With Nadipathy Cattle – I just got recognized as one of their top fans!
Mahakal Batta
teaching video and text creation
জয় মা
.
তোমার প্রেমে যে রঙ লেগেছে,
মনটা যেন নতুন করে জেগেছে।
তোমার ঠোঁটের হাসি আমার সুখ,
তোমার বাহুডোরে কাটুক সব দুঃখ।
04/03/2025
পুরাণ শাস্ত্র জ্ঞান " বেদের প্রাধান্য সম্বন্ধে "
১) " বেদ শাস্ত্রং সনাতনম্ " অর্থাৎ বেদই সনাতন শাস্ত্র।
( মনুস্মৃতি ২/৯৯ )
২) " নাস্তি বেদাৎ পরং শাস্ত্রম্ "
বেদ হইতে উৎকৃষ্ট কোন শাস্ত্র নাই। ( অত্রিস্মৃতি ১৪৯)
৩) " সর্বজ্ঞানময়ো হিসঃ "
বেদ সকল জ্ঞানের ভান্ডার ( মনুসংহিতা ২ /৭)
৪) " বেদোহখিলো ধর্মমূলম্ "
বেদ সমগ্র ধর্মের মূল। ( মনুস্মৃতি ২/৬)
৫) " ধর্মজিজ্ঞাসমানানাং প্রমাণং পরমং শ্রুতিঃ "
যে ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান প্রাপ্ত করিতে চায়, তাহার জন্য বেদই পরম বা শ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ( মনুস্মৃতি ২/৯)
৬)) " আবার ভাগবত ৬/ ১/৪০ এ বলা হইয়াছে -- যা বেদ বিহিত তাই ধর্ম, আর যা বেদ।নিষিদ্ধ তাই অধর্ম। সুতরাং সবাইকে বেদ জানার চেষ্টা করিতে হইবে এবং তা অবশ্যই পালন করিতে হইবে।
04/03/2025
দেবী কৌশিকীর আবির্ভাব
সপ্তপর্ণ গিরির অরণ্যে যখন অশুভ শক্তির আধিপত্য ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছিল, দেবতারা তখন মহাশক্তির আবাহন করলেন। তাঁদের আহ্বানে আদ্যাশক্তি মহামায়া নিজেই প্রকাশ পেলেন দেবী কৌশিকীর রূপে। তাঁর রূপ অপরূপ, জ্যোতির্ময়, এবং তিনি শ্বেতবসনা পরিহিতা। তাঁর আগমনেই চারিদিকে শুভশক্তির প্রবাহ সৃষ্টি হলো।
দৈত্যরাজ শুম্ভ ও নিশুম্ভ তখন স্বর্গলোকে অত্যাচার চালাচ্ছিল। দেবতাদের শক্তিহীন করে, তারা স্বর্গের অধিপতি হয়েছে। বিষ্ণু, ব্রহ্মা এবং মহেশ্বর দেবগণ দেবী কৌশিকীর শরণ নিলেন। দেবী তখন বললেন, "যখন সময় আসবে, আমি নিজেই তাঁদের বিনাশ করব।"
শুম্ভ ও নিশুম্ভ দেবী কৌশিকীর অপার সৌন্দর্যের কথা শুনে তাঁকে বশে আনার অভিপ্রায় করল। তারা চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই রাক্ষসকে প্রেরণ করল দেবীর কাছে। কিন্তু দেবী ক্রোধে তাঁদের ভস্ম করে দিলেন। এরপর অসুরদের প্রধান সেনাপতি ধূম্রলোচন দেবীর সঙ্গে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো। দেবী একমাত্র ধ্বনির মাধ্যমে তাকে ভস্ম করে দিলেন।
অবশেষে শুম্ভ ও নিশুম্ভ স্বয়ং যুদ্ধের ময়দানে এল। এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ শুরু হল। দেবী তাঁর দশ হাতে শূল, চক্র, ত্রিশূল, গদা, ধনুর্বাণ ধারণ করলেন। তাঁর তেজে আকাশ বিদীর্ণ হলো। একে একে দেবী প্রথমে নিশুম্ভ এবং পরবর্তীতে শুম্ভকে পরাজিত করলেন।
যুদ্ধশেষে দেবতারা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন এবং বললেন, "হে দেবী, তুমি আমাদের রক্ষা করেছ, তোমার কৃপাই আমাদের শক্তি।" দেবী কৌশিকী হাস্যকর হোন এবং বললেন, "অসুরদের বিনাশ তখনই হয়, যখন ধর্মের উপর বিশ্বাস অটুট থাকে।" এরপর তিনি মহাশক্তির রূপ ধারণ করে মহাকাশে লীন হলেন।
এভাবেই দেবী কৌশিকী জগতে ধর্ম ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করলেন, আর দেবতারা পুনরায় স্বর্গের অধিপতি হলেন।
01/02/2025
কালী পূজার কালী শব্দটি কাল শব্দের স্ত্রীর রূপ, যার অর্থ হল কৃষ্ণ বর্ণ বা গুরু বর্ণ। বিভিন্ন পুরাণ থেকে থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মহামায়া মা দুর্গার অন্য একটি রূপ হল কালী। প্রাচীন গ্রন্থে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কালী একটি দানবীর রূপ। মহাভারতে কালীর উল্লেখ রয়েছে, সেখানে যোদ্ধা এবং পশুদের আত্মা বহন করেন যিনি, সেই তিনিই কাল রাত্রি কালী নামে পরিচিত। জানা যায়, নবদ্বীপের এক তান্ত্রিক যার নাম কৃষ্ণানন্দ তিনি বাংলায় প্রথম কালীমূর্তি বা প্রতিমা পূজার প্রচলন করেন। তার আগে মা কালীর উপাসকরা তাম্র পটে বা খোদাই করে কালীর মূর্তি এঁকে মা কালী সাধনা করতেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় কালী পূজাকে জনপ্রিয় করে তোলেন এবং এইভাবে মা কালীর প্রতিমা পূজার প্রচলন শুরু। উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার বিভিন্ন ধনী জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় কালীপুজোর ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।
কালীর একাধিক রূপ
পুরাণে দেবী কালীর একাধিক রূপের বর্ণনা পাওয়া যায়। যেমন দক্ষিণা কালী, শ্মশান কালী, ভদ্রকালী, রক্ষাকালী ,গ্রহ কালী, চামুণ্ডা, ছিন্নমস্তা প্রভৃতি। মহাকাল সংহিতা অনুসারে মা কালীর আবার নব রূপের পরিচয় পাওয়া যায়। যেমন কাল কালী, কঙ্কাল কালী, চিকা কালী এমন সব রূপের রূপের পরিচয়ও পাওয়া যায়। এছাড়াও বিভিন্ন মন্দিরে ব্রহ্মময়ী , আনন্দময়ী, ভবতারিণী, আনন্দময়ী ইত্যাদি নামেও মা কালীর পূজা বা উপাসনা করতে দেখা যায়।
Batta
01/02/2025
মহামায়ার দেহ থেকে নিঃসৃত দেবী কৌশিকী কৃষ্ণ বর্ণ ধারণ করেন, যা দেবী কালীর আদিরূপ।
রাম রাম মিত্র
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
9430