IMpulse Education Bangladesh

IMpulse Education Bangladesh

Share

Let us help you to fulfill your study abroad dream...

11/01/2026

#জাতীয়অধ্যাপক_ডাক্তারইব্রাহীম
একটা সময় ছিল ডাইবেটিস আক্রান্ত রুগিদের কোন চিকিতসা ছিলনা এদেশে।ধুকে ধুকে মৃত্যুই ছিল এই রোগে আক্রান্ত রুগির এক মাত্র নিয়তি। এই ডাইবেটিসেই আক্রান্ত হয়ে অকালে মারা গিয়েছিলেন বিখ্যাত লেখক সাহিত্যিক প্রকাশক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরি। এই ডাইবেটিস রুগিদের চিকিতসা ও সেবা নিয়ে ভেবেছিলেন একজন চিকিতসক।তিনি হলেন কিংবদন্তি চিকিৎসক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। ১৩ জন রোগী দিয়ে শুরু, এখন সে সংখ্যা ৪০ লাখের ও বেশী।

বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর মতো অবদান আর কেউ রাখেননি। নিজের গোটা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন একটি দেশের মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবে বলে। তিনি স্বপ্ন দেখে গেছেন, কাজ করে গেছেন নিরন্তর। মৃত্যুর আগে শেষ নিঃশ্বাস
অব্দি।

জন্মেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। বাবা ছিলেন স্বল্প বেতনের এক ডাকঘরের পোস্টমাস্টার। বাড়ি থেকে তাঁদের নিকটতম স্কুলের দূরত্ব ও ছিল ৬ মাইল দূরে।

প্রতিদিন সেই স্কুলে হেঁটে যাতায়াত করতেন তিনি। সাংসারিক আর্থিক অভাব অনটনে বহু কষ্টে একটি বৃত্তি জোগাড় করে ফেলেছিলেন। কারণ সেকালে মুসলিম ছাত্রদের জন্য বৃত্তি পাওয়াও ছিল ভীষণ কঠিন।

১৯৩৮ এ কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে সর্বোচ্চ নাম্বার নিয়ে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছিলেন তিনি। দেশভাগের সময় তিনি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন কলকাতা মেডিকেলে ।‌ দেশভাগের পর নিজের ভিটেমাটি ত্যাগ করে চলে এলেন ঢাকায়। তখন তাঁকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন করা হয়।

এর দু বছর পর পূর্ণকালীন বৃত্তি নিয়ে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জনের জন্য পাড়ি জমান বিশ্বখ্যাত রয়েল‌ কলেজ অব ফিজিশিয়ানে। সেখানে ডিগ্রি সম্পন্ন করে এফসিসিপি ডিগ্রির জন্য যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

তাঁর মেধা ও দক্ষতা দেখে তাঁকে রাখার জন্য মার্কিন সরকার বেতন ও প্রনোদনা হিসেবে মোটা অংকের অর্থ দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু নিজের বাংলাকে ভুলতে চাননি তিনি।

দেশে ফিরে এসে ডাঃ ইব্রাহিম ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফিজিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলেন। অথচ ঢাকা মেডিকেলের তখনো ভঙ্গুর দশা। মাত্র ৫ বছর হয়েছে মেডিকেল হয়েছে।

ডাঃ ইব্রাহিমের প্রজ্ঞা ও মেধা কতোটা ছিলো তা অবর্ণনীয়। বাঙালি হয়েও সর্বোচ্চ যোগ্যতায় ভর করে চিকিৎসা গবেষণা কাউন্সিল, পাকিস্তানের বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহিম।
.
ঢাকা মেডিকেল কলেজে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই ১৯৫৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও সমাজসেবীদের সহযোগিতায় ঢাকার সেগুনবাগিচায় তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন 'পাকিস্তান ডায়াবেটিক সমিতি'।

পঞ্চাশের দশকেই ডাঃ ইব্রাহিম বুঝতে পেরেছিলেন, কিছুদিন পরই সময়ে ডায়াবেটিস হতে যাচ্ছে এদেশের মানুষের অন্যতম বড় শত্রু। দূরদর্শী মানুষটি তাই সত্তরের দশকেই প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবলিক ডিজঅর্ডারস (বারডেম)।

কালের বিবর্তনে সেই বারডেমই আজ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা। প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশী রোগী এই হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন।

অথচ এই বিশাল বারডেম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ভীষণ স্বল্প পরিসরে। কারণ অর্থ এবং স্থান সংকট দুটোই ছিল। ১৯৫৭ সালে সেগুন বাগিচায় মাত্র ৩৮০ স্কয়ার ফুটের একটি টিনের ঘরে ২৩ জন ডায়াবেটিক রোগী নিয়ে বহির্বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডাঃ ইব্রাহিম।

ওখানে কেবল বহির্বিভাগ থাকার কারণ ছিলো ওখানে কোন রোগীর ভর্তির ব্যবস্থা ছিলোনা। জটিল রোগীদের হাসপাতালেই পাঠাতে হতো। ১৩ বছর পরে ১৯৭০ সালে কয়েকটি বিছানা এখানে যুক্ত করে কিছু রোগী রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন ডাঃ ইব্রাহিম। রোগীদের ব্যবস্থাপত্রের জন্য এক টাকাও ফি নিতেন না ডাঃ ইব্রাহিম ডাঃ ইব্রাহিম চেয়েছিলেন কোন ডায়াবেটিক রোগী যেন বিনা চিকিৎসায় না মারা যায়।

দেশ স্বাধীনের পরে ১৯৮০ সালে শাহবাগে নতুন আঙ্গিকে স্থাপিত হলো বারডেম। সেগুন বাগিচার হাসপাতাল এখানে সরিয়ে আনা হল। গোটা এশিয়া মহাদেশের এটিই ছিলো সর্বপ্রথম ডায়াবেটিসের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল।

শুধু হাসপাতালই না বারডেম, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত যোগ্য লোকবল তৈরির উদ্দেশ্যে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বারডেম একাডেমি। ওখানে এখন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন ও মেটাবলিজম বিষয়ে এমফিল, এমডি ও পিএইচডি সহ ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি কোর্স পরিচালনা করা হয়।

আজকের বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক কিংবা বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি, সব ডায়াবেটিস হাসপাতালগুলো আজ জানান দেয় কতো বিস্মৃত পরিসরে চিকিৎসা সেবার দ্বার উন্মোচন করেছেন তিনি। ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

রোগীদের আর্থিক অবস্থাভেদে ওষুধ ও চিকিৎসায় ২৫ থেকে ১০০ ভাগ পর্যন্তও ছাড় দেয়া হয়। দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা ও খাবারের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে বারডেম কর্তৃপক্ষ। বারডেমে এখন মোট ৬০টির ও বেশী বিভাগে ছয়শোর বেশী চিকিৎসক, সাতশোর বেশী নার্স ও আড়াই হাজারেরও বেশি কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।

যে ডায়াবেটিক সমিতি শুরুতে মাত্র ১৩ জন নিবন্ধিত রোগী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো সেই ডায়াবেটিক সমিতির বর্তমানে কার্ডধারী সেবাগ্রহীতার সংখ্যাই প্রায় ৪০ লাখ। আজ উনার প্রতিসঠিত বারডেম হল বিশ্বের সর্ব বৃহত ডাইবেটিস সেবার প্রতিসঠান। বাংলাদেশের সঅব জেলা সদরে এবং অনেক উপজেলাতে আছে ডাইবেটিস সমিতির শাখা।সারা দেশের ডাইবেটিস আক্রান্ত রুগিদের একমাত্র ভরসা স্থল।

মানুষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার এক মহারথী ছিলেন অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। যার ত্যাগ আর তিতিক্ষার সুফল যুগ যুগ ধরে ভোগ করছে এদেশের সাধারণ মানুষ। যে অসামান্য লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবাদপ্রতিম কিংবদন্তী অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহিম যাত্রা শুরু করেছিলেন সেই সৃষ্টিই রাখবে তাঁকে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায়।
এই কিংবদন্তি জাতীয় অধ্যাপক কে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই
ডা ইব্রাহীমের মত মানুষেরা হলেন ইতিহাস।

বড় স্যার কে নিয়ে অধম চিকিতসকের ছোট্ট নিবেদন

তিনি কোনো দেবতা ছিলেন না,
তবু মানুষ তাঁকে ডাকত—
দ্বিতীয় ঈশ্বর বলে নয়,
বরং মানুষের মতো মানুষ বলে।
যখন রোগটা নামহীন ছিল,
ডায়াবেটিস মানেই ছিল ধীরে ধীরে মরে যাওয়া,
তখন তিনি রোগের নাম দেননি—
দিয়েছিলেন আশার ঠিকানা।
হাত কাঁপত না তাঁর,
কারণ তিনি শুধু প্রেসক্রিপশন লেখেননি,
লিখেছিলেন
একটা জাতির স্বাস্থ্য–ভবিষ্যৎ।
তিনি জানতেন—
গরিব মানুষের শরীরও
ধনী মানুষের শরীরের মতোই
রক্তে লাল,
ব্যথায় সমান।
তাই হাসপাতাল তাঁর কাছে
ব্যবসা হয়নি,
হয়েছে আশ্রয়।
বারডেম কেবল একটি ভবন নয়—
ওটা ছিল তাঁর
নীরব স্বপ্নের ইট–সিমেন্ট।
তিনি শিখিয়েছিলেন,
ডায়াবেটিস মানে মৃত্যুদণ্ড নয়,
মানুষ বাঁচতে পারে
জ্ঞান দিয়ে, শৃঙ্খলা দিয়ে,
সহমর্মিতা দিয়ে।
ডাক্তারের সাদা অ্যাপ্রন
তাঁর গায়ে রাজকীয় লাগেনি,
বরং লাগত
মাঠে নামা এক যোদ্ধার পোশাক—
যুদ্ধটা ছিল
অজ্ঞতার বিরুদ্ধে।
তিনি ক্ষমতার কাছে যাননি,
ক্ষমতাই একদিন
তাঁর দরজায় এসে দাঁড়িয়েছিল।
কারণ নৈতিকতা
সবচেয়ে বড় পদবি।
আজ তিনি নেই,
কিন্তু প্রতিদিন
হাজার হাজার মানুষ
ইনসুলিন নেয়,
নিয়ম মেনে হাঁটে,
বাঁচতে শেখে—
আর না জেনেই
তাঁর উত্তরাধিকার বহন করে।
ডা. ইব্রাহীম
একজন মানুষের নাম নয়,
একটি দর্শন।
যেখানে চিকিৎসা
ব্যবসা নয়—
একটি নীরব মানবিক আন্দোলন।

S M Nowsher
BIRDEM

25/06/2025

STUDY MBBS in AVICENNA INTERNATIONAL MEDICAL UNIVERSITY, KYRGYZSTAN 🇰🇬

APPLY NOW for Sep-2025 Session 👩‍⚕️👨‍⚕️

18/06/2025
25/05/2025

𝐒𝐓𝐔𝐃𝐘 𝐌𝐁𝐁𝐒 𝐈𝐍 𝐊𝐘𝐑𝐆𝐘𝐙𝐒𝐓𝐀𝐍

কিরগিস্থানে এমবিবিএস প্রোগ্রামের সার্বিক তথ্যঃ
সম্প্রতি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে,অনেকেই SSC এবং HSC তে ভালো ফলাফল করেও আসন স্বল্পতার জন্য সরকারি মেডিকেলে চান্স না পেয়ে আশাহীনতায় ভুগছেন। কারন আমাদের দেশের হাতে গোনা কিছু মেডিকেল ছাড়া বাকি অধিকাংশ প্রাইভেট মেডিকেলের মান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে দুশ্চিন্তা রয়েছে।

বিগত কয়েকদিনে কিরগিস্থানের এমবিবিএস সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে প্রচুর ফোন কল ও ম্যাসেজ করছেন আমাদের ভর্তিইচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তাই আমরা আজ কিরগিজস্তানে এমবিবিএস সম্পর্কিত সকল তথ্য আপনাদের দেওয়ার চেস্টা করবোঃ

১। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামঃ কিরগিজস্তানে বেশ কিছু বিশ্বমানের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক ছাত্ররা এমবিবিএস অধ্যয়ন করতে পারে। এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
🎓Avicenna International Medical University (AIMU)
🎓International Medical University (IMU)
🎓Kyrgyz State Medical Academy (KSMA)
🎓Al-Tamimi Bachelor Clinical University (ABC)
🎓International University of Kyrgyzstan (IUK)

২। বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনঃ প্রথমে কিরগিজস্তানে আপনার পছন্দের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করুন। এক্ষেত্রে Avicenna International Medical University (AIMU) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। কারন এটি কিরগিজস্তানের টপ র‍্যাংক বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজধানী বিশকেকে অবস্থিত হলেও এর টিউশন ফি তুলনামূলক কম। এবং এটি WHO, BMDC, NMC, UNESCO, ECFMG (Education Commission for Foreign Medical Graduates), AMSE (The Association of Medical Schools in Europe), AMC (Australian Medical Council) কর্তৃক স্বীকৃত। এছাড়া শুধুমাত্র এখানেই বাংলাদেশিদের জন্য পৃথক হোস্টেল রয়েছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০+ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন।

৩। কোর্সের মেয়াদ: এমবিবিএস প্রোগ্রামের মেয়াদ ৫ বছর। সর্বমোট ১০ টি সেমিস্টার (প্রতি ৬ মাসে ১টি সেমিস্টার)।

৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি: কিরগিজস্তানের বেশিরভাগ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় WHO (World Health Organization), BMDC (Bangladesh Medical & Dental Council), NMC (National Medical Commission, India), এবং UNESCO কর্তৃক স্বীকৃত। কিরগিজস্তানের ডিগ্রি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য যোগ্য।

৫। শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, এবং জীববিজ্ঞান সহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক (SSC+HSC) মিলিয়ে ৬০% নম্বর থাকতে হবে।

৬। বয়স: ভর্তির বছর ডিসেম্বরে ছাত্রছাত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৭ বছর হতে হবে। তবে কোনো সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই।

৭। সেমিস্টারঃ এখানে বছরে ২টা সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ফেব্রুয়ারি-মার্চ এবং সেপ্টেম্বর সেমিস্টার।

৮। ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
📌 মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেটের কপি।
📌 পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
📌 পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য বৈধ)।

৯। ভর্তি প্রক্রিয়াঃ

ধাপ-১: এডমিশন লেটার ইস্যুঃ প্রথমে এডমিশন লেটারের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেটের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে সরাসরি আমাদের অফিসে এসে, অথবা স্ক্যান কপি আমাদের মেইল বা WhatsApp এ দিতে পারবেন। আমরা ১/৩ কর্মদিবসের মধ্যে ভার্সিটি থেকে আপনার এডমিশন লেটার এনে দিব। এটার জন্য কোন অগ্রিম টাকা দিতে হয় না।

ধাপ-২: ভিসার আবেদনঃ এডমিশন লেটার পাওয়ার পর পাসপোর্টের কপি এবং ভিসা ফি ২০০ ডলার সমপরিমান টাকা (২৪ হাজার টাকা) প্রদান করতে হয়। আপনারা চাইলে সরাসরি আমাদের ঢাকা অফিসে এসে বা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন। তাছাড়া পরিচিত কেউ কিরগিজস্তানে থাকলে আমাদের কিরগিজস্তানের অফিসে যেয়েও দিতে পারবেন। ই-ভিসা হতে সর্বোচ্চ ৭/১০ দিন সময় লাগে। এর জন্য শিক্ষার্থীদের কোন ধরনের এম্বাসি ফেস বা ইন্টারভিউ দেওয়া লাগবে না। এবং আমরা শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে সকল প্রসেসিং আমরা করে দিব। এবং টিউশন ফি সহ সম্পূর্ন খরচ সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পর দিতে পারবেন।

ধাপ-৩: ফ্লাইট ও যাত্রা: ভিসা পাওয়ার পর, ফ্লাইট টিকিট বুক করতে সকল সহায়তা আমরা করবো। শিক্ষার্থীদের সব থেকে কম মূল্যে টিকিট নিশ্চিতে আমাদের রয়েছে সিভিল এভিয়েশনের লাইসেন্স প্রাপ্ত নিজস্ব ট্রাভেল এজেন্সি। টিকেটের মূল্য সাধারণত ৭০/৮০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে।

ধাপ-৪: কিরগিজস্তানে এয়ারপোর্ট থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে পৌঁছে দিবে এবং পৌঁছানোর পর রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সকল প্রক্রিয়া আমরা সম্পন্ন করে দিয়ে দিবো।

১০। শিক্ষার খরচ: কিরগিজস্তানের মেডিকেল শিক্ষা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। টিউশন ফি প্রতি সেমিস্টারে বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ১৫০০-২৩০০ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকেই কম টিউশন ফি দেখে এবং কিছু অসৎ এজেন্সি ও শিক্ষার্থীদের প্রলোভনে পড়ে নতুন এবং মানহীন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে পড়েন, যার সার্টিফিকেট পরবর্তীতে কোন কাজেই আশে না। তাই অবশ্যই ভর্তির পূর্বে ভার্সিটির মান যাচাই করে নিবেন। Avicenna International Medical University বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই আছে, এখানে টিউশন ফি প্রতি সেমিস্টারে ১৭৫০ ডলার বা ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

১১। হোস্টেল ও খাবার খরচঃ প্রথম ১ বছর শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ভার্সিটির হোস্টেলে থাকতে হয়। থাকা ও খাওয়ার খরচ প্রতি সেমিস্টারে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক হোস্টেল রয়েছে, যা ২৪/৭ সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
কিরগিজস্তানে ভর্তির প্রক্রিয়া খুবই সহজ। এখানে কোন ভর্তি পরীক্ষা, IELTS, Bank Sponsor, Donation এর প্রয়োজন হয় না এবং ভিসা সর্বোচ্চ ৭-১০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। তবে অনেকেই সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে এবং কিছু অসৎ এজেন্সি ও শিক্ষার্থীর অনেক কম ও অবাস্তব টিউশন ফি এর প্রলোভনে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

কিরগিজস্তানে এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে impulse Education Bangladesh আছে আপনাদের পাশে। দীর্ঘ ৩ বছরের পথচলায় ৩০+ শিক্ষার্থীদের ডাক্তার হবার স্বপ্ন পূরণে সঙ্গি হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমাদের রয়েছে কিরগিজস্তান ও বাংলাদেশে নিজস্ব অফিস যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার সাহায্য সুবিধা পেয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি, সার্বক্ষনিক নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটা শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং শিক্ষার ব্যাপারে আমাদের রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা। আমাদের দক্ষ ভিসা এক্সপার্ট টিম দিচ্ছে আপনাদের ১০০% ভিসার নিশ্চয়তা। তাছাড়া সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত রিপ্রেজেন্টেটিভ হওয়ায় আমাদের অতিরিক্ত কোন সার্ভিস চার্জ ও নেই।

তাই অনুমোদনহীন কোন এজেন্সি বা কোন শিক্ষার্থীর প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হয়ে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে, এবং নিশ্চিত করুন সুন্দর ভবিষ্যৎ।

25/05/2025

𝐒𝐓𝐔𝐃𝐘 𝐌𝐁𝐁𝐒 𝐈𝐍 𝐊𝐘𝐑𝐆𝐘𝐙𝐒𝐓𝐀𝐍

কিরগিস্থানে এমবিবিএস প্রোগ্রামের সার্বিক তথ্যঃ
সম্প্রতি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে,অনেকেই SSC এবং HSC তে ভালো ফলাফল করেও আসন স্বল্পতার জন্য সরকারি মেডিকেলে চান্স না পেয়ে আশাহীনতায় ভুগছেন। কারন আমাদের দেশের হাতে গোনা কিছু মেডিকেল ছাড়া বাকি অধিকাংশ প্রাইভেট মেডিকেলের মান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে দুশ্চিন্তা রয়েছে।

বিগত কয়েকদিনে কিরগিস্থানের এমবিবিএস সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে প্রচুর ফোন কল ও ম্যাসেজ করছেন আমাদের ভর্তিইচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তাই আমরা আজ কিরগিজস্তানে এমবিবিএস সম্পর্কিত সকল তথ্য আপনাদের দেওয়ার চেস্টা করবোঃ

১। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামঃ কিরগিজস্তানে বেশ কিছু বিশ্বমানের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক ছাত্ররা এমবিবিএস অধ্যয়ন করতে পারে। এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
🎓Avicenna International Medical University (AIMU)
🎓International Medical University (IMU)
🎓Kyrgyz State Medical Academy (KSMA)
🎓Al-Tamimi Bachelor Clinical University (ABC)
🎓International University of Kyrgyzstan (IUK)

২। বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনঃ প্রথমে কিরগিজস্তানে আপনার পছন্দের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করুন। এক্ষেত্রে Avicenna International Medical University (AIMU) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। কারন এটি কিরগিজস্তানের টপ র‍্যাংক বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজধানী বিশকেকে অবস্থিত হলেও এর টিউশন ফি তুলনামূলক কম। এবং এটি WHO, BMDC, NMC, UNESCO, ECFMG (Education Commission for Foreign Medical Graduates), AMSE (The Association of Medical Schools in Europe), AMC (Australian Medical Council) কর্তৃক স্বীকৃত। এছাড়া শুধুমাত্র এখানেই বাংলাদেশিদের জন্য পৃথক হোস্টেল রয়েছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০+ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন।

৩। কোর্সের মেয়াদ: এমবিবিএস প্রোগ্রামের মেয়াদ ৫ বছর। সর্বমোট ১০ টি সেমিস্টার (প্রতি ৬ মাসে ১টি সেমিস্টার)।

৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি: কিরগিজস্তানের বেশিরভাগ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় WHO (World Health Organization), BMDC (Bangladesh Medical & Dental Council), NMC (National Medical Commission, India), এবং UNESCO কর্তৃক স্বীকৃত। কিরগিজস্তানের ডিগ্রি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য যোগ্য।

৫। শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, এবং জীববিজ্ঞান সহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক (SSC+HSC) মিলিয়ে ৬০% নম্বর থাকতে হবে।

৬। বয়স: ভর্তির বছর ডিসেম্বরে ছাত্রছাত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৭ বছর হতে হবে। তবে কোনো সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই।

৭। সেমিস্টারঃ এখানে বছরে ২টা সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ফেব্রুয়ারি-মার্চ এবং সেপ্টেম্বর সেমিস্টার।

৮। ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
📌 মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেটের কপি।
📌 পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
📌 পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য বৈধ)।

৯। ভর্তি প্রক্রিয়াঃ

ধাপ-১: এডমিশন লেটার ইস্যুঃ প্রথমে এডমিশন লেটারের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্র এবং সার্টিফিকেটের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে সরাসরি আমাদের অফিসে এসে, অথবা স্ক্যান কপি আমাদের মেইল বা WhatsApp এ দিতে পারবেন। আমরা ১/৩ কর্মদিবসের মধ্যে ভার্সিটি থেকে আপনার এডমিশন লেটার এনে দিব। এটার জন্য কোন অগ্রিম টাকা দিতে হয় না।

ধাপ-২: ভিসার আবেদনঃ এডমিশন লেটার পাওয়ার পর পাসপোর্টের কপি এবং ভিসা ফি ২০০ ডলার সমপরিমান টাকা (২৪ হাজার টাকা) প্রদান করতে হয়। আপনারা চাইলে সরাসরি আমাদের ঢাকা অফিসে এসে বা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন। তাছাড়া পরিচিত কেউ কিরগিজস্তানে থাকলে আমাদের কিরগিজস্তানের অফিসে যেয়েও দিতে পারবেন। ই-ভিসা হতে সর্বোচ্চ ৭/১০ দিন সময় লাগে। এর জন্য শিক্ষার্থীদের কোন ধরনের এম্বাসি ফেস বা ইন্টারভিউ দেওয়া লাগবে না। এবং আমরা শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে সকল প্রসেসিং আমরা করে দিব। এবং টিউশন ফি সহ সম্পূর্ন খরচ সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পর দিতে পারবেন।

ধাপ-৩: ফ্লাইট ও যাত্রা: ভিসা পাওয়ার পর, ফ্লাইট টিকিট বুক করতে সকল সহায়তা আমরা করবো। শিক্ষার্থীদের সব থেকে কম মূল্যে টিকিট নিশ্চিতে আমাদের রয়েছে সিভিল এভিয়েশনের লাইসেন্স প্রাপ্ত নিজস্ব ট্রাভেল এজেন্সি। টিকেটের মূল্য সাধারণত ৭০/৮০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে।

ধাপ-৪: কিরগিজস্তানে এয়ারপোর্ট থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে পৌঁছে দিবে এবং পৌঁছানোর পর রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সকল প্রক্রিয়া আমরা সম্পন্ন করে দিয়ে দিবো।

১০। শিক্ষার খরচ: কিরগিজস্তানের মেডিকেল শিক্ষা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। টিউশন ফি প্রতি সেমিস্টারে বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ১৫০০-২৩০০ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকেই কম টিউশন ফি দেখে এবং কিছু অসৎ এজেন্সি ও শিক্ষার্থীদের প্রলোভনে পড়ে নতুন এবং মানহীন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে পড়েন, যার সার্টিফিকেট পরবর্তীতে কোন কাজেই আশে না। তাই অবশ্যই ভর্তির পূর্বে ভার্সিটির মান যাচাই করে নিবেন। Avicenna International Medical University বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই আছে, এখানে টিউশন ফি প্রতি সেমিস্টারে ১৭৫০ ডলার বা ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

১১। হোস্টেল ও খাবার খরচঃ প্রথম ১ বছর শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ভার্সিটির হোস্টেলে থাকতে হয়। থাকা ও খাওয়ার খরচ প্রতি সেমিস্টারে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক হোস্টেল রয়েছে, যা ২৪/৭ সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
কিরগিজস্তানে ভর্তির প্রক্রিয়া খুবই সহজ। এখানে কোন ভর্তি পরীক্ষা, IELTS, Bank Sponsor, Donation এর প্রয়োজন হয় না এবং ভিসা সর্বোচ্চ ৭-১০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। তবে অনেকেই সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে এবং কিছু অসৎ এজেন্সি ও শিক্ষার্থীর অনেক কম ও অবাস্তব টিউশন ফি এর প্রলোভনে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

কিরগিজস্তানে এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে impulse Education Bangladesh আছে আপনাদের পাশে। দীর্ঘ ৩ বছরের পথচলায় ৩০+ শিক্ষার্থীদের ডাক্তার হবার স্বপ্ন পূরণে সঙ্গি হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমাদের রয়েছে কিরগিজস্তান ও বাংলাদেশে নিজস্ব অফিস যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার সাহায্য সুবিধা পেয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি, সার্বক্ষনিক নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটা শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং শিক্ষার ব্যাপারে আমাদের রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা। আমাদের দক্ষ ভিসা এক্সপার্ট টিম দিচ্ছে আপনাদের ১০০% ভিসার নিশ্চয়তা। তাছাড়া সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত রিপ্রেজেন্টেটিভ হওয়ায় আমাদের অতিরিক্ত কোন সার্ভিস চার্জ ও নেই।

তাই অনুমোদনহীন কোন এজেন্সি বা কোন শিক্ষার্থীর প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হয়ে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে, এবং নিশ্চিত করুন সুন্দর ভবিষ্যৎ।

25/05/2025

কম খরচে বিদেশে এমবিবিএস পড়ে ডাক্তার হওয়ার সূবর্ণ সুযোগ!!!

STUDY MBBS IN KYRGYZSTAN

অত্যন্ত কম খরচে সেন্ট্রাল এশীয়ার দেশ কিরগিজস্তানে রয়েছে মাত্র ১৭৫০ ডলার (২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা) প্রতি সেমিস্টারে ৫ বছরের (মোট ১০ সেমিস্টার ) MBBS কোর্সের সুবর্ন সুযোগ। BMDC এবং WHO অনুমোদিত AVICENNA INTERNATIONAL MEDICAL UNIVERSITY তে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ, রয়েছে অভিজ্ঞ বাংলাদেশি শিক্ষক।
৩য় বর্ষ থেকে BMDC লাইসেন্স এক্সাম কোচিং করানো হয় যা একমাত্র এই বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম, এই সুযোগ অন্য কোথাও নেই।

🔴 ১০০% কনফার্ম ভর্তি ও ভিসা৷
🔴 ৩ দিনের মধ্যে এডমিশন লেটার এবং ১০ দিনের মধ্যে ভিসা৷

কেন AVICENNA INTERNATIONAL MEDICAL UNIVERSITY তে MBBS পড়বেন?

✅ ভর্তির সময় কোন ডোনেশন দিতে হয়না।
✅ বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) কর্তৃক স্বীকৃত।
✅ Avicenna International Medical University তে রয়েছে অভিজ্ঞ বাংলাদেশি শিক্ষক।
✅ ইউরোপিয়ান কারিকুলামে সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনার সুবিধা।
✅ কোনও ভর্তি পরীক্ষা, IELTS বা Bank Sponsor এর প্রয়োজন নেই।
✅ সেমিস্টার হিসেবে টিউশন ফি দেওয়া যায়।
✅ বাংলাদেশের প্রাইভেট মেডিকেলের তুলনায় টিউশন ফি অনেক কম।
✅ বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং WHO অনুমোদিত।
✅ ৫ বছরে পড়াশুনা শেষ করে বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেলে ইন্টার্ণী করা যাবে।
✅ ছেলে মেয়ে আলাদা হোষ্টেলে থাকা এবং তিন বেলা হালাল খাবারের ব্যবস্থা।
✅ মুসলিম দেশ হওয়ায় সকল ধরনের হালাল খাবার পাওয়া যায়।

♦ ১০০+ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পড়াশুনা করছে। ♦

IMpulse Education Bangladesh সম্পুর্ন ডাক্তারদের মাধ্যমে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান তাই এখান থেকে পাবেন ক্যারিয়ারের খুঁটিনাটি সকল বিষয়ে বিস্তর সমাধান। শিক্ষার্থী এবং অভিবাবকদের সাথে সেতু বন্ধন রেখেই আমরা প্রতিটা শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ ভাবে যত্ন নিয়ে থাকি, Avicenna International Medical University তে আমাদের রয়েছে নিজস্ব অফিস যেখান থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। সার্বক্ষনিক নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটা শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং শিক্ষার ব্যাপারে আমাদের রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা।

সময় নষ্ট না করে আজ ই নিশ্চিত করুন আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

House # 41, Road # 11 , Nikunja/2
Dhaka
1229