11/10/2024
আমরা নিজে নিজে আমাদের ইমানের পরীক্ষা নিতে পারি।
🔍ঈমান ভঙ্গের দশটি কারণঃ-
1⃣ আল্লাহ্ তায়ালার সঙ্গে কাউকে শরিক করা! (সূরা মায়িদাহ-72)
2⃣ জাদু টোনা করা! (সূরা বাকারা-102)
3⃣ ইসলামের কোনো বিধানকে অপছন্দ করা! (সূরা নিসা-65)
4⃣ দ্বীন ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া! (সূরা সাজদাহ-22)
5⃣ কাফির মুশরিকদেরকে কাফির মনে না করা! (সূরা নিসা-14)
6⃣ ইসলামের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রূপ করা! (সূরা তাওবা-65,66)
7⃣ মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফির/মুশরিকদেরকে সমর্থন বা সহযোগিতা করা! (সূরা মায়িদাহ-51)
8⃣ আল্লাহ্ ও তাহার রাসূলের ফায়সালার চেয়ে অন্য কারো ফায়সালাকে উত্তম মনে করা! (সূরা মায়িদাহ-44,সূরা নিসা-60)
9⃣ কাউকে দ্বীন শরিয়তের ঊর্ধ্বে মনে করা! (সূরা মায়িদাহ-3) মারেফতের ধোঁয়া তুলে নিজেকে ইসলামের হুকুম আহকামের ঊর্ধ্বে মনে করা! যেমন মারেফত অর্জন হয়ে গেলে নামায/রোযা ও পর্দা করা লাগে না!
🔟 আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে অন্য কাউকে মাধ্যম বানানো! (সূরা ইউনুস-18) যেমন পীর পূজা,মাজার পূজা,মূর্তি পূজা! যা বর্তমানে ভন্ড পীর ফকির ও কাফির/মুশরিকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে দেখা যায়! যারা আল্লাহ্ তায়ালার পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, আমরা তো এজন্যই তাদের পূজা করি, যেনো তারা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছিয়ে দেয়! (সূরা যুমার-3)
পরিশেষে,ওযু ভেঙ্গে গেলে যেমন পুনরায় ওযু করতে হয়। ঠিক তেমনি ঈমান ভঙ্গের কোনো একটি কারণ যদি কারো মধ্যে পাওয়া যায়, তাহলে তাকে তাওবা করে পুনরায় ঈমান আনতে হবে। অন্যথায় বেঈমান অবস্থায় মৃত্যু হয়ে গেলে চিরকালের জন্য জাহান্নামে যেতে হবে!
-কপি-- পেস্ট 😊