রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন:
কোনো মুমিনের সম্পদ তার অন্তরের সন্তুষ্টি ছাড়া গ্রহণ করা জায়েজ নয়।
যদি কেউ চাপ বা সংকোচে কিছু দেয়, অথচ অন্তরে দিতে না চায়—সেটা গ্রহণ করা বৈধ না।
কিন্তু সব “না” একরকম না—
কখনো বাহ্যিকভাবে না বললেও ভেতরে খুশি থাকে।
যেমন দাদা-নানার কাছ থেকে নাতিরা আদর করে নিয়ে নেয়—
এটা জোর না, এটা ভালোবাসার খেলা;
দিতে যেমন খুশি, নিতে তেমনই খুশি।
এই উদাহরণ থেকেই বোঝা যায়—
আল্লাহও বান্দাকে শুধু দিতেই চান না,
চান বান্দা যেন তাঁর কাছে চায়, আকুল হয়ে চায়।
হাদিসে আছে—
যে আল্লাহর কাছে চায় না, আল্লাহ তার ওপর অসন্তুষ্ট হন।
মূল কথা:
আল্লাহর দরবারে আমরা সবাই অভাবী—
যত বড়ই হই না কেন, তাঁর কাছে চাইতেই হবে,
কারণ চাওয়ার মধ্যেই বান্দার আসল সম্পর্ক প্রকাশ পায়।
#দ্বীন #ইসলাম #হাদিস #রিজিক #আল্লাহর_রহমত #দোয়া #ঈমান #ইসলামিক_শিক্ষা #হিদায়াত #আখিরাত
Islah
ওয়াজ নছীহত ও বয়ান প্রচারের একটি অঙ্গন
হাকীমুল উম্মত থানভী রহ. বলেন—
সন্তানকে শুধু স্কুল-কলেজে দিলেই দ্বীনের উপর রাখা যায় না।
তাকে আল্লাহওয়ালাদের ভালোবাসা ও সোহবতের সাথে যুক্ত করে যেতে হবে।
আপনি না থাকলেও সেই সম্পর্ক তাকে ধরে রাখবে,
সে সেই পথেই থাকবে, সেই মানুষদের কাছেই ফিরবে।
একটা সৎ সঙ্গ, একটা ভালো সম্পর্ক—
অনেক সময় হাজারো বইয়ের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে।
মূল কথা:
যারা নেক মানুষের সঙ্গ ধরে রাখে,
তাদের ঈমান আল্লাহ নিরাপদ রাখেন।
#দ্বীন #ইসলাম #সোহবত #আল্লাহওয়ালা #ঈমান #হাকীমুল_উম্মত #থানভী #ইসলামিক_শিক্ষা #নেক_সঙ্গ #হিদায়াত
বান্দার আসল সম্পর্ক (নিসবত) আল্লাহর সাথে।
কোরআন শুধু কিছু নির্দিষ্ট আমল শেখানোর জন্য নয়—বরং মানুষকে মুত্তাকী বানানোর জন্য নাযিল হয়েছে।
অর্থাৎ এই কোরআন এমন পথনির্দেশ, যা মানুষকে আল্লাহর প্রিয় বানায়, আল্লাহর সাথে যুক্ত করে।
তাই দ্বীন শুধু নামাজ, রোজা বা নির্দিষ্ট কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না—
মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহকে পাওয়া, তাঁর নৈকট্য অর্জন করা।
মূল কথা:
যে অন্তরে এই তৃষ্ণা জাগে—“যেকোনো কিছুর বিনিময়ে আমি আল্লাহকে চাই”—
সেই মানুষই আসলে কোরআনের আসল হিদায়াত পায়।
নিসবত মানে হলো আল্লাহর সাথে এমন সম্পর্ক, যেখানে বান্দা আর নিজের মতো চলতে পারে না।
আল্লাহ তাকে এক সীমার ভেতরে রেখে দেন—ভুল পথে পুরোপুরি যেতে দেন না।
যদি কখনো মানবিক দুর্বলতায় কোনো ভুল হয়ে যায়,
আল্লাহ তাকে সেই ভুলে থাকতে দেন না—তওবার তৌফিক দিয়ে ফিরিয়ে আনেন।
নবীগণ মাসুম—তাদের দ্বারা গুনাহই হয় না।
আর আল্লাহওয়ালারা মাহফুজ—ভুল হলে সাথে সাথেই সংশোধনের সুযোগ পায়।
মূল কথা:
যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তাকে গুনাহের মধ্যে পড়ে থাকতে দেন না—বরং দ্রুত নিজের দিকে ফিরিয়ে নেন।
সব বাহ্যিক দৃষ্টিতে অনেক কিছুই একরকম মনে হতে পারে, কিন্তু আসল পার্থক্য তৈরি করে তার ভিতরের বাস্তবতা ও আন্তরিকতা।
এই বয়ানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে—যেমন একটি গাড়ির বাহ্যিক বডি একই রকম হলেও যার ভেতরে ইঞ্জিন আছে আর যার নেই, তাদের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঠিক তেমনি নামাজ, রোজা, ইবাদত বা দ্বীনদার মানুষের বাহ্যিক চেহারা একই রকম মনে হলেও অন্তরের ইখলাস, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক এবং সত্যিকারের আমলই মূল পার্থক্য তৈরি করে।
এই আলোচনায় বুঝানো হয়েছে যে, শুধু বাহ্যিক আমল বা পরিচয়ে প্রকৃত মূল্য নেই; বরং অন্তরের অবস্থা, নিয়ত ও আল্লাহভীতিই একজন মানুষের আসল পরিচয় নির্ধারণ করে।
মানুষের জীবনে বাহ্যিক ধার্মিকতা যতই সুন্দর হোক না কেন, যদি তার ভিতরে আল্লাহর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা ও আনুগত্য না থাকে, তবে তা একটি খালি কাঠামোর মতোই।
#ইসলাম #ইসলামিক_বয়ান #আল্লাহর_ভালোবাসা #ইখলাস #নিয়ত #দ্বীন #ইসলামিক_শিক্ষা #আখিরাত #ইমান #হকিকত #বয়ান
22/04/2026
অনলাইন মা-বোনদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নসীহত
প্রিয় মা ও বোনেরা,
আপনাদের ঈমানী জাগরণ, আমল সংশোধন ও আত্মশুদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন নসীহত মজলিসের আয়োজন করা হয়েছে ইনশাআল্লাহ।
📖 দ্বীনের গভীরতা, আখলাকের সৌন্দর্য এবং আমলকে জীবন্ত করার অনুপ্রেরণামূলক আলোচনা পেশ করবেন সম্মানিত আলেমেদ্বীন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় শায়েখ হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম।
প্রিন্সিপাল, মারকাযুল ইহসান যাত্রাবাড়ী,ঢাকা।
🗓 তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬
🕗 সময়: বৃহস্পতিবার, রাত ৯ টা
📡 আমাদের ফেইসবুক পেইজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেল এবং মুসলিম বাংলা অ্যাপ থেকে সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
👉 আসুন, আমরা নিজেরা শুনি, পরিবারকে শুনাই এবং এই দাওয়াতটি অন্যদের কাছেও পৌঁছে দেই—
হয়তো আপনার শেয়ারই কারো হেদায়েতের কারণ হয়ে যাবে!
#নসীহত
#ইসলামিক_লেকচার
#মা_ও_বোনদের_জন্য
#অনলাইন_মজলিস
#দ্বীনের_দাওয়াত
#হেদায়েত
#ইসলামিক_পোস্ট
#লাইভ_লেকচার
আল্লাহর পথে কোনো গ্রুপিং নেই— আমরা সবাই একটাই দলে, “আল্লাহর দল।”
এই বয়ানে তুলে ধরা হয়েছে, দ্বীনের আসল রাস্তায় “আমরা এই পার্টি, তারা সেই পার্টি”— এই বিভাজনের কোনো জায়গা নেই। যদি ভালোবাসা খাঁটি আল্লাহর জন্য হয়, তাহলে সে ভালোবাসা সীমাবদ্ধ থাকে না— বরং চায়, অন্যরাও সেই নেককারদের কাছে যাক, উপকৃত হোক।
এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য দেখানো হয়েছে— আল্লাহর জন্য ভালোবাসা হলে মানুষ চায়, সবাই সেই ভালো জিনিস পাবে। কিন্তু দুনিয়ার স্বার্থের ভালোবাসা হলে মানুষ চায়— এটা শুধু আমারই থাকুক, অন্য কেউ না পাক।
মূল শিক্ষা হলো— খাঁটি ঈমানি ভালোবাসা উদার হয়, বিস্তৃত হয়, অন্যদেরও উপকারে আসে। আর দুনিয়াবি ভালোবাসা সংকীর্ণ, নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
দুনিয়ার কষ্ট, ত্যাগ আর সবর— এগুলোই আখিরাতে মুমিন নারীর সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হয়ে উঠবে।
এই বয়ানে তুলে ধরা হয়েছে, একজন দ্বীনদার, নেককার নারী যখন জান্নাতে যাবে— আল্লাহ তাআলা তাকে এমন সৌন্দর্য ও মর্যাদা দান করবেন, যা হুরদের থেকেও শ্রেষ্ঠ হবে। কারণ সে দুনিয়ায় ইবাদত করেছে, পরিবার সামলেছে, স্বামীর খেদমত করেছে, সন্তান লালন-পালন করেছে— অসংখ্য ত্যাগ ও ধৈর্যের মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়েছে।
এখানে বোঝানো হয়েছে, হুরদের এই দুনিয়ার পরীক্ষাগুলো নেই— কিন্তু একজন ঈমানদার নারী সবকিছু সহ্য করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পথ চলেছে। তাই তার মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক উঁচু।
মূল শিক্ষা হলো— একজন মুমিন নারীর দুনিয়ার ত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। আল্লাহ তাআলা তার প্রতিটি কষ্টের বিনিময়ে তাকে জান্নাতে অসীম সম্মান, সৌন্দর্য ও সুখ দান করবেন।
শুধু ইলম অর্জন করলেই যথেষ্ট নয়— ইলমের সাথে বিনয়, খেদমত ও নেককারদের সোহবত জরুরি।
এই বয়ানে বোঝানো হয়েছে, অনেকেই কিছু জ্ঞান অর্জন করে মনে করে— আমি অনেক বড় কিছু হয়ে গেছি। কিন্তু হাকীমুল উম্মত সতর্ক করেছেন— ইলম নিয়ে অহংকারে পড়ো না। কারণ এই ইলমের আসল উপকারিতা নির্ভর করে আল্লাহর রহমত ও আল্লাহওয়ালাদের সোহবতের উপর।
এখানে বলা হয়েছে, বয়ান, তাফসির, হাদিস পড়ানো— এগুলো তখনই ফলপ্রসূ হয়, যখন একজন বান্দা আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের কাছে থাকে, তাদের খেদমত করে এবং তাদের দোয়া ও দৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত হয়।
নজরের উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে— যেমন খারাপ নজরের প্রভাব বাস্তব, তেমনি নেককারদের ভালো নজরও বাস্তব এবং তা মানুষের জীবনে বরকত ও পরিবর্তন আনে।
মূল শিক্ষা হলো— ইলমের সাথে বিনয় রাখা, নেককারদের সঙ্গ গ্রহণ করা এবং আল্লাহর বিশেষ রহমতের যোগ্য হওয়ার চেষ্টা করা— তবেই ইলম জীবনে উপকার বয়ে আনে।
রিজিকের ব্যাপারে আমরা অনেক সময় দুনিয়ার হিসাব করি— কিন্তু আল্লাহর হিসাব ভিন্ন।
এই বয়ানে বোঝানো হয়েছে, দুনিয়ার সিস্টেমে হয়তো কাগজে-কলমে হিসাব বদলানো যায়, বেশি দেখিয়ে বেশি নেওয়া যায়। কিন্তু আল্লাহর দরবারে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই— সেখানে প্রতিটি রিজিক নির্ধারিত ও নিশ্চিত।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা ভেঙে দেওয়া হয়েছে— “আরেকজন সদস্য এলে তাকে খাওয়াবো কীভাবে?” অথচ আল্লাহ তাআলা নিজেই প্রতিটি প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব নিয়েছেন। কেউ জন্ম নিলে তার রিজিকও সাথে সাথেই নির্ধারিত হয়ে যায়।
মূল শিক্ষা হলো— রিজিকের মালিক আল্লাহ। আমাদের কাজ হলো তাঁর উপর ভরসা রাখা এবং হালাল পথে থাকা। দুনিয়ার হিসাব নয়, আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুলই প্রকৃত সমাধান।
অল্প হালাল রুজি— তাতেই সন্তুষ্ট থাকা; এটাই আসল সফলতা, আর সুদের লোভ— জীবনের বড় ধ্বংসের পথ।
এই বয়ানে তুলে ধরা হয়েছে, অনেক মানুষ কম আয়ে ধৈর্য ধরে হালালভাবে জীবন চালায়— আল্লাহকে খুশি করার জন্য কষ্ট সহ্য করে। কিন্তু কেউ কেউ জীবনযাত্রা না কমিয়ে, লোভে পড়ে ঋণের পথে হাঁটে, আর ধীরে ধীরে বিপদের গভীরে চলে যায়।
এখানে খুব বাস্তবভাবে বোঝানো হয়েছে— ব্যাংকের লোন প্রথমে স্বপ্ন দেখায়, সহজ মনে হয়; কিন্তু পরে সেটা ফাঁদের মতো গলায় পড়ে যায়। মানুষ ধীরে ধীরে নিজের ব্যবসার মালিক না থেকে ব্যাংকের কিস্তির দাস হয়ে যায়। একসময় এত চাপ বাড়ে যে, জীবনটাই অসহ্য হয়ে ওঠে।
এই উদাহরণ দিয়ে স্পষ্ট করা হয়েছে— সুদভিত্তিক ঋণ শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, বরং মানসিক ও আত্মিক ধ্বংসের কারণ।
মূল শিক্ষা হলো— দুনিয়া উপার্জন করা অনুমতি আছে, কিন্তু শর্ত হলো হালাল পথে থাকতে হবে। অল্প হলেও হালাল রুজি বরকতময়, আর হারাম বা সুদের পথে গেলে শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারাতে হয়।
আজ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় শায়েখ হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম এর তরবিয়তী মজলিস তথা মাসিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
সময়: আছর থেকে এশা পর্যন্ত
আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1024