🌟 ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির জন্য ৮০/২০ রুল – সাফল্যের সঠিক উপায়! 🌟
📊 এখনই প্রস্তুতি নিন, এখনই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান!
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতিতে ৮০/২০ রুল বা প্যারেটো প্রিন্সিপল অনুসরণ করে আপনি কার্যকরভাবে পড়াশোনা করতে পারেন। তবে, এই ৮০/২০ রুলটি কীভাবে কাজ করে?
🎯 ৮০/২০ রুল: ৮০% ফলাফল, ২০% কাজের মাধ্যমে!
যেটা বোঝায়, আপনি যতটা পড়াশোনা করবেন, তার মধ্যে মাত্র ২০% অংশ আসল প্রস্তুতির মূল বিষয়, যা ৮০% ফলাফল এনে দিতে পারে। অর্থাৎ, সঠিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিন।
🧠 কিভাবে ৮০/২০ রুল ব্যবহার করবেন বিসিএস প্রিলিতে?
🔰মূল বিষয়ের দিকে মনোযোগ দিন:
বিসিএস প্রিলি পরীক্ষায় প্রায় ২০-৩০% প্রশ্ন নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর আসে, যেমন বাংলাদেশের ইতিহাস, অর্থনীতি, রাজনীতি, পরিবেশ ও সাম্প্রতিক বিষয়। এই বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিলে বড় পার্থক্য তৈরি হবে।
🔰বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন:
প্রিলি পরীক্ষার ৮০% প্রশ্ন প্রায় একই ধরনের টপিক থেকে আসে। তাই গত ৫ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন এবং সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো চিহ্নিত করুন।
🔰প্রথমে মৌলিক জ্ঞান অর্জন করুন:
প্রিলির ২০% কঠিন টপিক আপনাকে ৮০% ফলাফল এনে দিতে সাহায্য করবে। এই টপিকগুলো গভীরভাবে পড়ুন, তবে প্রাথমিকভাবে আপনার মূল বিষয়গুলো (যেমন গণিত, সাধারণ জ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি) সঠিকভাবে আয়ত্ত করুন।
🔰প্র্যাকটিস টেস্ট ও মক পরীক্ষায় মনোযোগ দিন:
মক টেস্টে ২০% সময় ব্যয় করুন কিন্তু আপনার প্রিপারেশন এর কার্যকরী ফলাফল এর মাধ্যমে ৮০% প্রস্তুতি অর্জন করুন।
🔰সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করুন:
৮০% সময় আপনার গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর প্রস্তুতিতে ব্যয় করুন এবং অবাঞ্ছিত বা অনাবশ্যক বিষয়ে সময় অপচয় এড়িয়ে চলুন।
🔑 মনে রাখুন: সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আরও সফল হতে পারবেন। ৮০/২০ রুল অনুসরণ করে, আপনি প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও সাফল্য পাবেন।
© BCS Daily
BCS Hunter - সরকারি চাকুরি প্রস্তুতি
বিসিএস ও ব্যাংকসহ সকল প্রকার প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকুরি প্রস্তুতি সহায়ক বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে
The Psychological Game With The Teacher:-
ব্যাংকের পরীক্ষার ১২০ মিনিটে পরীক্ষকের সাথে আমি মাইন্ড গেইম খেলার চেষ্টা করেছি সবসময়। আমার দূর্বলতা-
১/আমি ইংরেজি লিখায় টপ ক্লাস ছাত্র না এটা আমি অনেক আগে থেকেই জানি৷
২/আমার হাতের লেখা প্রচন্ড খারাপ এটাও আমি জানি৷
৩/আমার কাছে আহামরি ভোকাবুলারির সংগ্রহ মাথায় নেই এটাও আমি জানি।
৪/আমি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স দিয়ে বাক্য লিখতে গেলে Grammatical Error এর সম্ভাবনা আছে এটাও আমার জানা।
৫/আমার কাছে এমন কোনো Weapon নেই যেটা দিয়ে আমি আহামরি নাম্বার পাবো বা টপ বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০ জন বা সিনিয়র অফিসারের ৯০০ এর ভিতরে ডুকতে পারি৷ এটাও আমার অজানা নয়।
তাই আমি ব্যাংকের রিটেন খাতায় এমন কিছু করার চেষ্টা করেছি যা অন্য কারো মাথায় খুব কমই আসবে৷
প্রথমত,আমি সময় কে আগেই ভাগ করে নিয়েছিলাম। কোন সময়ে কি লিখবো এই প্ল্যান আমার আগেই করা। আমি প্যাসেজ লিখার সময় ৪ টা প্রশ্ন ৪ রকম ভাবে লিখার চেষ্টা করেছি যাতে পরীক্ষক বুজে আমার খাতায় ভিন্নতা আছে।
দুই,ম্যাথ আর জিকে আমি যথাসম্ভব শুধু শর্ট করে লিখে আসতাম মানে যা না লিখলেই নয়৷। ম্যাথে আমি ইকুয়েশান ফাস্ট করতে নামতা বই থেকে নামতা ও মুখস্থ রেখেছিলাম।
তিন,ফোকাসে আমি ইন্ট্রো আর কনক্লুশান কে এমনভাবে লিখতাম বা এমন ওয়ার্ড বা লাইন ইউস করতাম যা ধরা যায় আমার আগে থেকেই বানানো। কোনো রকম রিলেশান পেলেই আমি আমার মাথায় মুখস্থ রাখা লাইন সেখানে ডুকিয়ে দিতাম।
চার,বাংলা ফোকাসে আমি কাব্যিক ভাষা ব্যবহার করতাম৷ যেমন- আমি তোমাকে মিস করেছি লাইন কে আমি লিখতাম, আমি তোমারে বিরহে বিলীন আছি 😁
সর্বশেষ,আমি টিচারের সাইকোলজিতে কি পছন্দ হতে পারে সেটা নিয়ে প্রচুর গবেষণা চালিয়েছি।
Salman Mohammad Aashraf
অফিসার(ক্যাশ),বাংলাদেশ ব্যাংক
সিনিয়র অফিসার,রুপালি ব্যাংক পিএলসি
৪৫ তম লিখিত ফল প্রত্যাশী
৪৬ তম লিখিত পরিক্ষার্থী
"বিসিএসসহ যে কোন চাকুরির লিখিত পরীক্ষায় অনেক পড়াশোনা করার পরেও ভালো ফলাফল করতে না পারার অন্যতম কারণ কী হতে পারে?"
আজকে এই গ্রুপে এই প্রশ্নটা দেখে নিজের স্ট্রাগলের কথা মনে পড়ে গেলো।
আমি প্রথম রিটেন টিকি ২০১৯ সালে, CGDF এর অডিটর পোস্টে। এরপর বিসিএস, বাংলাদেশ ব্যাংক, দুদকসহ বহু প্রতিষ্ঠানে রিটেন টিকে ভাইবা দিতাম, কিন্তু জব আর হতো না।
আমি বুঝতে পারতাম, আমার রিটেন পরীক্ষা ভাইভা দেওয়ার মত ভালো হয়। কিন্তু চাকরি পাওয়ার মত ভালো হয় না।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেলাম ২০২২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংকের এডির ভাইভা দিয়ে খালি হাতে ফেরার পর। এদিকে বয়সও শেষ হয়ে আসছিলো। বুঝতে পারছিলাম, আমার ল্যাকিংস গুলো বের করতে হবে। নয়তো ভাইভা পর্যন্তই দৌড় আটকে যাবে।
রিটেনে আমি যে ভুল করতাম, ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং এর জন্য আলাদা কোন প্রস্তুতি নিতাম না। নিজের লেখালিখির ক্ষমতার উপর একটা অন্ধ বিশ্বাস ছিলো। কিন্তু এটা ছিলো আমার ভুল।
আমি ২০২২ এর মাঝামাঝির দিক থেকে নিয়মিত সম্পাদকীয় পড়া শুরু করি। ডেইলি তখন প্রায় ২-৩ ঘন্টা বাস জার্নি করা লাগতো। আমি ঐ সময়টায় ১-২ টা বাংলা/ইংলিশ আর্টিকেল পড়ে ফেলতাম। এটা আমার জব প্রিপারেশনের গেইম চেঞ্জার ছিলো।
নিয়মিত সম্পাদকীয় পড়ার উপকার আসলে বলে বুঝানো।যাবে না।
১. অনেক পড়াশোনা করেও রিটেনে ভালো না করার একটা কারণ হলো, বাক্য ঠিকমতো সাজাতে না পারা। সম্পাদকীয়র ভাষা উন্নত্মানের হয় বলে ডেইলি পড়লে অবচেতন মনেই আপনার বাক্যের মান, লেখার মান উন্নত হবে। গরু নিয়ে ফোকাস রাইটিং আসলে আগে লিখতেন Cow is a domestic animal. আর টানা একমাস পত্রিকার এডিটোরিয়াল পড়লে আপনিই লেখা শুরু করবেন "In an agricultural-based country like Bangladesh, animal husbandry plays a vital role in our economy..." এভাবে। পরীক্ষক রিটেনের খাতায় আপনার ভূমিকা পড়েই আপনাকে জাজ করবে। বাক্যগুলোর ওজন বুঝেই নাম্বারিং করবে।
২. অর্থনীতি, জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলতি ইস্যু ইত্যাদির উপর নিয়মিত আর্টিকেল পড়লে আপনাদের ওভারল জ্ঞান বাড়বে। আনকমন টপিকে ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং আসলে বাকিরা আটকে গেলেও আপনি পারবেন। রিসেন্ট জিকে পড়া হবে।
৩. ইংরেজি আর্টিকেল নিয়মিত পড়লে প্রচুর নতুন শব্দ পাবেন। ফলে ভোকাবুলারি কার্যকর ভাবে শেখা হবে। মনে থাকবে। গ্রামারও আত্মস্থ করতে সহজ হবে।
আমি নিয়মিত বাংলা ইংলিশ আর্টিকেল পড়া শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের এডির রিটেন দেই ও আল্লাহর রহমতে প্রথম চাকরিটা হয়। এডির রিটেনের কিছুদিন পরই অফিসার রিটেন দিয়েছিলাম, সেটায় রিটেন আরো ভালো হয়েছিলো। যদিও ভাইভা আর দেওয়া হয়নি। তবে পরিবর্তনটা হলে বসেই টের পাচ্ছিলাম।
আপনারা যারা বিষয়ভিত্তিক অনেক পড়াশোনা করেও রিটেনে ভালো করতে পারছেন না, তারা পত্রিকার নির্বাচিত সম্পাদকীয় পড়াটা অভ্যাসে পরিণত করতে পারেন। আশা করি উপকৃত হবেন।
মোঃ আসিফ উর রহমান
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।
Click here to claim your Sponsored Listing.