নানারকম ব্যক্তিগত সমস্যা ও ব্যস্ততার কারণে গ্রুপে সময় দিতে পারিনা বলে দুুঃখিত ও সেই সাথে সকলের নিকট ক্ষমাপ্রার্থি, হয়ত এর মধ্যেই আপনাদের জন্য মঙ্গল ছিল, তবুও চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ মাঝে মাঝে সময় দিতে ইনশা আল্লাহ,
স্বপ্নকে কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না, তবে বিয়ে, কোথাও ভ্রমণ, সফর বা বেড়াতে যাওয়া, কোন দামী জিনিস কিনতে যাওয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন ঘটনার আগে দিয়ে যে স্বপ্নগুলো দেখবেন সেই স্বপ্নগুলো অবশ্যই গুরুত্বসহকারে নিবেন, কারণ আপনার এই বড় সিদ্ধান্তগুলো গ্রহনের পূর্বমুহুর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা নিজে দয়া করে আপনাকে সতর্কতামূলক ইংগিত দিয়ে থাকেন যাতে আপনি সতর্কতা অবলম্বন করেন
Meanings of Dreams - স্বপ্নের ব্যাখ্যা
Everybody see dreams. What is the meanings of your dreams? Yes, now you are in a right place where you will get a explanation or meaning of your dreams.
স্বপ্নটি দেখেছেনঃ
এইচএস হানিফ
স্বপ্নঃ
আসসালামু আলাইকুম
আমি ফজরের 1 ঘন্টা আগে (বা তার বেশি কম) একটি সপ্ন দেখি তার ব্যাথ্যা জানতে এই গ্রুপে এড হওয়া
ফ্রি ফায়ারে নতুন আপডেটের পর নামের পাশে ইলুমিনাতি যোগ করেছে। তাই ইসলাম প্রেমি রা ফ্রিফায়ার ডিলিট করতে বলছে। আমি কিছুদিন পর ডিলিট করব এটা বলে বলে খেলছিলাম। ডিলিট করতে পারছি না।
এইবার স্বপ্নের ব্যাপারে আসি। কাল রাতে স্বপ্নে দেখি পৃথিবির সবচেয়ে বড় ফ্রি ফায়ার এর ইউটিউবার যার ভিডিও দেখে আমরা খেলাটার প্রতি আসক্ত হই উৎসাহ পাই তার শরীরে আগুন ধরে গিয়েছে সে পুড়ে যাচ্ছে এটা দেখে তার অসংখ্যা ভক্ত রা মাটিতে শুয়ে/কেউ গড়িয়ে গড়িয়ে কেউ মাটিতে আঘেত করে করে কান্না করছে মনে হয় যেনো তাদের মা মারা গিয়েছে এইভাবে কান্না করছে। তখন আগুন গুলো ইউটিউবার এর শরীর থেকে ছড়িয়ে সামনের দিকে এসে সকল ভক্ত যারা কান্না করছিলো তাদের শরীরে লেগে যায়। তারপর আমি একদম কাছ থেকে তাদের মুখ দেখি ঠিক যেভাবে মোবাইলে কারো ফটো জুম করে দেখি সেইভাবে। তাদের মুখ আগুনে গলে গিয়ে মাংস গুলো গলে নিচে পড়ে গিয়েছে হাড্ডি গুলো দেখা যাচ্ছিলো তারপর হাড় গুলাও পুড়ে কালো হয়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। এরপর ঘুম ভেঙে যায় আমি সাথে সাথে ফ্রি ফায়ার ডিলিট করে দিয়েছি।
স্বপ্নব্যাখ্যা গ্রুপের পক্ষ থেকে প্রদত্ত ব্যাখ্যাঃ-
ওয়া 'আলাই কুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লহ্, মোবারকবাদ আপনাকে, ভাই আপনাকে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে
আল্লাহ আপনাকে কবুল করুন আমীন
যেসব বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা আমাদের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে সহজে এর ভালমন্দ সম্পর্কে বুঝে উঠতে পারিনা সেগুলো সম্পর্কে ইস্তিখারা স্বলাতের মাধ্যমে আগানো উত্তম, এতে আল্লাহ চাইলে স্বপ্ন বা বাস্তবে অন্যকোন উপায়ে ভাল মন্দের ইংগিত দিয়ে থাকেন বা মন্দ থেকে রক্ষা করেন, আবার কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো আল্লাহ ইস্তেখারা স্বলাত ছাড়াই মানুষকে সরাসরি ভালমন্দের ইংগিত দিয়ে থাকেন, কতগুলো বিষয় আছে তা মহান আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক মানুষকে জানিয়ে দিতে চান যাতে মানুষ সতর্ক হয়, এই স্বপ্নটি তারই একটা উদাহরণ, এই স্বপ্নটি শুধু আপনার বেলায়ই নয় লাখো মানুষের জন্য হেদায়েতের পাথেয় হবে ইনশা আল্লাহ, এই স্বপ্নটিতে রয়েছে, আগুনের শাস্তি, আজাব, রক্ত মাংশ হাড্ডি আগুনে গলে জ্বলসে যাওয়া, পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া এসবই জাহান্নামের শাস্তির বিবরণের সাথে মিলে যায় যা মোটেও ভাল বা শুভ অর্থে দেখার কোন সুযোগ নেই, পবিত্র ক্বোরআন ও হাদীসে বর্ণিত জাহান্নামীদের যেসব শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছে তার কিছু চিত্রের সাথে এই স্বপ্নে দেখানো শাস্তির কিছু মিল পাওয়া যায়, আর এই রুপ শাস্তি ফ্রিফায়ার গেমারদের সাথে হতে দেখায় বুঝা যায় এদের পরিণতি কেমন হতে পারে, এ জাতীয় স্বপ্নের সরাসরি অর্থে এটা দ্বারা মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে, যাতে মানুষ আল্লাহর শাস্তির ভয় করে এগুলো থেকে দূরে থাকে, আর স্বপ্নটা যদিও শরীয়তের দলিল নয় তবুও মানুষকে আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যখন যা দরকার তা সম্পর্কে মানুষকে ভাল মন্দের ইংগিত প্রধান করে থাকেন, সুতরাং এখনো যারা এইসব গেইমসে নিজেদের মহামূল্যবান সময় ব্যয় করে ফেলতেছেন তারা এখনি তওবা করে নিজেকে শুধরে নিন আর ওইসব ফ্রিফায়ার/পাবজী টাইপস গেইমস গুলো নিজেদের ডিভাইস থেকে ডিলেট/রিমুভ/আন-ইনস্টল করে দিন, অন্যদেরকেও সতর্ক করে দিন, বেশি বেশি মানুষকে শেয়ার করে জানিয়ে দিন যাতে বাকীরাও এসব থেকে দূরে থাকে, আশা করা যায় আল্লাহ আপনাদেরকে নিজেকে ও অন্যদেরকে মন্দথেকে ফিরাতে চেষ্টা করায় ক্ষমা করে দেবেন ইনশা আল্লাহ, আল্লাহ আমাদের এইসব গেইম খেলা থেকে বিরত রাখুন ও এই ক্ষুদ্র দাওয়াতকে কবুল করুন আমীন
নতুন নতুন আপডেট এবং আপনার স্বপ্নের ব্যাখ্যা পেতে নিচের পেইজে ফলো দিয়ে গ্রুপে জয়েন হোন
https://www.facebook.com/DreamExplanationBD
Meanings of Dreams - স্বপ্নের ব্যাখ্যা Everybody see dreams. What is the meanings of your dreams? Yes, now you are in a right place where you will get a explanation or meaning of your dreams.
জলপথে সবাইকে সতর্কতার সাথে চলাচলের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে, আগের মত গত রাতেও আমাকে একটি দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা জলযান ডুবির ইংগিত বহন করে, আমি এর ব্যাখ্যা করি আর না করি, কাউকে বলি আর না বলি, তা মূল ঘটনার কিছু যায় আসেনা, যা ঘটার তা অতীতে ঘটতে দেখেছি, আল্লাহ যা চাইবেন তা-ই সামনে ঘটবে, আমাকে দেখানোর ভিত্তিতে আমার কাজ সবাইকে শুধু সতর্ক করা, সুতরাং যারা জলপথে চলাচল করি তারা যেন বেশি বেশি দোয়া, ইস্তেগফার, শান্তি ও নিরাপত্তা চেয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি, আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বত্র নিরাপদে রাখুন আমীন
স্বপ্নে বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে দেখার মানে কি ?
সাধারণভাবে স্বপ্নে কিছু খেতে দেখা এগুলো সাধারণত দুষ্ট জিন কর্তৃক জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত বুঝায়, কখনো বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত বোঝায়, কখনো জাদুকররা চালান জিনের মাধ্যমে স্বপ্নে খাবারের মাধ্যমে জাদু প্রবেশ করিয়ে রোগীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, এরকম অবস্থায় এজাতীয় স্বপ্নগুলো দ্বারা বুঝা যায় রোগীর আক্রান্ত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে যাতে সে প্রয়োজনে সর্তকতা অবলম্বন করতে পারে, আর যদি আক্রান্ত হয়ে থাকে উপযুক্ত রুকিয়ার মাধ্যমে যেন তার চিকিৎসা করায়,
এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায় আক্রান্ত রোগীর শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তিভাব, বমি বমি ভাব, কখনো শরীরের এক বা একাধিক অংশে দাগ দেখা যায় ইত্যাদি অস্বাভাবিক লক্ষণ ঘুম থেকে ওঠার পর প্রকাশ পেতে দেখা যায়,
সাধারণভাবে যদি কেউ সকাল-সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে আয়াতুল কুরসি ও চার কুল পাঠ করা সহ অন্যান্য মাসনুন দোয়া পাঠ করে তবে আশা করা যায় মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সব ধরনের যাদু টোনা বদ নজর থেকে নিরাপদে থাকবে ইনশাআল্লাহ
গ্রুপেরই একজনের দেখা স্বপ্ন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, তার ভাষাতেই লিখছি,
২০২০ সালের সেপ্টেম্বারের কোন এক সকালে মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে স্বপ্নে রসূল (সঃ) এর সাথে সাক্ষাতের মহা সৌভাগ্য দান করেন, আলহামদুলিল্লাহ, কৌতূহলভরে আমি নবীজিকে জিজ্ঞেস করি, আচ্ছা জান্নাতে কি জন্মদিন পালন করা হবে, তিঁনি মুচকি হেসে উত্তরে বললেন হ্যাঁ, তখন আমার অন্তরে জাগ্রত হল যে, সেখানে সবার জন্মদিনই পালিত হবে, সুবহানাল্লহ,,
ঘুম থেকে উঠে আমি অবাক হয়ে যাই, হঠাৎ এমন স্বপ্ন কেন দেখানো হল কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না, অথচ আমি এ বিষয়ে কোন চিন্তাভাবনা করেও ঘুমাইনি,,,, অতঃপর সময় গড়াতে গড়াতে হঠাৎ আমার ২০১৯ সালের একটি নিয়তের কথা মনে পড়ে যায়, আর তা হলঃ "একদল লোক ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) কে বিদাত বলে, ব্যাপারটা আসলে কি সেটা আমি দেখব, আল্লাহ বাঁচাইলে আমি ২০২০ সালে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) পালন করব ইনশা আল্লাহ"
আর আমি তাড়াতাড়ি ক্যালেন্ডার ঘাটিয়ে জানতে পারি যে ২০২০ সালে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) আসতে মাত্র কয়েক সপ্তাহই বাকী আছে, আর ব্যাপারটা এই বছর (২০২০ সালে) আমি সম্পূর্ণই ভুলে গিয়েছিলাম আর এই স্বপ্নটা দেখার পর তা পুনরায় স্মরণে এসে যায়, অতঃপর গত বছর (২০২০ সালে) আমরা ফ্যামিলি গত ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন করি আলহামদুলিল্লাহ,
ইনশা আল্লাহ এই বছরও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) পালন করব,
স্বপ্নটি এবং এর সাথে বর্ণিত ঘটনাটি ভাল লাগলে শেয়ার করবেন, আপনারাও রসূল (সঃ) কে নিয়ে দেখা স্বপ্নের বিবরণি গ্রুপের ইনবক্সে সেন্ড করুন, পেইজে আপনার স্বপ্নের বর্ণনার সাথে আপনার নাম প্রকাশ করা হবে, নাকি হবে না, সেটাও বলে দিবেন ইনশা-আল্লাহ,
জাযাকাল্লহু খইরা
07/10/2021
যে ওষুধের কথা কোনো ডাক্তার কখনও বলে না!
ইমাম আল-হাকিম আন-নিশাপূরী (রাহিমাহুল্লাহ) ছিলেন একজন বড়ো মুহাদ্দিস। একবার তাঁর মারাত্মক একটি অসুখ হয়েছিলো। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা করেও কোনো সুফল পাচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত নিরুপায় হয়ে একদিন ইমাম আবু উসমান আস-সাবুনীকে (রহঃ) অনুরোধ করেন তাঁর জন্য জুমুয়ার দিন দু’আ করতে।
ইমাম আবু উসমান আস-সাবুনী (রহঃ) জুমু’আর দিন ইমাম আল-হাকিমের (রহঃ) জন্য দু’আ করেন। উপস্থিত মুসল্লিরা সবাই ‘আমিন-আমিন’ বলে।
পরের সপ্তাহে একজন মহিলা একটি চিঠি নিয়ে উপস্থিত হোন। তিনি আগের সপ্তাহে ঐ দু’আয় উপস্থিত ছিলেন। তিনিও আল-হাকিমের (রহঃ) জন্য দু’আ করেছিলেন। ঐ রাতেই তিনি স্বপ্নে রসূলুল্লাহ (ছল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখেন! রাসূলুল্লাহ (ছল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেন,
“আল-হাকিমকে গিয়ে বলো, মুসলিমদের মধ্যে পানি সরবরাহ করতে।”
মহিলা স্বপ্নের কথা আল-হাকিম (রহঃ)কে লিখে দেন। আল-হাকিম (রহঃ) আর দেরী করলেন না। তিনি তৎক্ষণাৎ পানি সংগ্রহ করে মুসলিমদের মধ্যে ফ্রি-তে বিতরণ করেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এই ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন, তাঁর অসুখ একেবারেই কমে যায়!
কোন এমন ওষুধ আল-হাকিমের (রহঃ) অসুখ কমালো? সেটা হলো- সাদকা।
শায়খ আলী জাবের আল-ফীফী (হাফিজাহুল্লাহ) তাঁর বিখ্যাত বই ‘লি আন্নাকাল্লাহ’ (বাংলায় যা ‘তিনিই আমার রব’ নামে অনূদিত) –তে একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন।
তাঁর এক বন্ধুর গাড়ির নিচে এক ছেলে চাপা পড়ে। সে গাড়িটি থামিয়ে ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে ছেলেটির বাবা ও দাদা উপস্থিত হোন। ডাক্তাররা জানায়, ছেলেটির বাঁচার সম্ভাবনা মাত্র ২০%। তিনি মনে মনে বেশ ব্যথিত হোন এই ভেবে যে, তাঁর জন্য একটি ছেলে মারা যাবে!
তিনি তাঁর পরিচিত একজন শায়খকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেন, এখন কী করা যায়? সেই শায়খ বলেন,
“ছেলেটির সুস্থতা কামনা করে একটি পশু কুরবানি দাও।”
তিনি তাই করলেন। সপ্তাহখানেক পর তিনি যখন ছেলেকে দেখতে যান, দেখতে পেলেন ছেলেটি সুস্থ হয়ে গেছে! আলহামদুলিল্লাহ
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) বলেন:
“বিপদের সময় সাদকার প্রভাব এতো বেশি যে, সেটা কল্পনার বাইরে। এমনকি কোনো ফাসিক, যালিম কিংবা কাফিরকেও সাদকা করা হয়, সেটা থেকেও ফল পাওয়া যায়।”
ইমাম আন-নববী (রহঃ) বলেন,
“যখন ওষুধ কোনো কাজ করতে পারে না, তখন সাদকা তার কার্যকারিতা শুরু করে দেয়। ওষুধ দ্বারা যে রোগের আরোগ্য হয় না, সাদকার মাধ্যমে অনেক সময় দেখা গেছে সেই রোগের আরোগ্য হয়। যাদের বুঝ আছে, তারা এই বিষয়টি অস্বীকার করেন না।”
সাদকা বিপদ দূর করে, পরিস্থিতি সহজ-স্বাভাবিক করে, মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। আপনি যেকোনো সমস্যায় ভুগেন না কেনো, সাদকা করুন। সাদকার জন্য আলাদা একটি এমাউন্ট বরাদ্দ রাখুন।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:
“রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন সবচেয়ে বেশি দানশীল। রামাদ্বান মাসে তিনি অধিক দানশীল হতেন। তিনি রহমতের বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল ছিলেন।” [সহীহ বুখারী: ৬]
হাদীসে আছে দোয়া এবং সদকা ব্যতীত আর কোন কিছুই ভাগ্যকে পরিবর্তন করতে পারে না
সুতরাং আসুন আমরা বেশি বেশি দান সদকা ও দোয়ার মাধ্যমে আমাদের সকল সমস্যার সমাধান করে নেই, মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই তৌফিক দান করুন, আমীন
©
* হযরত সােলাইম ইবনে ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি হামযা বিন হাবীব। যাইয়াত (রহঃ) এর নিকট পৌছে তাকে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতে দেখলাম।
আমি বললাম, আল্লাহর পানাহ, কেন আপনি এভাবে কাদতেছেন?
তিনি বললেন, দিবাগত রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, কিয়ামত কায়েম হয়েছে এবং কোরআনের ক্বারীগণকে ডাকা হয়েছে এবং উপস্থিত লােকদের মধ্যে আমিও একজন।
আমি একজন ঘােষণাকারীকে খুবই মিষ্টি সুরে ঘােষণা করতে শুনতে পেলাম, কেবলমাত্র তারাই প্রবেশ করতে পারবে, যারা কোরআনের উপর আমল করেছে।”
এটা শুনে আমি পিছন দিকে থাকলাম। গায়েব হতে আওয়াজ এল । হামযা বিন হাবীব যাইয়্যাত কোথায়? আমি বললাম, লাব্বাইক, হে আল্লাহর দায়ী লাব্বাইক (হাজির)।
একজন ফেরেশতা দ্রুত আমার নিকট এসে বলল, এভাবে বল, লাব্বাইকা, আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা, ফেরেশতা যেভাবে বলল, আমিও সেভাবেই বললাম।
অতঃপর আমি একটি ঘরে প্রবেশ করলাম, সেখানে ক্বারীদের গুণগুণ আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে থেমে গেলাম এবং একজন লােককে বলতে শুনতে পেলাম, ভয়ের কোন কারণ নেই, পড় এবং উপরে উঠিতে থাক। আমি উপরে উঠতে থাকলাম। হঠাৎ আমি নিচের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম যে, আমি একটি সাদা মতির মিম্বারে বসা আছি, যার একটি সিঁড়ি লাল ইয়াকুত পাথরের এবং অপরটি সবুজ জমরূদ পাথরের ।
আমাকে বলা হল, পড় এবং উপরে চড়, আমি উপরে চড়লাম। আমাকে আর বলা হল, সূরা আল আন'আম পড়। আমি পড়লাম, তবে আমি বুঝতে পারছিলাম না কাকে আমি শুনাচ্ছিলাম। এমনকি আমি ষাটটি আয়াত পড়িয়া -- ............. পর্যন্ত পৌছিলাম। তিনি বললেন, হে হামযা! আমি কি বান্দাহদের উপর প্রতাপশালী নই? আমি বললাম, হ্যা, অবশ্যই ।
তিনি বললেন, সত্যই বলেছ। তুমি পড়,
আমি সূরা আল আরাফ পড়তে লাগলাম এমনকি শেষ পর্যন্ত পৌছিয়া সিজদার জন্য ঝুকতে মনস্থ করলাম। আমাকে বলা হল, থাম, থাম, তুমি পড়া চালু রাখ, কিন্তু সিজদা করাে না। হে হামযা, তােমাকে এ ক্বিরা'আত কে শিখিয়েছে?
আমি বললাম, সােলায়মান।
তিনি বললেন, ঠিকই পড়াইয়াছে,
আবার জিজ্ঞেস করলেন, সােলায়মানকে কে পড়াইয়াছে ?
আমি বললাম, ইয়াহইয়া,
তিনি বললেন, ইয়াহইয়াও ঠিকই পড়াইয়াছে।
জিজ্ঞেস করলেন, ইয়াহইয়া কার নিকট পড়িয়াছে? আমি বললাম, আবু আবদির রহমান এর নিকট।
তিনি বললেন, আবু আবদির রহমান কার নিকট পড়িয়াছে?
আমি বললাম, রাসূলের চাচাতাে ভাই হযরত আলী (রাঃ)এর নিকট।
তিনি বললেন, আলী-ঠিকই বলেছে।
তিনি বললেন, আলী (রাঃ)-কে কে পড়াইয়াছে?
আমি বললাম, আপনার প্রিয় রাসূল (সাঃ)।
তিনি বললেন, আমার নবী ঠিকই বলেছেন,
তবে আমার নবীকে কে পড়াইয়াছে?
আমি বললাম, হযরত জিবরাঈল (আঃ)।
জিজ্ঞেস করলেন, জিবরাঈলকে কে পড়াইয়াছে?
আমি তখন চুপ করে থাকলাম।
তিনি বললেন, হে হামযা, তুমি বল, আপনি।
আমি বললাম, আমি তাে ভালভাবে বলতে পারছি না। তিনি বলেন, বল আপনি।
আমি বললাম 'আপনি'।
তিনি বলেন, হে হামযা, সত্যই বলেছ।
হে হামযা, কোরআন ওয়ালাদের হক, বিশেষ করে যখন তারা কোরআনের উপর আমল করবে-অশেষ বা অপরিসীম রয়েছে। হে হামযা, কোরআন আমার কথা বা কালাম। কোরআন ওয়ালাদের মত আমি আর কাউকে ভালবাসি না।
হে হামযা, আমার নিকট আস।
আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম।
মহান আল্লাহ্ তাআলা তাঁর কুদরতী হাত অতি মূল্যবান খুশবুতে ডুবালেন এবং আমার শরীরে মেখে দিলেন। অতঃপর বললেন, হে হামযা, শুধুমাত্র তােমার সাথেই আমার এ আচরণ সীমাবদ্ধ নয়, বরং যারাই তােমার সাথে কমবেশী সামঞ্জস্য রাখবে এবং যারাই তােমার তেলাওয়াতের অনুরূপ তেলাওয়াত করবে এবং শুধুমাত্র আমারই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্য রাখবে, তাদের জন্য আমি প্রচুর নিয়ামত গােপন রেখেছি। অতএব কোরআন ওয়ালাদেরকে আমি যে রকম মহব্বত করি, ভালবাসি, তা তুমি বন্ধুবান্ধবকে জানিয়ে দাও, কোরআন ওয়ালারাই হল সর্বশ্রেষ্ঠ ।
হে হামযা, আমার ইজ্জত, শান-সম্মান ও বুজুর্গির কসম, যে অন্তরে কোরআন মুখস্থ রয়েছে, যে জিহ্বা কোরআন তেলাওয়াত করেছে, যে কান কোরআনের তেলাওয়াত শুনেছে, যে চোখ কোরআন দেখেছে, আমি কখনও তাদেরকে আগুনের জাহান্নামের আযাব বা শাস্তি দিব না। আমি বললাম, ‘সােবহানাকা ইয়া রাব্বি।
তিনি বললেন, হে হামযা, কোরআনের তেলাওয়াত-কারী হাফেজরা কোথায়? আমি তাদের অপেক্ষায় আছি। যতক্ষণ না কিয়ামতের দিন তারা আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে। আর যখন তারা আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে, প্রতিটি আয়াতের বিনিময়ে আমি তাদের একটি করে দরজা, মানমর্যাদা বাড়িয়ে দেব।
এরপরও কি তােমরা আমাকে তিরস্কার করবে, কেন আমি কান্নাকাটি করি? কেন আমি মাটিতে গড়াগড়ি দেই।
সুবহানাল্লহ, এটি একটি মোবারক স্বপ্ন, এই স্বপ্ন টিতে ক্বোরআন মুখাস্তকারী, তিলাওয়াতকারী, শিক্ষাদানকারী, কোরআনের সাথে মোহাব্বত কারী, ক্বোরানের উপর আমল কারী সকলের জন্য রয়েছে সুসংবাদ, তাই আসুন আমরা সবাই আল কুরআনের সাথে সম্পর্ক করি, বেশি বেশি তেলাওয়াত করি, এর উপর আমল করি, আল কুরআন মুখস্ত করি, এর প্রচার প্রসারে আত্মনিয়োগ করি,
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন
* এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে মৃত্যুর পর স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করল, তােমার রব তােমার সাথে কি আচরণ করেছে? সে বলল, আমার কথা আর জিজ্ঞেস করাে না। কেননা, আমি একদিন ফরজ গােসল করতে সক্ষম হই নাই বা এর গুরুত্ব দেই নাই। যাহার কারণে আমাকে একটি আগুনের কাপড় পরাইয়া দিয়াছেন। কিয়ামত পর্যন্ত আমাকে তা নিয়ে গড়াগড়ি দিতে হবে।
* মৃত্যুর পর এক ব্যক্তিকে স্বপ্নে জিজ্ঞেস করা হল, হে ভাই! তােমার আল্লাহ্ তােমার সাথে কি আচরণ করেছেন? তিনি বললেন, বিনা অজুতে একদিন নামাযে দাঁড়িয়েছিলাম, যার ফলে আল্লাহ্ তাআলা আমার উপর বাঘ নিযুক্ত করে দিয়েছেন। সে আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। আর বাঘের সঙ্গে আমি এই কঠিন দূরাবস্থায় দিন কাটাছি।
হযরত ওমর (রাঃ) এক ব্যক্তিকে শামের গভর্নর নিযুক্ত করলেন। তিনি মক্কা হতে শামের দিকে রওয়ানা হলেন। পথিমধ্যে স্বপ্নে দেখতে পেলেন যে, চন্দ্র-সূর্যের মধ্যে যুদ্ধ হচ্ছে এবং কিছু তারকা চন্দ্রের সাথে এবং কিছু তারকা সূর্যের সঙ্গে যােগ দিয়েছে এবং তিনি নিজেও একটি তারকায় পরিণত হয়েছেন। স্বপ্নের ঘটনা বর্ণনা করার জন্য তিনি ওখান থেকে ফিরে আসলেন। হযরত ওমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি ফিরে এসেছ কেন? তিনি বললেন, হে আমীরুণ মুমেনীন! একটি স্বপ্ন দেখেছি, যা বর্ণনা করার জন্য ফিরে এসেছি। এ বলে তিনি স্বপ্নের ঘটনা বর্ণনা করলেন। হযরত ওমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি চন্দ্রের সাথে ছিলে না সূর্যের সাথে? তিনি বললেন, চন্দ্রের সাথে। হযরত ওমর (রাঃ) বললেন, যাও, তুমি আর কখনও সরকারী কোন কাজ করতে পারবে না । লােকটি চলে গেলে হযরত ওমর (রাঃ) সঙ্গীদেরকে বললেন, যদি তার স্বপ্ন সত্য হয়, তবে সে এমন কোন লােকদের পক্ষে যুদ্ধ করবে যারা কখনও আমাদের উপর বিজয় লাভ করতে পারবে না।
মূলতঃ দেখা গেল, যখন সিফফিনের যুদ্ধ সংঘটিত হল, তখন লােকটি সিরিয়াবাসীদের পক্ষ অবলম্বন করে যুদ্ধ করেছিল এবং নিহত হয়েছিল।
তোমাদের কারোর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে এবং সে ধন –সম্পত্তি ত্যাগ করে যেতে থাকলে পিতামাতা ও আত্মীয় স্বজনদের জন্য প্রচলিত ন্যায়নীতি অনুযায়ী অসিয়ত করে যাওয়াকে তার জন্য ফরয করা হয়েছে, মুত্তাকীদের জন্য এটা একটা অধিকার।
সূরা বাক্বরাহ -১৮০
09/05/2021
ভারতের ৭০ কোটি হিন্দুর ভগবান ড. শিবশক্তি। হিদায়াতের নূর দ্বারা আলোকিত হয়ে পৃথিবীর সেরা আলোকিত মানুষে পরিণত হলেন ড. শিবশক্তি। তার ইসলাম গ্রহণের এ ঘটনায় সারা বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিল। সারা দুনিয়ার স্বনামধন্য সব মিডিয়া তা গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছিল। তার ইসলাম গ্রহণের কাহিনী যেকোন সত্যান্বেষী ও সত্যপ্রিয় মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। ড. শিবশক্তি স্বরুপজীর বদলে যাওয়া জীবনের ঈর্ষণীয় সে উপাখ্যান , চলুন, শুনি সে স্বার্থক জীবনের অভূতপূর্ব কাহিনী।
১৯৮৬ সালের রমজান মাস। এ পবিত্র মাসেই ড. শিবশক্তি একটি স্বপ্ন দেখলেন। যে স্বপ্নটি তার জীবনকে পৌঁছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। স্বপ্নটির সারসংক্ষেপ এমন যে, তিনি স্বপ্ন দেখার এক পর্যায়ে ভয়ে হাপাচ্ছেন আর দৌঁড়াচ্ছেন। এমন সময় তিনি তার সামনে এক নূরানী চেহারার সীমাহীন ব্যক্তিত্ববান এক মানুষকে দেখতে পেলেন, যিনি তাকে ভয় নেই বলে আশ্বস্ত করলেন এবং তার পরিচয় পেশ করলেন ড. সাহেবের কাছে যে, আমিই শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সা.! সে স্বপ্নের মধ্যেই নবীজি সা. শিবশক্তিকে কালিমা পড়ার আহ্বান জানালেন এবং কালিমা স্বয়ং নিজেই পড়িয়ে দিলেন। এরপর থেকেই তিনি ইসলামকে মনে প্রাণে কবুল করে নিলেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে ড. ইসলামুল হক রাখলেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঠিক একই স্বপ্নটি তার বিদূষী স্ত্রী স্ত্রীমতি শ্রদ্ধাদেবীও দেখলেন, তিনিও কালিমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইসলামকে গ্রহণ করে খাদিজা হক নাম ধারণ করলেন। তাদের উচ্চশিক্ষিত গ্রাজুয়েট কন্যা শ্রীমতি অপরাজিতা দেবীও ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার নাম রাখা হলো আয়েশা হক। তাদের আরেক কন্যাও স্বামীসহ ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন পিতার কাছে। ড. সাহেব ভারতের বৃন্দাবনে জন্মগ্রহণ করেছেন। আর এ বৃন্দাবনেই হিন্দুদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম। হিন্দুসমাজ এ বৃন্দাবনকে তাদের পবিত্র তীর্থভূমি হিসেবে বিবেচনা করে। রাধা কৃষ্ণের লীলাভূমি নামেও এটি সারা পৃথিবীতে পরিচিত। ভারতের হিন্দুসমাজ মনে করত রাধা কৃষ্ণের এ লীলাভূমি বৃন্দাবনেই আরেক ভগবান জন্মগ্রহণ করে ‘শিবশক্তি’ নামধারণ করেছেন। হিন্দুসমাজের এমন পূজনীয় ভগবান সমতুল্য শিবশক্তির ইসলাম গ্রহণের এ ঘটনায় ভারতীয় হিন্দুসমাজ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। দুঃখে আর ক্ষোভে তাদের জ্ঞানীয় শক্তি লোভ পেয়ে যায়। ব্রাহ্মণবাদের পতাকাবাহী এক শ্রেণীর সাম্প্রদায়িক লোক ড. শিবশক্তির বিরুদ্ধে মিছিল বের করে তার ফাসির দাবিতে উস্কানিমূলক শ্লোগান দিতে থাকে। তারা ‘নব ভারত টাইমস’ ‘নব ভারত সমাচার’ প্রভৃতি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে নানা প্রতিবেদন প্রকাশ করতে থাকে।
ড. সাহেব সীমাহীন ধৈর্য আর সহিষ্ণুতার সাথে এ সমস্ত বিদ্বেষপূর্ণ প্রতিবেদনের জবাব দিয়েছেন তার লিখিত দুটি পুস্তক হিন্দি ভাষায় লিখিত ‘খোলাপত্র’ ও উর্দু ভাষায় লিখিত ‘লিজিয়ে আপ ভি সৌচিয়ে’ দ্বারা। অপরদিকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পৈতৃক আশ্রমের স্বর্ণসিংহাসনের মোহ ত্যাগ করে তিনি যখন ইসলামকে কবুল করেছেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই পৃথিবীর সচেতন মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ড. শিব শক্তি বলেন __ আজ আমি ইসলামের একজন দাঈ আলহামদুলিল্লাহ, আমার আল্লাহ আমাকে দয়া করেছে,না হয় আমি কখনো সঠিক পথ পেতাম না, আমার জীবন স্বার্থক।
Collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |