30/08/2025
#আন্তর্জাতিক #ফোকাস_রাইটিং #ভাইভা #লিখিত
🟢 “ডলার: বিশ্ব অর্থনীতিতে শাসন ও তার পরিবর্তন”
🔷মূল পয়েন্ট সংক্ষেপে
📌১. ডলারের আধিপত্য আজও অব্যাহত
বিশ্বের ‘রাজা’ মুদ্রা হিসেবে ডলার তার প্রাধান্য বজায় রেখেছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি ও স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বস্ততা জোগায়।
বাজারে আমদানি-রপ্তানি, ঋণের লেনদেন, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় ডলারের ব্যবহার নিয়মিত হতে দাঁড়িয়েছে।
📌২. পেট্রো-ডলার এবং ট্রেজারি বন্ডের গুরুত্ব
তেল, গ্যাস ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যমূল্য ডলারে নির্ধারিত হওয়ায় (পেট্রো-ডলার ব্যবস্থা) বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের চাহিদা বজায় থাকে।
মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ হিসেবে গণ্য করা হয়; এটি ডলার ব্যবহারকে আরও সক্ষম ও স্থায়ী করে তোলে।
📌৩. উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ঝুঁকি
ডলারে ঋণ নেওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে যখন ডলারের মান বৃদ্ধি পায়, তখন ঋণের বোঝা বৃদ্ধি পায়, যা অর্থনৈতিক চাপ ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করে।
📌৪. বিকল্প এবং ডি-ডলারাইজেশন
যদিও ইউরো বা ইউয়ান বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে, তাদের রাজনৈতিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এখনও ডলারের বিকল্প হিসেবে পুরোপুরি কার্যকর নয়।
অনেক দেশ ক্রিপ্টোকারেন্সি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক-নির্ধারিত ডিজিটাল মুদ্রাকে একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দেখছে, তবে ডলারের পরিবর্তে বিনিয়োগ বা চালান হিসেবে ব্যবহারে এখনও অনেক সীমাবদ্ধতা আছে।
📌৫. ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা
মাল্টিপোলার মুদ্রা ব্যবস্থা: ভবিষ্যতে ডলার একমাত্র আধিপত্যপূর্ণ মুদ্রা না হয়ে ইউয়ান, ইউরো, এবং অন্যান্য স্থানীয় মুদ্রার গুরুত্ব বাড়তে পারে।
তবে তার বর্তমান ভিত্তি ও গ্রহণযোগ্যতা খুবই শক্তিশালী, তাই ডলার দ্রুত হারাবে না—বরং ধীরে ধীরে বহুমুদ্রার ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটতে পারে।
🔷উপসংহার
সামগ্রিকভাবে, কলামটি বলছে—ডলার এখনও বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্রে অবস্থান করছে, কিন্তু তার একক আধিপত্য কমতে শুরু করেছে। অনেক দেশ বিকল্প ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে, এবং বিশ্ব একটি মাল্টিপোলার মুদ্রানীতার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে।
পুরো কলাম: https://www.kalbela.com/ajkerpatrika/joto-mot-toto-path/217537
29/08/2025
ড. হারুন রশীদের কলাম “রোহিঙ্গা সংকট : সমাধান কার হাতে?” (দেশ রূপান্তর, ২৮ আগস্ট ২০২৫) থেকে মূল পয়েন্টগুলো
✦ মূল পয়েন্টসমূহ
1. প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৭ দফা প্রস্তাব
⚡দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ।
⚡২০২৫-২৬ যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনার অর্থ ঘাটতি পূরণে দাতাদের সহায়তা।
⚡রোহিঙ্গাদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা অবসান ও নিরাপত্তা-অধিকার নিশ্চিত।
⚡মিয়ানমারের ভেতরে সংলাপ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা, পুনর্মিলন ও প্রত্যাবাসন।
⚡আসিয়ান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা; মানবপাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান দমন।
⚡জাতিগত নিধনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় অবস্থান।
⚡আইসিজে, আইসিসি প্রভৃতি সংস্থায় জবাবদিহি প্রক্রিয়া গতিশীল করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত।
2. বাংলাদেশের পরিস্থিতি
দেশে বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে; কক্সবাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির।
প্রতিবছর প্রায় ৩২ হাজার নবজাতক জন্ম নিচ্ছে, যা সমস্যাকে আরও জটিল করছে।
স্থানীয় জনগণ বিপুল ত্যাগ স্বীকার করছে; অর্থনীতি, সমাজ, পরিবেশ ও শাসনব্যবস্থায় বিরাট চাপ তৈরি হয়েছে।
3. নিরাপত্তা ঝুঁকি
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সঙ্গে মাদক ও অস্ত্র প্রবাহের শঙ্কা।
ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ মাদকের বিস্তার দেশে সামাজিক শৃঙ্খলা, তরুণ সমাজ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু জড়িয়ে পড়তে পারে।
4. মিয়ানমারের দায়
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক, তাই তাদের অধিকার ও প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব মিয়ানমারের।
শুধু বাংলাদেশকে দায়ভার দেওয়া যাবে না; আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ প্রয়োগ করতে হবে।
5. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা
জাতিসংঘ কার্যকর চাপ প্রয়োগে ব্যর্থ; শুধু মানবিক প্রবেশাধিকার চাইছে।
কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি, ফলে সংকট আরও জটিল।
6. সমাধানের পথ
সমস্যার সমাধান মূলত মিয়ানমারের হাতে।
চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বশক্তিদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।
রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক এজেন্ডায় রাখতে হবে, নতুবা এটি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।
👉 সারকথা: রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান বাংলাদেশের পক্ষে একা সম্ভব নয়। এর মূল চাবিকাঠি মিয়ানমার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হাতে। বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে সচেষ্ট থাকতে হবে, তবে বিশ্বশক্তি ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর চাপ ছাড়া সমাধান আসবে না।
বিস্তারিত : https://www.deshrupantor.com/617552/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87
28/08/2025
#আন্তর্জাতিক #ভাইভা #লিখিত
(প্রথম আলো থেকে, প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৫, ১৪:৩০)
🟢শিরোনাম: নেতানিয়াহু যেভাবে ইসরায়েলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন
লেখক: এরান ইয়াশিভ (তারাবিব বিশ্ববিদ্যালয়, অর্থনীতি) ও দানিয়েল সিদ্দন (তারাবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইমেরিটাস অধ্যাপক)
---
মূল বিষয়বস্তু:
নেতানিয়াহুর নীতি ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করে ফেলবে:
গাজার যুদ্ধ কেবল ফিলিস্তিনিদের উপর আমূল ক্ষতি করছেনা; এটি ইসরায়েলের অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। যদি এখনই নীতিতে পরিবর্তন না আনা হয়, তাহলে ইসরায়েল কয়েক দশকের জন্য একা-একা হয়ে পড়বে।
🔷দুর্ভিক্ষ ও বাস্তুচ্যুতি পরিকল্পিত:
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, উত্তর গাজায় লক্ষাধিক মানুষ ভয়াবহ তীব্র খাবারের সংকটে ভুগছে—দুর্ভিক্ষের সার্থকতা ছুঁয়েছে। ইসরায়েলের ‘মানবিক শহর’ নির্মাণের পরিকল্পনাটি বাস্তবে গাজাবাসীদের জন্য সীমাবদ্ধ জায়গায় আটকে রাখার কৌশল। গাজা সিটি দখল এবং মানুষের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি—সবই পরিকল্পিত।
🔷নেতানিয়াহুর নিজস্ব রাজনৈতিক আগ্রাসণ:
দুর্নীতির মামলায় দুর্বল হয়ে পড়া নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক মঞ্চে টিকে থাকতে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার কৌশল বেছে নিয়েছেন। জোট সরকারের চরমপন্থী সদস্যদের প্রভাব বাড়ছে, যারা উচ্ছেদ, দুর্ভিক্ষ এবং বাস্তুচ্যুতিকে “অনিচ্ছাকৃত পরিণতি” নয় বরং রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে দেখে।
🔷ইউরোপীয় চাপ ও নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা:
গাজার সকল ক্ষতিগ্রস্তদের বেঁচে থাকার জন্য কার্যকর সহায়তা না করা হলে, ইউরোপীয় দেশগুলো—বিশেষ করে ইইউ—নির্দেশিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এতে ইসরায়েলের প্রযুক্তি খাত, গবেষণা তহবিল, এবং বাণিজ্য বিপর্যস্ত হতে পারে।
🔷অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় শুরু:
ঋণমান হ্রাস, সুদের হার বৃদ্ধি, দক্ষ জনসংখ্যার দেশ ত্যাগ—এমন সব সংকট দেখা দিয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র কিছু অর্থনৈতিক চাপ সইতে পারে, এভাবেই চলতে পারলে ইসরায়েলের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে ভীষণ আঘাতপ্রাপ্ত হবে।
🟢সারসংক্ষেপ:
এই কলামটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান নীতি শুধুমাত্র যুদ্ধ ও সংকট বাড়াচ্ছে, বরং এটি ইসরায়েলের অর্থনৈতিক স্থায়িতা, গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক— সবার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। লেখকরা সতর্ক করেছেন, এই পথ থেকে ফেরার সুযোগ এখনও আছে—শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের শান্তির জন্য।
পুরো কলাম : https://www.prothomalo.com/opinion/column/xux3719eqb?utm_source=chatgpt.com
06/06/2025
শুদ্ধীকরণ (ডান পাশেরগুলো শুদ্ধরূপ)
◑ ফোনঃ > ফোন: [বিসর্গ একটি স্বাধীন বর্ণ। এটি যতিচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। কোলনের স্থলে অনেকেই বিসর্গ দেয় কিন্তু তা সম্পূর্ণ ভুল।]
◑ তারিখঃ > তারিখ: [প্রাগুক্ত]
◑ ১৮ জ্যৈষ্ঠ,১৪৩১ > ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ [১৮-এর পর 'ই' হবে এবং কমার পর স্পেস বা ফাঁক হবে।]
◑ খ্রিস্টাব্দ > খ্রিষ্টাব্দ
◑ ঈদ-উল-আযহা > ইদুল-আজহা [সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ১৮২। বিদেশি উৎসের বাংলা শব্দের বানান ‘ই/ই-কার’, ‘জ’ হয়।]
◑ উপলক্ষে > উপলক্ষ্যে
[উপ+√লক্ষ্+য = উপলক্ষ্য]
◑ ঈদের > ইদের [প্রাগুক্ত]
◑ যেসকল > যে সকল [এখানে 'যে' আলাদা বসবে।]
◑ তাদেরকে > তাদের ['-এর' বিভক্তির পর আবার '-কে' বিভক্তি যুক্ত করা ভুল।]
◑ গেইটে > গেটে
[সূত্র: বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ৪১৩।]
◑ ঈদের > ইদের [প্রাগুক্ত]
◑ কোন > কোনো/কোনও
['কোন' শব্দের উচ্চারণ /কোন্/। 'কোনো' শব্দের উচ্চারণ /কোনো/। কোন ও কোনো-র আলাদা অর্থ রয়েছে এবং আলাদা প্রয়োগ রয়েছে। তাই যেখানে যেটি দরকার, সেখানে সেটি প্রয়োগ করতে হবে। উদাহরণ দুটো লক্ষ করুন— ১. কোন জামাটি নেবেন? ২. কোনো জামা নেব না।]
◑ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। > ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় [এটি পুরো বাক্য নয়, কাজেই দাঁড়ি প্রযোজ্য নয়।]
✍️ভুল ধরা কমিটি
31/05/2025
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) মাসে কত সম্মানী পান.:.
- বেসিক- ১৬০০০/-
- বাসা ভাড়া- বেসিকের ৫০% এভারেজ- ৮০০০/- (সিটি এলাকায় বেসি, গ্রাম এলাকায় কম)
- মেডিকেল ভাতা- ১৫০০/-
- বিশেষ প্রণোদনা - ১০০০/-
- লাঞ্চ বিল, প্রতিমাসে ২০ কর্মদিবস হলে- ৮০০০/-
মোট বেতন- ৩৪৫০০/- (জেনারেল ও ক্যাশ)
এরসাথে কিছু ব্যাংক হাওর, চরাঞ্চল ভাতা, পাহাড়ি এলাকায় পোস্টিং এ ভাতা বাবদ ৪-৫ হাজার দেয়।
অগ্রণী ব্যাংক ক্যাশ অফিসারদের ক্যাশ ঝুঁকি ভাতা বাবদ ১০০০-১৫০০ দেয়
ডিপ্লোমা পাশের পর প্রতি মাসে স্যালারীর সাথে ৩০০/- (১ম পার্ট) ও ৫০০/- (২য় পার্টের জন্য) করে দেয় রুপালী ব্যাংক।
এরসাথে বাৎসরিক ২ ঈদে বোনাস ৩২০০০/- টাকা (সকল অফিসার)
বৈশাখী ভাতা- ৩২০০/-
জুন ক্লোজিং ও ডিসেম্বর ক্লোজিং এ ক্লোজিং ভাতা ২০০০*২= ৪০০০/-
ইনসেন্টিভ (বছরে) যদি ৪ টা হয় তাহলে- ৬৪০০০/- টাকা।
সর্বোপরি একজন অফিসার বছরে বৈধভাবে বেতন বাবদ পান: (৩৪৫০০*১২)+(১০০০-১৫০০)+৩২০০০+৬৪০০০+৩২০০
= ৫,১৯,২০০ থেকে ৫,১৯,৭০০/- টাকা।
এবার ভাবুন সামনের অফিসার জেনারেল নিয়োগের জন্য কি করবেন???
collected
29/05/2025
🔴গণতন্ত্রের বিকাশে এনসিসি যেভাবে কাজ করবে
সংবিধান সংস্কার
29/05/2025
● এনসিসির কাঠামোগত গঠন নানান দিক থেকে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল। রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগেরই সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা পদাধিকারবলে এনসিসির সদস্য হবেন।
● যখন সাংবিধানিক সংস্থাগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হয়, তখন জনগণ শক্তিশালী গণতন্ত্র এবং সুশাসনের মাধ্যমে প্রকৃত সেবা পেতে ও সুবিধা ভোগ করতে শুরু করে।
● প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এনসিসির সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে এটি একটি ন্যায্য ও টেকসই ব্যবস্থায় রূপ নেবে।
● সংসদ ভেঙে গেলে বা সরকার পতন হলেও এনসিসি বহাল থাকবে। এতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও শাসনব্যবস্থা চলমান রাখতে এনসিসি একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানরূপে ভূমিকা পালন করতে পারবে।
সংবিধান সংস্কার কমিশন ‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল’ (এনসিসি) নামে একটি সমন্বিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেছে। এনসিসি কেবল সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবে। এনসিসি হবে একটি অনন্য সম্মিলিত সংস্থা, যেখানে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ দেশ গঠন এবং শাসনব্যবস্থার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে। গণতন্ত্রের বিকাশে এনসিসি কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে লিখেছেন মঈন ফিরোজী
সংবিধান সংস্কার কমিশন ‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল’ (এনসিসি) নামে একটি সমন্বিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেছে। কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে এনসিসি গঠন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী প্রস্তাব।
এনসিসি একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মৌলিক পরিবর্তন আনবে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর শুরুতে এনসিসি নিয়ে অনেকের মধ্যেই যথেষ্ট কৌতূহল পরিলক্ষিত হয়েছে।
কিন্তু পর্যায়ক্রমে এ বিষয়ে যথাযথ ও সম্যক ধারণা তৈরি না হওয়ায় জনগণ এনসিসির গুরুত্ব স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে পারেনি। এই নিবন্ধে এনসিসি–সম্পর্কিত কমিশনের প্রস্তাবের কিছু বৈশিষ্ট্যের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।
🟢এনসিসির গঠন
এনসিসির কাঠামোগত গঠন নানান দিক থেকে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল। রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগেরই সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা পদাধিকারবলে এনসিসির সদস্য হবেন। এতে এনসিসির সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং নিয়োগসংক্রান্ত চিরাচরিত জটিলতা থাকবে না।
আইনসভা থেকে ছয়জন (বিরোধীদলীয় নেতা, উভয় কক্ষের দুজন স্পিকার, দুজন বিরোধী দল মনোনীত ডেপুটি স্পিকার এবং একজন সংসদ সদস্য), নির্বাহী বিভাগ থেকে দুজন (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, তিনি আইনসভারও সদস্য), বিচার বিভাগ থেকে একজন (প্রধান বিচারপতি) এনসিসির সদস্য হবেন।
কমিশনের প্রস্তাবে এনসিসিতে সরকারি ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্বেরও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হয়েছে। একদিকে প্রধানমন্ত্রী ও আইনসভার উভয় কক্ষের স্পিকার মিলে তিনজন সরকারি দল থেকে, অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতা ও আইনসভার উভয় কক্ষের দুজন ডেপুটি স্পিকারসহ তিনজন বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করবে। বাকি তিনজন অনেকটা নিরেপক্ষ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি সাধারণত সরকারি দল থেকে নির্বাচিত হলেও পদাসীন হওয়ার পর তিনি দলনিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচিত হন। তথাপি ভারসাম্যের স্বার্থে এমন একজন সংসদ সদস্য এনসিসির সদস্য হবেন, যিনি প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতার প্রতিনিধিত্বকারী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের উভয় কক্ষের সদস্য ব্যতীত বাকি সব সদস্য দ্বারা মনোনীত। তিনি আইনসভার উভয় কক্ষের নির্বাচিত ছোট দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের প্রতিনিধিও বটে।
আরেকজন নিরপেক্ষ সদস্য হলেন প্রধান বিচারপতি, যিনি অত্যন্ত সম্মানিত, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং সাংবিধানিকভাবে নিরপেক্ষ।
🔷এনসিসি একটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক
যেহেতু এনসিসি রাষ্ট্রের সব অঙ্গ নিয়ে গঠিত এবং সংসদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব এতে একসঙ্গে কাজ করবে, তাই তাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রকে ব্যাপকভাবে শক্তিশালী করবে ও এই গণতান্ত্রিক অনুশীলন দেশের সব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংবিধান দ্বারা এনসিসিকে অর্পণের প্রস্তাবিত যেসব জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়, সেসব বিষয়ে এনসিসি কর্তৃক সম্মিলিত সিদ্ধান্ত হওয়ায় তা সুবিবেচনাপ্রসূত হবে এবং দেশের মানুষের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য হবে।
🟢এনসিসির কাজ কী
⚡গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার কমিশন (প্রস্তাবিত) ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন ইত্যাদির মতো সাংবিধানিক সংস্থাগুলোকে সব ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বচ্ছ এবং স্বাধীন সংস্থা হিসেবে কাজ করতে হবে।
⚡অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ইত্যাদির মতো কিছু সাংবিধানিক সংস্থাকে (প্রস্তাবিত) সাহসিকতার সঙ্গে, আপসহীন হয়ে ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে; সরকার বা তার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি, অনিয়ম এবং অপব্যবহারের তদন্তের ক্ষেত্রে এটা বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
⚡যখন সাংবিধানিক সংস্থাগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হয়, তখন জনগণ শক্তিশালী গণতন্ত্র ও সুশাসনের মাধ্যমে প্রকৃত সেবা পেতে এবং সুবিধা ভোগ করতে শুরু করে। সব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। ফলে রাজনৈতিক সরকারও তার কার্যক্রম সঠিকভাবে ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারে।
⚡যদি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক সংস্থার প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়, তাহলে সেই সংস্থা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে।
⚡বর্তমান সংবিধানের অধীনে এই ধরনের নিয়োগ মূলত প্রধানমন্ত্রীর একক বিবেচনার ভিত্তিতে করা হয়। ফলে সেই সংস্থাগুলোর ওপর নির্বাহী বিভাগের প্রভাব এবং ক্রমাগত হস্তক্ষেপ তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।
⚡সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুসারে, এনসিসি সব সাংবিধানিক সংস্থার কমিশনারদের নিয়োগ করবে। এতে সাংবিধানিক সংস্থাগুলো কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কাজ করে সব প্রাসঙ্গিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ তদারক করবে এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনবে; যা পর্যায়ক্রমে তাদেরকে দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত এবং দেশ ও দেশের মানুষের প্রকৃত সেবক হতে সাহায্য করবে।
যদিও সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ হলেও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে তাকে কীভাবে নিয়োগ করা হবে, সে সম্পর্কে কোনো গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়নি। যেহেতু রাষ্ট্রপতি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এই নিয়োগ করেছিলেন, তাই বিরোধীদের দ্বারা প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে সর্বদা প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
কমিশন সুপারিশ করেছে যে এনসিসি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মনোনীত করে রাষ্ট্রপতির কাছে নিয়োগের জন্য নাম প্রেরণ করবে। প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ গ্রহণযোগ্য হতে হলে অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ সিদ্ধান্তে হওয়া বাঞ্ছনীয়।
যেহেতু এনসিসিতে আইনসভায় নির্বাচিত অধিকাংশ দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে এবং সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চা ও সংস্কৃতি তৈরি হবে, সেহেতু প্রধান উপদেষ্টার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনয়নে এনসিসি হবে সবচেয়ে উপযুক্ত সংস্থা।
প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় এনসিসির সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে এটি একটি ন্যায্য ও টেকসই ব্যবস্থায় রূপ নেবে।
ওপরে উল্লিখিত বিষয় ছাড়া এনসিসি সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত অন্য সুনির্দিষ্ট কার্যাবলি ও আইন দ্বারা অর্পিত কার্যাদি সম্পাদন করতে পারবে।
🔷এনসিসি প্রধানমন্ত্রীর কাজে প্রতিবন্ধক নয়, বরং সহায়ক
এনসিসি কেবল সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবে। এনসিসি কোনো নির্বাহী কর্তৃত্ব প্রয়োগ করবে না বা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাও হরণ করবে না।
এনসিসি কর্তৃক সরকারের কোনো কাজে হস্তক্ষেপ করা কিংবা আপত্তি জানানোর সুযোগ নেই। এনসিসিতে যেহেতু স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় এনসিসি সরকারের সহায়ক ও সম্পূরক শক্তি হিসেবেকাজ করবে।
সরকারকে সঠিক পথে চালানোর জন্য যেসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যদি তাদের প্রধানদের সরকার বা সরকারপ্রধানের ইচ্ছেমতো নিযুক্ত করা হয়, তাহলে সরকার নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিতর্কিত হয়ে ওঠে।
তাই ওই সব নিয়োগ এনসিসির মাধ্যমে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং সরকার বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে। এ রকমটা করতে পারলে সার্বিকভাবে দেশের জন্যে আশীর্বাদ বয়ে আনবে।
জাতীয় সংকটের সময় সরকার এনসিসিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারবে। বিতর্কিত বিষয়গুলো এনসিসির কাছে অর্পণ করে সরকার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি তার ভাবমূর্তি বজায় রাখতে পারে। যেহেতু বেশির ভাগ শীর্ষ নেতৃত্ব এনসিসির অংশ হবেন, তাই এটি কার্যকরভাবে সরকার এবং তার বিরোধী দলের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলগুলো সাধারণত অভিযোগ করে যে জাতীয় ইস্যুতে তাদের কণ্ঠস্বর সর্বদা উপেক্ষা করা হয়। এনসিসির মাধ্যমে বিরোধী দলের কথা সিদ্ধান্তে রূপ নিতে পারে। এর ফলে গণতন্ত্র মজবুত হয়ে সরকার ও দেশেরই লাভ হবে।
🟢এনসিসি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে
📌এনসিসি হবে নিরবচ্ছিন্ন একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সংসদ ভেঙে গেলে বা সরকার পতন হলেও এনসিসি বহাল থাকবে। এতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও শাসনব্যবস্থা চলমান রাখতে এনসিসি একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানরূপে ভূমিকা পালন করতে পারবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় নিরপেক্ষতার স্বার্থে কোনো রাজনৈতিক দলীয় ব্যক্তি এনসিসিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
📌শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, শাসনব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য এবং জনগণের আস্থা একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্রের চালিকা শক্তি। এটা সত্য যে সরকার নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের দ্বারা পরিচালিত হতে হবে, তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুষ্ঠু যাত্রার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য, সৎ এবং নির্দলীয় ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া অত্যাবশ্যকীয়।
📌দলনিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘ মেয়াদে সব রাজনৈতিক দলের জন্যই সুফল বয়ে আনে। এনসিসি হবে একটি অনন্য সম্মিলিত সংস্থা, যেখানে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ দেশ গঠন এবং শাসনব্যবস্থার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে। এটা গণতন্ত্রের বিকাশে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে যৌক্তিকভাবেই আশা করা যায়।
● ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
© স্বত্ব প্রথম আলো 2025 |
29/05/2025
Based year 2023,
Senior Officer (General) - Job ID-10220
Download your admit card till 30 June 2025
পরে আর ডাউনলোড করার সুযোগ নেই কিন্তু।