নামাজ কায়েম করো

নামাজ কায়েম করো

Share

কুরআন ও হাদিসের আলোকে সবাইকে নামাজের আহ্বান

নামাজ বেহেস্তের চাবি । পবিত্র কোরআনে ৮২ বার নামাজ কায়েম করার কথা বলা হয়েছে । তাই সকল ভাই বোনদের কে নামাজের জন্য আহবান করাই এই পেইজের মূল উদ্বেশ্য । এই পেইজের সাথে থেকে পবিত্র কোরআন এবং হাদিসের আলোকে নামাজ সমপর্কিত জানা অজানা তথ্য জেনে নিন ।

28/04/2026

ইমামের সাথে সাথে রুকু ও সিজদাহ্ করা কি ঠিক নাকি ভুল..?

28/04/2026

ইমামের সাথে সাথে রুকু সিজদা করা কি ঠিক নাকি ভুল?

28/04/2026

শিরক ও রিয়া থেকে সতর্কতা.....

゚ ゚viralシ #নামাজকায়েমকরো #সালাত #নামাজ

27/04/2026
27/04/2026

পবিত্র কুরআনে মুমিনদের সিজদার চিহ্ন সম্পর্কে সূরা আল-ফাতহ্-এর ২৯ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। আয়াতটি হলো:
​مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ ۚ وَالَّذِينَ مَعَهُ أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ ۖ تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانًا ۖ سِيمَاهُمْ فِي وُجُوهِهِم مِّنْ أَثَرِ السُّجُودِ...
​অর্থ:
​"মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল এবং তাঁর সাথে যারা আছে তারা কাফেরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর; পরস্পরের প্রতি সদয়। তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদাহরত অবস্থায় দেখবে। তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে। তাদের মুখমন্ডলে সিজদার চিহ্ন থাকবে..." (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত: ২৯)
​আয়াতটির ব্যাখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:

​সিজদার চিহ্নের ধরণ: মুফাসসিরগণের মতে, এখানে 'সিজদার চিহ্ন' বলতে কেবল কপালের কালো দাগকে বোঝানো হয়নি। অনেক সাহাবী এবং তাবেয়ীনদের মতে, এটি হলো ইবাদতের কারণে চেহারায় ফুটে ওঠা এক ধরণের নূর, বিনয় বা উজ্জ্বলতা।

​কিয়ামতের দিন চেনার উপায়: হাদিস অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন ওজুর অঙ্গগুলো এবং সিজদার জায়গাগুলো নূরের মতো চমকাতে থাকবে, যা দেখে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর উম্মতদের চিনতে পারবেন।

​অহংকার ও লৌকিকতা পরিহার: কপালের চিহ্ন যদি দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকার কারণে প্রাকৃতিকভাবে পড়ে, তবে তা প্রশংসনীয়। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘর্ষণ করে দাগ তৈরি করা বা এই দাগ নিয়ে মনে অহংকার পোষণ করা ইসলামে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত অন্তরের নিষ্ঠা ও বিনয়।

23/04/2026

নামাজ না পড়া কোন ধরনের গুনাহ..?

ভ ゚ ゚viralシ #নামাজকায়েমকরো #সালাত #নামাজ

23/04/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Monir Ahmed Bhuiyan, Aman Aman, Fajlay Rabby, Jabun Nahar, Asaduzzaman Hridoy, Samad Siddique, Md. Ariful Islam, Md Mamun, Mia Md Ujjel, Md Ali Rihan, Dalim Sk, Mst Rahana Khatun, Abu Hurairah, Sri Niranjan, Md Tufayel, Nur Alam, Abul Bashar Rubel, মোঃ নয়ন সরদার, Abdul Munna, Tanzila Mim, Fihad Chowdhury, Md Mizan, দুই দিনের মুসাফির, M D Mominur Rahman, Joti Akter, Masuda Parvin, Jabin Laskar, Md Jashim Uddin, Mohammad Aslam, মিথ্যা মায়ায় আসক্ত, Asma Ull Hosna, নীল আকাশের চাঁদ, Md Morsalin, Jannat Brishty, Ayesha Islam, Airin Alpana, M Alamgir Kabir, ফেরদৌস ইসলাম, Jannatul Fer Dush, Monir Hossain, Arshi Ahamed Ojud, Hajera Khanom, Omar Faruk, Kanon Koli, শান্তা আক্তার, সিয়াম আল মামুন, রুনা বেগম

23/04/2026

゚ ゚viralシ #নামাজকায়েমকরো #সালাত #নামাজ

23/02/2025

🔴 রিজিক বৃদ্ধির আমল

১) আল্লাহর কাছে রিজিকে বারাকাহ্ চেয়ে দুআ করবেন। ইয়া আল্লাহ! আমাকে উত্তম রিজিক দাও। বেহিসাবি উত্তম রিজিক দাও। ধারণাতীত উত্তম রিজিক দাও। এমন উত্তম রিজিক দাও,যা আমার দুনিয়া ও আখিরাতে কাজে আসবে। রিজিকের সাথে পরীক্ষা দিও না। বরং সবসময় আফিয়াতের সাথে উত্তম হালত দাও। দুনিয়ায়ও দাও,আখিরাতেও দাও। বরং আমার চাওয়ার চেয়ে উত্তম দাও। তোমার দেওয়া রিজিক তোমার সন্তুষ্টির পথে ব্যয় করার নসীব দাও।
২) অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার করা। বিশেষ করে শেষরাতে অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময় ইস্তেগফার জীবনের সবকিছুতে বারাকাহ্ আনে৷ দুআ কবুলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
৩) আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ খবর নেওয়া, তাদের হক্ব আদায় করা।
৪) সদকাহ্ করা। সদকাহ্ রিজিক বৃদ্ধি করে। বিপদাপদ দূর করে।
৫) দুরুদ পাঠ করা। দুরুদ পাঠে হাজত পূর্ণ হয়। দুনিয়া ও আখিরাতের পেরেশানি দূর হয়।
৬) নিজের যা আছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।
৭) সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াত পাঠ করা। দুআ কবুলের সময়গুলোতে,সিজদাহ্তে বা বিভিন্ন সময় এই দুআ পড়া। এই দুআর বরকতে আল্লাহ মুসা নবীকে কর্মসংস্থান,রিজিক,নেককার স্ত্রী দিয়েছিলেন।
৮) অনেকে সূরা ওয়াকিয়ার আমল করে উপকৃত হয়েছেন।
৯) নিজের জন্য দুআ করার পাশাপাশি অন্যের জন্যও দুআ করা। যেমন- ইয়া ওয়াহাব! আমার রিজিকের সমস্যা দূর করো৷ আমার জন্য তুমি যথেষ্ট হয়ে যাও। তোমার বান্দাদের মধ্যে যারা রিজিকের পেরেশানিতে আছে,তাদেরও বারাকাহ্ দাও।
১০) বিয়ে করা৷ অধিক পরিমাণে সন্তান নেওয়া। বিয়ে-সন্তানের মাধ্যমে রিজিকে অঢেল বারাকাহ্ আসে৷ রিজিক বৃদ্ধি পায়৷
১১) রুকইয়াহ রিলেটেড সমস্যা থাকলে রিজিকে বাঁধা আসতে পারে। এই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাক্বির সাথে যোগাযোগ করে রুকইয়াহ করা।
১২) ঘরে প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করা বা অডিও চালু করে রাখা৷ ঘরে সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করা হলে শয়তান আবাস গড়তে পারে না। যে ঘরে শয়তানের আবাস নেই, সে ঘরে রহমত ও বরকত থাকবে।
১৩) সবকিছুর জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করা।
১৪) বাসায় ঢুকার সময় সালাম দেওয়া
১৫) ছোট-বড় যেকোনো কাজ শুরুর পূর্বে বাসমালাহ পড়া। বাসমালা মানে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।

এসব ছাড়াও পুরুষ মানুষের উচিত রিজিকের জন্য হালাল উপায়ে চেষ্টা করা। তাই বলে রিজিকের জন্য হারাম ইনকাম করা যাবে না। ইনকাম হালাল না হলে কোনো আমল/দুআ আল্লাহর কাছে কবুল হবে না৷ সকালের সময়টাতে রিজিকের উদ্দেশ্যে বের হওয়া। চাকরির চেয়ে ব্যবসাকে প্রাধান্য দেওয়া। ব্যবসাতে আল্লাহ বারাকাহ্ দিয়েছেন। বারাকাহ্ মানে অনেক টাকা না। বারাকাহ্ হলো আল্লাহ যা দিয়েছেন,তাতে কল্যাণ থাকা৷ বরকতময় রিজিকে অল্পতেই তুষ্ট থাকা যায়। আর বরকত নেই, এমন অঢেল রিজিকেও মন প্রশান্ত হয় না।
# নামাজ কায়েম করো #

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka