09/01/2026
আজকের প্রাইমারি পরীক্ষার প্রশ্ন। আপনি পরীক্ষা দিলে কত পেতেন?
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anwar Job Academy, Educational consultant, Dhaka.
♣ 40th BCS Cadre ♣ Former Assistant Keeper(9th Grade) Bangladesh National Museum. বিসিএস, ব্যাংক, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন এবং সকল সরকারি চাকরির স্মার্ট প্রস্তুতি নিতে সাথেই থাকুন।
09/01/2026
আজকের প্রাইমারি পরীক্ষার প্রশ্ন। আপনি পরীক্ষা দিলে কত পেতেন?
আমার দেখা মতে, যারা খুব বেশি পড়াশুনা করে, তারাই পিছিয়ে থাকে।
স্মার্টরা সবসময়ই কম এফোর্টে বেশি ফসল তোলায় মনযোগী।
ফেউ লাগা
"ফেউ লাগা" বলে বাংলা ভাষায় একটা বাগধারা আছে। বাঘের পিছে পিছে থেকে বাঘকে অনবরত বিরক্ত করে বাঘের উপস্থিতি জানান দেওয়া শিয়ালকে ফেউ বলে। অর্থাৎ শৃগালই (শিয়াল) ফেউ।
কেউ যখন লাগাতার সমস্যার মধ্য দিয়ে যায় কিংবা কেউ যখন কাউকে নিরন্তর উত্যক্ত করতে থাকে তখন এ অবস্থাকে বর্ণনা করতে "ফেউ লাগা " বাগবিধিটি ব্যবহৃত হয়।😃
30/11/2025
৫০তম বিসিএস থেকে বদলে যাচ্ছে মানবন্টন...
প্রিলি, রিটেন ও ভাইভা সবখানেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভাইভাতে ১০০ রাখা হয়েছে।
৪৫তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল। ১৮০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশ। সবাইকে অভিনন্দন 🎉
প্লিজ বই নিয়ে বসুন..
দেশে নানান ইস্যু আসবে - যাবে।
এসব নিয়ে মাথা আপনার না ঘামালেও চলবে, যদি আপনি একজন চাকরি প্রত্যাশি হয়ে থাকেন।
দিনশেষে, মানুষ আপনাকে মূল্যায়ন করবে আপনার অবস্থানের উপর।
৪৯তম বি.সি.এস. পরীক্ষা-২০২৫ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ। চূড়ান্ত মনোনীতদের অভিনন্দন।
যখন ইন্টারমেডিয়েটে স্টার মার্কস পেয়ে সরকারী মেডিকেলে টিকলাম আর কলেজ বন্ধু ইন্টারে 1st Devision পেয়ে মনের দু:খে সায়েন্স বাদ দিয়ে বিবিএ তে ভর্তি হলো তখন নিজেরে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রতিভাবান কুতুব মনে হইতো । বুকের শিনা হুদাই ফুলায়া হাঁটতাম , দরকার ছিলোনা , তাও ফুলাইতাম ।
আজকে ২১ বছর পর সেই বন্ধুই কয়েকশো কোটি টাকার মালিক । প্রতিভা দিয়েই অর্জন করেছে , চুরি করেনি , তার কাজে সে শতভাগ ডেডিকেটেড ।
যেই বন্ধু সায়েন্সে রেজাল্ট একটু খারাপ করে বুয়েটে চান্স না পেয়ে বিদেশে পাড়ি জমালো , সে আজ রোবট বানায় , একটা দুইটা না ...... ম্যালা রোবট তার প্রোগ্রামেই তৈরি হয় ।
যেই বন্ধু পাবলিক হেলথে MPH করবে শুইনা দাঁত কেলাইলাম - বহু ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ পেপারে এখন তার নাম প্রথমেই দেখতে পাই ।
আজকে নিজেরে আমি আর প্রতিভাবান মনে করিনা । মনে মনে ধরেই নিছি - আমার চেয়ে বহুত বড় কুতুব আছে দুনিয়ায় । সাফল্য হলো দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় লব্ধ ফলাফল , সাময়িক অর্জন না ।
এই কাহিনী বা গল্প শোনানোর মোরাল হইলো -
‘ Success is not always what you see through your shameless eyes ! ‘
জীবন মানেই মেডিকেল , বুয়েট , বিসিএস না ।
জীবনের পদে পদে , অলিতে গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সাফল্য । মোটা ফ্রেমের কুতুবী চশমায় এসব সাফল্য ধরা পড়েনা । সাফল্য আহরণ করতে শেখো।
-আসিফ সৈকত।
এক্সট্রা অর্ডিনারি কিছু করতে হলে এক্সট্রা অর্ডিনারি পরিশ্রমের বিকল্প নেই।
৪৯তম বিসিএসে কোন বিষয়ে কতজন পরীক্ষা দেবে:
👇👇👇👇👇
★ বাংলা: ২২৮৬৩
★ ইংরেজি: ৩০৮১৮
★ রাষ্ট্রবিজ্ঞান: ২২২২২
★ সমাজবিজ্ঞান: ৮৭২২
★ সমাজকল্যাণ : ৬৪৯৬
★ অর্থনীতি: ২০৮৯৭
★ গাহর্স্থ্য অর্থনীতি: ১৮৮২
★ ইসলামের ইতিহাস: ৭০৩১
★ ইসলাম শিক্ষা : ৭০৬৭
★ ইতিহাস: ৮৪৮৬
★ দর্শন: ৬৭৩৫
★ কৃষি শিক্ষা: ৫৫৫৪
★ ভুগোল: ৪৮৯০
★ মার্কেটিং: ৫৭৩৩
★ মনোবিজ্ঞান: ২১১৮
★ পরিসংখ্যান: ৪৫৪৮
★ হিসাববিজ্ঞান: ২৬১৪৯
★ ব্যবস্থাপনা : ১৯৩৭৫
★ ফিন্যান্স : ৯২৪৩
★ গনিত: ২০২৪৪
★ রসায়ন: ১২০৭৫
★ কম্পিউটার সায়েন্স: ১১১৯৪
★ প্রানিবিদ্যা: ১০০৮২
★ পদার্থ বিদ্যা: ১০৯৯৪
★ উদ্ভিদ বিদ্যা: ১০৮৮৪
★ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : ২৩৭৯
★ ইলেকট্রনিক এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার : ৫৭০২
★ খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান : ১২৩৩
★ ফলিত রসায়ন: ৯২৬
★ প্রান রসায়ন: ১১৫২
★ফলিত গনিত: ৭৮৬
★ মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান: ৪৬
★ ভূ-তত্ত্ব: ২৬
★ সমুদ্র বিদ্যা: ২২
★ সংস্কৃত: ৫৯২
সংগৃহীত
কার বিষয় কোনটি ? কমেন্ট করুন
28/09/2025
১৯১৯ সালের ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞানের প্রশ্ন।
পড়া মনে থাকে না কেন?
শিক্ষার্থী বা চাকরিপ্রার্থীদের থেকে আমি সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটা শুনি, সেটা হলো পড়া মনে থাকে না। অনেক পরীক্ষার্থীকেই দেখি প্রচুর পড়াশুনা করতে কিন্তু তাদের আউটকাম একেবারে হতাশ করার মত।
এ বিষয়গুলো আমাকে কষ্ট দেয়।
আসলে আমরা অনেকেই যেভাবে পড়াশুনা করি তাতে পড়া মনে না থাকাটাই স্বাভাবিক। আমরা আমাদের ব্রেইনের স্টোরেজ সিস্টেমটাই বুঝি না আসলে। আমাদের ব্রেইন অনেকটা আলমারির মত। এখানে এলোমেলো ভাবে তথ্য স্টোর করলে কিন্তু যথাসময়ে যথার্থ তথ্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। ঠিক যেভাবে আলমারিতে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভরে স্তূপ করে রাখলে প্রয়োজন মাফিক জিনিসটি খুজে পাওয়া যায় না, সেরকম। সুতরাং এই আলমারির মতই আমাদের ব্রেনেও তথ্যগুলো সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে হয়।
প্রশ্ন হতে পারে, সেটা কিভাবে সম্ভব?
উত্তরটা হলো, আমাদের কোনোকিছু পড়া শুরু করার আগে একটা পরিকল্পনা করে নেয়া প্রয়োজন যে আমি ঠিক কি কি বিষয় পড়বো? কোথা থেকে পড়বো? কতটুকু পড়বো? এবং এটা পড়ে আমি আসলে ঠিক কোন বিষয়গুলো শিখতে যাচ্ছি- তা পড়া শুরুর আগেই একটুখানি মাথায় ক্যালকুলেট করে নিতে হবে। ব্রেইনকে আপনার পরিকল্পনাটা বুঝাতে হবে।
এইতো গেলো পরিকল্পনার কথা। তারপর যে ব্যাপারটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো শুরুতেই কোনো টপিক আগা থেকে গোড়া পড়া যাবে না। এই জায়গাটাতে আমরা অধিকাংশই ভুল করে থাকি। আসলে আমাদের বুঝতে হবে, এভাবে পড়লে আমাদের ব্রেইন পুরো বিষয়টা এবজর্ব করার বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে যাবে। আমরা যখন কোনো বিষয়ে অধিক মনযোগী হই তখন আমাদের মস্তিষ্কে অতিরিক্ত অক্সিজেন ব্যয় হয়ে একটা সময় অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয়। আর মস্তিষ্কের অক্সিজেন স্বল্পতাই আমাদের হাই তোলা বা ঘুমের প্রধান কারণ।
একটু খেয়াল করলে দেখবেন, কোনো উপন্যাস বা মজার গল্প পড়ার সময় কিন্তু আমাদের ঘুম আসে না।
কিন্তু কেন? এর উত্তরটা হল, গল্প বা উপন্যাসে যে শব্দ, চরিত্র বা কাহিনীর উল্লেখ থাকে সেগুলোর সাথে আমাদের মস্তিষ্ক আগে থেকেই পরিচিত থাকে। যার ফলে সেগুলো পড়ার সময় আমাদের ব্রেইন বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই নেয়। অতিরিক্ত মনযোগী হয়ে অধিক অক্সিজেন খরচ করে না। ফলে আমাদের ঘুমও আসে না।
এইবার আসি মূল কথায়, তাহলে কোনো টপিক পড়ার সময় আমাদের করণীয় কী?
উত্তরটা হলো, কোনো টপিক পড়ার সময় সেখান থেকে কিছু কীওয়ার্ড নির্বাচন করে সেগুলো ভালো করে বুঝতে হবে বা মুখস্থ করার বিষয় হলে মুখস্থ করে নিতে হবে।
তারপর সেই কীওয়ার্ডের উপর বেইস করে যদি আমরা পুরো টপিকটা পড়ি বা বুঝি তাহলে যেটা হবে আমাদের মস্তিষ্ক পুরো পড়াটাই মনে রাখতে পারবে। কারণ, মস্তিষ্ক রিলেশন বিল্ড করে তথ্য জমা করতে পছন্দ করে। অর্থাৎ, প্রথমে যে কীওয়ার্ডগুলো আপনি মুখস্থ করেছেন সেগুলোর সাথে সে অতিরিক্ত তথ্যগুলো রিলেট করে সহজেই যেকোনো বিষয় দীর্ঘদিন মনে রাখতে পারে।
এবার আসি, শেষ ধাপে। এই ধাপটা হলো ফিনশিং স্টেইজ। কোনো পড়া যখন শেষ হয়ে যায় বা এমন মনে হয়ে যায় যে এটা রপ্ত হয়েছে তখন আমরা আরো যে ভুলটা করি সেটা হলো সেখানেই চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দেই এবং অন্য টপিকে চলে যাই। এটা মারাত্মক ভুল একটি সিদ্বান্ত। আসলে তখনো ব্রেইনে পুরো বিষয়টার একটা ক্লিয়ার কাট পাথ তৈরি হয় নাই। সেটা করার জন্য আমাদের পুরো টপিকটা মনে মনে কয়েকবার রিক্যাপ করতে হবে। অর্থাৎ, নিজের কাছে নিজে বিষয়টা ব্যাখ্যা করতে হবে। যদি এটা সাকসেসফুলি করা যায় তবে বুঝতে হবে ওই টপিকটা আপনার আয়ত্বে এসে গেছে। এবার আপনার ব্রেইন নতুন টপিক শুরু করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।
এভাবে যদি আমরা পড়াশুনা করতে পারি তবে ইনশাআল্লাহ সহজেই আমরা অনেক বেশি পড়া অনেক কম সময়ে আয়ত্ব করতে পারবো। আল্লাহ আমাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিক। আমিন।
সবার জন্য শুভকামনা।