03/04/2026
❝বল, ‘আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। আমার নিকট ওহী প্রেরণ করা হয় যে, তোমাদের ইলাহই এক ইলাহ। সুতরাং যে তার রবের সাক্ষাৎ কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম করে এবং তার রবের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।❞
সূরাঃ আল-কাহাফঃ ১১০
03/04/2026
❝সুতরাং যে তার রবের সাক্ষাৎ কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম করে এবং তার রবের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।❞
সূরাঃ আল-কাহাফঃ ১১০
02/04/2026
আমরা অনেক সময় সারাদিন কাজ করি। প্রচুর ব্যস্ত সময় কাটাই। কিন্তু দিনশেষে দেখি খুব বেশি কাজ হয়নি। সারাদিন কাজ করলে তো এর চেয়েও বেশি কাজ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু হয় না। কেনো এমনটা হয়! নিচের হাদিসটা দেখলে বিষয়টা সহজেই উপলব্ধি করা যাবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ
হে আদম সন্তান! তুমি আমার ইবাদাতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করো, আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যে পূর্ণ করে দিব এবং তোমার অভাব দূর করে দিব। তুমি তা না করলে আমি তোমার দুইহাত কর্মব্যস্ততায় পরিপূর্ণ করে দিব এবং তোমার অভাব-অনটন রহিত করবো না।
(সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৪১০৭), জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৪৬৬।) [সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ]
অর্থাৎ সারাদিন আমাদের অধিকতর ব্যস্ততার মূল কারণ আল্লাহ'র ইবাদাতের জন্য পর্যাপ্ত সময় ব্যয় না করা। ইবাদাতের জন্য শুধু সময় বের করলেই হবে না বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
আমরা চাইলেই আমাদের কাজের ফাঁকে ছোটো ছোটো দোয়া ও আযকার করে আমাদের সময়গুলোকে ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত করতে পারি।
সালাতে যাওয়ার আগে তাড়াহুড়ো না করে ৫-১০ মিনিট সময় নিয়ে ধীর স্থিরভাবে মসজিদে যেতে পারি। যেতে যেতে কিংবা সালাত থেকে কর্মে ফেরার পথেও তাসবীহ-তাহলীল করতে পারি।
এভাবে আমাদের সময়গুলোকে ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে আল্লাহ আমাদের কাজে বরকত দান করবেন ইনশাআল্লাহ। আমাদের অভাব অনটনকেও দূর করে দিবেন আর আমাদের অন্তরকে প্রশান্ত করবেন ইনশাআল্লাহ।
18/02/2026
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
‘‘হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারীতা (তাকওয়া) অর্জন করতে পার’’। (সূরা বাকারাঃ ১৮৩) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمْ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ
‘‘কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে যেন এ মাসের রোজা রাখে’’। (সূরা বাকারাঃ ১৮৫)
06/02/2026
‘নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব’।
সূরাঃ আল-আন'আম
(আয়াতঃ ১৬২)
03/02/2026
জন্ম আর মৃত্যুর মাঝামাঝি যা কিছুই রয়েছে তাই জীবন। মানুষের যত দুঃখ, কষ্ট, রাগ, অভিমান আর অপূর্ণতা রয়েছে এসবই মানুষের বেঁচে থাকার উপাদান।
এই বাঁধা-বিপত্তিগুলো আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের পরীক্ষা ছাড়া আর কিছু নয়। ধৈর্য, চেষ্টা ও আল্লাহর সাহায্যের মাধ্যমেই এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
দুনিয়ায় বেঁচে থাকাটা কঠিন। আর সকলের অবস্থানও সমান নয়। তবে যার যার অবস্থান থেকে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকতে পারাই জীবনের সার্থকতা।
সকল বাঁধাকে অতিক্রম করে যাওয়ার নামই তো জীবন। আর জীবনে বেঁচে থাকতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আত্মিক প্রশান্তি।
একটি প্রশান্ত অন্তর ফুলের মতো স্নিগ্ধ আর সৌরভ ছড়ায়। আর আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।
মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলের হৃদয়ে প্রশান্তি দান করুক। আমিন।
#প্রশান্তি
17/03/2025
একজন সত্যিকারের বিশ্বাসী সবসময় ধৈর্যশীল থাকে। কখনো ধৈর্য হারায় না। বিশ্বাসীরা সবসময় ধৈর্যশীল। ইন্নাল্লাহা মাআ'সবিরীন- আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সাথে সবসময় থাকেন।
বিশ্বাসীরা কখনো হতাশ হয়না, নিরাশ হয় না। একজন বিশ্বাসী ট্রু বিলিভার কখনো হাল ছেড়ে দেয় না। সে ভরসা রাখে আল্লাহর উপর, আশাবাদী থাকে।
▫️বই : রিফ্লেকশন্স ফ্রম সূরা ইউসুফ