Rakib Sir: NTRCA & Primary Help Line

Rakib Sir: NTRCA & Primary Help Line

Share

একজন শিক্ষক শুধুমাত্র মানুষের কাছে না, বরং গোটা সৃষ্টিজগতের কাছে সম্মানিত।
শিক্ষকতা শুধু পেশায় নয়, এইটা একটা মহান দায়িত্ব। 🥰

28/05/2026

কুরবানি আর মাংস খাওয়ার ফাঁকে সময় পাইলে ভারতের ঈদের দিনের ভিডিওগুলো একটু দেইখেন।

কোলকাতায় পুলিশ মাইক নিয়ে ঘোষণা দিচ্ছে, প্রকাশ্যে বা গোপনে গরু কুরবানি করা যাবে না।

ব্যাঙ্গালোরের কোর্ট বলসে গরু কুরবানি না করলেও ঈদ হয়, সো, রাজ্যে গরু কুরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুরবানি তো দূরের কথা, ২৯ টা রাজ্যে ঈদের নামাজ পড়তে যায়নি বহু ভারতীয় মুসলমান, জানের ভয়ে।

৪৭ এ কোন দেশভাগ হয় নাই, ৪৭ এ আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।

আমাদের কুরবানির স্বাধীনতা,

আমাদের জমির স্বাধীনতা,

আমাদের উৎসব, পার্বণ আর রিজিকের স্বাধীনতা।

৪৭ আমাদেরকে আল্লাহ তায়ালার দেওয়া চমৎকার এক নেয়ামত।

এই নেয়ামতের শুকরিয়া কইরেন, কৃতজ্ঞ হয়েন যে আজ আমার বা আপনার কুরবানি করা বা নামাজ পড়া নিয়ে ভয় পেতে হচ্ছে না।

ঈদ মানেই আত্মীয় স্বজন আর আপনজনদের স্মরণ করা, তাদের জন্য দোয়া করা।

আমরা যেন আমাদের স্বজন,

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক বা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ ৪৭ এর নায়কদের ভুলে না যায়।

বাপ দাদাদের থেকে আমরা পাই ভিটা, বাড়ি, জমি, তাতেই আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ থাকে না।

জিন্নাহ, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীরা আমাদের দিয়ে গেছেন স্বাধীনতা। মুক্তি। আমাদের পরিচয়।

আর সবকিছুর মতোই স্বাধীনতাও আল্লাহর একটা নেয়ামত। আর আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের অমর্যাদা করলে আল্লাহ সেই নেয়ামত তুলে নেন।

এই পরিচয়, এই পাওয়া আর এই সম্মানের সাথে বাঁচার এই কৃতজ্ঞতা যেন আমরা প্রতি মুহূর্তে ফিল করি।

ঈদ মুবারক।

Sadiqur Rahman Khan

27/05/2026

৭টি বিষয় 👉👉

26/05/2026

পাকিস্তান আমলে বেসরকারি শিক্ষকেরা সরকারি কোষাগার থেকে মাসিক মাত্র পাঁচ টাকা মহার্ঘ ভাতা পেতেন।

১৯৫৭ বা ১৯৫৮ সালে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ব্যাপক শিক্ষক আন্দোলন হয় যার ফলে ভাতার পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়িয়ে মাধ্যমিকের শিক্ষকদের ১৫ টাকা ও কলেজের শিক্ষকদের ২০ টাকা করা হয়।

ষাটের দশকে কলেজ শিক্ষকেরা মাসিক ৩০ টাকা ও মাধ্যমিকের শিক্ষকেরা ২০ টাকা সরকারি অনুদান পেতেন।

স্বাধীনতার পর শিক্ষকদের ভাগ্যের বিশেষ উন্নতি হয়নি তবে অনুদান কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে কলেজ শিক্ষকেরা ৫০ টাকা ও স্কুল শিক্ষকেরা ৩০ টাকা পান।

১৯৭৭ সালের সংস্কার হিসেবে শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা প্রায় দ্বিগুন করা হয় কলেজের শিক্ষকেরা ২০০ টাকা ও মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকেরা ১১০ টাকা ভাতা পেতে শুরু করেন।

১৯৮০ সালে প্রথম বারের মতো বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাদের বেতনের ৫০ শতাংশ সরকারি তহবিল থেকে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৮২ সালে ১৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা চালু হয় যা ১৯৮৩ সালে শিক্ষকদের দাবির মুখে বেড়ে ৩০ শতাংশ হয়।

১৯৮৪ সালে এমপিও প্রথার সূচনা হয়।

সরকারি অংশ সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া শুরু হয়, যা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি বা কলেজের গভর্নিং বডির একচ্ছত্র আধিপত্য কমায় ও চাকরির নিরাপত্তা বাড়ায়।

১৯৮৬ সালে মেডিকেল ভাতা ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় উন্নীত করা হয় এবং সরকারি বেতনের অংশ ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করা হয়। সেই সাথে শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য একটি কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

নব্বই এর দশকের আন্দোলনের তীব্রতা ও অগ্রগতিতে ১৯৯৪ সালে ১০০ শতাংশ বেতনের দাবিতে একটি শক্তিশালী আন্দোলন হয় যাতে পাবলিক পরীক্ষা বর্জন ও হরতালের মতো কঠিন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই আন্দোলনের ফলস্বরূপ ১৯৯৪ সালে মেডিকেল ভাতা ১৫০ টাকায় উন্নীত করা হয় এবং টাইম স্কেল দেওয়া হয়।

১৯৯৫ সালে সরকারি বেতনের অংশ আরো ১০ শতাংশ বেড়ে ৮০ শতাংশ করেন তৎকালীন বিএনপি সরকার।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৭ সালে সিদ্ধান্ত নেন বেসরকারি শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার।

বেতনের সরকারি অংশ সরাসরি শিক্ষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা, যা অনিয়ম দূর করে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। এই দশকে শিক্ষক সংগঠনগুলো একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে, যা আন্দোলনের একতাকে দুর্বল করে।

২০০০ সালে একটি গোল টেবিল বৈঠকের মাধ্যমে সরকারি বেতনের অংশ ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হয়।

২০০২ সালে আরো ২টি বড় অর্জন হয়-বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অবসর সুবিধা চালু করা হয়, উৎসব ভাতা চালু করা হয় (শিক্ষকদের ২৫%, কর্মচারীদের ৫০%) বিএনপি সরকারের আমলে।

শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৬ সালে সরকারি বেতনের অংশ ১০০% করা হয় তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে যা একটি ঐতিহাসিক মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়।

পরবর্তী ২০১২-১৩ সালে বাড়ি ভাড়া ৩০০ টাকা ও মেডিকেল ভাতা ৩০০ টাকায় উন্নীত করা হয়।

২০১৫ সালে বেসরকারি শিক্ষক -কর্মচারীরা অষ্টম জাতীয় পে স্কেলের অন্তর্ভুক্ত হন।

২০১৬ সালে বাড়ি ভাড়া ১ হাজার টাকায় ও মেডিকেল ভাতা ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয়।

পরিবর্তে ইএফটি চালু করা হয়।

২০২৫ সালে শিক্ষকদের আন্দোলনের ফল স্বরুপ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাড়ি ভাড়া শতকরা হারে প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যা ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস হতে বেসিকের ৭.৫ শতাংশ

এবং ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে জুলাই মাস হতে অতিরিক্ত আরো ৭.৫ শতাংশ অর্থাৎ ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পাবেন।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন পাচ্ছেন। বাড়ি ভাড়া ২০২৬-২৭ অর্থ বছর থেকে ১৫ শতাংশ পাবে, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা, উৎসব ভাতা বেসিকের ৫০ শতাংশ, বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ পাচ্ছেন যদিও সরকারি শিক্ষকদের সাথে তুলনা করলে পাহাড় সম বৈষম্য রয়ে গেছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি ক্যাম্পাস

26/05/2026

ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ইবতেদায়ি শিক্ষকদের!

25/05/2026

🔥প্রাইমারি আপডেট!

নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ শুরু জুলাইয়ে, যোগদান অক্টোবরে।

25/05/2026

৭ দিনে প্রায় ৮-১০ লক্ষ টাকা বিকাশ-নগদ থেকে ইনকাম! অবশেষে বাঙালির আবেগের উপরে হি'সু দিলো প্রতা'রক মীম..মীম দেখাতো পেড়ে ডিম...

১. প্রথমত মীমের ক্যা'ন্সার হয়নি। (অন্য রোগ)

২. নিউজে একটি বিয়ের কথা মিথ্যা বলেছে। মীম বিবাহ করেছিল দুটি।

৩. প্রথম স্বামীর সাথে থাকাকালীন বিবাহবহির্ভূত নানা সম্পর্কে জড়ায়। ফলে প্রথম স্বামীর সাথে সংসার ভাঙে।
(প্রথম স্বামী লক্ষাধিক টাকা খরচ করে মীমের চিকিৎসাও করিয়েছিলেন।)

৪. দ্বিতীয় বিয়ে করে সেখানেও সংসার ভেঙে দেনমোহরের টাকা আদায় করে নেয়।

৫. দুরারোগ্য ক্যান্সারের নামে আর্থিক সহায়তা চেয়ে দেশের মানুষের আবেগের সাথে প্রতারণা করেছে।

৬. সর্বমোট টাকা ট্রানজেকশনের সঠিক হিসাব নিয়েও মিথ্যাচার করে চলছে।

৭. সহায়তার টাকা পেয়েই মেতেছে ভোগবিলাসে। মীম ও তাঁর ভাই ক্রয় করেছে দামী ফোন।

বাঙালি যাদেরকে একটু বিশ্বাস করে সহযোগিতা করে দিনশেষে সবাই বাঙালির আবেগের উপর হি*সু দেয়।

24/05/2026

"এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ছাড়া অন্যান্য খাতের প্রায় সবাই মে মাসের বেতন পেয়ে গেছেন।"

24/05/2026

#টিউশনির গল্প...
২ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কুরবানি দিবে ঠিকই। কিন্তু টিউশনের বেতন ২০০০ টাকা দিবে ঈদের পরে।
তাই আজকে বলে আসলাম ঈদের আগে টাকাটা পাঠিয়ে দিয়েন। আর আমি আপনার বাচ্চাকে পড়াতে পারব না।
শাবাশ, সবাই শিক্ষককে সস্তা মনে করে।
#সংগৃহীত

22/05/2026

এই অপবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।

22/05/2026

📢 অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান!
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) অনলাইন বদলি সফটওয়্যার চালুর নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।

✅ এখন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য ইনপুট, যাচাই ও অনুমোদনের কাজ সম্পন্ন হবে।
✅ এতে বদলি প্রক্রিয়া হবে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও দ্রুত।

🔗 সফটওয়্যার লিংক: কমেন্ট বক্সে

🗓️ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা:
📌 তথ্য ইনপুট প্রতিষ্ঠান প্রধান: সময় সীমা ১০ জুন ২০২৬
📌 যাচাই কার্যক্রম: ১৮ জুন ২০২৬
📌 চূড়ান্ত অনুমোদন: ৩০ জুন ২০২৬

শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়নের পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। ❤️
#বদলি
Rakib Sir: NTRCA & Primary Help Line
আলহামদুলিল্লাহ।।

21/05/2026

আরো রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন না করে,
মায়া করে সাজিয়ে রাখুন।
আর সেই কুকুর কামড়ে কত মানুষের জীবন নিবে,
তার কোন শেষ নেই ।

সম্প্রতি গাইবান্ধায় কুকুড়ের কামড়ে যে ৫ জন মারা গিয়েছে, তারা কিন্তু ভ্যাকসিন নিয়েছিলো।
সরকারী ভ্যাকসিন নয়, ফার্মেসীর দোকান থেকে কিনেছিলো।
কিন্তু তারপরও তারা রক্ষা পায়নি।

বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, জলাত্মঙ্ক ভ্যাকসিন নেয়ার পরও কুকুড়ের কামড়ে মানুষ মারা যায়, এর কয়েকটি কারণ হতে পারে-
১. ভ্যাকসিন সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়নি।
২. ভ্যাকসিন দিতে দেরি হয়ে গেছে।
৩. যে স্থানে ভ্যাকসিন দেয়া দরকার, সেখানে দেয়নি।
৪. জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দিয়েছেন ঠিক, জলাতঙ্ক হয়নি, কিন্তু কুকুড়ের কামড়ে আরো বিভিন্ন ধরনের প্রাণঘাতি রোগ হয়। যেমন- ক্যাপনোসাইটোফাগা, টিটেনাস, সেপসিস।
সুতরাং কেউ যদি ভাবে টিকা দিলেই তার প্রাণ রক্ষা হয়ে গেছে, সেটাও ভুল।

একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে রাস্তায় এভাবে বেওয়ারিশ কুকুর থাকে না। বাংলাদেশে শুধুমাত্র কুকুরপ্রেমীদের কথা চিন্তা করে সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঢেলে দেয়া হয়েছে। আপনি শুধু এক মহাখালী জলাতঙ্ক হাসপাতালে যান, বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষ বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হচ্ছে, কিন্তু দেখার কেউ নেই। অনেক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, কিন্তু সরকারের কাছে কোন হিসেব নেই। সারা দেশের হিসেবে কারো কাছে নেই।

সমস্যা হচ্ছে, আমাদের দেশে নীতি নির্ধারকরা রাস্তায় সাধারণ মানুষের মত রাস্তায় হাটে না, গাড়ি দিয়ে চলাচল করে। তাই বেওয়ারিশ কুকুর কী সমস্যা তৈরী করে, সেটা তাদের জানা নেই। তাদের গাড়ি চলাচলের সময় রাস্তার হকার কিংবা অটোরিকশা সমস্যা তৈরী করে। এজন্য সেগুলো দমনে প্রায় অভিজান হয়। কিন্তু বেওয়ারিশ কুকুর তাদের জন্য কোন সমস্যা হয় না, তাই সেখানে কোন প্রতিকারও নেই।

#সম্রাট_শাহরিয়ার_দাদু_টিম_মধুদার_আপডেট

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka