20/01/2025
কম CGPA নিয়ে স্কলারশিপ জেতার কৌশল
উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ অর্জন করা ক্যারিয়ার গঠনের এক অসাধারণ সুযোগ। তবে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে, কম CGPA নিয়ে কি স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব? সঠিক পরিকল্পনা, কৌশল এবং প্রস্তুতি থাকলে কম CGPA নিয়েও বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে স্কলারশিপ জেতার পথে সহায়তা করবে।
যদি আপনার CGPA কম থাকে, তবে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা আপনাকে এগিয়ে রাখতে পারে। বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রামে একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাও মূল্যায়ন করা হয়। তাই বিষয় সংশ্লিষ্ট ইন্টার্নশিপ বা পেশাদার অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরূপ, গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রজেক্টে কাজ করলে সেটি আপনার প্রোফাইলকে আকর্ষণীয় করে তুলবে। কর্মজীবনের এই অর্জনগুলো আপনার একাডেমিক সীমাবদ্ধতা পুষিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
স্কলারশিপ আবেদনের ক্ষেত্রে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি আপনার একাডেমিক সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে আপনার লক্ষ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার সুযোগ দেয়। SOP লিখতে গিয়ে CGPA কম হওয়ার কারণ উল্লেখ করুন, তবে সেটিকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করুন। কীভাবে আপনি সেই সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে উঠেছেন এবং স্কলারশিপ পেলে ভবিষ্যতে কীভাবে আপনার লক্ষ্য পূরণ করবেন, তা পরিষ্কারভাবে লিখুন। SOP এমনভাবে তৈরি করুন, যাতে স্কলারশিপ কমিটি আপনার অধ্যবসায় এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। প্রয়োজনে SOP তৈরি করার পর তা অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে পর্যালোচনা করান।
রেফারেন্স লেটার স্কলারশিপ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রফেসর বা কর্মক্ষেত্রের উর্ধ্বতন কেউ যদি আপনার পক্ষে ইতিবাচক সুপারিশ পত্র দেন, তবে এটি আপনার আবেদনকে শক্তিশালী করে তুলবে। রেফারেন্স লেটারে আপনার নেতৃত্বগুণ, কাজের দক্ষতা এবং সৃজনশীলতার উল্লেখ থাকতে হবে। সুপারিশ পত্রে প্রফেসরদের আপনার CGPA কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি অন্যান্য অর্জনের কথা তুলে ধরার অনুরোধ করুন। এটি আপনার প্রোফাইলকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।
বেশ কিছু স্কলারশিপ প্রোগ্রামে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। যদি ইন্টারভিউয়ের ডাক পান, তবে তা আপনার জন্য নিজেকে প্রমাণ করার একটি বড় সুযোগ। ইন্টারভিউতে আপনার CGPA কম হওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করুন, তবে একইসঙ্গে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলুন। ইন্টারভিউয়ের সময় ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। স্কলারশিপ কমিটি আপনার আগ্রহ, উদ্যম এবং সংকল্প দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। তাই নিজেকে প্রস্তুত রাখুন এবং আপনার সামর্থ্য প্রমাণ করুন।
আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের ক্ষেত্রে IELTS, TOEFL, GRE, অথবা GMAT পরীক্ষার স্কোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ স্কোর আপনাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখে এবং কম CGPA থাকা সত্ত্বেও আপনার দক্ষতা প্রমাণ করে। তাই সময়মতো এসব পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন এবং ভালো স্কোর অর্জন করার চেষ্টা করুন। এটি আপনার আবেদনকে আরও শক্তিশালী করবে।
সবশেষে, আপনার মনোভাবই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। CGPA কম থাকলেও, আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচক মনোভাব আপনাকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী ২.৫ বা তার কম CGPA নিয়ে স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে সঠিক কৌশল ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে যে কেউ সফল হতে পারে।
16/01/2025
মালয়েশিয়ায় একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রা কেমন?
মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য। এখানে শিক্ষার পরিবেশ, জীবনযাত্রার মান, এবং সাশ্রয়ী খরচ শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করে। কিন্তু একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন জীবনে কী কী থাকে? আসুন, বিস্তারিত জানি।
পড়াশোনার পরিবেশ:
মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করা হয়।
আধুনিক প্রযুক্তি এবং লাইব্রেরির সুব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়ক।
শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহায়ক।
আবাসন:
বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল বা বাইরে ভাড়া নেওয়া অ্যাপার্টমেন্টে থাকার সুযোগ রয়েছে।
সাশ্রয়ী খরচে আবাসনের সুবিধা পাওয়া যায়। মাসিক ভাড়া গড়ে ৫০০-১৫০০ রিঙ্গিত।
খাবার:
মালয়েশিয়ার খাবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় আকর্ষণ।
ক্যাম্পাসে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার পাওয়া যায়।
মালয়, চাইনিজ, এবং ইন্ডিয়ান খাবারের মিশ্রণ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে।
পরিবহন:
মালয়েশিয়ার গণপরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত।
বাস, ট্রেন, এবং মেট্রো সাশ্রয়ী এবং সুবিধাজনক।
শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্টের সুবিধাও রয়েছে।
সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা:
মালয়েশিয়ায় থাকাকালীন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধর্ম এবং সংস্কৃতির মানুষের সাথে মেশার সুযোগ পান।
স্থানীয় উৎসব এবং ইভেন্টে অংশগ্রহণ তাদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।
দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জ এবং সেগুলোর সমাধান:
ভাষার প্রতিবন্ধকতা: ইংরেজি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও স্থানীয় ভাষা শেখার ইচ্ছা থাকলে এটি সহজেই দূর করা যায়।
অর্থনৈতিক পরিচালনা: সঠিক বাজেট পরিকল্পনা এবং স্কলারশিপের সাহায্যে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
মালয়েশিয়ায় শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রা সহজ, আনন্দদায়ক এবং সমৃদ্ধ। এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনের নানা অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
আপনার আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে জানান!
𝗙𝗼𝗿 𝗔𝗻𝘆 𝗤𝘂𝗲𝗿𝘆 𝗪𝗵𝗮𝘁𝘀𝗔𝗽𝗽 𝘂𝘀:
01332-535742
05/01/2025
কানাডায় বাবা-মা নিয়ে স্থায়ী হওয়ার সুবিধা বন্ধ, বিপাকে বাংলাদেশিরা
এখন থেকে প্রতি বছর পিআর সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআরসিসি। বিগত সময়ে প্রতি বছর পাঁচ লাখ পিআর দেওয়া হলেও সেটি কমিয়ে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসীকে পিআর দেওয়ার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
এতদিন নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কানাডায় স্থায়ী হওয়া সন্তানরা তাদের বাবা-মা, দাদা-দাদি ও নানা-নানির জন্য স্থায়ী আবাসনের (পিআর) ব্যবস্থা করতে পারলেও ২০২৫ সালে এ ধরনের সুবিধা নতুন করে আর দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির অভিবাসন, উদ্বাস্তু ও নাগরিকত্ব বিষয়ক বিভাগ আইআরসিসি।
প্যারেন্ট অ্যান্ড গ্রান্ডপ্যারেন্টস স্পন্সরশিপের (পিজিপি) আওতায় নতুন বছরে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে নিশ্চিত করেছে আইআরসিসি। এতে করে কানাডার স্থায়ীভাবে বসবাসকারীরা আগের মতো বাবা-মা, দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানির জন্য পিআরের ব্যবস্থা করতে পারবেন না।
আইআরসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে যারা পিজিপির আবেদন করেছিলেন, নতুন বছরে শুধু সেসব আবেদনপত্র নিয়ে কাজ চলছে। তবে কেউ চাইলে দেশটির সুপার ভিসা সুবিধার আওতায় নিজের নিকটাত্মীয়দের কানাডা বসবাসের সুযোগ করে দিতে পারবেন। এ ভিসার আওতায় এক নাগাড়ে পাঁচ বছর কানাডা থাকার সুযোগ পাবেন তারা।
অভিবাসীর সংখ্যা কমাতে ২০২৫ সালে আইআরসিসি ২০ শতাংশ পিআর সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বছরের শুরুতেই প্রভাব পড়েছে পিজিপি প্রোগ্রামের ওপর। আগের আবেদনের ভিত্তিতে পিজিপি প্রোগামে এ বছর সাড়ে ২৪ হাজার মানুষকে কানাডায় স্থায়ীকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে আইআরসিসি।
অভিবাসনে কড়াকড়ি
বিগত বছরগুলোতে কানাডা অভিবাসন নীতিতে উদার থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, বর্তমানে কানাডা অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে চায়।
অভিবাসনের ব্যাপারে কঠোর নীতির ফলে ২০২৫ সালে পিআর প্রোগ্রামের বাইরে কানাডায় বসবাসকারী অস্থায়ী ১২ লাখ বিদেশি দেশত্যাগে বাধ্য হতে পারেন- এমন তথ্য উঠে এসেছে টরন্টোভিত্তিক বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।
এখন থেকে প্রতি বছর পিআর সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআরসিসি। বিগত সময়ে প্রতি বছর পাঁচ লাখ পিআর দেওয়া হলেও সেটি কমিয়ে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসীকে পিআর দেওয়ার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এ সুবিধা ২০২৬ সালে কমিয়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার এবং ২০২৭ সালে আরও কমিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৫ সালে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ৯৪ হাজার ৫০০ ফ্যামিলি অর্থাৎ পারিবারিক ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত আইআরসিসির। এর মধ্যে ৭০ হাজার ভিসা পাবে স্থায়ীভাবে দেশটিতে বসবাসকারীদের স্ত্রী-সন্তানরা।
ট্রুডো সরকার কানাডার জনসংখ্যা বৃদ্ধি থামানোর প্রয়াস হিসেবে এই নীতি গ্রহণ করেছে। ২০১৫ সাল থেকে উদারনীতির আওতায় বিগত এক দশকে কানাডায় অভিবাসীর সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ। এতে দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন সুবিধা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই অভিবাসনের ওপর কড়াকড়ি আরোপে অটুট থাকছে দেশটির সরকার।
বিপাকে বাংলাদেশিরা
ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাশ জয় (৩৫) পাঁচ বছর ধরে কানাডার একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কানাডায় পিআর পাওয়া রীতিমতো দুরূহ হয়ে উঠেছে। পিআর পেতে সরকার-নির্ধারিত নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জন করতে হয়, যার মান বাড়ানো হয়েছে সম্প্রতি। এতে যেসব বাংলাদেশি পিআর ছাড়া কানাডায় বাস করছেন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
শুধু প্রসেনজিৎ নন, কানাডায় প্রায় এক দশক ধরে ব্যবসা করছেন সালাহউদ্দিন বাচ্চু (৩৭)। তিনি জানান, তার কানাডা যাওয়ার প্রথমদিকে চাইলে নিজ খরচে স্ত্রী-সন্তান ও বাবা-মাকে নিয়ে আসা যেত। দিন দিন এই অবস্থা কঠিন হয়েছে। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ পিজিপির আবেদন করছেন আর সুযোগ পাচ্ছেন লটারিতে নাম ওঠা হাতেগোনা কয়েকজন।
কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে ১ লাখের বেশি বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ৬০-এর দশক থেকে কানাডায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসবাস শুরু হলেও ৮০'র দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ গত দুই দশকে কানাডায় বাংলাদেশির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
এতদিন কানাডায় বাংলাদেশিদের কাজ পাওয়া কিংবা পিআর সুবিধার জন্য কোনো বেগ পেতে না হলেও দিন দিন পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠছে। এর ওপর পিজিপি সুবিধা বন্ধ হওয়ায় যারা পিআর পেয়েছেন, পরিবার নিয়ে তারাও পড়েছেন বিপাকে।
02/01/2025
উচ্চশিক্ষায়
জাপানে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায়
সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। পুবের এই দেশটি জ্ঞান-বিজ্ঞানে অনেকটাই এগিয়ে। আর তাইতো পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা এই দেশে গিয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে ভিড় জমায়। এদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যাও কম নয়। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের স্কলারশিপ দেয় জাপান।
স্কলারশিপ নিয়ে জাপানে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু, জাপানে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় না জানার কারণে অনেকের ইচ্ছে আর পূরণ করা হয়ে উঠে না।
উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে পড়তে যাওয়ার ইচ্ছে অনেকেরই। এজন্য অনেকেই জাপানের বিভিন্ন নামকরা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান। জাপানে স্কলারশিপ পাওয়ার একদম সহজ উপায় নেই। তবে, আপনি চাইলে মেক্সট স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করে জাপানের টয়োহোশি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে সুযোগ পেতে পারেন।
মেক্সট স্কলারশিপ প্রোগ্রামের অনেক সুবিধা রয়েছে। আবেদন ফি, অ্যাডমিন ফি সহ সম্পূর্ণ বিনা খরচে পড়ার সুযোগ ছাড়াও শিক্ষার্থীদেরকে মাসিক ভাতা দেয়া হয় এই স্কলারশিপ এ। এছাড়াও, ফ্রি এয়ার টিকেট সুবিধা তো থাকছেই।
মেক্সট স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করার সময় সিজিপিএ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। সিজিপিএ কম হলেও কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস ভালো হলে অনেক সময় চান্স হয়ে যায়।
জাপানে স্কলারশিপের আবেদন
আপনি জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চাইলে অবশ্যই মেক্সট স্কলারশিপ এ আবেদন করতে হবে। আবেদন করার জন্য, স্কলারশিপ আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে এবং সেটি সকল সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
এছাড়াও, অ্যাকাডেমিক পেপার্স,পাসপোর্ট, শিক্ষার্থীর ছবি,আইএলটিএস স্কোর, সিভি/রিজিউম সহ আরও কিছু তথ্য প্রয়োজন হবে। আবেদন করার পর আপনার সিজিপিএ এবং অন্যান্য সকল বিষয় বিবেচনা করে আপনাকে স্কলারশিপে জাপানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে পারে।
অতঃপর, আপনি বিনা খরচে জাপান গিয়ে আপনার উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে পারেন। তো চলুন, এখন জাপান যেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন লাগে সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক।
জাপান যেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা
উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান যেতে চান এমন শিক্ষার্থীদের মাঝে অধিকাংশই সাধারণ একটি প্রশ্ন করে থাকেন, জাপান যেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন লাগে? অর্থাৎ, জাপানে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে বা জাপানে পড়ালেখা করতে যেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন হতে হয়।
জাপানে পড়ালেখা করতে যাওয়ার জন্য অবশ্যই ১৮ বছর বয়সের বেশি হতে হবে এবং তার নিজের দেশে ন্যুনতম ১২ বছর পড়ালেখা করতে হবে। এছাড়াও, IELTS বা TOEFL iBT তে ভালো স্কোর থাকতে হবে। কিছু ইউনিভার্সিটিতে জাপানের ভাষা টেস্ট নিতে পারে। কারণ, জাপানের অধিকাংশ ইউনিভার্সিটিতে জাপানি ভাষায় শিক্ষাদান করা হয়ে থাকে। তাই, জাপানের ভাষা জানা থাকা জরুরি। জাপানি ভাষা জানা না থাকলে যেসব ইউনিভার্সিটি ইংলিশে পাঠদান করে থাকে, এমন ভার্সিটিতে আবেদন করতে হবে।
এছাড়াও, মোটিভেশন লেটার এবং রিকমেনডেড লেটার লাগবে জাপানে পড়ালেখা করার জন্য যেতে। ইউনিভার্সিটি ভিত্তিক আলাদা আলাদা রিকোয়ারমেন্টস থাকতে পারে। সিজিপিএ বা জিপিএ ন্যুনতম কত লাগবে এসব তথ্য আপনি যে ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যেতে চাচ্ছেন, সেখানে উল্লেখ করে দেয়া থাকবে।
জাপান যেতে কত টাকা লাগে
জাপানে পড়ালেখা করতে যেতে কত টাকা লাগে এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। জাপানিজ অ্যাম্বেসির স্টুডেন্ট কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোন দালালকে টাকা না দিয়েই আপনি অনেক কম খরচে জাপানে যেতে পারবেন। শুধুমাত্র জাপান ভিসা এবং ফ্লাইটের টিকেট করতে যা খরচ হবে এতটুকুই। এছাড়া, জাপান যাওয়ার পর টিউশন ফি লাগবে।
এসব ব্যতীত আপনার আর কোন খরচ করতে হবে না। যদি অনেক মেধাবি শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তবে জাপানের সরকার আপনার এবং আপনার পরিবারের খরচ চালাবে। জাপানে স্কলারশিপ নিয়ে গেলে বিনা খরচে আপনার উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
01/01/2025
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার খুঁটিনাটি
মো. মুজাহিদুল ইসলাম
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৩,
পড়াশোনার মান, পরিবেশ, গবেষণা ও ফান্ডিংয়ের সুযোগ-সুবিধার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত আগ্রহের গন্তব্য। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার খুঁটিনাটি নিয়ে থাকছে আজকের আলোচনা।
পুরো পৃথিবীতে আমেরিকান ডিগ্রি অত্যন্ত সমাদৃত এবং ক্যারিয়ারে এটি অন্যদের থেকে এগিয়েই রাখবে। আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এসটিইএম (সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথমেটিকস) ক্যাটাগরির সব প্রোগ্রামে আবেদন করা যায়।
আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা
বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে তিনটা জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হলো একাডেমিক ফলাফল, ইংলিশে দক্ষতা, আর জিআরই স্কোর। তবে বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে জিআরইর তেমন বাধ্যবাধকতা নেই। বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলরে আবেদনের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফলাফলের প্রয়োজন হয়। সেই সঙ্গে ভালো আইইএলটিএস, টোয়েফল স্কোর এবং ভালো স্যাট স্কোরের দরকার হয়। এখানে মূলত আমি পোস্টগ্র্যাজুয়েট নিয়ে আলোচনা করব। মাস্টার্স (সময়কাল দুই বছর) অথবা পিএইচডি (সময়কাল পাঁচ বছর) প্রোগ্রামে আবেদনের ক্ষেত্রে মাঝারি মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনার্স বা ব্যাচেলরে সিজিপিএ মোটামুটি ৩-এর মতো হলেই আবেদন করা যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সিজিপিএ ৩-এর কম থাকলেও আবেদন গ্রহণ করে।
আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ন্যূনতম ৬ থেকে ৬.৫ আর টোয়েফল স্কোর মোটামুটি ৭৯ হলে ভালো। জিআরই স্কোর ৩০০+ হলে এটা আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে রাখবে, যদিও বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ন্যূনতম শর্ত পূরণের জন্য জিআরই বাধ্যতামূলক নয়।তবে স্কলারশিপ বা ফান্ডিং ছাড়া আমেরিকায় পড়াশোনার যাবতীয় খরচ বহন করা যেকোনো নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে দুরূহ ব্যাপার। কেননা, এখানে এফ-১ ও এফ-২ ভিসাধারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করার অনুমতি পায় না।
প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্কলারশিপ বা ফান্ডিং অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। আর এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াও একেক বছরে একেক রকম হতে পারে। তবে মোটামুটিভাবে কিছু কমন ফ্যাক্টর থাকে, যেগুলোতে ভালো ফলাফল থাকলে স্কলারশিপ বা ফান্ডিং বাছাই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা থাকে। মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য অনার্স বা ব্যাচেলরে সিজিপিএ ৩.৫০+ থাকলে ভালো হয়। পিএইচডি প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ব্যাচেলর বা অনার্সের পাশাপাশি মাস্টার্সের একটা ভালো ফলাফল ৩.৫০+ রাখা উত্তম। আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ৭.০+ অথবা টোয়েফলের ক্ষেত্রে ৯৩+ স্কোর কিংবা জিআরইর স্কোর ৩১০ বা এর আশপাশে থাকলে তা আপনাকে অনেকের থেকে এগিয়ে রাখবে। এরপর স্টেটমেন্ট অব পারপাসটা (এসওপি) হতে হবে আদর্শ মানের। এ ক্ষেত্রে এক্সপার্ট যদি কেউ থেকে থাকেন, যিনি ইতিমধ্যে আমেরিকায় অধ্যয়নরত আছেন, তাঁদের থেকে সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই অন্য কারও এসওপি থেকে কপি করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে ধরা পড়লে আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ার শঙ্কা শতভাগ। সুতরাং এসওপি হতে হবে ইউনিক। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটা লেটার অব রিকমেন্ডেশন (এলওআর) প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, থিসিস, রিসার্চ সুপারভাইজর অথবা অফিসের বস হলে ভালো হয়, যাঁরা আপনার সম্পর্কে ভালো জানেন। এসওপি যেন গতানুগতিক মানের না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। এ জন্য এসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এ ছাড়া যদি গবেষণার অভিজ্ঞতা ও রিসার্চ পাবলিকেশন থাকে, তাহলে তা একজন প্রার্থীকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে সবার থেকে। The Great Bangladesh
বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই প্রক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৩০০+ এবং সবগুলোতে আবেদন করা অসম্ভব। এ জন্য কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়গুলো আছে এবং এসব জায়গায় আবেদনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শর্ত পূরণ হচ্ছি কি না এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত ফান্ডিং আছে কি না, সেটা দেখতে হবে। এসবের তথ্য কমবেশি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া থাকে। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শর্টলিস্ট তৈরি করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
শর্ট লিস্টেড বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব প্রফেসরের বর্তমান ও পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ আবেদনকারীর রিসার্চ ইন্টারেস্টের সঙ্গে মিলে যাবে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে ই-মেইলের মাধ্যমে। যদি তাঁরা আবেদনকারী ব্যক্তির ই-মেইল, সিভি ও অন্যান্য ডকুমেন্টস দেখে আগ্রহী হন, তাহলে অনলাইনে প্রার্থীকে ইন্টারভিউ বা জুম মিটিং অফার করবে এবং সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে প্রফেসরের গবেষণা প্রকল্প থেকে ফান্ডিং অফার করবে, যদি প্রার্থীর যোগ্যতা উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ন্যূনতম শর্ত পূরণ করে। তা ছাড়া, কেন্দ্রীয়ভাবেও আবেদন করা যায়। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই কমিটি আবেদনকারী ব্যক্তিদের যোগ্যতার ভিত্তিতে স্কলারশিপের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত করে ইন্টারভিউ নিবে এবং সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে স্কলারশিপ দেবে বা ফান্ডিং করবে।
স্কলারশিপের প্রকারভেদ
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের ভিত্তিতে ফান্ডিং অফার করে। এটা হতে পারে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ। কিছু ক্ষেত্রে ডিপার্টমেন্টাল ফেলোশিপ থেকেও বৃত্তির ব্যবস্থা করে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্কলারশিপের আওতায় একজন স্টুডেন্ট মাসিক স্টাইপেন্ডের পাশাপাশি, টিউশন ফি, হেলথ ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি সুবিধা পেয়ে থাকে।
আবেদন করার সময়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরের দুটি সেশনে আবেদন করা যায়: ফল সেশন (আগস্ট-ডিসেম্বর) এবং স্প্রিং সেশন (জানুয়ারি-মে)। ফল সেশনে আবেদনের সময়কাল থাকে মূলত অক্টোবর-ফেব্রুয়ারি এবং স্প্রিং সেশনের জন্য জুলাই-সেপ্টেম্বর। তবে প্রধান ইনটেক হলো ফল সেশন। এ ক্ষেত্রে স্কলারশিপ বা ফান্ডিংয়ের সম্ভাবনাও বেশি থাকে সাধারণত।
আবেদন ফি
একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন ফি একেক রকম। তবে অ্যাপ্লিকেশন ফি সাধারণত ৩৫ ডলার থেকে ১২৫ ডলারের ভেতর হয়ে থাকে।
মো. মুজাহিদুল ইসলাম, রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট, লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
গ্রন্থনা: এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
01/01/2025
লন্ডনে লেখাপড়া ও চাকুরি সুযোগ: ক্যামব্রিজ ইংলিশ স্কুল অব লন্ডন এর দুবাই, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে এক্সক্লুসিভ পার্টনার স্কলারশীপ অ্যাপ্লাই বোর্ড। রয়েছে এ লেভেল পড়াশোনার সুযোগ , সাথে জব সাপোর্ট। বিস্তারিত জানতে কল করুন অথবা আমাদের বনানী অফিস ভিজিট করুন।
01/01/2025
Malaysia has become an increasingly popular destination for international students seeking quality higher education. Here are some key reasons why:
Affordable Education: Compared to many Western countries, the cost of studying in Malaysia is significantly lower. This includes tuition fees and living expenses.
Internationally Recognized Degrees: Malaysian universities offer degrees that are recognized globally, providing graduates with strong career prospects.
Multicultural Environment: Malaysia is a multi-ethnic and multicultural country, offering a diverse and enriching experience for international students.
English as a Medium of Instruction: Many programs are taught in English, making it easier for international students to adapt and succeed.
Modern Infrastructure: Malaysia boasts modern campuses, well-equipped facilities, and advanced technology, providing a conducive learning environment.
Vibrant Culture: Malaysian culture is a blend of Malay, Chinese, Indian, and other influences, offering a unique and fascinating experience for students.
Safe and Secure: Malaysia is generally considered a safe and secure country for international students.
Beautiful Scenery: From bustling cities to pristine beaches and lush rainforests, Malaysia offers stunning natural beauty and opportunities for adventure.
These factors make Malaysia an attractive option for students seeking a high-quality, affordable, and culturally enriching education experience.
Our Malaysia office ready to support you
Our Malaysia Office : Hyper Connect Sdn Bhd ( Multiverse Education Group)
HQ, 31st Level, Menara AmBank, 8, Jalan Yap Kwan Seng, Kampung Baru, 50450, Kuala Lumpur, Malaysia