সোনালী সূর্য শিশু সংগঠন

সোনালী সূর্য শিশু সংগঠন A street school at Malibag Jilpar (Dhaka) for street child.

22/06/2014

বিজ্ঞানী আইনস্টাইন
সাংবাদিকদের বিভিন্ন
প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন । হঠাৎ এক
সাংবাদিক প্রশ্ন করল- "স্যার,
আপনি কি জানেন ১ মাইলে কত
কিলোমিটার ?"
আইনস্টাইন বললেন - " না,
আমি জানি না ।"
সাংবাদিকটি সবিষ্ময়ে বললো -
" সেকি! আপনি এত বড়
বিজ্ঞানী অথচ এটাও জানেন
না??"
উত্তরে আইনস্টাইন বললেন - "
যে তথ্য রেফারেন্স বই ঘেটে দুই
মিনিটের মধ্যে বের
করা যায় সেই তথ্য
মস্তিষ্কে জমা রাখতে যাব
কেন ? আমি মস্তিষ্ক ব্যবহার
করি চিন্তাভাবনার জন্য,
অর্থহীন জ্ঞানের গুদাম
হিসেবে নয় "।
এবার আমাদের দেশের
অবস্থাটা ভাবুন ।
সোমালিয়া মুদ্রার নাম
কি কিংবা কোন
দেশকে সাদা হাতির দেশ
বলা হয় এইসব মুখস্থ
করে করে, আমরা চাকরী লাভের
জন্য নিজেদের যোগ্য
করে তুলি । কিন্তু একটু ভাবুন
তো, চাকরী ক্ষেত্রে সত্যিই
কি সোমালিয়ার মুদ্রার নাম
কোন গুরুত্ব বহন করে ?? কিম্বা সারা বছর বই পুস্তক ঘেটে মুখস্ত করে, যে জ্ঞ্যান
আমরা অর্জন করি, বাস্তব জীবনে তা কি কোন কাজে লাগে? এই ফালতু শিক্ষার
চেয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা টা কি বেশি জরুরি নয়?
ক্লাস এইট এর পর থেকেই যে যা হতে চায়, পড়তে চায়, কিম্বা কোন কারীগরি বিষয়
বা কাজ বা শিক্ষা নিয়ে পড়া শোনা করলে, দেশে তথাকথিত শিক্ষিত বেকার
থাকবে নাহ।
না কি থাকবে???

22/05/2014

আমাদের শিক্ষকেরা সব সময়ে ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা প্রথম দুই বেঞ্চের জন্য পড়ান। অন্তত আমার স্কুল
থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বত্র দেখেছি, প্রথম দুই বেঞ্চের শিক্ষকপ্রিয় "ভালো ছাত্র"দের
জন্যই শিক্ষকদের সব মনোযোগ, আর ক্লাসে পড়ানোর গতি থেকে শুরু করে সবকিছু সেই ভালো ছাত্রদের
সহজে বুঝতে পারা কিংবা আগেভাগে পড়ে রাখার ভিত্তিতেই হয় নির্ধারিত।
অথচ শিক্ষকদের আসল টার্গেট হওয়া দরকার প্রথম দুই বেঞ্চ না, বরং শেষ বেঞ্চগুলা। ক্লাসের এসাইনমেন্ট,
পড়াশোনার গতি, শিক্ষকের মনোযোগ, এবং সর্বোপরি পরীক্ষার প্রশ্ন - এগুলা সব ক্লাসের দুর্বল ছাত্রদের জন্যই
হওয়া দরকার। তেলা মাথায় তেল ঢেলে লাভটা কী?
ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই - কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম প্রোগ্রামিং কোর্স যখন শুরু হলো আমাদের, তখন
দেখা গেলো, অনেকেই ক্লাস শুরুর আগেই কোচিং করে শিখে এসেছে। ফলে টিচার এক বললে তারা বলে দুই, টিচার
তখন চলে যান তিন এ। অথচ ক্লাসের বাকি অনেকেই যে শূন্যতে আছে পড়ে, তা শিক্ষকের খেয়াল করা দরকার,
সেটা কি হয় কখনো?
শিক্ষকদের প্রতি তাই অনুরোধ, মনোযোগটা প্রথম বেঞ্চের মাথা নাড়া ছাত্রদের দিকে না, বরং পেছনের বেঞ্চের
পিছিয়ে পড়া ঘুমন্ত ছাত্রদের দিকে দিন। শিক্ষা কেবল "ভালো" ছাত্রদের অধিকার না, বরং সবার অধিকার।
লেখক: রাগিব হাসান

18/03/2014

এই কোর্সটি মূলত নবম ও দশম শ্রেণীর হিসাববিজ্ঞানের উপর করা হয়েছে। এখানে হিসাববিজ্ঞানের এস.এস.সি. পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে প্রতিটি লেকচার সাজানো হয়েছে। মাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞানের প্রতিটি অধ্যায়ের থিউরি+অংক সবগুলো বিষয়ের উপর পূর্ণাঙ্গ আলোচনা থাকবে।

10/03/2014

রিকশাওয়ালার ভালোবাসা
Story
Mar 5, 2014
অষ্টম শ্রেণীতে উঠে ক্লাশ শুরু করতে না করতেই এক রিকশাওয়ালা
আমাকে ভালোবেসে ফেলল। পাঠক, আপনারা ভাবছেন আমি কোন
বাংলা সিনেমার কাহিনী লিখতে বসেছি, যেখানে আমার বাবা
চৌধুরী সাহেব টাইপ বিশাল বড়লোক , আমি তার একমাত্র আদুরে স্বল্প পোশাক
পরিহিত কন্যা, যে কিনা সারাদিন বান্ধবীদের সাথে খুলখুল করে বেড়াই,
রূপচর্চা নিয়ে এত ব্যাস্ত থাকি যে দুনিয়ার কাউকে কেয়ার করার সময় নাই,
কিন্তু, পরীক্ষায় ঠিকই ফার্স্ট হই। আর আমার প্রেমে পড়েছে ভার্সিটির ফার্স্ট
ক্লাস ফার্স্ট হওয়া গরীব মায়ের সৎ ছেলে,
যে কিনা চাকরী না পেয়ে মায়ের অসুখের টাকা যোগাড়
করতে রিক্সা চালয় এবং আমাকে ভালোবেসে ফেলে। ঘটনা আসলে মোটেই
সে রকম না।
কাহিনী হল, আমরা তখন থাকতাম তাজমহল রোডে। পড়তাম মোহাম্মদপুর
প্রিপারেটরি স্কুলে। আমাদের কোন গাড়ী না থাকায় রিক্সাই ছিল
বাসা থেকে স্কুলে যাওয়া আসার একমাত্র বাহন। এ গল্প যখনকার তখন, বি এফ
সি, কে এফ সি ইত্যাদি টাইপের কোন এফ সি এর প্রচলন ছিল
না এবং একটা বার্গার, ড্রিংস আর সাথে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেয়ে ৫০০
টাকা ফ্লাই করা যেত না। আমার বাসা থেকে স্কুলের রিক্সা ভাড়া ছিল
৭-৮ টাকা। ছোটবেলা থেকেই চকচকে টাকা জমানোর প্রতি আগ্রহ ছিল
আমার। তাই রিক্সা ভাড়ায় টাকা আদান প্রদানের সময় যদি দৈব
ক্রমে কোনদিন আমার হাতে নতুন নোট আসত সেদিন টিফিনে আর
ভেলপুরি খাওয়া হত না।
এ রকমই এক দিনে, এক রিক্সায় যাচ্ছিলাম। রিকশাচালক ও গতানুগতিক, তবে একটু
বয়স্ক হবে, মুখে দাঁড়ি, তবে সব পাকা না। স্কুল গেটে নামার পর যথারীতি ১০
টাকার নোট বের করে দিলাম। উনি খুচরা ফেরত দেওয়ার জন্য পকেট
থেকে টাকা বের করে সাদামাটা একটা ২ টাকার নোট বের করেদিলেন।
টাকা নিতে যাবার সময় লক্ষ্য করলাম ওনার কাছে চকচকে একটা ২ টাকার
নোট। লোভ সামলাতে না পেরে বললাম ঐ টাকাটা দিতে।
" ক্যান? এই টাহায় কি হয়ছে? " একটু আঞ্চলিকতার টান।
" কিছু হয় নাই। আমি নতুন টাকা জমাই ত, তাই। দেন না প্লিজ, আপনার ত খরচই
হয়ে যাবে।"
উনি আমার মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে টাকাটা দিল।
ক্লাসে চলে গেলাম।
এর পর স্কুল ছুটি হলে রিক্সা ঠিক করতে যাব, দেখি পেছন থেকে একজন
জোরে জোরে বেল দিচ্ছে। পেছনে তাকিয়ে দেখি একটা খালি রিক্সা।
ঠিক করে উঠে পড়লাম। বাসায় নামার সময় যখন টাকা দিতে যাব তখন মনে পড়ল
সকালে ওনার রিক্সায় স্কুলে গেছি। যাইহোক, উনি টাকা ফেরত দেওয়ার সময়
আরও একটা নতুন নোট দিলেন। আমি ত মহা খুশি। সাধারণত এ রকম ঘটনা খুব কম ঘটে।
পরের দিন ও স্কুলে যাওয়া আসা করলাম ওনার রিক্সায় এবং বলা বাহুল্য আগের
দিনের মত নতুন টকা। ব্যাপারটা আমার কাছে কাকতালীয় মনে হল। তারপরদিন
স্কুল ছুটি ছিল কি একটা কারনে। তারপর দিনও দেখি উনি এবং টাকার
কাহিনী ও এক ই। এবার কৌতূহল সামলায়ে রাখতে পারলাম না। জিজ্ঞেস
করলাম,
" আপনি প্রতিদিন নতুন টাকা পান কোথায়? আমার স্কুলের সময় আপনার অন্য কোন
যাত্রী থাকে না? "
প্রশ্নের জবাব না দিয়ে হাসল, তার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম
অন্যকিছু। আবার জিজ্ঞেস করায় বলে,
" অন্যদিন কমুনে। "
যাইহোক, এরকম আরও কিছুদিন চলার পর আমি একদিন খুব করে ধরলাম
কাহিনী বলতেই হবে। না বললে উনার রিক্সায় আর যাবনা। এই কথা শুনে উনার
দৃষ্টি দেখি কেমন যেন উদাস হয়ে গেছে। উনি বললেন স্কুল ছুটির পরে বলবেন।
সেদিন সত্যি কথা বলতে ক্লাশ করতে পারি নাই। কয়েকজন টিচার দিল বকা।
কিছু বান্ধবী শরীর খারাপ কিনা জিজ্ঞাসা করে মুচকি মুচকি হাসা শুরু করল।
কোন কিছুই ভাল লাগছিল না।
ছুটির বেল বাজলে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। গেটে এসে দেখি উনি আছেন।
বললাম বলুন। উনি বললেন আগে উঠেন, তারপর। এর পর উনি যা বললেন তার সারমর্ম
এই,
আমার মত উনারও একটা মেয়ে ছিল। যারও কিনা টাকা জমানোর শখ ছিল। সেই
মেয়েকে গত বছর বিয়ে দিয়েছিলেন। শশুর বাড়ির গতানুগতিক
অত্যাচারে মেয়েটা আত্মহত্যা করে। আমাকে এতদিন
যে চকচকে টাকাগুলো দিতেন সে গুলো তার মেয়ের জমানো নোট। এই
বলে উনি আরও অনেকগুলো নোট বের করে দিলেন। আর আমাকে বললেন
রাখতে। আমি বললাম এমনি এমনি নেব না। এই বলে ওনাকে বললাম একটু
দাঁড়াতে। বাসায় এসে আম্মুর কাছ থেকে ৫০০ টাকা চাইলাম। আম্মা হেন তেন
জিজ্ঞাসা করে দিলেন অবশেষে। নিচে এসে দেখি উনি নাই। এরপর আর
কোনদিন উনার সাথে দেখা হয় নাই।
এরপর যখন উনার টাকা গুলো দেখি তখন নিজেকে কেন জানি খুব
অপরাধী লাগে। একজন বাবার, তার মেয়ের প্রতি ভালোবাসা আর আবেগ
আমি ৫০০ টাকায় কিনতে চেয়েছিলাম। জগতে কিছু কিছু মানুষ জন্মায়ই বোধ
হয় ভালোবাসা পাবার জন্য। আমি সেই ভাগ্যবতিদের মধ্যে একজন। এখন আমার
স্বামী সংসার আছে এবং খুব শীঘ্রই মা হব। কিন্তু সেই রিক্সা চালকের
ভালোবাসা, আজও ভুলতে পারিনি। সৃষ্টিকর্তার
কাছে দোয়া করি উনাকে সুখী রাখুক।
কৃতজ্ঞতা
অহনা
ধানমন্ডি, ঢাকা

18/02/2014

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
হচ্ছে আগামী ৩ এপ্রিল। সোমবার
পরীক্ষার এ রুটিন প্রকাশ
করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
গত পাঁচ বছরেই এইচএসসি পরীক্ষা ১
এপ্রিল হলেও এবার দুদিন
পিছিয়ে নেয়া হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন
কমিশনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত
নেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র
জানিয়েছে।
সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড,
একটি কারিগরি ও
একটি মাদ্রাসা বোর্ডসহ মোট
১০টি শিক্ষা বোর্ডের
অধীনে এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ৩ এপ্রিল
হয়ে ৫ জুন এইচএসসির তত্ত্বীয়
পরীক্ষা শেষ হবে। এরপর শুরু
হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
৩ এপ্রিল এইচএসসিতে বাংলা প্রথম
পত্র, আলিমে কুরআন মাজিদ (সব বিষয়)
বিষয়ের পরীক্ষা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ
আন্ত:শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড
এবং বাংলাদেশ
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার
সময়সূচি স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের
ওয়েবসাইটে দেয়া আছে।

08/02/2014

এক টিভি কৃষি অনুষ্টানে কৃষকের
ইন্টারভিউ ------
উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান?
কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!! আচ্ছা, এগুলিরে কই
বাইন্ধা রাখেন??
কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের
ঘরে বাইন্ধা রাখি ।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
কৃষকঃ পানি দিয়া ।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই...
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত):
হা...!!
সব কিছু যখন একই রকম করস
তাইলে বার
বার জিগাস ক্যান
“কালা না সাদা”???
কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
উপস্থাপকঃ ও!! আর কালোটা??
কৃষকঃ ওইটাও আমার.....
কালেক্টেড। হাসতে হাসতে শেষ আমি

04/02/2014

মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন-এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি।
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন- সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে এ-ও শেখাবেন প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকে। তাকে শেখাবেন প্রত্যেক শত্রুর মাঝে একজন বন্ধু থাকে। আমি জানি এটা শিখতে তার সময় লাগবে, তবুও যদি পারেন তাকে শেখাবেন পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান। এ-ও তাকে শেখাবেন, কীভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়। হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষাও তাকে দেবেন। যদি পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন। সে যেন আগ-ভাগেই এ কথা বুঝতে শেখে যারা পীড়নকরী তাদেরই সহজে কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কি রহস্য লুকিয়ে আছে তা-ও তাকে বুঝতে শেখাবেন।

আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। নিজের ওপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে। এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে। তাকে শেখাবেন ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে। আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায় হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না করার। সে যেন সবার কথা শোনে এবং তা সত্যের পর্দায় ছেঁকে যেন ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে- এ শিক্ষাও তাকে দেবেন সে যেন শেখে দুঃখের মাঝে কিভাবে হাসতে হয় আবার কান্নার মাঝে যে লজ্জা নেই-এ কথা তাকে বুঝতে শেখাবেন। যারা নির্দয়, নির্মম তাদের সে যেন ঘৃণা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে। আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেন না। কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে, থাকে যেন তার সাহসী হওয়ার ধৈর্য। তাকে এ শিক্ষাও দেবেন নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানবজাতির প্রতি।

সশ্রদ্ধ সালাম,
আব্রহাম লিংকন।

02/02/2014

Our student

02/02/2014
Our student
02/02/2014

Our student

Address

Malibag, Jilpar
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সোনালী সূর্য শিশু সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category