18/02/2026
চাঁদ দেখা গিয়েছে।
নতুন চাঁদ দেখে যে দুআ পড়তে হয়-
اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ رَبَّنَا وَتَرْضَى، رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللّٰهُ
আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।
আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিলআমনি ওয়ালঈমানি ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল-ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীকি লিমা তুহিব্বু রব্বানা ওয়া তারদ্বা, রব্বুনা ওয়া রব্বুকাল্লাহ
তিরমিযী ৫/৫০৪, নং ৩৪৫১; আদ-দারিমী, শব্দ তাঁরই, ১/৩৩৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৭।
17/02/2026
রমাদানে অফিস বা ভার্সিটির ব্যস্ততা সামলিয়ে ইবাদতে মনোনিবেশ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব নয়। মূল মন্ত্র হলো পরিকল্পনা এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার।
ব্যস্ততার মাঝেও আপনার রমাদানকে প্রাণবন্ত করতে নিচের টিপসগুলো ফলো করতে পারেন:
✅ নিয়ত এবং মানসিক প্রস্তুতি
সবচেয়ে আগে নিজের মানসিকতা পরিবর্তন করুন। মনে রাখবেন, হালাল উপায়ে উপার্জনের জন্য কাজ করা বা জ্ঞান অর্জনের জন্য ভার্সিটি যাওয়াও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।
নিয়ত ঠিক করুন: "আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে" এই নিয়ত থাকলে আপনার কাজের প্রতিটি সেকেন্ড সওয়াব হিসেবে গণ্য হবে।
✅সময়ের স্মার্ট ম্যানেজমেন্ট
ব্যস্ত শিডিউলে বড় ইবাদতের চেয়ে ছোট ছোট কিন্তু নিয়মিত আমল বেশি কার্যকর।
যাতায়াতের সময় (Commute Time): বাসে বা জ্যামে বসে না থেকে কানে হেডফোন দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত বা তাফসির শুনতে পারেন। অথবা জিকির ও ইস্তিগফার করতে পারেন।
✅লাঞ্চ ব্রেক: যেহেতু দুপুরে খেতে হচ্ছে না, ওই সময়টুকুতে নিরিবিলি বসে কুরআন পাঠ করতে পারেন।
✅সুন্নাহ অনুযায়ী সাহরি ও ইফতার
শারীরিক শক্তি বজায় রাখা আমলের জন্য জরুরি।
❌ভারী খাবার এড়িয়ে চলা: ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেলে শরীরে অলসতা আসে, যা তারাবি পড়ার এনার্জি কমিয়ে দেয়।
☘️পর্যাপ্ত পানি: ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত অল্প অল্প করে পানি পান করুন যেন ডিহাইড্রেশন না হয়।
✅ ‘পকেট আমল’ বা ছোট জিকির
কাজের ফাঁকে ফাঁকে জিকির করা আপনার ঈমানকে সতেজ রাখবে।
ডেস্কটপে বা পড়ার টেবিলে ছোট চিরকুটে "সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার" লিখে রাখতে পারেন যেন দেখলেই মনে পড়ে।
কাজের মাঝে স্ট্রেস বাড়লে কয়েকবার "আসতাগফিরুল্লাহ" পড়ুন। এটি মন শান্ত রাখবে।
✅রাতের ইবাদত ও ঘুম
তারাবি ও তাহাজ্জুদ: অফিস থাকলে তারাবি পড়ে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া ভালো। এরপর সাহরির সময় ১৫-২০ মিনিট আগে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা করুন। এই সময়টার দোয়া কবুলের সম্ভাবনা অনেক বেশি।
✅ডিজিটাল ডিটক্স: ইফতারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে সময় নষ্ট করবেন না। এই সময়টুকু পরিবারকে দিন অথবা কুরআন পড়ুন।
আল্লাহ আপনার পরিমাণের চেয়ে প্রচেষ্টাকে বেশি দেখেন। আপনি কতটুকু ব্যস্ত তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই ব্যস্ততার মাঝেও আপনি আল্লাহকে কতটা স্মরণ করছেন।
09/02/2026
চাকরি তো সবাই করে, কিন্তু জীবনের আসল উদ্দেশ্য বা ‘Purpose’ খুঁজে পাওয়াটাই আসল চ্যালেঞ্জ। আপনার ক্যারিয়ার কি শুধু মাসের শেষে একটা পে-চেক, নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু?
নিজের ক্যারিয়ারকে কীভাবে অর্থবহ করে তোলা যায় এবং লক্ষ্যের সাথে পেশার সমন্বয় করা যায়, তা নিয়েই আয়োজিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ সেশন: "Career Mapping for a Meaningful Life: Purpose Before Paycheck"।
আমাদের সাথে থাকছেন Nazmul Hossain (People & Organisation Development Lead, Confix Group)।
✅ তারিখ: ০৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার
রাত ০৯:০০ টা
📌 আয়োজনে: IMTR
📌 জুম মিটিং- এর পাশাপাশি পেজ থেকেও লাইভ অনুষ্ঠিত হবে।
05/02/2026
ঘরের কাজ থেকে শুরু করে অফিসের কাজ সব ক্ষেত্রে গুছিয়ে কাজ করার জন্য টু-ডু লিস্ট খুবই হেল্পফুল। আসুন আজকে জানি টু-ডু লিস্ট কীভাবে গুছালে কাজ করা সহজ হয়।
টু-ডু লিস্ট কেন জরুরি?
আমরা প্রতিদিন অসংখ্য কাজের মধ্যে থাকি। সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিস, বাজার, বাচ্চাদের স্কুল, রান্না, মিটিং - এত কিছু মনে রাখা সত্যিই কঠিন। এখানেই টু-ডু লিস্ট আমাদের সেভিয়ার হয়ে ওঠে। একটা সুন্দর লিস্ট তৈরি করলে শুধু কাজই মনে থাকে না, বরং মানসিক চাপও কমে যায়।
কার্যকর টু-ডু লিস্ট তৈরির উপায়
✅সব কাজ একসাথে লিখে ফেলুন
প্রথমে মাথায় যা যা আসে সব লিখে ফেলুন। ছোট-বড়, জরুরি-অজরুরি সব কিছু। এতে মনের বোঝা হালকা হবে এবং কোনো কাজ বাদ পড়বে না।
✅অগ্রাধিকার ঠিক করুন
সব কাজ একসাথে করা সম্ভব নয়। তাই কোনটা আগে করতে হবে তা ঠিক করুন। জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সবার আগে রাখুন। সহজ একটা নিয়ম ব্যবহার করতে পারেন:
A = অবশ্যই আজ করতে হবে
B = এই সপ্তাহে করলেই চলবে
C = সময় পেলে করা যাবে
✅বড় কাজকে ছোট ভাগে ভাগ করুন
"ঘর পরিষ্কার করা" বলে লিখলে কাজটা বিশাল মনে হয়। বরং এভাবে লিখুন:
বেডরুম ঝাড়ু দেওয়া
রান্নাঘর মুছে ফেলা
কাপড় ভাঁজ করে রাখা
ছোট ছোট টাস্ক দেখলে কাজ করতে মন চায় এবং একটা করে শেষ করার আনন্দও পাওয়া যায়।
✅ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজান
কাজগুলো বিভিন্ন ভাগে সাজিয়ে নিন। যেমন:
ঘরের কাজ:
সকালের নাস্তা তৈরি
কাপড় ধোয়া
বাজার করা
অফিসের কাজ:
রিপোর্ট জমা দেওয়া
ক্লায়েন্টকে কল করা
মিটিং এর প্রস্তুতি
ব্যক্তিগত:
ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট
বই পড়া
ব্যায়াম করা
✅সময় নির্ধারণ করুন
প্রতিটা কাজের পাশে লিখে রাখুন কখন করবেন বা কতক্ষণ লাগবে। যেমন: "সকাল ৯টা - মিটিং (৩০ মিনিট)" বা "দুপুর ২টা - রিপোর্ট লেখা (১ঘন্টা)"। এতে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।
✅বাস্তবসম্মত থাকুন
একদিনে ২০টা কাজ লিখবেন না। ৫-৭টা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ঠিক করুন যা আসলেই করা সম্ভব। নইলে কাজ শেষ না হলে হতাশা আসবে।
✅ডেডলাইন উল্লেখ করুন
কোন কাজটা কবে শেষ করতে হবে তা লিখে রাখুন। "বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে - ১৫ তারিখের মধ্যে" এভাবে লিখলে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
✅ডিজিটাল নাকি কাগজে?
আপনার সুবিধামতো যেকোনোটা বেছে নিতে পারেন। ডিজিটাল অ্যাপে রিমাইন্ডার পাওয়া যায়, আবার কাগজে লিখলে হাতে লেখার সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। দুটোর মিশ্রণও করতে পারেন।
✅রাতে পরের দিনের লিস্ট তৈরি করুন
ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০ মিনিট সময় নিয়ে পরের দিনের টু-ডু লিস্ট তৈরি করুন। সকালে উঠেই প্ল্যান হাতে থাকলে দিনটা শুরু হয় আত্মবিশ্বাসের সাথে।
✅সম্পন্ন কাজ কেটে দিন
কাজ শেষ হলে সেটা কেটে দিন বা টিক মার্ক দিন। এই ছোট্ট কাজটা আপনাকে দারুণ সন্তুষ্টি দেবে এবং বাকি কাজগুলো করতে উৎসাহিত করবে।
02/02/2026
নেতৃত্ব মানেই কি কেবল অন্যকে পরিচালনা করা? উত্তরটি হলো - না। প্রকৃত নেতৃত্বের যাত্রা শুরু হয় নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে।
IMTR আয়োজিত বিশেষ লাইভ সেশনে আমরা কথা বলব নেতৃত্বের প্রথম ধাপ নিয়ে। নিজেকে নতুন করে চেনার এবং নিজের ‘প্যারাডাইম’ বা দৃষ্টিভঙ্গি রিসেট করার কৌশল জানতে যুক্ত হোন আমাদের সাথে। একজন সফল নেতা হওয়ার পথে নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায়গুলো নিয়ে সাজানো এই সেশনটি।
✔️বিষয়: The First Step to Leadership: Resetting Own Paradigm First
✔️তারিখ: ০২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার
✔️সময়: রাত ০৯:০০ - ১০:০০ টা
✔️প্ল্যাটফর্ম : Zoom এবং IMTR FB Page থেকে সরাসরি
✔️জুম লিংক থাকছে কমেন্ট সেকশনে
আপনার ভেতরের নেতৃত্বকে জাগিয়ে তুলতে এই সেশনটি মিস করবেন না!