Inside Case

Inside Case Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Inside Case, Education Website, Dhaka.

01/11/2025

ঐতিহাসিক মোনাফেক দল ও তার প্রক্সি দল এনসিপি সংস্কার নিয়ে তরুনদের সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করছে সরকারি কর্ম-কমিশনের (পিএসসি) নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে।

সংস্কার কমিশন ৭ জন নিয়ে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে যেখানে ৫ জন নিয়োগ হবে বিরোধী দল থেকে আর ২ জন নিয়োগ হবে সরকারি দল থেকে। অর্থাৎ আগের প্রক্রিয়ায় সরকারি দল রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করত, এখন বিরোধী দল প্রভাব বিস্তার করবে। কোনো নিরপেক্ষ নিয়োগ হবেনা।

বিএনপি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সমতার জন্য সরকারি দল এবং বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক মেম্বার নিয়ে কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে।

বিএনপির দাবি সবচেয়ে যৌক্তিক এবং ইনসাফপূর্ণ হলেও ঐতিহাসিক মোনাফেক পার্টি ও তার নব্য প্রক্সি দল এনসিপি বিএনপির বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে বিএনপি পিএসসির সংস্কার চায়না।

শুধু পিএসসি না, সবগুলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেয়া হয়েছে বিরোধী দলকে। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচন করবে সরকারি দলকে কিন্তু ক্ষমতা যাবে বিরোধী দলের কাছে। কমিটি ব্যর্থ হলে আবার দায়ভার নিতে হবে সরকারি দলকে।

এভাবেই সংস্কারের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এই মোনাফেক দল। বিএনপির অধিকাংশ নোট অব ডিসেন্ট যৌক্তিক হলেও গুজব আর প্রোপাগান্ডার কারনে জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারছেনা। বাঙালি বিশ্বাস করবে পিনাকী-ইলিয়াসের গুজব, কিন্তু একটু কষ্ট করে সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট আর নোট অব ডিসেন্ট গুলো পড়ে দেখবেনা।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন। সবাই নিশ্চিন্তে, খুশি মনে ভোট দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অবজারবাররা বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ...
11/09/2025

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন। সবাই নিশ্চিন্তে, খুশি মনে ভোট দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অবজারবাররা বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এখন বাংলাদেশে ডাকসু, জাকসুতে যে প্যাটার্নে নির্বাচন হচ্ছে আর সামনে যে জাতীয় নির্বাচন হবে তা ২০০৮ সালের প্যাটার্নেই হবেই।

২০০৮ এর নির্বাচন আর ডাকসু এবং জাকসুতে দেখা কিছু কমন প্যাটার্ন : অতিরিক্ত ব্যালোট ছাপানো, অস্বাভাবিক ভোট ক্যাসটিং, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা।সেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভরাডুবির পর বিএনপি-জামায়াতের মেনে নেওয়া ছাড়া কিছু করার ছিলনা। প্রমাণ করার কোনো উপায় ছিলনা কীভাবে ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হয়েছে।

মিডিয়ার মাধ্যমে প্রথমে পছন্দের দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয় লাভ করবে এমন ধারনা প্রতিষ্ঠিত করা, বিরোধীদলের চরিত্র হরণ, এরপর ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং, যা বোঝার কোনো উপায় থাকেনা। সেইম প্যাটার্ন, সেইম ট্যাকটিস।

জামায়াত-শিবিরের সমর্থকরা এখন এটা বিশ্বাস করবেনা যেহেতু তারা এখন সেই প্যাটার্নের বর্তমান বেনিফিশিয়ারি। তাদের জন্য তাদের সাবেক নেতা কামরুজ্জামানের লেখা বইয়ের একটি অংশ তুলে ধরলাম।

06/07/2025

স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল আসছে🔥

Credit: Sadman Sadi

29/03/2025

২৬ জুলাই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূসকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এই সমস্যার সমাধান কী? ড.ইউনূসের উত্তর ছিল:

"নির্বাচন হলো সকল রাজনৈতিক সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান। যখন কিছু কাজ করে না, তখন আপনাকে জনগণের কাছে ফিরে যেতে হবে তাদের নির্দেশনা চাইতে। তারাই দেশের চূড়ান্ত মালিক"

"জনগণের ম্যান্ডেট অবাধে এবং ন্যায্যভাবে গ্রহণ করুন। এটাই গণতন্ত্র । গণতন্ত্র জনগণের নির্দেশনা পেয়ে সমস্যার সমাধান করে, কারণ রাষ্ট্র জনগণের, সরকারের কিছু লোকের নয়"

বর্তমানে ইউনূসের চেয়ে বড় বড় কুতুব বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে।

সম্প্রতি বিএনপিসহ আটটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে গঠিত ২১ সদস্যের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার চীনের কমিউনিস্ট পার্...
03/03/2025

সম্প্রতি বিএনপিসহ আটটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে গঠিত ২১ সদস্যের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে ১১ দিনের সফরে চীন গিয়েছে।

সেখানে মঈন খান বলেন যদি বাংলাদেশের জনগণ আগামী নির্বাচনে আমাদের সরকার গঠনের জন্য নির্বাচিত করে, তাহলে আমরা খুবই আনন্দের সঙ্গে তিস্তা ব্যারাজ বাস্তবায়নে চীনের সহায়তা গ্রহণ করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করব।

27/02/2025

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ফেসবুক পেজে গেলে এখনও বেশ কয়েকটা পোস্টার দেখতে পাবেন যে ধানের শীষ প্রতীকে নিজের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।

এই অল্প কিছু বছর আগের কথা।

বিএনপি চাইলে তার প্রতীক না দিতে পারতো কিন্তু দয়া মায়া করে অন্য কে তার প্রতীক নিয়ে নি‌র্বাচন করতে দিয়েছিল।

কিন্তু জামায়াতের ক‌র্মী/সম‌র্থকরা কি করলেন?

কেউ তাদের কে ক্ষমতায় যাওয়ার দ্বিবাস্বপ্ন দেখানোর পর এই বিএনপির বিরুদ্ধেই ক্যাম্পেইন করা শুরু করলো। জামায়াত-শিবিরের যে ফেসবুক গ্রুপ গুলো আছে সেখানে আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির বেশি সমালোচনা পাবেন।

বিএনপির দোষ টা? শুধু নি‌র্বাচন চেয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলন বলা হলেও এখন দেশে নি‌র্বাচন চাওয়া একটি অপরাধ।

***
জামায়াতের এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে মনে করি। এদের সাইকির মধ্যেই অকৃতজ্ঞ। বিএনপি যে তাদের কে প্রতীক দিয়েছে সেটাই না, জিয়াউর রহমান তাদের কে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। বিএনপি তাঁদের কে মন্ত্রী বানাইছে, যা তাদের ৮৩ বছরের ইতিহাসে খুব বেশি নাই।

এখন তারা বিএনপির সমালোচনা করার সময় কি বলছে যে, "বিএনপির রাজনীতি খারাপ" বা "বিএনপির লোকজন চাঁদাবাজি করে"

ধরেন বিএনপি যখন তাঁদের জোট সঙ্গি ছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ এ, তখন কি বিএনপির এ সমস্যা ছিল না? তখন কেন তাঁরা এ আলাপ করেন নাই? তাঁদের সাথে থাকলে আর কারো কোন অপরাধ আর অপরাধ থাকে না বিষয় টা কি এমন?

কিন্তু এই পল্টি মারার সাইকির রুট টা কোথায়? তাঁদের ভাষায় যারা তাঁদের "ইসলাম কায়েমের পথে" ( আসলে ক্ষমতায় যাওয়ার পথে) বাঁধা মনে করে তাঁদের সবার বিরুদ্ধেই তাঁরা অবস্থান নিতে পারে তাতে সম্প‌র্ক যতই ভালো হোক। নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও।

সুতরাং, তাঁদের সাথে দী‌র্ঘ মেয়াদী রাজনৈতিক ঐক্য ঝুঁকিপূ‌র্ণ।

Credit: Mushfique Wadud

01/02/2025

অন্তর্বতী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পার হয়েছে। সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার পরও আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়নি। যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন মাঠ প্রশাসনে থাকায় ধীরে ধীরে অপরাধে যুক্ত হচ্ছে।

এদিকে ৫ই অগষ্টের পর অনেকগুলো কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে টাইম বম্বে পরিণত হয়েছে। জুলাইতে ছাত্রদের টাইম বোম্ব বিস্ফোরিত হয়ে শুধু পরিবহনগুলোতে আগুন লেগেছে, এবার শ্রমিকদের টাইম বোম্ব বিস্ফোরিত হলে পরিবহনের পাশাপাশি কারখানাগুলোতেও আগুন লাগবে।

বর্তমানে জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সংঘঠিত জনবল রয়েছে বিএনপির। ছাত্ররা গুটিয়েক বিশ্ববিদ্যালয় আর তৎসংলগ্ন এালাকায় নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেও পুরো বাংলাদেশে আ.লীগ নিউট্রেলাইজ করে রেখেছে তৃণমূল বিএনপি। আইন শৃঙ্খলার এই লাজুক অবস্থায় নেতা কর্মীরা চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। দলথেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও আইনগত ভাবে সরকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় এদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। অপরদিকে সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একের পর এক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে বিভিন্ন গোষ্ঠী।

একটি নির্বাচিত সরকারে ৩০০ জন এমপি সহ ৫০ এর মতো মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী থাকে, সাথে থাকে জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত সংগঠিত জনবল। যার ফলে যেকোনো ক্রাইসিস নির্বাচিত সরকার পূর্ণ শক্তি নিয়ে ডীল করতে পারে। গুটিকয়েক উপদেষ্টা নিয়ে গঠিত এই সরকারের রাষ্ট্রের উপর কার্যত কোনো কন্ট্রোল নেই। এভাবে চলতে থাকলে সংস্কার দূরে থাক, আগের অবস্থাতেই ফেরা মুশকিল হয়ে যাবে।

25/01/2025

৫ই আগষ্টের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংবিধান, রাষ্ট্রপতি, নির্বাচন এবং "গণঅভ্যুত্থান" কে ঘার ধরে "বিপ্লব" বানানো নিয়ে ছাত্রদের সাথে বিএনপির যে দ্বন্দ্ব তার মূলে রয়েছে ৭৫ এর পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমানের সাথে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের (কর্ণেল তাহের) অতীত দ্বন্দ্ব। নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর হঠাৎ "জিয়াবাদ" নামক অদ্ভূত টার্ম আবিষ্কার মূলত সেই ৭৫ এর পর জিয়ার উপর ক্ষোভ থেকেই।

আ. লীগ আর এই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের মিল হলো দুই গ্রুপই জনগণের মতামতকে আগ্রাহ্য করে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য একনায়কতন্ত্র কায়েম করতে চায়, যেমনটা হয়েছে রাশিয়া এবং চীনে "ফ্যাসিস্ট" বিরোধী বিপ্লবের পর।

বার্তমানে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের গুরু ফরহাদ মাজহার। বর্তমানের প্রভাবশালী ছাত্রনেতারা (মাহফুজ, নাহিদ, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী সহ আরো অনেকে) ফরহাদ মাজহারের গঠিত "পাঠচক্র" এর সদস্য। এই অংশের সাথে কৌশলগত সংযোগ রয়েছে প্রভাবশালী ইসলামী ভাবধারার ছাত্রসংগঠন ছাত্র শিবিরের।

অতীতে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে সম্পৃক্ত ছিল মূলত নাস্তিকরা। নাস্তিকতার কারণে এই ধারা বাংলাদেশে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে উঠে। ফরহাদ মাজহার তা বুঝতে পেরে এদেশের ইসলামের সাথে, তার মতে "নদীয়ার ইসলাম", মিল রেখে সমাজতান্ত্রিক ধারা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা শুরু করেন। বর্তমানের জনপ্রিয় ইউটিউবার ভোল পাল্টানো পিনাকী ভট্টাচার্য এই ধারার লোক।

যেহেতু এটি গণঅভ্যুত্থান ছিল, ফরহাদ মাজহার চেষ্টা করছেন জোর করে এটিকে "বিপ্লব" বানানোর। এই সরকারকে অবৈধ ঘোষনা করা এবং সংবিধান বাতিল করার পায়তারা এরই অংশ। সংবিধানের ১০৬ ধারা মোতাবেক সুপ্রীম কোর্টের মতামত নিয়ে এই সরকার গঠিত হয়েছে। এটি একটি সাংবিধানিক সরকার। সাংবিধানিক সরকার হওয়ার কারণে যেহেতু বিপ্লবে রুপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা, তাই ফরহাদ মাজহারদের মূল উদ্দেশ্য এখন সংবিধান বাতিল করা।

আজকে ছাত্রদের পক্ষ থেকে যে "জাতীয় সরকার" এর কথা বলা হচ্ছে এটাও ফরহাদ মাজহারের ব্রেইন চাইল্ড। ২০২৩ সালে বিএনপি যখন সরকার বিরোধী আন্দোলন বেগবান করে, তখন তিনি ডিজিএফআইয়ের সহায়তায় "ইনসাফ কমিটি" নামক গ্রুপ তৈরি করে "জাতীয় সরকারের" প্রস্তাবনা নিয়ে আসেন। এই গ্রুপে নতুন যোগ দিয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম। বর্তমান সেনাপ্রধান যখন আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন, এই গ্রুপটি তখন ২০০-৩০০ লোক ভাড়া করে রাষ্ট্রপতি অপসারণের জন্য পাঠিয়েছিল। উদ্দেশ্যে ছিল সেনাপ্রধানের অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি অপসারণ করে, সংবিধান বাতিল করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা। বিএনপি তখন শক্তহাতে এই গ্রুপকে প্রতিহত করেছিল।

সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীরা তাদের ক্ষমতা দখলের পথের বাধাকে নাম দেয় "গণশত্রু"। বিএনপি একটি জনপ্রিয় এবং গণঅভ্যুত্থানের শক্তি হওয়ায় বিএনপিকে এখনই " গণশত্রু" আখ্যায়িত করতে পারছেনা। কৌশল হিসবে ফরহাদ মাজহার ও তার শিষ্যরা বিএনপিকে "আওয়ামী লীগ" এর অনুরূপ, "ভারত" পন্থী এরকম টার্মে আখ্যায়িত শুরু করেছে। উপদেষ্টা মাহফুজ ভবিষ্যতে যে "প্রতি বিপ্লব" এবং "গৃহযুদ্ধ" এর কথা বলছেন, সেটা এরই ধারাবাহিকতা।

বাংলাদেশে প্রতি বিপ্লব হবে, তবে সেটা হবে তারেক জিয়ার হাত ধরে জিয়াউর রহমানের "গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ বিপ্লব"। বেগম জিয়া আর তারেক রহমান যেদিন ঢাকাতে পা রাখবেন, সেদিন ঢাকা তার ৪০০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জনসমাগম দেখবে। সেদিনই হবে আসল প্রতি বিপ্লব।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লুৎফুজ্জামান বাবর।
16/01/2025

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লুৎফুজ্জামান বাবর।

07/01/2025
জীবনের শেষ সময়ে এসেও তিনি ছিলেন আপসহীন। ত্যাগ স্বীকার করেছেন দেশ ও জাতির জন্য।
03/01/2025

জীবনের শেষ সময়ে এসেও তিনি ছিলেন আপসহীন। ত্যাগ স্বীকার করেছেন দেশ ও জাতির জন্য।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Inside Case posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share