Arabic & English Academy

Arabic & English Academy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arabic & English Academy, Educational Research Center, Dhaka.

অনেক অনুশীলনের পরেও কি আপনি আরবি ভাষার কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছেন না? রিডিং, রাইটিং, স্পিকিং ও লিসিনিং এ নিজেকে যোগ্য করার সুযোগ এখনই।মাদ্রাসাতুল ফুনূন- আপনার একান্ত সহযোগী। অনলাইন সাপোর্ট ও আরবি ভাষায় বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ক্লাস প্রদান।

এসো আরবি শিখি: Madinah Arabic Reader (Part 1)আরবীতে কথা বলা বা কুরআন-হাদিস বোঝার প্রথম ধাপ হলো সঠিক ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডা...
25/07/2026

এসো আরবি শিখি: Madinah Arabic Reader (Part 1)

আরবীতে কথা বলা বা কুরআন-হাদিস বোঝার প্রথম ধাপ হলো সঠিক ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার জানা। আজ আমরা শুরু করছি Madinah Arabic Reader এর প্রথম পাঠ।

খুব সহজে বোঝার জন্য আজ আমরা শিখব "هَذَا" (হাযা - অর্থ: ইহা/This) এর ব্যবহার এবং তারকীব (বাক্য বিশ্লেষণ)।

📖 ১. শব্দার্থ ও সাধারণ বাক্য (Vocabulary & Sentences)
নিচে আরবি শব্দগুলোর বাংলা, ইংরেজি ও উর্দু অর্থ দেওয়া হলো:

।🏠 هَذَا بَيْتٌ (হাযা বাইতুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি ঘর

🇬🇧 English: This is a house

🇵🇰 اردو: یہ ایک گھر ہے

।🕌 هَذَا مَسْجِدٌ (হাযা মাসজিদুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি মসজিদ

🇬🇧 English: This is a mosque

🇵🇰 اردو: یہ ایک مسجد ہے

।🚪 هَذَا بَابٌ (হাযা বাবুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি দরজা

🇬🇧 English: This is a door

🇵🇰 اردو: یہ ایک دروازہ ہے

।📖 هَذَا كِتَابٌ (হাযা কিতাবুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি বই

🇬🇧 English: This is a book

🇵🇰 اردو: یہ ایک کتاب ہے

।🖊️ هَذَا قَلَمٌ (হাযা কলামুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি কলম

🇬🇧 English: This is a pen

🇵🇰 اردو: یہ ایک قلم ہے

।🔑 هَذَا مِفْتَاحٌ (হাযা মিফতাহুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি চাবি

🇬🇧 English: This is a key

🇵🇰 اردو: یہ ایک چابی ہے

। هَذَا مَكْتَبٌ (হাযা মাকতাবুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি ডেক্স

🇬🇧 English: This is a desk

🇵🇰 اردو: یہ ایک میز ہے

।🛏️ هَذَا سَرِيرٌ (হাযা সারিরুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি খাট

🇬🇧 English: This is a bed

🇵🇰 اردو: یہ ایک چار پائی ہے

।🔹💺 هَذَا كُرْسِيٌّ (হাযা কুরসিইয়্যুন)

🇧🇩 বাংলা: ইহা একটি চেয়ার

🇬🇧 English: This is a chair

🇵🇰 اردو: یہ ایک کرسی ہے

🔍 ২. তারকীব বা বাক্য বিশ্লেষণ (Grammatical Analysis)
আরবী ব্যাকরণে এই ছোট বাক্যগুলোকে বলা হয় الجُمْلَةُ الْإِسْمِيَّةُ (Nominal Sentence) বা নামবাচক বাক্য। এর দুটি অংশ থাকে:

১. مُبْتَدَأ (মুবতাদা): উদ্দেশ্য বা যার সম্পর্কে কথা বলা হয় (Subject)।
২. خَبَر (খবর): বিধেয় বা মুবতাদা সম্পর্কে যা খবর দেওয়া হয় (Predicate)।

উদাহরণ:

।🔹 هَذَا بَيْتٌ (হাযা বাইতুন) - (ইহা একটি ঘর)
।🔹هَذَا (হাযা) ⬅️ مُبْتَدَأ (উদ্দেশ্য)
।🔹بَيْتٌ (বাইতুন) ⬅️ خَبَر (খবর)

💡 আজকের পাঠের সারসংক্ষেপ:
আমরা শিখলাম যে, একটি পূর্ণাঙ্গ আরবি বাক্য তৈরি করতে শুধু একটি ইশারা বাচক শব্দ (هَذَا) এবং একটি اسم (اسم) বা নাম হলেই চলে।

✅ পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং আপনার বন্ধুদেরও আরবি শিখতে উৎসাহিত করুন!

ভর্তি চলছে              ভর্তি চলছে              ভর্তি চলছে ইজরার পদ্বতিতে নাহু-সরফ,বালাগাত,মানতেক!🔸বেসিক টু এডভান্স ল্যা...
29/12/2024

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে

ইজরার পদ্বতিতে নাহু-সরফ,বালাগাত,মানতেক!
🔸বেসিক টু এডভান্স ল্যাভেল

(২০২৫ সাল থেকে শুরু করা হবে নতুন ব্যাচ ইনশাআল্লাহ!)
..........▫️▫️.......▫️▫️..........▫️▫️....
কোর্স সম্পর্কে জানতে ও ভর্তি হতে যোগাযোগ করুন

نحمده ونصلي على رسول الكريم اما بعد প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা! আর কিছুদিন পরই ২০২৪ সাল শেষ হতে যাচ্ছে। ৩১শে ডিসেম্বর রা...
14/12/2024

نحمده ونصلي على رسول الكريم اما بعد
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা!
আর কিছুদিন পরই ২০২৪ সাল শেষ হতে যাচ্ছে। ৩১শে ডিসেম্বর রাত বারোটায় উদযাপিত হয় "থার্টি ফার্স্ট নাইট" নামে একটি বিধর্মীয় বিজাতীয় উৎসব।
যাতে পৃথিবীর বহু মুসলমান যুক্ত হয়ে পড়েছেন। নিঃসন্দেহে এটি একটি গর্হিত মন্দ কাজ। যাতে সংঘটিত হয় অসংখ্য অগণিত পাপ।

জাতি যখন পাপ কাজে ব্যাপকভাবে লিপ্ত হয় তখন আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, তাদেরকে উক্ত পাপ কাজ থেকে বাঁধা দেওয়া, নিষেধ করা। নতুবা আল্লাহর গজব আমাদের কে গ্রাস করে নেবে। কেননা, হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ قَوْمٍ يَكُونُ بَيْنَ أَظْهُرِهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي هُمْ أَعَزُّ مِنْهُ وَأَمْنَعُ لَمْ يُغَيِّرُوا عَلَيْهِ ؛ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مِنْهُ بِعِقَابٍ

অর্থ: যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে গুনাহ সংঘটিত হয় এবং ওই জাতির লোকেরা তা বন্ধ করার ক্ষমতা রাখা সত্ত্বেও বন্ধ করে না; তখন আল্লাহর আযাব তাদের (ভালো-মন্দ) সকলকে গ্রেফতার করে নেয়।
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং ১৯২১৬)

তাই এ পাপ কাজে বাঁধা দেওয়ার জন্যে, উম্মতকে নিষেধ করার জন্য বয়ান ও নসিহতের পাশাপাশি ছোট্ট এই বইটি আমরা ছাপিয়েছি। যাতে দুনিয়ায় আগমনের উদ্দেশ্য, পরকালের প্রস্তুতি এবং থার্টিফার্স্ট নাইটের ইহকালীন এবং পরকালীন ক্ষতি সম্পর্কে দলিল সমৃদ্ধ কিছু আলোচনা করা হয়েছে।

আশা করা যায় পাঠক মহলে এটি সারা ফেলবে ইনশাআল্লাহ। মন্দ গর্হিত অন্যায় কাজে অগ্রজ ব্যক্তিদেরকে নিরুৎসাহিত করবে। পরকালের চিন্তা তাদের মাথায় ঢালবে ইনশাআল্লাহ।

পরিশেষে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল দ্বীনদার, সমঝদার উম্মতের কাছে আমাদের আহ্বান-
মেহেরবানী করে আপনারা আমাদের এই কাজে যুক্ত হোন। বইটি সংগ্রহ করে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় বিতরণ করার চেষ্টা করুন।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা!
লক্ষ্য করে দেখুন! শয়তানি এই উৎসব বাস্তবায়নের জন্য কত কোটি কোটি ডলার খরচ হচ্ছে ! আমরা ইসলামের জন্য, দ্বীনের জন্য, মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনার জন্য, জাহান্নামের পথ থেকে জান্নাতের পথে আনার জন্য কয় টাকা খরচ করছি?
এই থার্টিফার্স্টের বিপরীতে আমাদের কয় টাকা খরচ হচ্ছে?
হায়! হায়! তারা ইসলামের বিপক্ষে কোটি কোটি ডলার খরচ করবে আর আমরা ইসলামের পক্ষে কিছুই খরচ করব না; এটা কি করে সম্ভব?
তাই আসুন! আমরাও চেষ্টা করি, আমরাও ফিকির করি। এই উৎসবের ক্ষতি ও অনিষ্ঠ সম্পর্কের এই ছোট্ট বইটি পৌঁছে দেই মানুষের হাতে হাতে। পৌঁছে দেই মানুষের কাছেকাছে।
আমাদের কাজ পৌঁছে দেওয়া আর প্রভাব সৃষ্টি করা তো সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাজ।
আপনারা যদি দোয়া করেন এবং চেষ্টা করেন, তাহলে আশা করা যায়, আমাদের এই চেষ্টা সফল হবেই ইনশাআল্লাহ।
সমগ্র বিশ্বে মুসলমানগণ ইহুদি খ্রিস্টানদের এই শিরকি গুনাহ সম্বলিত উৎসব থেকে ফিরে আসবে ,ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বীনের কাজ করার তৌফিক দান করেন আমিন। বইটির মূল্য মাত্র চার টাকা।এত অল্প টাকায় দেয়া হচ্ছে শুধু দাওয়াতি কাজের সুবিধার্থে।আসুন জদকায়ে জারিয়ায় শরীক হই।
বইটি পেতে যোগাযোগ করুন:👇
Maktabatol Fonun
01789406100-imo/what’s app

نحمده ونصلي على رسول الكريم اما بعد প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা! আর কিছুদিন পরই ২০২৪ সাল শেষ হতে যাচ্ছে। ৩১শে ডিসেম্বর রা...
13/12/2024

نحمده ونصلي على رسول الكريم اما بعد
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা!
আর কিছুদিন পরই ২০২৪ সাল শেষ হতে যাচ্ছে। ৩১শে ডিসেম্বর রাত বারোটায় উদযাপিত হয় "থার্টি ফার্স্ট নাইট" নামে একটি বিধর্মীয় বিজাতীয় উৎসব।
যাতে পৃথিবীর বহু মুসলমান যুক্ত হয়ে পড়েছেন। নিঃসন্দেহে এটি একটি গর্হিত মন্দ কাজ। যাতে সংঘটিত হয় অসংখ্য অগণিত পাপ।

জাতি যখন পাপ কাজে ব্যাপকভাবে লিপ্ত হয় তখন আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, তাদেরকে উক্ত পাপ কাজ থেকে বাঁধা দেওয়া, নিষেধ করা। নতুবা আল্লাহর গজব আমাদের কে গ্রাস করে নেবে। কেননা, হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ قَوْمٍ يَكُونُ بَيْنَ أَظْهُرِهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي هُمْ أَعَزُّ مِنْهُ وَأَمْنَعُ لَمْ يُغَيِّرُوا عَلَيْهِ ؛ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مِنْهُ بِعِقَابٍ

অর্থ: যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে গুনাহ সংঘটিত হয় এবং ওই জাতির লোকেরা তা বন্ধ করার ক্ষমতা রাখা সত্ত্বেও বন্ধ করে না; তখন আল্লাহর আযাব তাদের (ভালো-মন্দ) সকলকে গ্রেফতার করে নেয়।
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং ১৯২১৬)

তাই এ পাপ কাজে বাঁধা দেওয়ার জন্যে, উম্মতকে নিষেধ করার জন্য বয়ান ও নসিহতের পাশাপাশি ছোট্ট এই বইটি আমরা ছাপিয়েছি। যাতে দুনিয়ায় আগমনের উদ্দেশ্য, পরকালের প্রস্তুতি এবং থার্টিফার্স্ট নাইটের ইহকালীন এবং পরকালীন ক্ষতি সম্পর্কে দলিল সমৃদ্ধ কিছু আলোচনা করা হয়েছে।

আশা করা যায় পাঠক মহলে এটি সারা ফেলবে ইনশাআল্লাহ। মন্দ গর্হিত অন্যায় কাজে অগ্রজ ব্যক্তিদেরকে নিরুৎসাহিত করবে। পরকালের চিন্তা তাদের মাথায় ঢালবে ইনশাআল্লাহ।

পরিশেষে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল দ্বীনদার, সমঝদার উম্মতের কাছে আমাদের আহ্বান-
মেহেরবানী করে আপনারা আমাদের এই কাজে যুক্ত হোন। বইটি সংগ্রহ করে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় বিতরণ করার চেষ্টা করুন।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা!
লক্ষ্য করে দেখুন! শয়তানি এই উৎসব বাস্তবায়নের জন্য কত কোটি কোটি ডলার খরচ হচ্ছে ! আমরা ইসলামের জন্য, দ্বীনের জন্য, মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনার জন্য, জাহান্নামের পথ থেকে জান্নাতের পথে আনার জন্য কয় টাকা খরচ করছি?
এই থার্টিফার্স্টের বিপরীতে আমাদের কয় টাকা খরচ হচ্ছে?
হায়! হায়! তারা ইসলামের বিপক্ষে কোটি কোটি ডলার খরচ করবে আর আমরা ইসলামের পক্ষে কিছুই খরচ করব না; এটা কি করে সম্ভব?
তাই আসুন! আমরাও চেষ্টা করি, আমরাও ফিকির করি। এই উৎসবের ক্ষতি ও অনিষ্ঠ সম্পর্কের এই ছোট্ট বইটি পৌঁছে দেই মানুষের হাতে হাতে। পৌঁছে দেই মানুষের কাছেকাছে।
আমাদের কাজ পৌঁছে দেওয়া আর প্রভাব সৃষ্টি করা তো সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাজ।
আপনারা যদি দোয়া করেন এবং চেষ্টা করেন, তাহলে আশা করা যায়, আমাদের এই চেষ্টা সফল হবেই ইনশাআল্লাহ।
সমগ্র বিশ্বে মুসলমানগণ ইহুদি খ্রিস্টানদের এই শিরকি গুনাহ সম্বলিত উৎসব থেকে ফিরে আসবে ,ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বীনের কাজ করার তৌফিক দান করেন আমিন। বইটির মূল্য মাত্র চার টাকা।এত অল্প টাকায় দেয়া হচ্ছে শুধু দাওয়াতি কাজের সুবিধার্থে।আসুন জদকায়ে জারিয়ায় শরীক হই।
বইটি পেতে যোগাযোগ করুন:👇
Maktabatol Fonun
01789406100-imo/what’s app

নতুন লোগো তৈরি করলাম, কেমন হল?
22/10/2024

নতুন লোগো তৈরি করলাম, কেমন হল?

12/10/2024

হিফজী মিনাল কুরআন-৫
পুরো কুরআন সূরা ফাতিহার মতো হিফজ করার অব্যর্থ কৌশল
১ঃ পনের লাইনে পৃষ্ঠা এমন হাফেজী কুরআন নিবো। ভাল হয়, ত্রিশ পারা আলাদা আলাদা করে ভাগ করে বাঁধাই করা হলে। বাজারে এমন পাওয়া যায়।
২. একপৃষ্ঠা নির্ধারণ করব। বেশি না হওয়াই ভাল। আগে মুখস্থ থাকলেও কোনও পৃষ্ঠাই এই নিয়মের বাইরে থাকবে না।
নাজেরা
৩. পুরো পৃষ্ঠ কমপক্ষে বিশবার দেখে দেখে পড়ব। প্রতিটি শব্দের যবর-যের-পেশ খেয়াল করে করে পড়ব। কোনও শব্দ উচ্চারন করতে কঠিন লাগবে, শব্দটা বারবার পড়বো। সম্ভব হলে একজনকে পৃষ্ঠাটার নাজেরা শুনিয়ে নেব। কেউ না থাকলে, শায়খ হুসারীর তিলাওয়াত থেকে শুনব। আমাকে শতভাগ নিশ্চিত হতে হবে, নাজেরা মানে দেখে দেখে পড়াটা নির্ভুল হয়েছে। কারণ নাজেরা ভুল হলে, হেফজ ভুল হবে। একবার ভুল মুখস্থ হয়ে গেলে, শুদ্ধ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
হিফজ
৪. প্রথম সতর (লাইন) কমপক্ষে দশবার পড়ব। আয়াত ছোট হলে, পুরো আয়াত একবারে দশবার পড়ব। ভাল করে মুখস্থ হলে, দ্বিতীয় সতর বা আয়াত কমপক্ষে দশবার পড়ব। এবার উভয় সতর বা আয়াত মিলিয়ে কমপক্ষে দশবার পড়ব। এভাবে প্রতিটি সতর বা আয়াত কমপক্ষে দশবার করে পড়ব। তারপর আগের সতর বা আয়াতের সাথে মিলিয়ে কমপক্ষে দশবার পড়ব। গোটা পৃষ্ঠা মুখস্থ হলে, পুরো পৃষ্ঠা না দেখে কমপক্ষে দশবার পড়ব। কোনও শব্দে সন্দেহ বা খটকা লাগবে, মুসহাফ (কুরআন) দেখে জায়গাটি কয়েকবার পড়ে নেব। তারপর পরিবারের কাউকে বা বন্ধুকে বা ওস্তাদকে পৃষ্ঠাটি একবার শোনাব। শোনাতে গিয়ে কোথাও আটকালে বা ধাক্কা খেলে, আবার পুরো পৃষ্ঠার খটকা লাগা জায়গাগুলো ভাল করে পরে, আবার শোনাব। সন্দেহ-খটকামুক্ত হয়ে নিখুঁত মসৃণ সাবলিলভাবে শোনাতে পারা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এরপর উঠতে বসতে, শুতে-খেতে, হাঁটতে-চলতে, ঘুমুতে-জাগতে যখনই সুযোগ হবে, পৃষ্ঠাখানা পড়তে থাকব।
৫. পরদিন দ্বিতীয় পৃষ্ঠা আগের নিয়মে শুরু করব। আজকের প্রথম আয়াত, আগের দিনের শেষ আয়াতের সাথে মিলিয়ে দশবার পড়তে ভুলব না। নিয়মসম্মতভাবে পুরো পৃষ্ঠা ইয়াদ হলে, আগের দিনের পৃষ্ঠার সাথে আজকের পৃষ্ঠা মিলিয়ে কমপক্ষে দশবার মুখস্থ পড়ব। সম্ভব হলে মুসহাফ থেকে দূরে গিয়ে হাঁটতে হাঁটতে পড়ব। পুরোপুরি নিশ্চিত ইয়াদ হওয়ার পর, শোনাতে বসব।
৬. আগের পৃষ্ঠা ইয়াদের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া ছাড়া পরের পৃষ্ঠায় যাবো না। আস্তে আস্তে পৃষ্ঠা বাড়তে থাকলে, প্রতিদিন পেছন থেকে কমপক্ষে পাঁচ পৃষ্ঠা, সম্ভব হলে আরও বেশি মুখস্থ পড়ব। একপারা ইয়াদ হলে, প্রতিদিনের পৃষ্ঠা ইয়াদ শেষ করে, পুরো পারাটা একবার করে মুখস্থ পড়ে যাবো। এভাবে তিনপারা ইয়াদ হওয়া পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ, দুই পারা ইয়াদ হলে, আজকের সবক ইয়াদের পর প্রতিদিন পেছনের পুরো দুই পারা বা তিন পারা পড়ব।
৭. চার পারা ইয়াদ হলে, প্রতিদিন পেছন থেকে তিনপারা করে মুখস্থ তিলাওয়াত করব। প্রথম দিন পড়ব প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পারা। দ্বিতীয় দিন পড়ব চতুর্থ, প্রথম ও দ্বিতীয় পারা। তারপর দিন তৃতীয়, চতুর্থ ও প্রথম পারা। পেছনের পড়াগুলো অন্যকে শোনাতেও ভুলব না।
৮. ছয় পারা ইয়াদ হলে, প্রতিদিন তিন পারা করে মুখস্থ তিলাওয়াত করব। এভাবে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকবে। আমার যদি পনের পারা ইয়াদ হয়, প্রতিদিন পেছন থেকে তিন পারা করে মুখস্থ তিলাওয়াত করলে, পাঁচ দিনে একবার পেছনের পড়া তিলাওয়াত হয়ে যাবে। পেছনের পারাগুলো কাউতে শোনাতে ভুলব না।
৯. পেছনের পড়া পড়তে গিয়ে বা শোনাতে গিয়ে, কোথাও নতুন করে খটকা লাগলে, জায়গাটা বারবার পড়ে, খটকা দূর করে নেব। পুরো পৃষ্ঠাখানা বারকয়েক মুখস্থ পড়ে নেব। একটা খাতা বানিয়ে, সেখানে সন্দেহ ও খটকা লাগা স্থানগুলো চিহ্নিত করে রাখব। তিলাওয়াতের সময় এই স্থানগুলোর দিকে বাড়তি নজর রাখব।
সতর্কীকরণঃ
১. প্রতিদিন নতুন সবক ইয়াদের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবো। তারপর পেছনের পড়া তাকরার করব। হিফজযাত্রায় পেছনের পড়া বারবার পড়ার কোনও বিকল্প নেই।
২. একজন হিফজসঙ্গী বানিয়ে নিতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সপ্তাহে একটি দিন ছুটি কাটাব। সেটা হতে পারে জুমাবার। এদিন নতুন সবক মুখস্থ করব না।
৩. প্রতি সপ্তাহ বা দশদিন অন্তর অন্তর অভিজ্ঞ কারো কাছে পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা রাখব। অভিজ্ঞ হাফেজ সাহেবের কাছে পরীক্ষা দেয়ার উপকারিতা হল, তিনি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো থেকে প্রশ্ন করবেন। যেসব জায়গায় সাধারণত হাফেজগন সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলোই তিনি প্রশ্ন করবেন। এতে ফল হবে, প্রশ্নের জায়গাগুলো ভাল করে জানা হয়ে যাবে। কঠিন জায়গাগুলোতে বাড়তি নজর পড়বে। এতে করে জায়গাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ইয়াদ হবে।
গুরুত্বপূর্ণ নসীহা
১ঃ কুরআন কারীম হিফজ করতে পারা, আল্লাহর বিরাট নেয়ামত। অত্যন্ত মযাদাসম্পন্ন নেয়ামত। কুরআন কারীম হিফজ করা এক মহা ইবাদত। আমি হাফেজ হতে পারলে, আমার সীনা হবে, কুরআন কারীমের ‘আধার’। আমি হব আল্লাহর কালামের ধারক ও বাহক। আমি হাফেজ হওয়ার মানে, আমাদের নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো বটেই, পাশাপাশি সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরামের ওহী, নিজের মধ্যে ধারণ করলাম। আমি হাফেজ হওয়ার মানে, আমি নবী না হওয়া সত্ত্বেও,

আমার প্রতি ওহী নাযিল না হওয়া সত্বেও, নিজের মধ্যে নবুওয়াতের পুরো ইলম ধারণ করলাম।
২. এমন বিরল সৌভাগ্য অর্জনের ইচ্ছা কার না হয়? কুরআন কারীম হিফজ করার পেছনে, আমার সবটুকু মেধা-যোগ্যতা ব্যয় করতেও পিছপা হবো না। কুণ্ঠিত হবো না। আমার সময়ের সর্বোচ্চটুকু কুরআন হিফজে দিতে দ্বিধান্বিত হবো না। ইন শা আল্লাহ আল্লাহ আমার সময়ে বরকত দান করবেন। আমার শরীর-স্বাস্থ্যে বরকত দান করবেন। আমার শক্তি-সামর্থ্যে বরকত দান করবেন। আমি যেখানেই থাকি, যাই করি, আমার সবকিছুকে বরকতময় করে তুলবেন। আবার বাড়িঘরকে বরকতময় করে দিবেন।
৩. আমি মনে রাখব, কুরআন কারীম হিফজ করা, নেককার-সালেহীনের কাজ। কুরআন হিফজ করা, উম্মাহর বড় বড় ব্যক্তিদের কাজ। দুনিয়ার যত ইলম-জ্ঞানই শিখি, কুরআন কারীম হিফজ করবই। কুরআন হিফজের ব্যাপারে অন্য কিছুর সাথে আপস করব না। ইন শা আল্লাহ।
৪. উপরোক্ত পদ্ধতিতে মুখস্থ করার বিরুদ্ধে নফস ও শয়তান বারবার বিদ্রোহ করে উঠবে। নানা দিক থেকে আলস্য জেঁকে ধরবে। দুনিয়ার কোনও পড়াই এভাবে মুখস্থ করা হয় না। নাফস বারবার বিভিন্ন তুলনা সামনে আনবে। নানাভাবে নিরস্ত করতে চাইবে। এসব বাধা টপকাতে হবে, সবর, সলাত, ইস্তেগফার ও দোয়ার মাধ্যমে। নফস-শয়তানের এসব ওয়াসওয়াসা, কুমন্ত্রণা ডিঙ্গাতে পারলে, আমি একসময় হাফেজগনের ঈর্ষণীয় কাতারে শামিল হতে পারব।
৫. একটু হিম্মত করে আগে বাড়তে হবে। হিফজের পথ আপাত কঠিন মনে হলেও, আল্লাহর অফুরন্ত রহমত আর আমার প্রবল ইচ্ছাশক্তির চেয়ে নিশ্চয়ই বেশি কঠিন নয়। প্রথম দিকে জোর করে নিজেকে হিফজের মেহনতে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। একবার অভ্যেস হয়ে গেলে, পড়ার চাকা ঘুরতে থাকবে, ইন শা আল্লাহ। কুরআন কারীমকে আল্লাহ তাআলা সহজ করে দিয়েছেন। আল্লাহর এই আশ্বাসবাণী সবসময় মাথায় রাখব,
وَلَقَدۡ یَسَّرۡنَا ٱلۡقُرۡءَانَ لِلذِّكۡرِ فَهَلۡ مِن مُّدَّكِرࣲ
আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। আছে কি কোনও উপদেশ গ্রহণকারী? (সূরা কামার ১৭)।
৬. এই আয়াত আমার জন্য বিরাট অনুপ্রেরণা। এই আয়াত আমার জন্য, শয়তানের সমস্ত কুরআনবিরোধী প্ররোচনা আর কুমন্ত্রণার জবাব। আমার হিফজযাত্রায় এই আয়াত আশার মশাল। যে কোনও বড় কাজে বাধা আসেই। যে কোনও ভাল কাজের শত্রু থাকেই। আমার হিফজযাত্রায় শয়তানই সবচেয়ে বড় বাধা। বড় শত্রু। কাজের বাধা ও শত্রু চিনতে পারা, অনেক বড় সাফল্য। আমি যেহেতু শত্রু ও বাধা চিনে গেছি, আমার করণীয় অত্যন্ত সহজ হয়ে গেছে।
৭. শয়তান ভাল করেই জানে, কুরআন এই উম্মাহর প্রধানতম শক্তি। কুরআন এই উম্মাহর প্রধানতম প্রেরণা। কুরআন এই উম্মাহর শ্রেষ্ঠতম সম্মান। কুরআন দ্বারাই এই উম্মাহ নেতৃত্বের আসনে আসীন ছিল ও আসীন হবে। কুরআনের মাধ্যমেই উম্মাহর ঈমান-মনোবল বৃদ্ধি পাবে। কুরআনের মাধ্যমেই এই উম্মাহ হালাল-হারাম চিনতে পারে। কুরআন এই উম্মাহর সুরক্ষার গ্যারান্টি। কুরআনের মাধ্যমেই এই উম্মাহ জান্নাতের উচ্চতম স্তরে উন্নীত হবে। কুরআনের ধারককে কেয়ামতের দিন বলা হবে,
يُقالُ لصاحبِ القرآنِ اقرأْ وارتقِ ورتِّلْ كما كنت تُرتِّلُ في الدنيا فإنَّ منزلَك عند آخرِ آيةٍ تقرؤُها
কেয়ামতের দিন কুরআনের বাহককে বলা হবে, পাঠ করতে থাক ও উপরে আরোহণ করতে থাক। দুনিয়াতে যেভাবে ধীরেসুস্থে পাঠ করতে ঠিক সেভাবে ধীরেসুস্থে পাঠ করতে থাক। যে আয়াতে তোমার পাঠ সমাপ্ত হবে সেখানেই হবে তোমার স্থান (আবদুল্লাহ বিন আমর রা.। আবূ দাউদ ১৪৬৪)।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arabic & English Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share