24/05/2026
আপনার লেখাটি প্রুফরিড করে ব্যাকরণ, বানান, যতিচিহ্ন ও শব্দচয়ন একটু পরিমার্জন করেছি, তবে মূল টোন ও বক্তব্য একই রাখা হয়েছে।
আমরা মধ্যযুগে নেই মাননীয় মন্ত্রী, এখন ডিজিটাল সময়। বাচ্চারাও সবকিছু নোটিশ করে।
এত অধৈর্য হলে তো চলবে না সালাউদ্দিন সাহেব। খুব তাড়া আপনার। বারবার উঠে যাচ্ছেন বাইরে যাওয়ার জন্য। সারাদিন এসির ভেতরে থাকেন, হয়তো আপনার গরম সহ্য হয় না। ছোট একটা রুমে গরমে অসহ্য হয়ে বারবার উঠে বাইরে যেতে চাইতেছেন।
যেখানে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নিজে ধৈর্য নিয়ে মন দিয়ে রামিসার বাবা মায়ের কথা শুনতেছেন, সেখানে আপনি খুব অধৈর্য। শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী নিজেই আপনাকে হাত দিয়ে বসালেন। ব্যাপারগুলো সবার চোখে পড়ে। খেয়াল রাখবেন এই জিনিসগুলো। জনগণ এখন একটা পিন মাটিতে পড়লেও সেটা খেয়াল করে।
আগে প্রধানমন্ত্রীদের বাসভবনে ভিক্টিমদের যেতে হতো, আর এখন প্রধানমন্ত্রী স্বশরীরে ভিক্টিমদের কাছে আসেন। পরিবর্তনটা সুন্দর, এগুলোই চাই আমরা। কিন্তু এই পরিবর্তনগুলো আপনারা দুই চারজন মিলে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না।