নয়। তবে নফল কুরবানী করতে পারে।
(২) কেরান হজ্জ: হজ্জ এবং ওমরাহর এহরাম একসাথে বাঁধলে তাকে কেরান হজ্জ বলা হয়। এরূপ ব্যক্তির হজ্জের ক্রিয়াকর্ম দ্বারাই ওমরাহর কাজকর্ম আদায় হয়ে যায়। তবে যদি তাওয়াফ এবং সায়ী আরাফাতে অবস্থানের পূর্বে করা হয়, তাহলে সায়ী তো হজ্জ ও ওমরাহ দুটোরই হয়ে যাবে কিন্তু তাওয়াফ হজ্জেরটা আদায় হবে না। কেননা হজ্জের মধ্যে তাওয়াফের জন্য শর্ত হল অকুফে আরফার পরে আদায় করা। কেরান হজ্জ আদায়কারীর জন্য একটি বকরী কুরবানী করা ওয়াজিব। তবে হজ্জ আদায়কারী মক্কাবাসী হলে কুরবানী করা ওয়াজিব নয়। কারণ সে মীকাত অতিক্রম করেনি, তার মীকাত মক্কা মুয়াযযমা।
(৩) তামাতু' হজ্জ : এ হজ্জের রীতি হল, প্রথম মীকাত থেকে ওমরাহর এহরাম বাঁধতে হয়। তারপর
মক্কায় এসে এহরাম বাঁধতে হয়। তারপর মক্কায় এসে এহরাম ভেঙ্গে হজ্জের পূর্ব পর্যন্ত এহরামে নিষিদ্ধ বিষয়গুলো সে ভোগ করবার অধিকারী হয়ে যাবে। তারপর আবার সে হজ্জের জন্য এহরাম বাঁধবে। তামাত্তু' হজ্জের জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে। যথাঃ (১) তামাত্তু'কারীর বাসস্থান এবং মসজিদে হারামের মধ্যে শরীয়ত সম্মত সফরের দূরত্ব না থাকা (২) হজ্জের পূর্বে ওমরাহ করা (৩) হজ্জের মাসসমূহের মধ্যেই ওমরাহ করা (৪) হজ্জের এহরাম বাঁধার জন্য মীকাত পরিমাণ দূরে ফিরে না যাওয়া (৫) একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ ও ওমরাহ হওয়া। তামাতু' হজ্জ আদায়কারীর পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানী করা ওয়াজিব। এতে কোন কারণবশতঃ মাযুর হলে দশই যিলহজ্জের পূর্ব পর্যন্ত সে তিনটি রোযা রাখবে। হজ্জের সময়ে ঐ রোযাত্রয় না রাখলে দেশে ফিরে এসে লাগাতার ভাবে বা পৃথক পৃথকভাবে দশটি রোযা রাখবে। উল্লিখিত তিন প্রকার হজ্জের মধ্যে সর্বোত্তম এফরাদ, তারপর তামাত্তু' তারপর কেরান।
(চলবে)
কোরআন শরীফ শুদ্ধভাবে শিক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজে আইন (অপরিহার্য দায়িত্ব),
কারণ অশুদ্ধ তিলাওয়াতে অর্থের বিকৃতি ঘটে যা নামাযসহ ইবাদত কবুল হওয়ার অন্তরায় । সহীহ তিলাওয়াত আল্লাহর নৈকট্য লাভ, হেদায়েত ও জান্নাত প্রাপ্তির মাধ্যম । মূলত, রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ এবং শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্যই শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা জরুরি।
কোরআন শরীফ শুদ্ধ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার মূল কারণসমূহ:
সালাত (নামায) শুদ্ধ হওয়া: সালাতে কোরআন তিলাওয়াত ফরজ। তিলাওয়াত অশুদ্ধ হলে সালাত আদায় হয় না।
অর্থের বিকৃতি রোধ: আরবি হরফের উচ্চারণ ভুল হলে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়, যা অনেক ক্ষেত্রে গুনাহের কারণ হতে পারে।
রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ: রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে কুরআন শুদ্ধ করে শিখিয়েছেন এবং এর তালীম দেয়ার জন্য মুআল্লিম নির্ধারণ করতেন।
নেককার ফেরেশতাদের সমতুল্য মর্যাদা: সহীহ-শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াতকারী ফেরেশতাদের সমতুল্য মর্যাদা পায়, আর কষ্ট করে শিখলে দ্বিগুণ সওয়াব পাওয়া যায়।
কুরআন সুপারিশকারী: শুদ্ধভাবে পাঠ করা কুরআন কেয়ামতের দিন পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে।
উত্তম মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা: রাসূল (সা.) বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে ও অন্যকে শিখায়"।
তাই, ধীরগতিতে, সুস্পষ্টভাবে ও তাজবীদসহকারে কোরআন তিলাওয়াত শেখা অপরিহার্য।
দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের জন্য অভিজ্ঞ কারি ও শিক্ষকের মাধ্যমে অনলাইন কুরআন, তাজবীদ, নূরানী কায়দা, হিফজ এবং প্রয়োজনীয় মাসলা-মাসায়েল শেখার বিশেষ কোর্স চালু করা হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপ বা জুমের মাধ্যমে ওয়ান-টু-ওয়ান লাইভ ক্লাস, নমনীয় সময়সূচী এবং নারী শিক্ষকদের মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীদের শেখার সুব্যবস্থা রয়েছে ।
কোর্সের সুবিধাসমূহ:
শুদ্ধ তিলাওয়াত: তাজবীদসহ কুরআন তিলাওয়াত (নাযেরা) কোর্স ।
নূরানী কায়দা: বেসিক আরবি উচ্চারণ ও কায়দা শিক্ষা ।
হিফজ: কুরআন হেফজ বা ছোট সূরা মুখস্তকরণ।
মাসলা-মাসায়েল: নামায, রোযা ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় মাসয়ালা ।
বিশেষত্ব: শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা ব্যাচ এবং ফ্রি ট্রায়াল ক্লাস ।
বিস্তারিত জানতে বা ভর্তি হতে কল করুন
01758-898225
এলমে দ্বীন বা দ্বীনি শিক্ষার মধ্যে কোরআন সহীহ-শুদ্ধভাবে শেখা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যকীয় (ফরজ) কাজ। এটি আল্লাহর ইবাদতের ভিত্তি, যা ছাড়া নামাজ ও অন্যান্য আমল শুদ্ধ হয় না। সর্বোত্তম ব্যক্তি হলেন তিনি, যিনি নিজে কোরআন শেখেন ও অন্যকে শেখান (বুখারি: ৫০২৭)। এটি ঈমান মজবুত করে ও সঠিক পথে চলার দিশা দেয়।
সহীহ-শুদ্ধভাবে কোরআন শিক্ষার গুরুত্বের মূল দিকসমূহ:
ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত: সালাত (নামাজ) সহীহ হওয়ার জন্য ক্বিরাআত (কোরআন তিলাওয়াত) শুদ্ধ হওয়া জরুরি। ভুল উচ্চারণে অর্থ বিকৃত হয়, যা নামাজ ভঙ্গের কারণ হতে পারে।
সর্বোত্তম আমল: নবী করিম (সা.) বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে কোরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়" (বুখারি)।
হেদায়েতের পথ: কোরআন সঠিক-ভুল, হালাল-হারাম এবং জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা দেয়।
অবহেলাকারী অপরাধী: জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সহীহ করে না শেখা, আল-কোরআনের প্রতি অবহেলা ও গর্হিত কাজ।
জ্ঞানীদের মর্যাদা: কোরআনের জ্ঞান অর্জনকারীদের আল্লাহ তাআলা উচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং সঠিক পথে চলার সামর্থ্য দেন।
সহীহ কোরআন তিলাওয়াত শিক্ষা করা শুধুমাত্র ধর্মীয় আবশ্যিকতাই নয়, বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) নির্দেশ পালনের শ্রেষ্ঠতম উপায়। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত দ্রুত কোনো অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে বা সঠিক পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত শুদ্ধ করে নেওয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.