আদালতে দলিলের বিষয়বস্তুতে মৌখিক সাক্ষ্য কতটুকু প্রাসঙ্গিক?
Section 22 of the Evidence Act, 1872
Oral Admission as to the Content of the Documents
Sher E Alam Law School-SLS
⚖️ Bar Council & BJS Exam Preparation
YouTube
https://www.youtube.com/@SLS-Shohag
8801717180324
#অন্তর্বর্তীকালীনআদেশ
#দেওয়ানীকার্যবিধি
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
এম সি কিউ-২
২০২৩ সালের পারিবারিক আদালত আইনের ৫ ধারাতে পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ করা হয়েছে যা মূলত পাঁচটা বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়-
১. বিবাহ বিচ্ছেদ
২. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
৩.দেনমোহর বা মোহরানা
৪. ভরণপোষণ এবং
৫. শিশুদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধায়ন।
যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অবশ্যই মনে রাখতে হয়, সেই বিরোধটি যেন শুধুমাত্র একটি মোকদ্দমার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। যদি একই বিষয় নিয়ে একাধিক মোকদ্দমার সৃষ্টি হয় বা মামলার সূত্রপাত ঘটে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি পক্ষদের জন্য যেমন কল্যাণকর নয় তেমনি রাষ্ট্রের সময় ও সর্বপরি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকারক। একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদের মধ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত দেয়া কখনোই একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ নয়। এক্ষেত্রে আদালতের উপরে গণমানুষের আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে। তাই বলা যায়, একই বিষয় নিয়ে একাধিক মোকদ্দমা দায়ের করাকে মামলার বহুতা বলে। মামলার বহুতার ধারণাটি অনেক প্রাচীন হলেও ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধিতে এ বিষয়টি সংযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় এ নীতিটি অনুসরণ করা হয়। নানা রকম কারণে মামলার বহুতা হতে পারে। যেমন একটি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় একই পক্ষদের মধ্যে ঐ একই বিষয় নিয়ে আরেকটি মোকদ্দমা দায়ের করা কিংবা একই পক্ষদের মধ্যে যে মোকদ্দমা ইতোমধ্যেই নিষ্পত্তি হয়েছে সেই একই বিষয়ে সে পক্ষদের মধ্যে নতুন মোকদ্দমা আনয়ন করা মামলার বহুতার উদাহরণ হতে পারে।
মামলার যেন বহুতা তা না ঘটতে পারে এজন্যই দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১০, ১১ এবং ১২ ধারাতে এ বিষয়ে শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন হলেও ১০, ১১ এবং ১২ ধারার নীতিসমূহকে পদ্ধতিগত বিষয় বলা যায় না। বরং এ ধারাগুলো দেওয়ানী আদালতকে মোকদ্দমা পরিচালনা করার ক্ষেত্রে কিছু নীতিমালা বা তত্ত্বগত নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে প্রতিকার প্রদান করা যায়-
ক. পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণার মাধ্যমে
খ. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
গ. ক এবং খ
ঘ. কোনোটিই নয়
নিচের কোন প্রতিকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
ক. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
খ. চুক্তি প্রবল
গ. নিষেধাজ্ঞা
ঘ. স্বত্ব ঘোষণা
সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে দাবিদারকে অর্পণের মাধ্যমে যে প্রতিকার দেওয়া হয় তা কী?
ক. ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার
খ. দণ্ডমূলক প্রতিকার
গ. ক্ষতিকারক প্রতিকার
ঘ. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কী?
ক. পদ্ধতিগত আইন
খ. মূল আইন
গ. আন্তর্জাতিক আইন
ঘ. সবগুলো
উত্তর: ক
07/12/2024
Evidence Act, 1872-MCQ-Part-1।। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এম সি কিউ-পার্ট-১ Facebook Group-facebook.com/share/g/19kANWbPAhpage: facebook.com/profile.php?id=61569882265015Email: [email protected]: +88017171803...
Click here to claim your Sponsored Listing.