Everydays Hadith

Everydays Hadith

Share

Islam is the only religion which teaches us to lead a peaceful life

13/03/2026

লাইলাতুল কদর (শবে কদর) ইসলামের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত। কোরআন ও হাদিসে এই রাতের অনেক ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। সংক্ষেপে প্রধান ফজিলতগুলো হলো—
১. হাজার মাসের চেয়েও উত্তম
আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন:
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।”
— সূরা আল‑কদর ৯৭:৩
অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত ৮৩ বছরেরও বেশি সময়ের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব।
২. এই রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে
আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরের রাতে।”
— সূরা আল‑কদর ৯৭:১
এজন্য এই রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত।
৩. ফেরেশতারা পৃথিবীতে নেমে আসে
কোরআনে বলা হয়েছে—
“এই রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের প্রতিপালকের অনুমতিতে সব কাজ নিয়ে অবতীর্ণ হয়।”
— সূরা আল‑কদর ৯৭:৪
অর্থাৎ সারা রাত রহমত ও বরকত নেমে আসে।
৪. এই রাত শান্তি ও রহমতের রাত
আল্লাহ বলেন:
“এ রাত ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত শান্তিময়।”
— সূরা আল‑কদর ৯৭:৫
৫. এই রাতে ইবাদত করলে আগের গুনাহ মাফ হয়
হাদিসে এসেছে—
“যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম
৬. এই রাত রমজানের শেষ দশকে
রাসুল ﷺ বলেছেন—
“তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।”
— সহিহ বুখারি
অর্থাৎ সাধারণত ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলোতে এই রাত খোঁজা হয়।
✅ এই রাতে করণীয় আমল
নফল নামাজ পড়া
কোরআন তিলাওয়াত
বেশি বেশি দোয়া
তওবা ও ইস্তিগফার
দরুদ শরিফ পড়া
বিশেষ দোয়া (রাসুল ﷺ শিখিয়েছেন):
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: Allahumma innaka ‘afuwwun tuhibbul ‘afwa fa’fu ‘anni
অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন।”

05/03/2026

আজ ৫ মার্চ ২০২৬ হলে আজ হচ্ছে ১৫তম রোজা।
🌙 রোজার গুরুত্ব
রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের জন্য রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। রোজার মাধ্যমে মানুষ ধৈর্য, আত্মসংযম ও তাকওয়া অর্জন করে।
কুরআনে বলা হয়েছে:
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”
— (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)
⭐ রোজার ফজিলত
রোজার অনেক ফজিলত আছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হলো:
১️⃣ আল্লাহ নিজেই রোজার প্রতিদান দেবেন
হাদিসে এসেছে:
“রোজা আমার জন্য, আর আমিই এর প্রতিদান দেব।”
২️⃣ গুনাহ মাফ হয়
রমজানে ইমান ও সওয়াবের আশায় রোজা রাখলে আগের গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
৩️⃣ জান্নাতের বিশেষ দরজা (রাইয়ান)
রোজাদারদের জন্য জান্নাতে “রাইয়ান” নামে একটি বিশেষ দরজা থাকবে।
৪️⃣ দোয়া কবুল হয়
রোজাদারের দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়, বিশেষ করে ইফতারের সময়।
৫️⃣ শয়তান বন্দি থাকে
রমজান মাসে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয় এবং রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
৬️⃣ লাইলাতুল কদরের সুযোগ
রমজানের শেষ দশ রাতে লাইলাতুল কদর আছে, যার ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।

04/02/2026

হাদিসের আলোকে শবে বরাত (লাইলাতুন নিসফি মিন শা‘বান) সম্পর্কে করণীয়গুলো :
হাদিসে যেগুলো প্রমাণিত বা সমর্থিত:
১. নফল ইবাদত করা (ব্যক্তিগতভাবে):
হাদিস থেকে বোঝা যায়, এ রাতে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়া করা উত্তম।
👉 তবে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা বিশেষ নিয়ম রাসুল ﷺ ঠিক করে দেননি।
২. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা:
হাদিসে এসেছে—
এই রাতে আল্লাহ তায়ালা অনেক বান্দাকে ক্ষমা করেন, শিরককারী ও হিংসাপোষণকারী ছাড়া।
তাই করণীয়:
🌲আন্তরিক তাওবা।
🌲নিজের গুনাহ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া।
🌲মানুষের প্রতি বিদ্বেষ, হিংসা, অহংকার ছেড়ে দেওয়া।
৩. দোয়া করা: নিজের জন্য, পরিবারে জন্য, উম্মাহর জন্য দোয়া করা যায়।
রিজিক, হেদায়েত, সুস্থতা—সব কিছুর জন্য দোয়া করা সুন্নতসিদ্ধ আমল।
৪. পরদিন নফল রোজা রাখা (ইচ্ছা হলে)
রাসুল ﷺ শা‘বান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন—এই সূত্রে
১৫ শা‘বানের পরদিন রোজা রাখা নফল হিসেবে জায়েজ।

যেগুলো হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয় / সাবধানতার বিষয়
❌ নির্দিষ্ট ১০০ রাকাত নামাজ
❌ বিশেষ কোনো “শবে বরাতের নামাজ”
❌ আতশবাজি, হইচই, আলোকসজ্জা
❌ কবরস্থানে দলবেঁধে উৎসবের মতো যাওয়া
❌ এই রাতে ভাগ্য চূড়ান্তভাবে লিখে দেওয়া হয়—এ কথা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়
এসব বিষয়ে বহু হাদিস দুর্বল বা জাল।
সংক্ষেপে হাদিসভিত্তিক করণীয়
✔ নফল ইবাদত
✔ তাওবা ও ইস্তেগফার
✔ দোয়া
✔ হিংসা ও শিরক থেকে বেঁচে থাকা
✔ চাইলে পরদিন নফল রোজা রাখা।

31/01/2026

সূরা বাকারার ফজিলত

17/01/2026

🌙 ইসরা ও মিরাজ কী?
ইসরা ও মিরাজ—এই দুটি ঘটনা একই রাতে সংঘটিত হয়েছিল।
🌼ইসরা: মক্কা থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম) পর্যন্ত ভ্রমণ।
🌼মিরাজ: বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে আসমানসমূহ অতিক্রম করে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত উর্ধ্বগমন।
ঘটনাটি সংঘটিত হয় নবুয়তের প্রায় ১০ম বছরে, এক রাতে, শারীরিক ও আত্মিক উভয়ভাবে—এটাই আহলে সুন্নাহর আকিদা।
📖 কুরআনের প্রমাণ (ইসরা)
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
“পবিত্র তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রাত্রিকালে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায় নিয়ে গিয়েছিলেন…”
(সূরা আল-ইসরা: ১)
👉 এখানে “আবদিহি (তাঁর বান্দা)” শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়েছে—রাসূল ﷺ শরীরসহই এই সফর করেন।
🐎 বুরাকে চড়ে ইসরা
জিবরাইল (আ.) রাসূল ﷺ-কে বুরাক নামক এক বিশেষ বাহনে চড়িয়ে:
🌲মসজিদুল হারাম → বাইতুল মুকাদ্দাস নিয়ে যান।
🌲সেখানে সব নবীদের ইমাম হয়ে রাসূল ﷺ দুই রাকাত নামাজ পড়ান।
👉 এতে বোঝা যায়—তিনি সকল নবীর নেতা।
🌌 মিরাজ: সাত আসমানে গমন
এরপর শুরু হয় মিরাজ—
প্রতিটি আসমানে সাক্ষাৎ:
১ম আসমান – হযরত আদম (আ.)
২য় – ঈসা (আ.) ও ইয়াহইয়া (আ.)
৩য় – ইউসুফ (আ.)
৪র্থ – ইদরিস (আ.)
৫ম – হারুন (আ.)
৬ষ্ঠ – মুসা (আ.)
৭ম – ইবরাহিম (আ.)
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
🌿 সিদরাতুল মুনতাহা ও আল্লাহর সাক্ষাৎ
এরপর রাসূল ﷺ পৌঁছান সিদরাতুল মুনতাহা-তে।
🌳এখানেই আল্লাহ তায়ালা রাসূল ﷺ-কে সম্মান দেন।
🌳পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেন।
🌳শুরুতে ৫০ ওয়াক্ত ছিল, পরে মুসা (আ.)-এর পরামর্শে কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।
🌳কিন্তু সওয়াব থাকবে ৫০ ওয়াক্তের সমান
🔥 জান্নাত ও জাহান্নামের দৃশ্য
রাসূল ﷺ দেখেন:
🌹জান্নাতের নেয়ামত।
😭জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি।কিছু নির্দিষ্ট গুনাহের শাস্তির দৃশ্য।
👉 এগুলো উম্মতের জন্য শিক্ষা।
🕋 প্রত্যাবর্তন ও কুরাইশদের পরীক্ষা
একই রাতে তিনি মক্কায় ফিরে আসেন।
কুরাইশরা উপহাস করে।কিন্তু আবু বকর (রা.) বিনা দ্বিধায় বিশ্বাস করেন।তাই তিনি হন আস-সিদ্দীক।
✨ মিরাজের শিক্ষা
নামাজ ইসলামের সবচেয়ে বড় ইবাদত।
কঠিন সময়ে আল্লাহ সাহায্য করেন। রাসূল ﷺ-এর মর্যাদা সর্বোচ্চ,আখিরাত বাস্তব ও অবশ্যম্ভাবী।

15/01/2026

🌸 শা‘বান মাসে রোজার গুরুত্ব
শা‘বান মাসে রাসূলুল্লাহ ﷺ সবচেয়ে বেশি নফল রোজা রাখতেন।
📖 হাদিস:
“নবী ﷺ রমজান ছাড়া কোনো মাসে শা‘বান মাসের চেয়ে বেশি রোজা রাখতেন না।”
— (সহিহ বুখারি, মুসলিম)
✅ শা‘বান মাসে কোন কোন রোজা রাখা উত্তম?
1️⃣ মাসজুড়ে নফল রোজা (যতটা সম্ভব)
2️⃣ সোম ও বৃহস্পতিবার
3️⃣ আইয়ামে বীয (১৩, ১৪, ১৫ তারিখ)
4️⃣ শা‘বানের প্রথম ও মাঝামাঝি সময়ের রোজা
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
রমজানের এক–দুই দিন আগে ইচ্ছাকৃত নফল রোজা রাখা নিষেধ (যদি নিয়মিত রোজাদার না হন)।
🌙 শবে বরাত ও শা‘বান
শা‘বান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত হলো শবে বরাত
অনেক আলেমের মতে, এই সময় ইবাদত, দোয়া, তওবা ও নফল রোজা রাখা উত্তম (বিশেষ করে ১৫ তারিখ)।

04/01/2026

'হাদি' ভাই তার জীবদ্দশায় তার আত্নীয়দেরও ফোন ধরতেন না, যাতে কেউ কোন কাজে তাকে সুপারিশ করার অনুরোধ করতে না পারে। কোটি কোটি টাকার অফার আমাদের সামনে আসতো, হা'দি ভাই শুনলেই রে/গে যেতেন। একবার এমন একটা সুপারিশের আবেদন নিয়ে ইনকিলাবের সবসময়ের প্রোগ্রামে আসা একজন আসলে ইনকিলাব মঞ্চের গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

হা'দি ভাইয়ের ইমিডিয়েট বড় ভাই, ওমর ভাই। উনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ছিলেন। শিক্ষক হওয়া তার স্বপ্ন ছিলো। হা'দি ভাই তার আপন ভাইয়ের ব্যাপারেও কোন সুপারিশ করেন নাই কোনদিন।

হা'দি ভাই সবসময় একটা কথা বলতেন- "বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা খুব ভালো করেই জানে, ওসমান হা'দিকে কারা ডোনেট করে, কত টাকা ডোনেট করে, কোন কাজে ডোনেট করে। এক টাকার দূ/র্নীতিও যদি তারা দেখাইতে পারে আমি ওসমান কোনদিন আপনাদের সামনে আসবো না।

তাহলে হঠাৎ করে এই আলাপ কেনো!

এই আলাপের একমাত্র উদ্দেশ্য হইলো - তারা ওসমান হা'দিকে যেই উদ্দেশ্যে খু/ন করেছে সেইটা হাসিল হয় নাই। উলটো ব্যাকফায়ার করছে। জনগণ ওসমান হাদির এই ইনসাফের ল/ড়াইকে, তার সাংস্কৃতিক ল/ড়াইকে নিজের করে নিয়েছে। পুরো বিশ্বের বিপ্লবীদের মুখপাত্র হয়ে গেছেন গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা, বাংলার মা ও মাটির আজাদির সন্তান ওসমান হাদি৷ এইটা খু\নিরা নিতে পারতেছে না।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করতে দুইটা জিনিস খুব কাজে দেয় - মানি এবং হানি। আজকে মানি নিয়ে কথা বলেছে। আগামীকাল হয়তো কোন মেয়ে এসে বলতেও পারে- "আমার গ\র্ভে ওসমান হাদির স/ন্তান।"

এইটাতে অবাক হওয়ার কিছু নাই

যদিও এর কোনটাই 'ওসমান হাদি'র বেলায় খুব একটা কাজে আসবে না।

আমরা ওসমান হাদি'র খু/নি"দের বি\চার চেয়েই যাবো। নিউজ ফিড থেকে ভাইকে গায়েব হয়ে যেতে দিব না। আমাদের
আ-মৃ/ত্যু ইনসাফের এই ল/ড়াই চলবে...

>আব্দুল্লাহ্ আল জাবের




#খালেদাজিয়া

01/01/2026

জ্ঞান অর্জন সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে খুবই স্পষ্ট ও শক্তভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলাম জ্ঞানকে ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে। নিচে সংক্ষেপে ও প্রামাণ্যভাবে তুলে ধরছি—
📖 কুরআনে পড়াশোনা ও জ্ঞান
১️⃣ প্রথম নাজিল হওয়া আয়াতই পড়াশোনার নির্দেশ
سورة العلق (৯৬:১–৫)
“পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন…”
👉 এতে বোঝা যায়, ইসলাম শুরুই হয়েছে পড়া দিয়ে।
২️⃣ জানে ও না-জানে কি সমান?
সুরা যুমার (৩৯:৯)
“যারা জানে এবং যারা জানে না—তারা কি সমান?”
👉 আল্লাহ স্পষ্টভাবে জ্ঞানীদের মর্যাদা দিয়েছেন।
৩️⃣ জ্ঞানীদের মর্যাদা বৃদ্ধি
সুরা মুজাদালা (৫৮:১১)
“আল্লাহ তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে—তাদের মর্যাদা বহু গুণ বাড়িয়ে দেন।”
৪️⃣ জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া
সুরা ত্ব-হা (২০:১১৪)
“হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।”
👉 নবী ﷺ নিজেই জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া করতে বলেছেন।
🌙 হাদিসে পড়াশোনার গুরুত্ব
১️⃣ জ্ঞান অর্জন ফরজ
হাদিস:
“জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরজ।”
📚 (ইবনে মাজাহ)
২️⃣ জ্ঞানীর পথ জান্নাতের পথ
“যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন।”
📚 (মুসলিম)
৩️⃣ আলেমদের মর্যাদা
“আলেমগণ নবীদের উত্তরাধিকারী।”
📚 (তিরমিজি)
৪️⃣ উপকারী জ্ঞান সদকায়ে জারিয়া
“মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি ছাড়া—
(১) সদকায়ে জারিয়া
(২) উপকারী জ্ঞান
(৩) নেক সন্তান যে দোয়া করে”
📚 (মুসলিম)

31/12/2025

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে—মানে যখন মানুষ একেবারে অসহায়, হতাশ, উপায়হীন হয়ে পড়ে—ঠিক তখনই আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কুরআন ও হাদিসে এ অবস্থার জন্য খুব স্পষ্ট দিকনির্দেশনা আছে।
১️⃣ তাওয়াক্কুল কী?
তাওয়াক্কুল মানে অলস হয়ে বসে থাকা নয়, বরং
👉 নিজের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করা
👉 ফলাফলের দায় আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া
📖 কুরআন
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।”
— সূরা তালাক, আয়াত ৩
অর্থাৎ, যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়, তখন আল্লাহ নিজেই যথেষ্ট হয়ে যান।
২️⃣ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে কী করতে হবে? (ধাপে ধাপে)
🔹 ১. আল্লাহর কাছে মন খুলে বলা (দু‘আ)
নবী ﷺ সবচেয়ে কঠিন সময়ে এই দু‘আ পড়তেন—
“হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু।”
(আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি তাঁরই উপর ভরসা করি)
📖 সূরা তাওবা, আয়াত ১২৯
🔹 ২. হতাশ না হওয়া (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
“আল্লাহর রহমত থেকে হতাশ হয় কেবল পথভ্রষ্টরাই।”
— সূরা হিজর, আয়াত ৫৬
হতাশা ঈমানকে দুর্বল করে। দেয়ালে পিঠ ঠেকা মানে আল্লাহ আপনাকে নিজের দিকে ডাকছেন।
🔹 ৩. সবকিছু আল্লাহর পরিকল্পনার অংশ মনে করা
“সম্ভবত তোমরা কোনো বিষয় অপছন্দ কর, অথচ সেটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর।”
— সূরা বাকারা, আয়াত ২১৬
অনেক সময় কষ্টই ভবিষ্যতের বড় রহমতের দরজা।
🔹 ৪. চেষ্টা ছাড়া তাওয়াক্কুল নয়
এক ব্যক্তি নবী ﷺ-কে জিজ্ঞেস করল—
“আমি কি উট বেঁধে রাখব, না আল্লাহর উপর ভরসা করব?”
নবী ﷺ বললেন—
“উট বেঁধে রাখো, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা করো।”
— তিরমিজি
অর্থাৎ চেষ্টা + দোয়া = তাওয়াক্কুল
৩️⃣ কঠিন সময়ে পড়ার দোয়া (হাদিস)
“আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু, ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইন।”
(হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমতের আশা করি, এক মুহূর্তের জন্যও আমাকে আমার নিজের উপর ছেড়ে দেবেন না)
— আবু দাউদ

28/12/2025

সূরা ওয়াকিযার ফজিলত ও গুরুত্ব সংক্ষেপে:
সূরা ওয়াকিয়ার মূল বিষয়:
এটি কুরআনের ৫৬তম সূরা( ৯৬ আয়াত)

🌳বিষয়বস্তু: কিয়ামতের দিন, মানুষকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা, জান্নাত ও নরকের বর্ণনা।
🌳মানুষের কর্ম, ঈমান ও আল্লাহর নির্দেশ পালনের গুরুত্ব তুলে ধরে।
🌼ফজিলত
আল্লাহর কাছ থেকে রক্ষা ও নেক কর্মের জন্য প্রেরণা:
🌲এই সূরা পড়লে মানুষকে কিয়ামতের জন্য সচেতন করা হয়।
🌲কোনো দুশ্চিন্তা বা আতঙ্ক দূর করতে সাহায্য:
সূরা পড়লে হিংসা, ভয় বা দুশ্চিন্তা কমে এবং মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায়।
🌲মৃত্যু ও কিয়ামতের জন্য প্রস্তুতি:
মৃতদেহের পাশে বা দৈনন্দিন জীবনেই পড়লে কিয়ামতের দিনকে স্মরণ করায়।
🌲প্রতি রাত্রে তেলাওয়াত করলে বিশেষ
ফজিলত:
হাদিসে এসেছে যে, যারা প্রতিদিন বা নিয়মিত সূরা ওয়াকিয়্যার পাঠ করে, আল্লাহ তাদের সুখ ও নিরাপত্তা দান করেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Sakhipur, Tangail
Dhaka
1951