GenZ University

GenZ University University students stand as one. Join us in reforming Bangladesh 2.0

জুলাই আন্দোলনে আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফিন্যান্স কমিটির সুপার...
22/07/2026

জুলাই আন্দোলনে আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফিন্যান্স কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আহত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফের বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

#জুলাইআন্দোলন

21/07/2026

এইচএসসির আন্দোলনের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য❗

#এইচএসসি

20/07/2026
One of the most damning decisions of the Hasina government during the July uprising was the internet shutdown and the li...
19/07/2026

One of the most damning decisions of the Hasina government during the July uprising was the internet shutdown and the lies told to cover it. On July 18, 2024, internet services went dark nationwide for the first time. Then, from midnight on July 19, two years ago today, a curfew was imposed across the country. The goal was to smother the movement and carry out mass killings while the nation couldn't see.

With connectivity cut, the scale of the violence couldn't reach the outside world in real time. Within a week, the death toll crossed two hundred, alongside mass arrests. Internet access slowly returned under pressure, though social media stayed blocked. When mobile internet finally came back after ten days, people learned how protesters had been gunned down while the country was kept in the dark. Outrage spread fast.

Even while cut off, students had kept organizing online where they could, coordinating the next steps of the movement. Once the images and videos from those blacked-out days surfaced, public anger only intensified and what followed was the collapse of the Hasina government.

একটা বিষয় খেয়াল করলাম, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বাংলাদেশের সামান্য বিষয় নিয়ে যতোটা সোচ্চার, মুখর, কনসার্ন, নিজের দেশের সোনাম ও...
18/07/2026

একটা বিষয় খেয়াল করলাম, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বাংলাদেশের সামান্য বিষয় নিয়ে যতোটা সোচ্চার, মুখর, কনসার্ন, নিজের দেশের সোনাম ওয়াংচুককে নিয়ে ততোটা নয়। অন্তত আমার নিউজফিডে দেখছি না। আমার অবজারভেশন ভুল হলে বরং খুশিই হবো, আর না হলে তাদের এই নীরবতার কারণ কী? সোনাম ওয়াংচুকের ভাষা এবং ধর্মের ভিন্নতা? নাকি ইস্যুটা জরুরি মনে করছেন না?

জিয়া হত্যাকাণ্ড: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্বচ্ছ ইতিহাস রেখে যেতে একটি শক্তিশালী কমিশন চাইএকটি জাতি তার অতীতকে কতটা স্বচ্...
18/07/2026

জিয়া হত্যাকাণ্ড: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্বচ্ছ ইতিহাস রেখে যেতে একটি শক্তিশালী কমিশন চাই

একটি জাতি তার অতীতকে কতটা স্বচ্ছভাবে জানে, তার ওপর নির্ভর করে সেই জাতির ভবিষ্যৎ গতিপথ। গত ৪৫ বছর ধরে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি বিশাল অংশ কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে আছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আমাদের ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কেন এবং কাদের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছিল—তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আজও আমাদের কাছে অনুপস্থিত।

ইতিহাসের সেই রুদ্ধশ্বাস সত্যগুলো জানার শেষ সুযোগটি আমাদের সামনে এসেছে মেজর মোজাফফরের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে। ভারতের মাটিতে ‘জয় ব্যানার্জি’ ছদ্মনামে সাড়ে চার দশক আত্মগোপন করে থাকা এই ব্যক্তি স্রেফ একজন খুনি নন, বরং তিনি ইতিহাসের এক বিশাল ষড়যন্ত্রের জ্যান্ত দলিল।

কেন আজ আমাদের একটি শক্তিশালী জাতীয় তদন্ত কমিশন দরকার?

বিকৃত ইতিহাস বনাম প্রকৃত সত্য:
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো বিশেষ মহলের লিখে দেওয়া ‘ফরমায়েশি ইতিহাস’ না পড়ে। জিয়া হত্যার পর কেন তড়িঘড়ি করে সামরিক আদালতে বিচার শেষ করা হলো? কেন কোনো দেওয়ানি আদালতে মামলা হলো না? এই সত্যগুলো আড়ালে রেখে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি স্বচ্ছ ইতিহাস উপহার দিতে পারি না।

আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন:
মেজর মোজাফফর কার ছত্রছায়ায় এবং কার আশ্রয়ে ভারতে এতদিন নিরাপদে ছিলেন? এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কি কোনো সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক নীল নকশা ছিল? একটি শক্তিশালী কমিশনই পারে আন্তর্জাতিক এই চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে সত্যকে জনসমক্ষে নিয়ে আসতে।

দায়মুক্তির দায়বদ্ধতা:
হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লাশ গোপনে দাফন এবং ‘বিপ্লবী পরিষদ’ নামের ধোঁয়াশা সৃষ্টি করে কাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল? এই মাস্টারমাইন্ডদের নাম কোনোদিন বিচার বিভাগীয় নথিতে আসেনি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা দায়বদ্ধ, যেন তারা জানতে পারে তাদের প্রিয় নেতার হত্যার নেপথ্যের কুশীলব আসলে কারা ছিল।

আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি:
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে এবং সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি ‘শক্তিশালী জাতীয় তদন্ত কমিশন’ গঠন করা হোক।

এই কমিশনের কাজ হবে কেবল সাজা দেওয়া নয়, বরং ইতিহাসের প্রতিটি ছেঁড়া পাতাকে জোড়া লাগানো। আটক মেজর মোজাফফরকে এই কমিশনের মুখোমুখি করে তার জবানবন্দি ইতিহাসের দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাকে তাড়াহুড়ো করে ফাঁসি দেওয়ার চেয়ে বেশি জরুরি তার পেটে থাকা সত্যগুলো বের করে আনা।

আমরা চাই এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে ইতিহাসের কোনো অধ্যায় অন্ধকারে থাকবে না। শহীদ জিয়ার হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং নেপথ্যের সত্য উন্মোচনই হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের শ্রেষ্ঠ উপহার।

ইতিহাসের দায়মুক্তি হোক, স্বচ্ছ হোক আমাদের পরিচয়।

বিশ্বকাপের মাঠে বাংলাদেশের জাতীয় দল না থাকলেও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে উজ্জ্বলভাবে জায়গা করে নিয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদে...
17/07/2026

বিশ্বকাপের মাঠে বাংলাদেশের জাতীয় দল না থাকলেও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে উজ্জ্বলভাবে জায়গা করে নিয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফুটবলারদের গায়ে থাকা জার্সি ও স্পোর্টস অ্যাপারেলে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের শ্রমিকদের দক্ষতা, পরিশ্রম ও দেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা।

২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল ম্যাচ জার্সিও তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। বিশ্বমানের ক্রীড়া পোশাক তৈরির এই সক্ষমতা প্রমাণ করে, বাংলাদেশ এখন শুধু সাধারণ পোশাক উৎপাদনেই নয়, উচ্চমূল্যের স্পোর্টস অ্যাপারেল তৈরিতেও আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে।

বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশে তৈরি জার্সির উপস্থিতি দেশের জন্য শুধু একটি রপ্তানি সাফল্য নয় এটি বিশ্বজুড়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতারও বড় স্বীকৃতি। প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি ও মানসম্মত উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে যাক।

জুলাই ২৪ এ যা হয়েছিলো সেটা ছিলো গণতন্ত্র আর জুলাই ২৬ এ যা করার চেষ্টা হচ্ছে সেটা ষড়যন্ত্র। #জুলাই
17/07/2026

জুলাই ২৪ এ যা হয়েছিলো সেটা ছিলো গণতন্ত্র আর জুলাই ২৬ এ যা করার চেষ্টা হচ্ছে সেটা ষড়যন্ত্র।

#জুলাই

গত ১৫ বছরে হাসিনা সরকার সিস্টেম্যাটিক্যালি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মতো জাতীয় জীবনের ...
16/07/2026

গত ১৫ বছরে হাসিনা সরকার সিস্টেম্যাটিক্যালি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মতো জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোতে একসময় শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ছিল প্রশ্নফাঁস আর নকলের মহোৎসব। বিশেষ করে পরিক্ষার আগের রাতে হোয়াটসঅ্যাপ/ফেসবুকে প্রশ্ন পাওয়া ছিল দুধভাত বিষয়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাত জাগা হাড়ভাঙা পরিশ্রম মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যেত কিছু অসাধু চক্রের কালো থাবায়। কিন্তু বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারির কারণে সেই অন্ধকার দিনগুলো আজ অতীত। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে ডিজিটাল ট্র্যাকিং, কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়নের ফলে শিক্ষাখাতে এক অভাবনীয় স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে। এখন আর পরীক্ষার আগের রাতে মেসেঞ্জারে বা হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া প্রশ্নের ছড়াছড়ি দেখা যায় না। নকল প্রতিরোধে প্রশাসন, শিক্ষক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে সমন্বয় ও তৎপরতা দেখাচ্ছে, তা সত্যিকার অর্থেই প্রশংসার দাবিদার। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং নিশ্চিত করায় পরীক্ষার হলে ফিরে এসেছে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ। বর্তমান সরকারের এই কাঠামোগত শুদ্ধি অভিযানের সবচেয়ে বড় সুফল ভোগ করছে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা। যারা সত্যিকার অর্থে পড়াশোনা করে, আজ মেধার জোরেই তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারছে; টাকার বিনিময়ে কেনা প্রশ্ন দিয়ে নয়। মেধার এই চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের এক অনন্য সার্থকতা।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GenZ University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to GenZ University:

Shortcuts

Share