Ruhama Women Institute

Ruhama Women Institute সারা বিশ্বে ইলমে - দ্বীন পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য

20/08/2026

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

18/08/2026

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।

১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে।

২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়।

৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়।

৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷

৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন।

৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা।

৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন।

৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷

৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে।

১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে।

১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।
এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।

-সংগৃহীত

18/08/2026

⚠️ সতর্কবার্তা
আগামীকাল থেকে ২-১ দিন বাজার থেকে কিনে ছাগলের মাথা কিনে না খাওয়ার অনুরোধ রইলো । কারণ হিন্দুদের পাঠাকাটা বা পাঠা বলি দেওয়ার সময় হয়েছে।
ব্রাহ্মণরা পাঠা কেটে মাথা গুলি নিয়ে যায়। এই মাথা গুলি কসাইদের কাছে বিক্রি করে। বাজারে বিক্রি করে ।অনেক সময় অন্য দিনের তুলনায় ছাগলের মাথার দাম কম হওয়ার কারণে সবাই কিনে কিনে খায় ।এগুলি হারাম ।এগুলো কখনো কিনে খাওয়া জায়েয হবে না। তাই সতর্কতা অবলম্বন করুন।
#এডমিন

17/08/2026

দু'আ এমন জিনিস, যদি আপনি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যেও দু'আ করেন, যেমন– বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমার রিযিকে বরকত দান করুন। আমাকে সমৃদ্ধ ও প্রশস্ত রিযিক দান করুন। আমাকে সুস্থতা দান করুন। আমার পরিবার পরিজনকে সুস্থতা দান করুন।’ এই সবগুলো দুনিয়াবী প্রয়োজন। এই দুনিয়াবী প্রয়োজন পূরণের দু'আ করাও ইবাদত ও সাওয়াবের কাজ।

ওই মহান দয়ালু রবের দরবার তো এমন যে, তিনি আমাদেরকে ডেকে বলেন— আসো এবং আমার কাছে চাও।

বান্দা যখন চাওয়ার জন্য তার দরবারে উপস্থিত হয়, তখন বলেন— তুমি যা কিছু চাচ্ছ সেগুলো তো আমি তোমাকে পরে দেব।

তার আগে তুমি যে আমার কাছে এসেছ এবং চেয়েছ, সেজন্য এখনই তোমার জন্য সাওয়াব ও নেকি লিখে দিচ্ছি। এমনকি তুমি যত চাইবে তত সাওয়াব ও নেকি দেব। এটা তোমার দু'আ ও প্রার্থনার নগদ পুরস্কার।

এমন উদার দয়ালু আর কে আছে, যিনি শুধু এতোটুকুর জন্য পুরস্কার দেন যে, আপনি তার কাছে চাইতে গিয়েছেন!

মূলত দু'আর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলার সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং তার সাথে সম্পর্ক বাড়ে। অতএব, দু'আকে সাধারণ বিষয় মনে করবেন না।

— মুফতী তাকী উসমানী (হাফি.)
[বই : কুরআনী দু'আ-সমূহের ব্যাখ্যা, ১/৩৯]

16/08/2026

সন্তানের হারাম রিলেশনের কথা জানার পরেও যদি বাবা বাঁধা না দেয়, বোনের প্রেমের কথা জানার পরেও যদি ভাই বাঁধা না দেয়, স্ত্রীকে পরপুরুষের প্রতি মুগ্ধ দেখেও যদি স্বামী জ্বলে না ওঠে, তাহলে এরা দাইয়ুস।

দাইয়ুসের আভিধানিক অর্থ ব্যভিচারের দূত। হাদিস আছে, ওই ব্যক্তিকে দাইয়ুস বলা হয় যে, তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়।‌ [মুসনাদে আহমাদ ৫৩৭২]

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না। [নাসাঈ ২৫৬২]

#খুতুবাত
উমায়ের কোব্বাদী

16/08/2026

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের জন্মের শুকরিয়া হিসেবে প্রতি সোমবার রোজা রাখতেন। কারণ, সোমবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তবে জন্মতারিখে কোনো আমল করা তাঁর থেকে প্রমাণিত নয়।

আসুন, রবিউল আউয়ালের সোমবারগুলোতে রোজা রাখার চেষ্টা করি। জীবনের সব ক্ষেত্রে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ অনুসরণ করার প্রত্যয় গ্রহণ করি।
মুফতি রেজাউল করিম আবরার দা: বা:

07/08/2026

আজকের জাতীয় মসজিদের খুতবা দিয়েছেন ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নুমানী সাহেব।

নাতিদীর্ঘ বয়ানের বিষয়বস্তু ছিল নবিজির (ﷺ) বলা ৫ কথা। তিনি (ﷺ) লোকেদের ডেকে বলছেন, কে আছ আমার থেকে এই জিনিসগুলো জানতে চাও, নিজে পালন করতে চাও এবং অন্যদের কাছে পৌঁছুতে চাও? এরপর আবু হুরাইরা রাদ্বিআল্লাহু আনহুকে তিনি ৫টি লাইফ চেঞ্জিং শিক্ষা দেন।

এই হাদিস আমি আগেও শুনেছি। কিন্তু আজকের বয়ানে শুরুতে হৃদয় বিগলিত হয়ে গেল। আসলে জাতির আত্মশুদ্ধি নিয়ে কাজ করা আমলদার মানুষের কথার প্রভাব হয় ভিন্ন রকম।

কারো মূল্যবান কথায় যদি মনে প্রভাব না ফেলে তাহলে সাধারণত দুইটার একটা ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া যায়-

বক্তা নিজে আমলদার নয়। পাপাচারী বা গাফিল মানুষের কথায় প্রভাব সেভাবে থাকে না।

অথবা শ্রোতা এতটাই আমল থেকে দূরে যে, অন্তর মরে গেছে।

শাইখ মাত্র মিনিট পনের কথা বলেছেন। কিন্তু পনের মিনিটেই জীবন পালটে দেওয়ার খোরাকি আছে।

উর্দু বয়ান শেষ। বাংলা তর্জমা করতে উঠে দাঁড়ালেন খোদ জাতীয় মসজিদের খতিব আব্দুল মালেক সাহেব হুজুর।

তর্জমা অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। সাধারণ উর্দু বঝে যে কেউ এটা করতে পারলেও উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস নিজেই উঠে দাঁড়ালেন।

আমি অবাক হয়ে দেখলাম আল্লাহর এই বান্দা হুবহু সবকিছু বলে গেলেন। উর্দু বক্তব্যে নুমানী হুজুর হাদিসের একটা পয়েন্ট ব্যাখ্যায় অন্য হাদিসের লতানো-পাতানো রেফারেন্সও তিনি মনে রেখেছেন। যে লাইন যেভাবে বলেছেন সেটাকে বাংলাতেও সেই ঢঙেই উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন।

এখানে চূড়ান্ত অবাক করা বিষয় হচ্ছে তাবলীগের বিদেশি বয়ানগুলোতে সাধারণত কয়েক লাইন বলার পর সেগুলো বাংলা করে আরেকজন। কিন্তু আব্দুল মালেক সাহেব টানা ১৫ মিনিটের বয়ান হুবহু বাংলায় তুলে দিয়ে গেলেন কোনো নড়চড় ছাড়া। বক্তার কথায় নিজের কথা ঢোকাননি। ভাবেন একবার।

এই বয়সেও এরকম প্রখর মেধা দেখে শুধু একটা জিনিসই আরো ভালোভাবে বুঝে এল।

মানুষ আসলে যার জন্য নিরবচ্ছিন্ন মেহনত করে, আল্লাহ তাকে সেটা আরো বেশি করার সুযোগ দেন এবং সেটাতেই তাকে সফলতা দান করেন।

এটা পৃথিবীর নিয়ম। তিনি ইলমের পিছে জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাকে সেটাতেই সফল করেছেন।

ফেরার পথে বাইকওয়ালা ভাড়া ত্রিশ টাকা বাড়িয়ে নিতে সারা রাস্তা মেহনত করেছে, শেষে তাই পেয়েছে।

দুই লাখ টাকা দিয়ে ঢোকা ঘুসের চাকরিতে মেহনতকারী এখন নিজেই লাখ লাখ ঘুস পাচ্ছে।

ভালো-খারাপ দুইদিকের হিসাবই এক রকম।

মানুষ সত্যিই যা চায় এবং নিরন্তর লেগে থাকে, পৃথিবীতে আল্লাহ তাকে সেভাবেই চলতে দেন এবং তা-র সর্বোচ্চটা দান করেন।

আবুল কাসেম নুমানী, আব্দুল মালেক হুজুররা নিজের জীবনটা ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন। আজ আল্লাহ তাদের যোগ্য সম্মান দান করেছেন।

আনন্দের বিষয়, এই সম্মান আখিরাতেও যাবে। কিন্তু দুনিয়ারটা দুনিয়ার সাথেই শেষ হয়ে যাবে।

এই বাস্তবতা কারো শ্বাস থাকতেই মনে পড়ে, কারো পাঁজর-ভাঙা কবরের প্রথম চাপে।

সাহাবিরা সবাই আল্লাহর নবির সান্নিধ্য চাইতেন, হাদিস মুখস্থ করতেন।

কিন্তু সবচেয়ে বেশি চাইতেন আব্দুর রহমান ওরফে এক বিড়ালওয়ালা (আবু হুরাইরা)।

এজন্য ইসলাম প্রচার শুরুর ২০ বছর পর দ্বীন গ্রহণ করেও সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনায় আল্লাহ তাকেই কবুল করেছেন।

জুমআয় মুহতামিম সাহেবের বর্ণিত হাদিসও তার থেকেই এসেছে। আবু হুরাইরা (রা) বলেছেন,

“রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ‘কে আমার কাছ থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করবে, যাতে সে নিজে এগুলোর ওপর আমল করে অথবা অন্যকে শেখায়?’

আমি বললাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি।‘

এরপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং গুনে গুনে এই পাঁচটি কথা বললেন-

‘হারাম বিষয় থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ইবাদতকারী হবে।

তোমার ভাগ্যে আল্লাহ তা’আলা যা নির্ধারণ করেছেন তাতে খুশি থাকলে লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধনী হবে।

প্রতিবেশীর সাথে ভদ্র আচরণ করলে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে।

যা নিজের জন্য পছন্দ কর তা-ই অন্যের জন্যও পছন্দ করতে পারলে প্রকৃত মুসলিম হতে পারবে।

এবং অতিরিক্ত হাসাহাসি করো না। কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মেরে ফেলে।’”

প্রতিটা পয়েন্টে মুহতামিম সাহেব আরো ব্যাখ্যা করে গেছেন। পরে কখনো সময় পেলে বলব।

যতটুকু পারলাম, পৌঁছে দিলাম।

কারণ এগুলো রাসূলের রেখে যাওয়া সম্পদ। তার প্রিয় ওয়ারিশরা এভাবেই প্রিয় উম্মতের জন্য রেখে গেছেন যুগে যুগে।

এ সম্পদ আমার নিজের অনেক পছন্দের।
তাই ভাইদের জন্যও রেখে গেলাম।

একমাত্র ঐ শিক্ষাই সফল যেটা প্রয়োগ (আমল) করা হয়।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম।
লেখা:মুরসালিন নিলয়।

বোরকা পড়ে বারবার আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখে সুন্দর লাগছে কিনা ভাবা মেয়েটা নিজেকে খুব পর্দানশীল মনে করে। সৌন্দর্য ব...
07/08/2026

বোরকা পড়ে বারবার আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখে সুন্দর লাগছে কিনা ভাবা মেয়েটা নিজেকে খুব পর্দানশীল মনে করে।

সৌন্দর্য বোরকায় নয় চরিত্রে হয় উচিত। এখন আপনি যে বোরকা পড়ছেন সেই বোরকা বাহিরে বের হলে যদি মানুষ আপনার দিকে দৃষ্টি ফেলে বোরকার কারণে আপনার দিকে আকৃষ্ট হয় তবে সেই বোরকার কিইবা দাম থাকলো?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruhama Women Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share