L.L.B final রেজাল্ট পরবর্তী করণীয় দুইটি
🔴 ইন্টিমেশন জমা দান পদ্ধতি
🔴 বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি
যারা এবার এলএল.বি পাশ করেছেন
তাদের ইন্টিমেশন জমা :
সাধারণত এল এল,বি রেজাল্ট প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে স্ব স্ব কলেজে সার্টিফিকেট ও মার্কশিট চলে আসে।
সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অনেকে অনলাইন থেকে মার্কশিট প্রিন্ট নিয়ে ইন্টিমেশন জমা দেন। পূর্বে এমন নিয়ম থাকলেও বর্তমানে নেই। যদি কেউ এভাবে জমা দেয় তাহলে তার টাকা ও সময় উভয়ই বৃথা হয়ে যাবে। অর্থাৎ তাকে আবার ইন্টিমেশন জমা দিতে হবে।
👉সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে আসার পূর্বে নিম্নে কাগজপত্র রেডি করুন :
১। পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৫ কপি (কালো কোর্ট, টাই ও সাদা শার্ট পরিহিত)। ৪ কপি ফরমের সাথে এবং ১ কপি এফিডেভিট এর সাথে দিতে হবে।
২। এস.এস. সি’র সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৩। এইচ.এস. সি’র সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৪। ডিগ্রি / অনার্স এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৫। মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি। (যদি মাস্টার্স না থাকে তাহলে প্রয়োজন নেই)
৬। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
৭। এলএল.বি এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
👉উপরের কাগজ-পত্র প্রস্তুত করার পর (এলএল.বি এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে পাওয়ার পর) করনীয় কাজকে আমরা কয়েকটি পর্যায়ে ভাগ করে উল্লেখ করতে পারি-
প্রথম পর্যায় : প্রথমে বার কাউন্সিল ওয়েবসাইট প্রবেশ করে ফর্ম পূরন করতে হবে । ফর্মটি প্রিন্ট দিতে হবে।
দ্বিতীয় পর্যায়: এ পর্যায়ে একজন সিনিয়রের নিকট যেতে হবে। সিনিয়র এমন একজনকে করতে হবে যিনি আইনজীবী হিসেবে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞ। ফরমে সিনিয়রের কিছু তথ্য আছে তা লিখতে হবে। অতপর সিনিয়র সকল কাগজ-পত্র, ছবি ইত্যাদি সত্যায়িত করবেন।
তৃতীয় পর্যায় : সিনিয়রের কাজ শেষ হলে সমস্ত কাগজ-পত্র ফটোকপি করতে হবে। এবার মূল সেট এবং ফটোকপি উভয় সেট নিয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অফিসে জমা দিতে হবে। সেখানে অফিস মেইনকপি রেখে দিবে এবং ফটোকপিতে রিসিভ সিল মেরে আপনাকে দিয়ে দিবে। রিসেভ কপি নিয়ে চলে আসুন। আপনার কাজ শেষ।
চতুর্থ পর্যায় : ৬ মাস অপেক্ষা করুন। আপনি নিজেই ওয়েবসাইট গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পেয়ে যাবেন, এবং সেটা ডাউনলোড করে নিবেন।
পঞ্চম পর্যায় : রেজি: কার্ড হাতে পাওয়ার পর বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফরম ফিল-আপের নোটিশ দিলে আপনি ফরম ফিল-আপ করতে পারবেন এবং পরীক্ষা দিতে পারবেন।
NU L.L.B Batch 2021-22
Justice delayed is justice denied
15/07/2025
প্রয়োজনীয় নমুনা ফরমেট গুলো আপনি সংগ্রহ করে রেখে দিন। আপনি নিজেই মামলা লিখতে পারবেন নমুনা ফরমেট থেকে ধারনা নিয়ে। আমাদের কাছে পাচ্ছেন প্রায় ৪০+ নমুনা 🔥 ওয়ার্ড ফাইল যা ইডিট করে নিজের নামে ব্যবহার করতে পারবেন 🖋️
☑️ নিন্মে লিস্ট দেওয়া হলো 👇
✅ জেল হাজতে আটক আসামীর জামিনের আবেদন নমুনা
✅ কারাদন্ড ও জরিমানা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নমুনা
✅ বাদীর অভিযোগ পত্রের বিরুদ্ধে নারাজীর দরখাস্ত নমুনা
✅ সরোজমিনে তদন্ত নোটিশ নমুনা
✅ সনদ হারানো সাধারণ ডায়েরী নমুনা
✅ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদন এ্যাফিডেবিট নমুনা
✅ গ্রেফতারী সমন/পরোয়ানা জারী নমুনা ওয়ারিশনামা
✅ লিগ্যাল নোটিশ নমুনা
✅ চেকের অভিযোগ নমুনা
✅ সময়ের আবেদন নমুনা
✅ বিবাহ হলফনামা নমুনা
✅ জামিননামা নমুনা
✅ নথি উত্থাপন নমুনা
✅ পারিবারিক মামলা নমুনা
✅ নোটিশ নমুনা
✅ মুচলেকার আবেদন নমুনা
✅ চেকের মামলার নমুনা
✅ ফৌজদারী মামলা নমুনা
⭕ এছাড়াও রয়েছে 250+ প্রয়োজনীয় ওয়ার্ড ফাইল।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে এসএমএস করুন
দলিলে ব্যবহার্য গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি
শব্দের পূর্ণরূপ :
১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি
সাক্ষ্য আইন:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মোকদ্দমায় কোন ঘটনা প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট কোন সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না [No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any factl.
সুতরাং, কোন মামলায় তা দেওয়ানী বা ফৌজদারী যা হোক না কেন, তা প্রমাণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীন প্রয়োজন নেই। সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই বলা হয়নি বরং নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই বলা হয়েছে। ১৩৪ ধারার ফলাফল হলো, কোন মামলায় একমাত্র সাক্ষীর সাক্ষ্য যদি নির্ভরযোগ্য, সত্য ও বিশ্বাসযোগ্য হয় হয়, তা কোন বিষয় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথেষ্ট হবে। তাছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধি ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্টেট এবং সেশন আদালত কোন সাক্ষ্য ছাড়ায় দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে শাস্তি দিতে পারে।
I got 10 reactions and comments on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.