22/05/2026
https://youtu.be/cPaN-_039g0?si=_eFE_AeSsswqs6rc
দীপ্তি চৌধুরীর স্ট্রেইট কাট প্রশ্নে অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের উত্তর!
দীপ্তি চৌধুরীর স্ট্রেইট কাট প্রশ্নে অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের উত্তর!অনুষ্ঠান: সালাম স্টিল স্ট্রেইট কাটঅতিথি: অ.....
21/05/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন কর্তৃক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সুসংহতকরণ, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি, গবেষণা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম উপস্থাপন করা হলো:
______________
২১ মে ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান উপাচার্যের সভাপতিত্বে এটি ছিল প্রথম সিন্ডিকেট সভা। সভা শুরুর পূর্বে সিন্ডিকেটের সকল সদস্য উপাচার্য মহোদয়কে শুভেচ্ছা জানান।
______________
২০ মে ২০২৬
• দিনটির শুরুতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র ফ্যাকাল্টিদের জন্য চারদিনব্যাপী “ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং” কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। শহিদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। উদ্বোধন শেষে তিনি “Responsibilities and Professional Conduct of University Teachers” শীর্ষক প্রথম সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। আগামী ৮ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
• একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের ১২ তলায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপাচার্য মহোদয়। পরিদর্শনকালে সিঁড়ির বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি চলাচলে সুবিধার্থে ১২ তলার সিঁড়ির পাশের কলাপসিবল গেইটগুলো খোলা রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
• এদিন জ্বালানি সংকট পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রতি বৃহস্পতিবার চালু থাকা অনলাইন ক্লাস ও অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৭৯তম জরুরি সভায় সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়, ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আগামী ৭ জুন ২০২৬ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণাঙ্গভাবে সশরীরে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে যাবে।
• এছাড়া, ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ (IML)-এর ২০তম ও ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং ১৫তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য।
______________
১৯ মে ২০২৬
• এদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিবের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপাচার্য মহোদয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
• একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান কমিটির সভা এবং অর্গানোগ্রাম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
• এছাড়া চলচ্চিত্র শিক্ষার বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (BCTI) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে শহিদ সাজিদ একাডেমিক ভবনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালা শেষে আয়োজক প্রতিনিধিরা উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
______________
১৮ মে ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে পিএইচডি ও এমফিল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের দুইজন গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য মহোদয়।
• একই দিনে সমাজকর্ম বিভাগ-এর ২০তম ও ২১তম ব্যাচের নবীনবরণ এবং ১৩তম ও ১৪তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন উপাচার্য মহোদয়।
______________
১৭ মে ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ জকসু এবং বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়।
• একই দিনে জকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। উপাচার্য মহোদয় মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন।
• বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ শেষে নবায়নকৃত বিভিন্ন কক্ষের উদ্বোধন করেন উপাচার্য।
• এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব-এর আয়োজনে ‘ক্রিয়েটিভ ম্যানিয়াক ৩.০’ এবং ‘ট্রেন টু ট্রান্সফর্ম’ কর্মসূচির সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য মহোদয়।
______________
১৪ মে ২০২৬ থেকে ১৭ মে ২০২৬
• সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে বিভিন্ন জরুরি ফাইল ওয়ার্ক সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। ছুটির দিনেও তাঁর এ সক্রিয় সম্পৃক্ততা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতি দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতিফলন ঘটায়।
21/05/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভা আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে এটি ছিল প্রথম সিন্ডিকেট সভা। সভা শুরুর পূর্বে সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ উপাচার্য মহোদয়কে শুভেচ্ছা জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সানজিদা ফারহানা, আইন অনুষদের ডিন খ্রীষ্টিন রিচার্ডসন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল আলীম, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান, ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এবং সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন।
এছাড়াও, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজ আলিফ রুদাবা, যুগ্ম সচিব শারমিনা নাসরীন এবং এসডিএফের চেয়ারপার্সন ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
21/05/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন- এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা-এর শুভেচ্ছা
21/05/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন- এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা
20/05/2026
জবি মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটে নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজের (আইএমএল) ২০তম ও ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজের পরিচালক দেবাশিস বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের শিক্ষকবৃন্দ, নবীন শিক্ষার্থী এবং বিদায়ী ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও শুভকামনার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এখনও নানা সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। তবে সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত না বানিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের চোখেমুখে আমরা যে প্রতিভা, সম্ভাবনা ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছি, তা আমাদের আশাবাদী করে তোলে। আমরা এমন একটি প্রজন্ম চাই, যারা আমাদের চেয়েও বেশি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্ভাবনী ও পরিবর্তনের নেতৃত্বদানে সক্ষম হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বৈষম্য, কুসংস্কার ও বিভাজনমুক্ত একটি মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তরুণরাই সেই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উপাচার্য বলেন, তোমাদের বাবা-মা অনেক স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব এখন তোমাদের। নিজেদের যোগ্যতা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং দেশের জন্য অবদান রাখতে হবে।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে তারা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। তিনি বলেন, “তোমরা যেখানেই থাকবে, জবির প্রতিনিধি হিসেবেই পরিচিত হবে। তাই নিজেদের কাজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।”
বক্তব্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে “কৃতজ্ঞতার সংস্কৃতি” গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বীকৃতি ও শুভকামনার চর্চা না থাকলে কাজের আগ্রহ ও ইতিবাচক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এ মূল্যবোধ চর্চার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপাচার্য ‘যমুনা আন্দোলন’-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে আমরা সব সময় আন্তরিক। আন্দোলনের পর বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ঐক্যবদ্ধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, যমুনা আন্দোলনেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং বর্তমান উপাচার্যের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই সংগ্রাম ও আত্মপ্রতিষ্ঠার শিক্ষা লাভ করে। এই সংগ্রামী মনোভাব ভবিষ্যতে তাদের জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল হতে সহায়তা করবে। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সফল অ্যালামনাই হিসেবে ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার মোন্তাসির হাসান।
20/05/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুনিয়র ফ্যাকাল্টিদের চারদিনব্যাপী ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র ফ্যাকাল্টিদের জন্য চারদিনব্যাপী “ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং” কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২০ মে ২০২৬) শহিদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের মিনি কনফারেন্স রুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আগামী ৮ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি প্রথম সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে “Responsibilities and Professional Conduct of University Teachers” শীর্ষক আলোচনা উপস্থাপন করেন।
আলোচনায় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দায়িত্ব, কর্তব্য, জবাবদিহিতা, শিক্ষাগত দায়বদ্ধতা এবং সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শুধু জ্ঞানের উৎস নন, বরং সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতীক। শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মূল একাডেমিক দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে কার্যকর শিক্ষাদান, শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ, কোর্স পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কমিটিতে সক্রিয় সম্পৃক্ততা। একজন ভালো শিক্ষক শুধু দক্ষ শিক্ষার্থীই তৈরি করেন না, বরং মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষারও বিকাশ ঘটান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, আইকিউএসি আয়োজিত মানসম্মত ট্রেনিং সেশনগুলো নতুন শিক্ষকদের গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, নতুন ফ্যাকাল্টিদের এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠ সহজ ও বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেমন নিজস্ব মিশন ও ভিশন রয়েছে, তেমনি শিক্ষকদেরও ব্যক্তিগত দর্শন ও লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং তাদেরকে দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখতে হবে। সময়ানুবর্তিতা, আদর্শগত চর্চা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু লায়েকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জামির হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক মেজবাহ-উল আজম সওদাগর।
প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চারটি সেশনে বিভক্ত ছিল। দ্বিতীয় সেশনে ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া “History, Vision, Mission and Core Values of Jagannath University” শীর্ষক আলোচনা উপস্থাপন করেন।
তৃতীয় সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন “Jagannath University Act, Service Rules and Leave Rules” বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া শেষ সেশনে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম “Financial Rules and Administrative Procedures of Jagannath University” শীর্ষক বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
20/05/2026
ঈদুল আজহার ছুটির পর জবিতে বৃহস্পতিবারের অনলাইন ক্লাস বন্ধ, পুনরায় শুরু হচ্ছে সশরীরে পাঠদান
জ্বালানি প্রাপ্যতা সংকট দূর হওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারে চলমান অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ করে ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আগামী ৭ জুন ২০২৬ তারিখের পর থেকে সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাসসহ অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (২০ মে ২০২৬) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৭৯তম জরুরি সভায় উপস্থিত সদস্যদের প্রস্তাব ও মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন-এর সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, সকল অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বহিঃসদস্যবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক এবং গ্রন্থাগারিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে ব্যয় সংকোচন এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে আপদকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সদস্যকে দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। সুষ্ঠু ও ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এখন থেকে প্রতি মাসে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা আয়োজন করা হবে।
এছাড়াও সভার শুরুতে একাডেমিক কাউন্সিলের নতুন মনোনীত তিনজন সদস্যকে অভিনন্দন জানো হয়।