28/12/2021
Get your E-Commerce store for ✅ 8000 TK only.🔥
Dynamic, Fast, interactive and SEO friendly.
Packages starting from 8000 TK
Features Include:
✅ 1 Year FREE! .com Domain & Hosting
✅ Contact Form
✅ Online chat support
✅ SEO friendly
✅ Payment gateway integration
✅ Cash on delivery integration
And more…as u want
Contact us:
Phone: +880 1814 765 458
+880 1791 646 458
+880 1518 959 164
Email: [email protected]
Visit : https://levantwebhost.com/ecommerce-solution
04/08/2019
রিকশা থেকে নেমে ১০০ টাকার একটা নোট বাড়িয়ে দিলাম রিকশাওয়ালার দিকে।
রিকশা ভাড়া ৩৫ টাকা। আমার প্ল্যান ছিল আগামীকাল ঈদ ; তাই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে রিকশাওয়ালা'কে ৪০ টাকা দিবো।
১০০ টাকার নোট হাতে নিয়ে রিকশাওয়ালা পকেট খুঁজে ভাঙ্গতি টাকা পেলো না।
সে বলছে, ঘণ্টাখানেক আগে দুই জন মহিলা রিকশায় উঠেছিল। ১০০ টাকা ভাড়া হয়েছিল। আর, ঐ মহিলারা ৫০০ টাকার নোট দেয়াতে, ভাংগতি যা ছিল সব দিয়ে দিয়েছে।
আশেপাশে সব দোকান বন্ধ,আম্মা ঘুমিয়ে গেছে । তাই আম্মাকে ডেকে যে খুচরা ৪০ টাকা নিবো সেই উপায় নাই।
প্রায় ১০ মিনিট টাকা নিয়ে এদিক সেদিক খুঁজে কোন দোকান খোলা পেলাম না।
কি করবো চিন্তা করছিলাম।এর মধ্যে আমাকে অবাক করে দিয়ে রিকশাওয়ালা বললেন।
- মামা থাউক! রাইত মেলা হইছে। টাকা দেয়া লাগবে না। এখন রাত ১২ টা বাইজা গেছে। এইদিকে ভাঙ্গতি টেহা পামু না। আগামীকাল যেহেতু ঈদ ! তাই মনে করুম, আমি আর আমার মামা রিকশায় ঘুরতে গেছেলাম। কোন সমিস্যা নাই! আপনি যান।
আমি অবাক হয়ে রিকশাওয়ালার ( হারুন) দিকে তাকিয়ে আছি। ওর বয়স হবে আনুমানিক ১৭ থেকে ১৮ বছর। শরীর থেকে টপটপ করে ঘাম ঝরছে। এই রিকশা চালিয়ে যে টাকা পাবে, সেই টাকা দিয়ে আগামীকাল ঈদের সকালে তার বাসায় ভাত রান্না হবে। তারপরেও আমাকে এত রাতে 'দায় মুক্ত' করতে সে এক কেজি চালের দাম মাফ করে দিচ্ছে হাসি মুখে!
হাতের ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি বারোটা ৫ বাজে। আমি হারুন কে বললাম।
-মামা আমি তোমার সাথে কোলাকুলি করি?
একটু আগে ও যখন ভাড়ার টাকা মাফ করে দিবে বলছিল। আমি তখন যেভাবে অবাক হয়েছি। ঠিক সেভাবেই হারুন আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে!
হারুন বললো, মামা আমার শইলে ঘাম, কিভাবে কোলাকুলি করবেন?
এবার আমি ওর মত করেই বললাম...
_ আরে সমিস্যা নাই !
হারুন রিকশা নিয়ে চলে যাচ্ছে।ওর পকেটে আমি জোর করে একশো টাকার নোট'টা ঢুকিয়ে দিয়েছি। ৪০ টাকার ভাড়া ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েও আমার কাছে কোন আফসোস লাগছে না।
কারন এই একশো টাকার বিনিময়ে আমি হারুনের কাছে কোটি টাকার 'শিক্ষা' পেয়েছি। আর সেই শিক্ষাটা হচ্ছে...
"সবাইকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা♥
"সবার ঈদ ভালো কাটুক
"সুন্দর ও আনন্দময় হোক
["ঈদ মোবারক"]
12/06/2019
অবুঝ মনে ঠিকানা তুমি কি হবে ?
মুগ্ধ আমার প্রেমে জড়িয়ে রবে…
মুখে বলো না ,
কে তোমার অনুভবে ? এ ..
আমার চোখের মাঝে,
তুমি যে কালো স্বপ্ন ভুবন জুড়ে,
তোমারই আলো…
আমি তোমাকে বেসেছি কত ভালো
ও প্রিয় …
তুমি আমার , তুমি আমার,
এ সুখে হবে যে মরণ…
বেঁচে আছি এ পৃথিবীতে
একটাই তুমি যে কারণ ..
দুচোখে সাজানো ঘুম,
কেড়ে তো নিয়েছো,
রাতের মতো করে , কাছে রয়েছো….
এ মনে রেখেছো হাত,
কি যে মায়াতে,
সুখের অনুভূতি ছোঁয়াতে ছোঁয়াতে…
তুমি শুধু যে আমারই থেকো ও প্রিয় হো …
তুমি আমার , তুমি আমার,
এ সুখে হবে যে মরণ…
বেঁচে আছি এ পৃথিবীতে,
একটাই তুমি যে কারণ ..
অবুঝ মনে ঠিকানা তুমি কি হবে ?
মুগ্ধ আমার প্রেমে জড়িয়ে রবে মুখে বলো না ,
কে তোমার অনুভবে ? এ ..
তুমি আমার , তুমি আমার
এ সুখে হবে যে মরণ
বেঁচে আছি এ পৃথিবীতে একটাই তুমি যে কারণ ..
তুমি আমার , তুমি আমার
এ সুখে হবে যে মরণ –
বেঁচে আছি এ পৃথিবীতে একটাই তুমি যে কারণ ..
04/04/2019
কী এক অদ্ভুত মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশ।গতকাল বাজারে মাছ কিনতে গিয়েছিলাম।কেনার পর মাছ কাটতে গিয়ে এক ট্রাফিক পুলিশের সাথে দেখা।তিনি একটি বড় আকারের পাঙ্গাস নিয়ে দর-দাম করছেন কাটার জন্য।তবে তার শর্ত হচ্ছে মাছের চামড়া ফেলে দিতে হবে।আমি বিস্ময়স্বরে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই চামড়া ফেলতে হবে কেন?"। ছলছল দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন,ভাইরে স্বাধে কী আর করছি? বাসায় বউ,বাচ্চা এমন কী আমি ও পাঙ্গাস মাছ খাইনা।কি করুম অন্য মাছ দামে মিলাতে নাপেরে এটা নিলাম। বাসায় গিয়ে সবাইকে বলুম বোয়াল মাছ।ভাইরে আর পারছিনা,কেমন মধ্যম আয়ের দেশরে ভাই।আমি বললাম ভাই পুলিশের তো টাকার অভাবনাই, বললেন ভাই আমি হালাল ইনকাম দিয়ে চলি।প্রয়োজনে মাছ খামুনা তবুও ঘুষ খাবনা।তারপ্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা,ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে বিদায় নিলাম।ভাবতে লাগলাম সত্যি একেমন মধ্যম আয়ের দেশে আমরা বাস করি?যেদেশে এখন ও সন্তান কে বুঝ দেবার জন্য পাঙ্গাস মাছ কে বোয়াল মাছ বানাতে হয়! Copy post ❤️❤️ সব পুলিশ কি খারাফ যেমন দৃষ্টান্ত
স্যালুট স্যার ❤️❤️❤️
03/04/2019
হাসতে দেখ গাইতে দেখ
অনেক কথায় মুখর আমায় দেখ
দেখো না কেউ হাসি শেষে নীরবতা
হাসতে দেখ গাইতে দেখ
অনেক কথায় মুখর আমায় দেখ
দেখো না কেউ হাসি শেষে নীরবতা
বোঝে না কেউ তো চিনলো না
খোঁজে না আমার কি ব্যাথা
চেনার মত কেউ চিনলো না
এই আমাকে
বোঝে না কেউ তো চিনলো না
খোঁজে না আমার কি ব্যাথা
চেনার মত কেউ চিনলো না
এই আমাকে
আমার সুরের বুকে, কান্না লুকিয়ে থাকে
আমার চোখের কোনে, নোনা ছবি আকে
আমার গল্প শুনে, হয় আলোকিত উৎসব
গল্প শেষে আমি, আঁধারের মতো নীরব
নিজেকে ঢেলে আমি, কত সুখ দিলাম
বোঝে না কেউ তো চিনলো না
বোঝে না আমার কি ব্যাথা
চেনার মত কেউ চিনলো না
এই আমাকে
আমার গানে আঁকা, নির্ঘুম অনেক প্রহর
আমায় ছেড়ে জোনাকি, চেনে নিরব শহর
ডাকার কথা যাদের, ডাকেনি কেউ কাছে
নিঃসঙ্গ এই আমি, পুড়েছি মোমের আঁচে
আমার মাঝে আমি-ই, যেন শুধু লুকাই
বোঝে না কেউ তো চিনলো না
বোঝে না আমার কি ব্যাথা
চেনার মত…
03/04/2019
তিন বন্ধু মিলে সিঙ্গাপুরে বেড়াতে গেলেন । তারা সেখানে একটি হোটেলে উঠলো এবং রুম পেয়েছেন ৭৫ তলায় ।
তবে হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী,রাত ১২ টার পর লিফ্ট বন্ধ থাকে!
একদিন তারা ঘুরতে বের হল । কিন্তু তারা ফিরতে দেরি হয়ে গেল । হোটেলে এসে দেখে লিফ্ট অফ!
তারা চিন্তায় পড়ে গেলেন , কিভাবে ৭৫ তলায় হেঁটে উঠবে!
পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা উপরে উঠতে লাগল। তাদের মধ্যে একজন গল্প আরম্ভ করল!
তার গল্প শেষ হতে হতে তারা,২৫ তলায় পৌঁছাতে সক্ষম হলো !
এরপর আরেক জন
গানকরা আরম্ভ করল। গান শুনতে শুনতে দেখে ৫০ তলায় এসে গেছে !
এখন কি করা যায়?
তারপর তৃতীয় জন, গান , গল্প কিছুই পারেন না, তাই তার জীবনের ঘটে যাওয়া দুঃখ-কষ্ঠের কথা শুরু করলেন । তার সব ঘটনা যখন বলা শেষ হয়, তখন তারা ৭৫ তলায় গিয়ে পৌছে!
তারা যখন দরজা খুলতে গেল,দুর্ভাগ্য ক্রমে দেখা
গেল ,চাবিটা রিসেপশনে !
তবে এখনকি আর সম্ভব ! নিচে গিয়ে চাবি নিয়ে আসা?
এমনি ভাবে, আমরা যখন জীবনের তিনটি ধাপ পার করে, কবরে গিয়ে পৌছবো , যখন জান্নাতের সামনে গিয়ে দেখবো চাবিতো(নামাজ) দুনিয়ায় থেকে আনতে পারিনি , তখন কি আর দুনিয়ায় ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে?
তাই প্রতিদিন জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, জান্নাতের চাবিটা সাথে রাখার প্রয়োজন নয় কি ?
মহান রাব্বুল আল আমিন, আমাদের সবাইকে বুঝবার তৌফিক দান করুন, ( আমিন )
30/03/2019
মামা যাবা?
গত পরশু মালিবাগ বাস স্টান্ডে একজন ভাইকে পিক আপ করতে গিয়ে মাত্র দাঁড়ানোর সাথে সাথেই ২০/২২ বছর বয়সী এক ছেলে জিজ্ঞেস করে।
আমি উত্তরে কিছু বলার আগে হেলমেট খুলে প্রায় ৩০ সেকেন্ড ওর দিকে তাকিয়ে ছিলাম অপলক। তারপর বললাম- থাপড়ায়া রক্ত বাইর কইরা ফ্যালাবো কানের। কে রে তুই?
আমার তাকানো দেখে খানিক দ্বিধায় পড়লেও কথা শুনে ভয় পেয়ে যায় বাচ্চাটা। পরে বলে- সরি ভাইয়া, যাবেন কিনা সেটা জিজ্ঞেস করলাম।
যাইহোক, এই হচ্ছে আমাদের অবস্হা। আমরা কথা বলতে জানিনা। আগামাথা বুঝিনা। শুধুই চিল্লাই। এপস ছাড়া ভাড়ায় খাটা কামলা রাইডারের অভাব নাই। কিন্তু এটাও ঠিক যে অনেকেই আছে যারা এপস ছাড়া যায়না। সবাইকে একই ভেবে এভাবে ডাকে অনেকেই।
আমি গত ১ বছরেরও বেশি সময় প্রতিদিন বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং এপসে যাতায়াত করেছি। প্রতিদিন গড়ে ৪/৫ টা রাইড নিয়েছি। তখন রাইডারদের ব্যাপারে ভালো খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছে। এখন নিজে যখন বাইক কিনে ব্যক্তিগত কাজ শেষ করে দুয়েকটা রাইড শেয়ার করার কথা চিন্তা করছি তখন ইউজারদের বাজে টেন্ডেন্সি এটা বারবার মনে করায় যে উবার অন্তত বাংলাদেশের জন্য না। সবার জন্য তো একদমই না।
বলে রাখি, এ পর্যন্ত উবারে আমার রাইড শেয়ার সংখ্যা ১০৬ টি। এখন পর্যন্ত একজনকেও জিজ্ঞেস করিনি কোথায় যাবেন। আজকের কথা বলি। রাত ১০ঃ৫০ মিনিটের দিকে এপস অন করলাম একটা কল আসলো। আমি তখন শাহজাদপুর বাসস্টান্ড পার হচ্ছি। ইউজারের লোকেশন দেখাচ্ছে মধ্যবাড্ডা। আমি তার নাম্বারে কল দিচ্ছি। রিসিভ করেনা। ৩ বার কল দেয়ার পরে সে কেটে দিল। তারপরে রাইড ক্যান্সেল করে দিলো। আমি ততক্ষণে তার দেয়া লোকেশনে চলে গেছি।
আরেকদিন রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করে জিজ্ঞেস করলাম কোথায় আছেন। বলল- ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি গেটে। আমি বললাম আমিতো হাতিরঝিল থেকে বের হলাম। তাহলে ইউটার্ণ নিয়ে আসতে হবে। মিনিট তিনেক লাগবে। আপনি কি অপেক্ষা করবেন? বলল- হ্যাঁ আপনি আসেন। তখন রাত ১২ টা বাজে। আমি হাতিরঝিলের মাথা থেকে ঘুরে মধ্যবাড্ডার ইউলুপ হয়ে এতদূর ঘুরে গিয়ে দেখি ওখানে নেই। তারপর কল দিলাম। রিসিভ করেনা। কয়েকবার দেয়ার পরে সে কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেয়। আমি আবার রামপুরা ঘুরে আসি। অবশ্য তাকে একটা এসএমএস পাঠিয়েছিলাম পরে- শুয়োরের বাচ্চারাও ইদানীং উবারে রিকুয়েস্ট দেয়৷
কথা সেটা না। বলতে চাচ্ছি। আপনি কল দিয়ে যদি দেখেন আপনার লোকেশন ভুল দিয়েছেন তাহলে আবার দেন। যদি অন্য কোনো কাজ পরে যায় তাহলে বলেন যে আপনি যেতে পারছেন না। আমার তো একদিন এমন হইছিলো রিকুয়েষ্ট দিলাম যাত্রাবাড়ী যাবো। যে এক্সেপ্ট করলো তাকে দেখাচ্ছে আমার থেকে বেশ দূরে। আর সাথে সাথেই সামনে একটা রাইদা বাস পেয়ে যাই। পরে রিকুয়েস্ট ক্যান্সেল করে আমি নিজেই ফোন করে বলি, ভাইয়া আমি ক্যান্সেল করে দিয়েছি। অন্যভাবে যাচ্ছি।
হ্যাঁ। এটাও হতে পারে। আরো নানা রকম সমস্যা হতেই পারে। আপনি বলুন। অন্তত ফোন রিসিভ করুন। আপনার তো কোনো অধিকার নেই অযথা আরেকজন মানুষের ৫/১০ মিনিট নষ্ট করার৷ কাউকে অযথা হয়রানি করাটাও অভদ্রতা। এইটুকু বোধ না থাকলে উবার ব্যবহার করা উচিত না।
আজকের কথা বলি, ১১ঃ ৩৮ বাজে তখন রাত।একটা রিকুয়েস্ট আসলো। আমি তখন বাইক বাসায় ঢুকাবো বলে আমেরিকান সেন্টারের গেটে ঢুকব। ভাবছিলাম এত রাতে হয়তো আশেপাশেই হবে। এক্সেপ্ট করার পর উনি সরাসরি বললেন আমি যাবো কি না। বললাম কোথায় যাবেন? বললেন মিরপুর কাজী পাড়া।উনার কথা শুনেই বুঝছিলাম যে উনি হয়তো বিরক্ত। বললাম হ্যাঁ যাবো। আপনি কোথায় আছেন। বললেন নতুন বাজার। আমি ওখানে গিয়ে উনাকে নিয়ে কাজীপাড়া গেলাম। ২০ মিনিটের মধ্যেই যেতে পেরেছি। ওখানে গিয়ে উনি বললেন, ভাইয়া আপনার বাসা কি এইদিকে? বললাম- না, আপনার যেখানে পিক আপ করেছি তার অপজিটে। উনি অবাক হয়ে গেলেন। তাহলে যে আপনি আসলেন আমাকে নিয়ে। আপনার আগে ৫ জন এক্সেপ্ট করে ক্যান্সেল করে দিয়েছে। বললাম- আমি এখনো কাউকেই জিজ্ঞেস করিনি কোথায় যাবে। আর আপনার কথা বলার ধরণে বুঝেছিলাম অনেকে হয়তো আসতে চায়নি। আর তাছাড়া উবার তার এপ্স শুরু করে Start দিয়ে না, Go দিয়ে। যার অর্থ হচ্ছে আমি অনলাইন হওয়া মানে আমি যেকোনো লোকেশনে যেতে প্রস্তুত। আমি এটা মেনে চলি। তারপর সেই ভাই আমাকে বের হওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিলেন। অনেক খুশি হয়ে বারবার থ্যাংক ইউ ভাই, থ্যাংক ইউ ভাই বলতে লাগলেন। আমিও থ্যাংকস দিয়ে চলে আসলাম।
আমি ব্যক্তিগতভাবে উবারে রাইড শেয়ারটাকে একধরনের সেবা মনে করি। যেখানে কিছু বাড়তি ইনকামও করা যায়। এতরাতে একজন মানুষকে বাসায় ফেরার পেরেশানি থেকে মুক্তি দেয়ার এই যে খুশি এটাই বড় কথা।
আরেকটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করে শেষ করছি। সেদিন গুলশান ১ এর মোড়ে এসে মাত্র দাঁড়িয়েছি। রাত সাড়ে দশটার মত বাজে। তিন চারজন বাইকার দাঁড়ানো। দুয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে। ২২/২৩ বছর বয়সী একটা বোন এসে একজন বাইকারকে বললো, ভাইয়া আমাকে একটু দিয়ে আসবেন? আমার ফোন অফ হয়ে গেছে। গোড়ান যাবো। বাইকার ভাইটি না করে দিলো। বললো আকাশ খারাপ আমি মোহাম্মপুরের দিকে যাবো। এরপর আমাকে রিকুয়েস্ট করলো একইভাবে। গুলশান ১ থেকে আমিও বাসায় আসার জন্যই মনস্থ করেছি। এমতাবস্থায় এই রিকুয়েস্ট অগ্রাহ্য করার মতও সাহস হচ্ছিলনা। বললাম, আপু দ্রুত ওঠেন। উনি বললেন- কত টাকা আসে দেখেন আমি আপনাকে দিয়ে দিবো। আমি বললাম, টাকা দিতে হবেনা। আকাশ খারাপ দ্রুত ওঠেন আপনাকে নামিয়ে দিয়ে আসি। ক্ষণেক্ষণে বিদ্যুৎ চমকানো ও আকাশে মেঘের গর্জনে কয়েকবার থেমে গিয়েছিলাম। সত্যি বলতে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আবার ভাবছিলাম, আমার তো বাইক আছে আমি টান দিয়ে যেতে পারবো। এই মেয়েটা এমন বিপদের রাতে যাবে কিভাবে। পরে শেষমেশ তাকে নিয়ে বাসার সামনে দিয়ে আসি। আসার সময় আমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সমেত একটা ৫০০ টাকার নোট ধরিয়ে দেন। উনি অনেক জোর করে ২৫০ টাকা ফেরত দিতে পেরেছিলাম।
আমি বিশ্বাস করি এই বোনটি যতদিন বাইকে উঠবে বিশেষকরে খারাপ আবহাওয়ার রাতে ততদিন তার আমাকে মনে পড়বে। মন থেকেই আমার জন্য দোয়া করবে। জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া তো এটাই।
অনেক দীর্ঘ করে ফেললাম। এটাই আমার প্রথম পোস্ট এই গ্রুপে। এতদিন শুধু পড়েছি। ইউজারদের উদ্দেশ্য একটা কথা- প্লিজ আপনার পক্ষ থেকে আপনি সর্বোচ্চ ভালো আচরণটুকু করুন।
রাইডারদের উদ্দেশ্যে বলবো- রাইড শেয়ারিংকে শুধুই টাকা ইনকামের সোর্স হিসেবে দেখে পাক্কা ব্যবসায়ী বনে যাবেননা। মানুষের সুযোগ সুবিধা দেখুন। অযথা কাউকে হয়রানি করবেন না। মনে রাখবেন, আপনি চাইলেই একটা খারাপ দূর করতে পারবেন না। কিন্তু আপনি চাইলেই অসংখ্য ভালো কাজ করতে পারবেন।
শুভ রাত্রি।
শুভ হোক আমাদের পথচলা।
(Collected From a Uber Friend)
30/03/2019
Every woman has a past. Some were physically abused. Some had violent parents. Some had pubertal issues. Some had s*xual abuse as a child from their own family members. Some had messed up love stories. Some had been forced into s*x in the name of love. Some had been drugged. Some were date r***d. Some had been viciously photographed on bed. Some had been blackmailed by their ex-boyfriend. Some were in an abusive relationship. Some had menstrual problems. Some had a broken family. Some had a divorce. Some had an obesity issue. Some had financial droughts. Some had drug or alcohol addiction. Some had a few unsuccessful su***de attempts.
If you see a woman, who went through any of these but had already wiped her tears, tied her hair up, masked her sorrows with a divine smile, stood tall and strong, started walking towards her future because she still has some hope left inside her and has not given up on the concept of love that still exists in this world, do not stab her with her past. Do not confront her. Do not slap her with more abuse. Give way for her and walk beside her. May be hold her hands and walk for a while. You'll know how sweet that soul is and how strong her hopes are! You'll be amazed at how she carries herself after all her energy has been sucked out.
She need not always be only the woman next door or from a different home. She could be your own friend, your own sister, your own girlfriend, your own wife, even may be your own mother. Do not judge her by her past. Gift her the peaceful future that she deserves. Hold her hands against the world, which knows only to judge. Give her the love that she always yearned for!
28/03/2019
সমুদ্রের পানিতে সোয়েটার পরে লাফালে শীত কখনো কমবে না
অভিশাপ গায়ে মেখে ঘুরলেও আপনি টের পাবেন না ।
অভিশাপের শুরুটা নিয়ে ভাবতেছিলাম
আবিষ্কার করতে পারছি মানুষের রাগ থেকে ধীরে ধীরে কষ্টের পর অভিশাপের জন্ম হয়।
ব্যাপারটা পরিষ্কার করি ...
মানুষ যখন অন্য কাউকে দ্বারা প্রচণ্ড রকম কষ্ট পায়
যখন মানুষ নিজেকে অসহায় মনে করে
তখন মানুষ অভিশাপকে বেছে নেয়
অভিশাপ জিনিসটা অনেকটা সান্ত্বনা নেবার মতন
বলতে পারেন নিজেকে নিজে সান্ত্বনা দেয়া
মানুষ তার শেষ অস্ত্র হিসেবে অভিশাপ ব্যবহার করে
এমন কি বাবা মা ও তার সন্তানকে অভিশাপ দেন
যদিও এই অভিশাপটা দেবার পিছনে আমার কাছে একটা যুক্তি আছে
বৃদ্ধ বয়সে একজন মানুষ শক্তি সামর্থ্য ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন
সন্তানের উপর মা বাবার কন্ট্রোলটা থাকে না
তারা অসহায় হয়ে পড়েন
তখনি তারা সন্তানদেরকে অভিশাপ দেন
একটা গল্প বলি ...
আমাদের পাশের বাড়ির বাড়িওয়ালা ছিল দলে বলে আমাদের থেকে শক্তিশালী
প্রায় সময় কোন না কোন কারণ খুঁজত আমাদের সাথে ঝগড়া করার
তাদের সাথে আমাদের লাঠালাঠি ও হয়েছে অনেক বার
আমাদের কেউ কেউ বেশ কয়েকবার আহত ও হয়েছে
আমি তখন ছোট
আমার কিছুই করার ছিল না , আমি ছিলাম অসহায়
আমি তখন এই ভেবে অভিশাপ দিতাম যে
ঐ লোকগুলা যেন এক্সিডেন্ট করে মারা যায় অথবা
অনেক কঠিন অসুখ হয়ে ওরা যেন প্যরালাইসড হয়ে যায়
আমার কিছুই করার ছিল না
আমি আমার শেষ অস্ত্র ব্যবহার করেছিলাম
অভিশাপ সবার জন্য না
অভিশাপ সবাই দিতে পারে না
অভিশাপ অন্তরের দুর্বলতার প্রকাশ মাত্র
অভিশাপকে লালন করার কিছু নাই
সে আপন মনে চলতে থাকবে
আমি আপনি আটকাতে পারব না
তবে আমার রহস্যটা এখানে না
অভিশাপ যে দিচ্ছে আমি তাকে নিয়ে আছি
অভিশাপ দেয়ার জন্য-তো সমকক্ষ হতে হয়
বস্তির টোকাই আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অভিশাপ দিতে পারে না
কাচকি মাছ তিমি মাছকে অভিশাপ দিবে না
বাবা মার কাছে ছোট্ট শিশুটি কখনো অভিশাপ পাবে না
অভিশাপ কষ্টের আগের স্তর
কষ্টটাকে থামাতে পারলে অভিশাপ এর বেইল নাই
আর না পারলে অভিশাপের ছড়াছড়ি
আমি কি কিছু ভুল বলতেছি !
যদি সেটাই হয় , তবে আমিই বা কিভাবে মানি !
কুপজলের মানুষ….