রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের বাহ্যিক আকৃতি ও সম্পদ দেখেন না বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমলের প্রতি তাকান ।।
---(মুসলিম, মিশকাত হা/৫০৮৩)
•৷• Hijab •৷• পর্দা •৷•
۞প্রচার করো,যদি একটিমাত্র আয়াতও
হয় [?
۞۞ "প্রচার করো,যদি একটিমাত্র আয়াতও হয়" [সহীহ বুখারি ৩৪৬১] ۞۞
۞۞ ‘‘লক্ষ একটাই ইসলাম প্রচার করা’’ ۞۞
[[ আপনি শুধু সুযোগ করে দিন.......]]
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর।"
[সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৪১]
22/06/2024
এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।
............সূরা আল বাক্বারাহ:155 -
শাওয়াল মাসের ৬টি সিয়াম পালনের ফযীলত
=================================
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
‘‘যে ব্যক্তি রমযান মাসে ফরয সিয়াম পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসেও আরো ৬ দিন সওম পালন করল সে ব্যক্তি যেন সারা বছর ধরে রোযা রাখল।’’ (মুসলিম : ১১৬৪)
*কোন উযরবশত যদি ফরয রোযা কাযা হয়ে যায় তাহলে কাযা রোযা আগে রাখবে নাকি →সুন্নাতের ৬ রোযা আগে রাখবে?
কাযা রোযা আগে রাখবে। কারণ নফলের আগে কাযা রোজা পূরণ করে নেয়া আবশ্যক।
★শাওয়ালের ৬টি রোযা কি একাধারে রাখব, নাকি মাঝে বিরতি দেয়া যাবে?
→মাঝখানে বিরতি দেয়া যাবে। তবে একাধারে বিরতিহীনভাবে রাখলে সাওয়াব বেশি পাবে।
★শাওয়ালের ছয়টি রোযা পালন করার ক্ষেত্রে উত্তম পদ্ধতি কি?
→শাওয়ালের ছয়টি রোযা পালন করার ক্ষেত্রে উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে, ঈদের পর পরই উহা আদায় করা এবং পরস্পর আদায় করা। বিদ্বানগণ এভাবেই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। কেননা এতে রামাযানের অনুসরণ বাস্তবায়ন হয়। হাদীছে বলা হয়েছে “যে ব্যক্তি রামাযানের পরে পরে শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখে..।” তাছাড়া এতে নেক কাজ সম্পাদনে তাড়াহুড়া করা হল, যে ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া এতে বান্দার দৃঢ়তার প্রমাণ রয়েছে। দৃঢ়তা মানুষের পরিপূর্ণতার লক্ষণ। সচেতন বান্দা সুযোগ হাতছাড়া করে না। কেননা মানুষ জানে না পরবর্তীতে কি তার জন্য অপেক্ষা করছে। অতএব বান্দা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে চাইলে তাকে প্রতিটি নেক কর্মের দিকে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে সুযোগের সৎ ব্যবহার করতে হবে।
★ শাওয়ালে ৬টি রোযা উক্ত মাসে আদায় করতে পারে নি। পরের মাসে এগুলো কাযা করতে পারবে কি?
→না, এ সুন্নাত সিয়াম কাযা করার নিয়ম নাই।
★আমার জন্য কি শাওয়ালের ছয় দিনের সাওম ও হায়েয জনিত কারণে রমযানে ভঙ্গ হওয়া দিনগুলোর কাযা এক নিয়্যাতে পালন করা জায়েয?
→না, তা শুদ্ধ নয়, কারণ শাওয়ালের ছয় দিনের সিয়াম রমযানের ছুটে যাওয়া সিয়াম পুরোপুরি কাযা না করা পর্যন্ত শুরু হবে না।
★ শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখার জন্য কি ইচ্ছামত দিন নির্ধারণ করা জায়েয? নাকি তার জন্য কোন সময় নির্দিষ্ট করা আছে? এ দিনগুলো রোযা রাখলে কি উহা ফরযের মত হয়ে যাবে এবং প্রতি বছর আবশ্যিকভাবে রোযা পালন করতে হবে?
→এ ছয়টি রোযার জন্য কোন দিন নির্দিষ্ট করা নেই। মাসের যে কোন সময় রোযাগুলো রাখা যায়। চাই মাসের প্রথম দিকে হোক বা মধ্যখানে বা শেষের দিকে। লাগাতার হোক বা ভেঙ্গে ভেঙ্গে হোক- সবই জায়েয। বিষয়টি প্রশস্ত- সুযোগ সম্পন্ন (আল্ হামদুল্লিাহ্)। তবে রামাযান শেষ হওয়ার পর পরই মাসের প্রথম দিকে দ্রুত করে নেয়া বেশী উত্তম। কেননা এতে নেক কাজে প্রতিযোগিতা করা হল, যা কাম্য।
…
কোন বছর এ ছিয়াম পালন করবে কোন বছর করবে না তাতে কোন অসুবিধা নেই। কেননা এ ছিয়াম নফল ফরয নয়।
শাওয়াল মাসের ফজীলত কি কি
========================
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন:
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
‘‘যে ব্যক্তি রামাদান মাসের সিয়াম পালন করবে। এরপর সে শাওয়াল মাসে ৬টি সিয়াম পালন করবে, তার সারা বছর সিয়াম পালনের মত হবে।’’
মুসলিম, আস-সহীহ ২/৮২২
আশা করি আল্লাহ-র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এই নফল কিন্তু ফজীলতপূর্ণ ছিয়াম আমরা পালন করবো ইনশাআল্লাহ্।
আর যদি অসুস্থতাজনিত বা অন্য কোন সমস্যার জন্য নাও পারেন তবে মন খারাপ করবেন না।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন,
"যে ব্যক্তির সর্বশেষ বাক্য হবে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্' (অর্থ- নেই কোন
উপাস্য আল্লাহ্ ছাড়া), সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে॥"
~(আবু দাউদ, মিশকাত: হাদিস নং- ১৬২১)~
সামিআল্লা হুলিমান হামিদা নাকি সামিআল্লাহ লিমান হামিদা কোনটি সঠিক?প্র্যকটিক্যালি দেখুন।
___√মোখলেছ বিন আরশাদ মাদানী।
www.facebook.com/Official.Mokhles
30/07/2023
বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?
•
এক মহিলা নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, "ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ - রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম। কিন্তু এখন বিয়ের পর আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না!"
•
নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, "হে আমার মুসলিম বোন তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী?"
•
মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, "শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছেন!"
•
শাইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন, "আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ পায়না, আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না। কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবে না।"
•
[ সহীহ আত তারগীব ১৯৩৯ ]
copy post
بَلِ اللّٰهُ مَوْلٰٮكُمْۚ وَهُوَ خَيْرُ النّٰصِرِيْنَ
আল্লাহ্ই তো তোমাদের অভিভাবক এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ সাহায্যকারী।
সূরা নম্বরঃ আল- ইমরান আয়াত নম্বরঃ ১৫০
وَمَا النَّصْرُ اِلَّا مِنْ عِنْدِ اللّٰهِ الْعَزِيْزِ الْحَكِيْمِ আর সাহায্য শুধু আল্লাহর পক্ষ হতেই হয়ে থাকে, যিনি অতীব সম্মানী, প্রজ্ঞাময়।
সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ১২৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
@[538568266164321:]