06/05/2025
Scholarship for master’s degree in USA: Myth Vs Reality
মিথ:
"ম্যাক্সিমাম আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ দেয়, তাই মাস্টার্স করতে গেলে নিশ্চিন্তে স্কলারশিপ পাব।"
রিয়েলিটি:
এটা আংশিক সত্য। অধিকাংশ আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট (Bachelor's) স্টুডেন্টদের বেশি স্কলারশিপ অফার করে। কিন্তু মাস্টার্স লেভেলে স্কলারশিপ পাওয়া তুলনামূলকভাবে কোমন নয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই merit-based বা research assistantship ভিত্তিক হয়।
তবে যদি আপনি যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্স করতে চান এবং স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে চান, তাহলে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি:
১. CGPA
অনেক স্কলারশিপপ্রাপ্ত মাস্টার্স স্টুডেন্টের প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের অধিকাংশের CGPA ছিল ৩.৫ বা তার বেশি (৪.০ স্কেলে)।
এটা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভালো CGPA থাকলে স্কলারশিপ বা অ্যাসিস্ট্যানশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
২. Subject Selection:
সব বিষয়ে সমানভাবে স্কলারশিপ পাওয়া যায় না।
স্কলারশিপ পাওয়া কঠিন এমন কিছু সাবজেক্টের উদাহরণ:
• Business Analytics
• Data Analytics
• Supply Chain Management
• Cyber Security
• Masters in Public Health (MPH)
এই বিষয়গুলো সাধারণত পেশাগত ডিগ্রি (Professional Degree) হিসেবে অফার করা হয় এবং এসব ক্ষেত্রে স্কলারশিপের পরিমাণ খুবই সীমিত।
স্কলারশিপ পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ যেসব বিষয়ের ক্ষেত্রে:
• Pure Sciences (যেমন: Physics, Chemistry)
• Environmental Studies
• Education-related Subjects
এই ধরনের বিষয়ে গবেষণা তহবিল (research funding) বেশি থাকে বলে স্কলারশিপের সুযোগও বেশি।
৩. Research Experience, Teaching Experience and Job Experience:
অনেক বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের Research Assistant (RA) বা Teaching Assistant (TA) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকে। এতে পুরো টিউশন ফি মাফ হয়ে যায় এবং মাসিক ভাতা বা স্টাইপেন্ড পাওয়া যায়। সাধারণত এর বিনিময়ে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে হয়।
এই সুযোগ পাওয়ার জন্য যেসব দিক গুরুত্বপূর্ণ:
• IELTS Writing স্কোর ৬.৫ বা তার বেশি
• IELTS Speaking স্কোর ৭.০ বা তার বেশি
• গবেষণা অভিজ্ঞতা, শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা বা প্রাসঙ্গিক চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়
৪. University Selection:
শুধু নামকরা বা উচ্চ র্যাঙ্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে স্কলারশিপ পাওয়া কঠিন হতে পারে। এই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি এবং ফান্ডেড পজিশনও সীমিত।
অন্যদিকে, অনেক ছোট বা মধ্যম মানের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক অ্যাসিস্ট্যানশিপ বা আংশিক স্কলারশিপ দিয়ে থাকে।
তাই বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করার সময় শুধু র্যাঙ্ক নয়, স্কলারশিপ ও ফান্ডিং সুযোগ বিবেচনা করা জরুরি।স্কলারশিপ বা অ্যাসিস্ট্যানশিপ পাওয়া কেবল CGPA নির্ভর নয়। বিষয় নির্বাচন, অভিজ্ঞতা, ইংরেজি দক্ষতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন—সব মিলিয়ে সঠিক পরিকল্পনা করলে যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্সে স্কলারশিপ পাওয়াটা সম্ভব।