24/05/2026
MENs জুন ২০২৬ সংখ্যাতে আপনাদের জন্য একটু পাগলামি করেছি।
সর্বশেষ সিনিয়র অফিসার পরীক্ষায় আসা ১০টি ব্যাংকিং এবং ফিনান্সিয়াল প্রশ্ন কোথা থেকে এসেছে সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি আরো ১০ পেজ ব্যাংকিং টার্ম দেয়া হয়েছে।।
22/05/2026
সংবিধানের বেসিকপাঠ মূল বইয়ের pdf.
https://www.facebook.com/share/p/1HLwkHh3D7/
22/05/2026
আপনারা রামিশার হত্যার বিচার চান?
আবার দ্রুত বিচার চান!
সমস্যা কোথায়?
সমস্যা অনেক জায়গায়। এক জায়গার কথা বলি। সেটা হলো আইনে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার শেষ করতে, মানে আইন অনুযায়ী জেলার নারী শিশু আদালত বা দায়রা আদালত কিংবা এই হত্যার বিচার যে আদালতে হবে, এবং সেই বিচার যে প্রক্রিয়ায় হবে সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিচার শেষ করতে কমপক্ষে ১ বছর লাগবে। এরপর হাইকোর্ট বিভাগে মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন চাইবে। তারপর হাইকোর্ট বিভাগ অনুমতি দিতেও পারে, নাও পারে।
যা-ই হউক। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণত বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়। দ্রুত সমাধান হয় খুব কম।
এখন উপায় কী?
যারা অপরাধ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র ফৌজদারী অপরাধ বিশেষজ্ঞ আইনজীবী তাদের পরামর্শ নিয়ে দেশের ফৌজদারী আইনকে আরো গতিশীল করা কিংবা বিশেষ ব্যতিক্রম রাখা।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ এই ধরনের অপরাধ এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। কিন্তু বিচারের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ।
যতোদিন বিচার করবেন, ততোদিনে আরো ১০০ ঘটনা ঘটে যায়। তখন ১ নম্বর ঘটনা ১০০১ তম ঘটনার ভাইরাল জোয়ারে ভেসে যায়। মানবাধিকার আপারা ফাঁসির পক্ষে না। তাই পিছিয়ে যায়।
তাহলে করণীয় কি?
এদের অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ ১ মাসের মধ্যে করতে হবে। দরকার হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল এর পাশাপাশি সুপার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল করতে হবে শুধু এই শাস্তি দেয়ার জন্য।
এখন আসেন, এখানে আদালতের, বিচারকের কি কোন দোষ আছে?
উ-১: তাদের কোন দোষ নাই। কারণ তারা আসলে আইনের ঘরে বন্দী। সেজন্য তাদের জজ বা বিচারক না বলে আইনের রক্ষক বলা হয়।
উ-২: অনেক সময় জজেরা রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত হয়। বিচার বিলম্বিত হয়।
উ-৩: অনেক বিচারক এসব ক্ষেত্রে অসাদুপায় অবলম্বন করেন।
উ-৪: অনেক সময় মূল ঘটনা মিডিয়ায় আসে না। আদালত অনুসন্ধান করে ভিন্ন ঘটনা পান। তখন আদালতের রায়ে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্দ হয়।
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ, জজেরা যে আইনের অধীনে বিচার করেন সেই আইনগুলো কেন সংস্কার হচ্ছে না? কারণ কী?
মনে করেন, বাংলাদেশের অধস্তন আদালতগুলো যে আইনের অধীনে বিচার করে সেই আইনগুলো যদি সংস্কার করে দ্রুত ও যুগোপযোগী করা হয় তাহলে কার কার এই বিষয়টি ভালো লাগবে? এর উত্তর হচ্ছে জনগণের ও আদালতের। আর কার কার ভালো লাগবে না? উত্তর সরাসরি দিচ্ছি না। অনুমান করুন। অধস্তন আদালতগুলো যদি দ্রুত জনগণকে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারেন তাহলে অধস্তন আদালতের উপর জনগণের আস্থা বাড়বে আর এর ফলে অধস্তন আদালত এবং এর বিচারকের দ্রুত জনগণের কাছে জনপ্রিয় হবেন। এই বিষয়টি যাদের ভালো লাগবে না, তারাই মূলত বিচার বিভাগ এর আইনগুলো সংস্কার করতে দিচ্ছে না।
এখন করণীয় কি?
বিচারক প্রয়োজন ১০ হাজার। কিন্তু আছে ২৩০০। এর মধ্যে ২০০-৩০০ আছে আবার আদালতের কাজের বাইরে। যে ২০০০ আদালতে আছেন তাদের সবাই ফৌজদারী বিচারক না। অন্যান্য আদালতের বিচারক। ফৌজদারী বিচারক হলেই হবে না, তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল এর বিচারক হতে হবে এবং যে জেলায়/থানায় অপরাধ ঘটেছে সেই জুরিসডিকশনের জজ, ম্যাজিস্ট্রেট হতে হবে। আপনি আর্টসে পড়াশোনা করে কি সাইন্সে ক্লাস নিতে পারবেন? পারলেও কি কেউ মেনে নিবে?
আপনাদের একটি কথা বলি
থানায় দেখবেন, জানবেন, শুনবেন অনেক মামলা নিষ্পত্তি হয়ে যায়। এটিকে অ-আইনী ভাষায় ADR বলে। Alternative Dispute Resolutions. এখন এই কাজ করার এখতিয়ার বা ক্ষমতা পুলিশ, থানার নেই। এটি কোর্টের কাজ। কিন্তু মানুষ থানায় যায় কেন?
থানায় গেলে দেখা আয় ২৪-৭২ ঘন্টা কিংবা ১ সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান। এটি আইন সিদ্ধ না কিন্তু মানুষ উপকার পাচ্ছে। কারণ কোর্টে গেলে বিষয়টি নিষ্পত্তি কবে হবে দুই
পক্ষের কেউ জানে না। সেজন্য খারাপ ও ভালো দুই দিক থাকার পরেও মানুষ আদালতে না গিয়ে থানায় যায়। কারণ সময় বাচে। দ্রুত রেমিডি পাওয়া যায়। যদিও আপনার প্রতিকার পেতে টাকা খরচ করতে হয় কিংবা আপনার পাওনা টাকার হয়তো ৫০-৬০-৭০& পাবেন।
তাহলে আদালত কেন ADR রান করতে পারলেন না?
সহজ কথা হলো, ADR রান করার ইচ্ছে ছিলো না কোন সরকারের। আবার সরকারের পেছনে অর্থ মন্ত্রণালয় সরকার আছে। সেই সরকার চালায় কারা?
ADR কী?
মনে করেন, আপনি কোন ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লক্ষ টাকা পান। এখন এই টাকা উদ্ধারের জন্য মামলা করলেন, তাহলে টাকা পেতে ২-৩ বছরও লাগতে পারে। কারণ এই ধরনের কয়েক লক্ষ মামলা আদালতে পেন্ডিং।
এখন যদি আদালত কিংবা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তি দুই পক্ষকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করে, দ্রুত সমস্যা সমাধান করে, তাহলে ধরে নিন এটি এক ধরনের এডিআর।
তাহলে এটি তো ভালো কিন্তু কেন রান করলো না আদালতে?
কারণ হলো, এই যে রান করার জন্য লোক নিয়োগ দিতে হয়, তার ফি দিতে হয়, দুই পক্ষকে বসাতে হয় এর জন্য উপযুক্ত জায়গা আদালত প্রাঙ্গণে নেই, য্যিনি এই বিরোধ নিষ্পত্তি করেন তার ফি প্রাথমিক অবস্থায় কে দিবে? আদালত নাকি সরকার? নাকি পক্ষ?
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এর বাজেট অত্যন্ত কম। প্রতিদিন জজকোর্ট এর যে সরকারি কাগজ কিনতে হয় এগুলো পেশকার এর টাকায় কেনা হয়। সেজন্য পেশকার সাহেব একটু সুবিধা নেন আর কি?
যা-ই হউক।
রামিশার হত্যার দ্রুত বিচার হউক। এই শাস্তি যেনো দ্রুত
বাস্তবায়ন হয়।
ও আরেকটি কথা, আপনারা সবাই জানেন, কীভাবে ফাঁসি দেয়।
কিন্তু স্পেশাল পাওয়ার এক্ট, ১৯৭৪ এ ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে ফাঁসি কার্যকরের বিধান আছে। তবে অপরাধটি সেই আইনে হতে হবে।
সরকার চাইলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ এই বিধান যুক্ত করতে পারেন।
© Hasan Zahid
22/05/2026
পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের আগে আপনাকে গঙ্গা চুক্তি করতে হবে। তবে হ্যা যদি একটি বর্ষার পানি পদ্মা ব্যারেজ দিয়ে আটকে দেয়া যায় সেক্ষেত্রে সেটি পরীক্ষামূলকভাবে দেখা যেতে পারে যে, তাতে কার ক্ষতি বেশি! ভারতের না বাংলাদেশের?
তখন, বোঝা যাবে, পদ্মা গ্যারেজ আসলে সুফল আনছে নাকি কুফল। সেজন্য অবশ্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে হবে প্রথম ধাপে।
22/05/2026
সংবিধানের ৪২ নং অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণ। আপনি কি কখনো এভাবে পড়েছেন সংবিধানে ৪২ অনুচ্ছেদকে?
সংবিধানের বেসিকপাঠ।
হাসান জাহিদ
#সংবিধানের #বেসিকপাঠ
#সংবিধানেরবেসিকপাঠ
#হাসানজাহিদ
22/05/2026
ফ্রান্সের বিদ্যুৎ সেক্টরের জন্য এটি বড় ধাক্কা।
22/05/2026
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকট ও বাংলাদেশ
বাংলাদেশের ইসলামি ব্যাংকের একীভূতকরণ
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফোকাস + সম্পাদকীয়।
মেন্স মে সংখ্যার কন্টেন্ট।
MENs June 2026 শনিবার বাজারে পাওয়া যাবে।
22/05/2026
আসসালামু আলাইকুম পাঠক
শনিবার MENs June 2026 বাজারে আসবে। সকালে নীলক্ষেত, মিরপুর বাংলা বাজার পৌছাবে। সেদিনই ঢাকার বাইরে যাবে। আপনার নিকটস্থ লাইব্রেরী বলে রাখুন। প্রয়োজন হলে অগ্রীম পেইড করে রাখুন।
যেহেতু ইদ সামনে তাই লাইব্রেরীতে অর্ডার করে বা পেইড করে রাখলে দ্রুত নিয়ে যাবে।
সূচিপত্র রাতে আপলোড করা হবে।
আমরা আবার সম্পাদকীয় ধারায় ফিয়ে গিয়েছি। প্রতিটি সম্পাদকীয় সোর্সসহ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পাঠকদের বোঝানোর সুবিধার্থে হিন্টস যোগ করা হয়েছে। এই কাজটি আমি ২০১৯ সাল থেকেই করে আসছি।
আপনি, আপনারা দল বেধে গ্রুপ করে যদি ৬ মাস ৬টি সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে শেষ করতে পারেন তাহলে আপনার বিসিএস, ব্যাংক ও নন ক্যাডার প্রস্তুতিতে একটি শক্তিশালী ভিত্তি আসবে।
এবারের সংখ্যায় যা থাকছে।
১১টি ভাইভা সেট।
কনসেপচুয়াল ইস্যুজ ৩০টি
ফোকাস রাইটিং
ইম্প্রিক্যাল ইস্যুজ ও ফোকাস রাইটিং
আর্গুমেন্ট লেখার নিয়ম + ৪টি হট আর্গুমেন্ট।
অর্থনৈতিক সম্পাদকীয়
পরিবেশ ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পাদকীয়
কূটনৈতিক সম্পাদকীয়
অর্থনৈতিক সম্পাদকীয়
ইংরেজি সম্পাদকীয়
সিনিয়র অফিসার ২৪ এর ইংরেজি অংশের ব্যাখ্যা
সিনিয়র অফিসার ২৪ এর ফিনানশিয়াল ও ব্যাংকিং ১০টি প্রশ্ন বিশ্লেষণ
ব্যাংকিং টার্ম = বাংলা ও ইংরেজি
অনুবাদ ৬টি
ট্রান্সলেশন ১০০
গল্পে গল্পে ভোকাবুলারি ৮টি
অর্থনৈতিক ধারণা /টার্ম ১৫টি
কূটনীতি কোষ
ইংরেজি হেডলাইন এর বাংলা অনুবাদ
ডেইলি স্টার পত্রিকার ইডিওম ও ফ্রেইস
সংবিধানের বেসিকপাঠ
সংবিধানের সহজপাঠ
অডিট ক্যাডার সম্পর্কে বিস্তারিত
মোট পেজ ১৫২। A4 সাইজ। মূল্য ১০০ টাকা।।
22/05/2026
ASI নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
আবেদন করবেন। পরবর্তীতে ৭-১০ বছরের মধ্যেই এসআই হতে পারবেন। এরপর আবার ৭-১০ বছরের মধ্যে ইন্সপেক্টর হতে পারবেন। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিভাগীয় পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। এটিকে বলে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা। সর্বোচ্চ এসএসপি/সিনিয়র এএসপি পর্যন্ত যেতে পারবেন। তবে সবাই না। কিন্তু ইন্সপেক্টর পর্যন্ত হতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বশেষ একটি কথা বলেছেন, অবসরের সময় অনারারি একটি পদমর্যাদা দেয়া হবে। যেমন আপনি ইন্সপেক্টর হিসেবে অবসরে গেলে অনারারি এএসপি'র পদমর্যাদা দেয়া হবে।
এসএসপি: প্রথম শ্রেণি। গ্রেড-১
ইন্সপেক্টর : প্রথম শ্রেণি। গ্রেড-২
ইন্সপেক্টর এর মধ্য থেকেই ওসি নিয়োগ করা হয়।