প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
আমরা প্রতিদিন নানা ধরনের খবর দেখি। কোথাও ভূমিকম্প, কোথাও ভবন ধসে পড়ছে, কোথাও মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দৌড়াচ্ছে। এসব দেখে মনে হতে পারে পৃথিবী যেন এক মুহূর্তেই বদলে যেতে পারে। কিন্তু একজন মুমিনের শক্তি ভয়ের মধ্যে না, বরং আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার মধ্যে।
তোমরা মনে রেখো, বিপদ আসা মানেই শেষ নয়। এটা আমাদের জন্য পরীক্ষা, আর পরীক্ষা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার উপায় হলো ধৈর্য ও দোয়া। আমরা যদি বিপদের মুহূর্তে সঠিকভাবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই, তাহলে অন্তর শান্ত হয়, মন স্থির থাকে, আর আল্লাহ চাইলে সেই বিপদ থেকেও রক্ষা মিলতে পারে।
সুতরাং আজ তোমাদের একটা সুন্দর দোয়া শেখাব, যেটা রাসূল ﷺ বিপদ, বিশেষ করে ধ্বংস, আগুন, ডুবে যাওয়া বা ভবনধসের মতো পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে শিখিয়েছেন। তোমরা দোয়াটি মুখস্থ রাখবে, কারণ বিপদ কখন কেমন আসে—তা কেউ জানে না, কিন্তু প্রস্তুত থাকা একজন মুমিনের দায়িত্ব।
এসো দোয়াটি শিখে নিই।
اللّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي، وَالْهَدْمِ، وَالْغَرَقِ، وَالْحَرِيقِ
বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাত-তারদ্দি, ওয়াল-হাদমি, ওয়াল-গারাক্বি, ওয়াল-হারিক।
বাংলা অর্থ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই উচ্চ স্থান থেকে পড়ে যাওয়া, ধ্বংসস্তূপ/ভবনধসের নিচে চাপা পড়া, ডুবে মারা যাওয়া এবং আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া থেকে।
Iqrahub Academy - ইক্বরা'হাব একাডেমি
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqrahub Academy - ইক্বরা'হাব একাডেমি, Education, house E/4 korail btcl colony, Road no 5, Banani, Dhaka.
আসসালামু আলাইকুম, আপনি কি আপনার সোনামণিদের বিশুদ্ধ কোরআন শিক্ষা নিয়ে চিন্তিত? ইক্ব'রাহাব একাডেমি নিয়ে এসেছে অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে সহজ কোরআন শিক্ষা কোর্স। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,
প্রিয় সুধীবৃন্দ আপনি কী ব্যস্ততার কারণে বিশুদ্ধভাবে কুরআনুল কারীম পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারছেন না?
অথবা আপনার সোনামণিদের বিশুদ্ধভাবে কুরআন শিক্ষা নিয়ে আপনি চিন্তিত?
আপনার জন্য ইক্নরা'
09/09/2025
এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। সংক্ষেপে বলি:
১️⃣ কলম – অনেক সহীহ হাদীসে এসেছে, আল্লাহ প্রথমে কলম সৃষ্টি করেছেন। রাসূল ﷺ বলেছেন:
> "সর্বপ্রথম আল্লাহ কলম সৃষ্টি করেছেন, তারপর তাকে লিখতে বলেছেন…" (আবু দাউদ, তিরমিজি)
২️⃣ নূরে মুহাম্মদী (সা.) – কিছু আলেম ও সুফিয়ান বর্ণনা করেন যে আল্লাহ প্রথমে তাঁর প্রিয় নবী ﷺ- এর নূর সৃষ্টি করেছেন। তবে এ বিষয়ে বর্ণনাগুলো দুর্বল বা বিতর্কিত।
৩️⃣ জিন – কোরআনে বলা হয়েছে জিন সৃষ্টি হয়েছে মানুষের আগে, আগুন থেকে। তবে এটি প্রথম সৃষ্ট বস্তু নয়।
৪️⃣ আসমান-জমিন – এগুলো পরবর্তী পর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহ ৬ দিনে আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছেন।
✅ সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মত:
সহীহ হাদীস অনুযায়ী প্রথম সৃষ্ট বস্তু হলো কলম।
08/09/2025
#বেহেশত
04/09/2025
📖 আপনার সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিন
কুরআন হলো আল্লাহর বাণী। এটি মানুষের জীবনের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিশারি। সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দেওয়া মানে তাকে সঠিক পথের দিশা দেখানো, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আলোর দিশা দেওয়া।
✅ কুরআনের স্পর্শে মানুষের যে উপকার হয়
কোরআন ও হাদিসের আলোকে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলোঃ
১. হৃদয়ের প্রশান্তি ও আলোকিত মন
আল্লাহ বলেনঃ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর যিকিরে (স্মরণে, কুরআন তেলাওয়াতে) অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।”
(সূরা রা'দ, ১৩:২৮)
কুরআন পড়লে মানুষের মন প্রশান্ত হয়, অশান্তি দূর হয়।
২. সততা ও নৈতিকতা গড়ে তোলে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।”
(সহিহ বুখারি)
কুরআনের শিক্ষা মানুষকে সত্যবাদী, আমানতদার, পরহেজগার করে তোলে।
৩. ভালো চরিত্র (সোনার মানুষ) তৈরি করে
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চরিত্র সম্পর্কে আয়িশা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেনঃ
“তাঁর চরিত্র ছিল কুরআন।”
(সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, কুরআনের আলোকে জীবন গড়ে তুললে মানুষ সততা, নম্রতা, ধৈর্য ও নৈতিকতায় অনন্য হয়ে ওঠে।
৪. অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে আসে
আল্লাহ বলেনঃ
“এটা এমন এক কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে মানুষ অন্ধকার থেকে আলোতে আসে।”
(সূরা ইবরাহীম, ১৪:১)
কুরআন মানুষকে ভ্রান্তি, অন্যায়, মিথ্যা থেকে মুক্ত করে সত্য, ন্যায় ও আলোতে পথ দেখায়।
৫. পরকালে সুপারিশ করবে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“কুরআন কিয়ামতের দিন তার সঙ্গীর জন্য সুপারিশ করবে।”
(সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কুরআন শিখে ও তার ওপর আমল করে, কিয়ামতের দিন কুরআন তাকে জান্নাতের পথে সহায়তা করবে।
🌿 সারসংক্ষেপ
যদি সন্তানকে ছোট থেকেই কুরআন শিক্ষা দেওয়া যায়, তবে সে—
অন্তরে শান্তি পাবে
সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে বেড়ে উঠবে
সমাজের জন্য সোনার মানুষ হবে
দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হবে
📖 আপনার সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিন
কুরআন হলো আল্লাহর বাণী। এটি মানুষের জীবনের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিশারি। সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দেওয়া মানে তাকে সঠিক পথের দিশা দেখানো, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আলোর দিশা দেওয়া।
✅ কুরআনের স্পর্শে মানুষের যে উপকার হয়
কোরআন ও হাদিসের আলোকে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলোঃ
১. হৃদয়ের প্রশান্তি ও আলোকিত মন
আল্লাহ বলেনঃ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর যিকিরে (স্মরণে, কুরআন তেলাওয়াতে) অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।”
(সূরা রা'দ, ১৩:২৮)
কুরআন পড়লে মানুষের মন প্রশান্ত হয়, অশান্তি দূর হয়।
২. সততা ও নৈতিকতা গড়ে তোলে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।”
(সহিহ বুখারি)
কুরআনের শিক্ষা মানুষকে সত্যবাদী, আমানতদার, পরহেজগার করে তোলে।
৩. ভালো চরিত্র (সোনার মানুষ) তৈরি করে
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চরিত্র সম্পর্কে আয়িশা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেনঃ
“তাঁর চরিত্র ছিল কুরআন।”
(সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, কুরআনের আলোকে জীবন গড়ে তুললে মানুষ সততা, নম্রতা, ধৈর্য ও নৈতিকতায় অনন্য হয়ে ওঠে।
৪. অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে আসে
আল্লাহ বলেনঃ
“এটা এমন এক কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে মানুষ অন্ধকার থেকে আলোতে আসে।”
(সূরা ইবরাহীম, ১৪:১)
কুরআন মানুষকে ভ্রান্তি, অন্যায়, মিথ্যা থেকে মুক্ত করে সত্য, ন্যায় ও আলোতে পথ দেখায়।
৫. পরকালে সুপারিশ করবে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“কুরআন কিয়ামতের দিন তার সঙ্গীর জন্য সুপারিশ করবে।”
(সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কুরআন শিখে ও তার ওপর আমল করে, কিয়ামতের দিন কুরআন তাকে জান্নাতের পথে সহায়তা করবে।
যদি সন্তানকে ছোট থেকেই কুরআন শিক্ষা দেওয়া যায়, তবে সে—
অন্তরে শান্তি পাবে
সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে বেড়ে উঠবে
সমাজের জন্য সোনার মানুষ হবে
দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হবে
📝
এইচ এম সাইদুর রহমান (শাহীন)
-------------------------------------------
প্রশ্ন ১: বিসমিল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি।
In the name of Allah, I begin.
প্রশ্ন ২: সুবহানাল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: আল্লাহ পবিত্র ও সর্বশ্রেষ্ঠ।
Glory be to Allah, the Most Pure and Supreme.
প্রশ্ন ৩: মাশাআল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: আল্লাহ যেভাবে চেয়েছেন।
As Allah has willed.
প্রশ্ন ৪: নাউজুবিল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।
I seek refuge in Allah.
প্রশ্ন ৫: জাযাকাল্লাহু খাইরান শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
May Allah reward you with goodness.
প্রশ্ন ৬: আস্তাগফিরুল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
👉 উত্তর: মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
I seek forgiveness from Allah.
কুরআন শিক্ষা ও কুরআন বুঝার গুরুত্ব ইসলামিক জীবনের সবচেয়ে মৌলিক বিষয়গুলোর একটি। আল্লাহ তায়ালা কুরআনকে নাযিল করেছেন মানুষের হিদায়াত, জীবন পরিচালনা, এবং দুনিয়া-আখেরাতে সফল হওয়ার জন্য।
কুরআন শিক্ষা ও বুঝার গুরুত্ব
১. কুরআন হিদায়াতের মূল উৎস
আল্লাহ বলেন:
"নিশ্চয়ই এ কুরআন সেই পথ দেখায় যা সর্বাধিক সোজা।"
(সুরা আল-ইসরা: ৯)
অতএব, কুরআন শিক্ষা ও তা বোঝা ছাড়া সঠিক পথ ধরা সম্ভব নয়।
২. কুরআন শিক্ষা করা সওয়াবের কাজ
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বশ্রেষ্ঠ, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।”
(সহিহ বুখারি)
অতএব, কুরআন শিখা ও শিখানো আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম কাজ।
৩. কুরআন বুঝে পড়ার নির্দেশ
আল্লাহ বলেন:
“এটা এক কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যাতে তারা এর আয়াতসমূহ গভীরভাবে চিন্তা করে এবং যাতে জ্ঞানবানরা উপদেশ গ্রহণ করে।”
(সুরা সাদ: ২৯)
অর্থাৎ শুধু তিলাওয়াত নয়, বরং আয়াতগুলো বুঝে চিন্তা করাই আসল উদ্দেশ্য।
৪. কুরআন জীবনের দিশারী
কুরআন হলো মুসলিম জীবনের সংবিধান। নামাজ, রোজা, লেনদেন, আখলাক, পরিবার, সমাজ—সব বিষয়ে কুরআন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
৫. কুরআন আখেরাতের মুক্তির পথ
কিয়ামতের দিন কুরআন পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“কুরআন পড়, কারণ এটি কিয়ামতের দিন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে।”
(সহিহ মুসলিম)
উপসংহার
👉 কুরআন শিক্ষা করা শুধু অক্ষর চিনে নেওয়া নয়, বরং তার অর্থ বুঝা, মর্ম উপলব্ধি করা এবং জীবনে তা বাস্তবায়ন করাই আসল উদ্দেশ্য।
👉 যে ব্যক্তি কুরআন শিখে, বোঝে এবং আমল করে, সে দুনিয়াতে শান্তি পায় এবং আখেরাতে মুক্তি লাভ করবে।
13/06/2025
হে আল্লাহ এই শিশুর চোখের পানি কে কবুল করুন,এবং ফিলিস্তিনিদের আপনি হেফাজত করুন।🤲🤲
12/06/2025
আপনি কি আপনার সোনামণিদের বিশুদ্ধভাবে কোরআন কারীম পড়া নিয়ে চিন্তিত? ইকরা'হাব একাডেমি নিয়ে এসেছে অনলাইনে সহজ পদ্ধতিতে কোরআন শিক্ষা কোর্স।
খাবার শুরুর দোয়া
#খানা
খাবার শেষের দোয়া
#খানা
20/05/2025
বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য জিলহজ মাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। বিশেষ করে এই মাসের প্রথম ১০ দিন বিশেষ ফজিলতের। এই দশকে নফল রোজার গুরুত্ব অনেক বেশি।
হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) কখনো ৪টি আমল পরিত্যাগ করেননি। সেগুলো হলো- আশুরার রোজা, জিলহজের ১০ দিনের রোজা, প্রত্যেক মাসে ৩ দিনের রোজা ও ফজরের পূর্বের ২ রাকাত নামাজ। (আহমদ: ৬/২৮৭, আবু দাউদ: ২১০৬, নাসায়ি: ২২৩৬)
বিশেষ করে ৯ জিলহজ তথা আরাফার দিন রোজা রাখলে আগে-পরে ২ বছরের গুনাহ মাফ হয়। আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, ‘আরাফার দিনের (৯ জিলহজের) রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা রাখি যে, তিনি আগের ১ বছরের এবং পরের ১ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন’। (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)
রোজা ছাড়াও জিলহজের প্রথম দশকে অন্যান্য নেক আমলেরও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে জিলহজের প্রথম দশকের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমলই উত্তম নয়’। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও এই দশকের আমলের চেয়ে উত্তম নয়? রাসূল (সা.) বললেন, ‘আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও এর চেয়ে উত্তম নয়; তবে ওই ব্যক্তি ছাড়া, যে তার সর্বস্ব নিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করল এবং কিছুই নিয়ে ফিরে এলো না’। (আবু দাউদ: ২৪৩৮, বুখারি: ৯৬৯)
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘মহান আল্লাহর কাছে জিলহজের ১০ দিনের চেয়ে উত্তম কোনো দিন নেই’। (সহিহ ইবনে হিববান: ২৮৪২)
জিলহজ মাসের এত মর্যাদার কারণ হলো- জিলহজ মাসে কয়েকটি মহান ইবাদত রয়েছে। যেমন- ইয়াওমে আরাফা; এটি ক্ষমা ও মাগফেরাতের দিন, জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন। এছাড়াও এতে রয়েছে কোরবানির দিন। কোরবানি আল্লাহর কাছে মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। (তিরমিজি: ৮৯৩; নাসায়ি: ৩০১৬; সহিহ ইবনে খুজাইমা: ২৮৬৬)
হাফেজ ইবনে হাজর (রহ.) ফাতহুল বারি গ্রন্থে বলেন,‘জিলহজের দশকের বৈশিষ্ট্যের কারণ হলো, এতে সব মৌলিক ইবাদতের সন্নিবেশ ঘটে। যথা: সালাত, সিয়াম, সদকা, হজ ইত্যাদি। অন্যকোনো দিন এতগুলো ইবাদতের সমাবেশ ঘটে না’। (ফাতহুল বারি: ২/৪৬০)
অতএব, এমন মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোতে এমন আমল বেশি করা উত্তম, যার সমকক্ষ কোনো আমল নেই। আর সেটি হলো রোজা। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবীজি (সা.)-কে বলেন- يَا رَسُولَ اللهِ مُرْنِي بِأَمْرٍ يَنْفَعُنِي اللهُ بِهِ قَالَ عَلَيْكَ بِالصِّيَامِ فَإِنَّهُ لاَ مِثْلَ لَهُ
অর্থ: ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমাকে এমন একটি কাজের নির্দেশ দিন যার দ্বারা আমি লাভবান হতে পারি। তিনি বললেন, তুমি সিয়াম পালন কর। কেননা এর সমকক্ষ (মর্যাদা সম্পন্ন) কোনো ইবাদত নেই’। (নাসায়ি: ২২২১)
বিশেষ করে জিলহজের ৯ তারিখের রোজা যেন কোনো ক্রমেই বাদ পড়ে না যায়, সেই চেষ্টা থাকা আমাদের উচিত হবে।
ইয়া আল্লাহ! আমাদের সবাইকে জিলহজের নফল রোজাগুলো রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।
উত্তম রিজিক ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বেঁচে থাকার দোয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1213