Maqasid Institute Bangladesh

Maqasid Institute Bangladesh

Share

The official page of Maqasid Institute Bangladesh (MIB). It promotes the principles and universals of Islam for all of humanity."

MIB is a center for research, education, and dialogue based on the Maqasid al-Shariah- the objectives of Islamic law.

27/05/2026

Qurbani in Islam is a symbol of ‎mercy and love and the Continuation of human civilization...
1. Qurbani is a continual practice of human civilization. Islam guided and corrected ‎the purpose of Qurbani and its way, which was practiced by previous religions/religions/‎civilizations/nations.
2. Qurbani was practiced for the first time by the first twain (Habil ‎and Qabil) of the human generation according to the command of Allah to differentiate ‎between acceptance and rejection of the guideline of the Creator, Allah SWT.
3. After ‎ that, the prophet Nooh and the prophet Ibrahim sacrificed animals by burning for the sake of their Creator, Allah. Their successors followed them as well.
4. People of Musa ‎sacrificed animals by burning or freeing them in the desert.
5. The people of Greek and ‎Roman civilizations used to sacrifice animals.
6. People of the very classical Phoenician, ‎Canaanites, Sur Empire, Persian, and Egyptian civilizations used to sacrifice animals ‎for their God/Gods (Wisdom of Islamic Legislation and its Philosophy by Ali Ahmad ‎al-Jarhawi).
7. Hence, sacrificing animals in a modified style- of Islam (by slaughtering ‎with ihsan in a way that causes less pain to animals, not by burning which is gruesome) ‎is not something strange and invented by Islam to be cruel. Rather, Qurbani is a ‎continuation of the practice of sacrifice by animals that Islam appreciated, modified ‎and commanded.
8. Moreover, in the history of human civilization, Islam for the first ‎time stopped the cruelest form of sacrifice by killing the greatest creation—human ‎being—while people of other civilizations used to sacrifice by killing human beings (‎(beautiful girls) for the sake of their gods or deities.
9. Hence, Qurbani is a symbol of ‎mercy and love for our fellow ones not an act of cruelty to them. ‎

13/05/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১২/2
বিষয়: মাকাসিদুশ শরীয়ার গুরুত্ব
(সাধারণ মুসলিম, দায়ী, ও মুজতাহিদের জন্য)
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge. See less

13/05/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১২/১
বিষয়: শরয়ী কল্যাণসমূহ ও ক্ষতিসমূহের মাঝে তুলনা ও প্রাধান্যের পদ্ধতি
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge. See less

12/05/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১২
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge. See less

06/05/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১১
বিষয়ঃ কল্যাণসমূহের মাঝে তুলনা ও প্রাধান্য (الموازنة والترجيح بين المصالح)
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge.

06/05/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১১
বিষয়ঃ কল্যাণসমূহের মাঝে তুলনা ও প্রাধান্য (الموازنة والترجيح بين المصالح)
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge.

26/02/2026

শরীয়ার ভিত্তিতে বিধান উদ্ঘাটন ও আইন প্রণয়ণে ইসলামের দীক্ষিত উদারতা ও সহজতা বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে ইমাম শাতেবী রহঃ বলেন,
"فإن الله وضع هذه الشريعة المباركة حنيفية سمحة سهلة حفظ فيها على الخلق قلوبهم وحبها لهم بذلك فلو عملوا على خلاف السماح والسهولة لدخل عليهم فيما آلفوا به ما لا تخلص به أعمالهم"
“নিশ্চয়ই আল্লাহ এই বরকতময় শরীয়তকে 'হানিফিয়া' (একনিষ্ঠ), 'সামহা' (উদার) এবং সহজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মাখলুকের (সৃষ্টির) হৃদয়গুলোকে রক্ষা করেছেন এবং সহজবোধ্য করার মাধ্যমেই দ্বীনকে তাদের কাছে প্রিয় করে তুলেছেন। অতএব, মানুষ যদি এই উদারতা ও সহজবোধ্যতার বিপরীতে গিয়ে কাজ করে (কঠিন পথ বেছে নেয়), তবে তাদের উপর এমন মানসিক চাপ ও জটিলতা তৈরি হবে যার ফলে তাদের আমলগুলো আর খাঁটি বা ত্রুটিমুক্ত থাকবে না।“
উক্তিটির ব্যাখ্যা
১. শরীয়তের প্রকৃতি (nature): উদার ও একনিষ্ঠ দ্বীন
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা শরীয়তকে কোনো ভারী বোঝা হিসেবে চাপিয়ে দেননি, বরং একে করেছেন:
হানিফিয়া (একনিষ্ঠ): অর্থাৎ যা শিরক ও বাতিল থেকে বিমুখ হয়ে কেবল খাঁটি সত্যের দিকে ঝুঁকে থাকে।
উদার ও সহজ (সামহা সাহলা): অর্থাৎ যা সহজীকরণ এবং কষ্ট লাঘবের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এটি কেবল কোনো গৌণ বৈশিষ্ট্য নয়, বরং মানুষের সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার জন্য এটি একটি সুপরিকল্পিত "ঐশ্বরিক বিধান"।
বরং শরীয়ত সহজ হওয়ার কারণে মানুষের মনে ইবাদতের প্রতি ভীতি বা অনীহা আসে না, বরং মানসিক প্রশান্তি বজায় থাকে।
২. মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্য (psychological purpose): "সৃষ্টির হৃদয় রক্ষা করা"
আল্লাহ শরীয়তকে সহজ করেছেন যাতে অন্তরগুলো বিমুখ না হয়। শরীয়ত যদি চরম কঠিন হতো, তবে মানুষের মন ইবাদতের প্রতি ঘৃণা পোষণ করত।
সহজবোধ্যতা একজন ইবাদতকারীকে কেবল ভয় বা বাধ্যবাধকতা থেকে নয়, বরং ভালোবাসা ও স্বেচ্ছায় আনুগত্য করতে অনুপ্রাণিত করে। আর এই ভালোবাসাই হলো নেক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার মূল চালিকাশক্তি।
ফলে কোনো নিয়ম যখন মানুষের সাধ্যাতীত হয় না, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই নিয়মের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা বাড়ে।
৩. "উদারতা" লঙ্ঘনের ঝুঁকি: আমল নষ্ট হওয়া
যদি তারা উদারতা ও সহজবোধ্যতার বিপরীতে গিয়ে কাজ করে..." অর্থাৎ মানুষ যদি কঠোরতা (চরমপন্থা) বা অতিরঞ্জনের পথ বেছে নেয়, তবে দুটি ঘটনা ঘটবে:
ক. মানসিক বিপর্যয়: মানুষ নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করার কারণে সংকীর্ণতা, একঘেয়েমি এবং চরম ক্লান্তি অনুভব করবে।
খ. আমলের বিশুদ্ধতা নষ্ট হওয়া: যখন কোনো কাজ খুব কষ্টকর এবং বিরক্তিকর হয়ে ওঠে, তখন মানুষ তার "ইখলাস" বা "স্বচ্ছতা" হারিয়ে ফেলে। ফলে ইবাদতগুলো কেবল যান্ত্রিক নড়াচড়ায় পরিণত হয় যা থেকে সে দ্রুত মুক্তি পেতে চায়, অথবা সে একসময় পুরোপুরি আমল ছেড়ে দেয়। (যেমনটি বলা হয়েছে: যে ব্যক্তি বাহনের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেয়, সে পথও পাড়ি দিতে পারে না এবং নিজের বাহনকেও রক্ষা করতে পারে না)।
সুতরাং যদি কেউ অহেতুক কঠোরতা (extremism) অবলম্বন করে, তবে একসময় সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তখন তার ইবাদতগুলো হবে দায়সারা বা যান্ত্রিক, যাতে অন্তরের ইখলাস বা একাগ্রতা থাকবে না।
সারসংক্ষেপ:
শরীয়ত এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসার স্থান পায়। আর ইবাদতের ধারাবাহিকতা এবং অন্তরের একাগ্রতা নিশ্চিত করার মাধ্যমই হলো এই সহজবোধ্যতা। সুতরাং, কঠোরতা কেবল শারীরিক আরামই নষ্ট করে না, বরং এটি "আমলের প্রাণ" এবং ইবাদতের প্রতি অন্তরের স্বতঃস্ফূর্ততাকেও ধ্বংস করে দেয়।

22/02/2026

প্রযুক্তির যুগে রমজান: ইবাদত ও স্ক্রিনের মাঝে ভারসাম্যের উপায়
মূলঃ ফারিস আবু হাবিব, (ইমাম ও খতিব, আওকাফ মন্ত্রণালয়, মিশর)
অনুবাদ, তাখরীজ, ও পরিমার্জন: ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার

রমজান হলো আধ্যাত্মিকতা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস; রহমত, মাগফিরাত এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার মাস। এটি একটি রব্বানি সুযোগ যা মাত্র কয়েকদিনের জন্য আমাদের কাছে আসে। যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: أَيَّامًا مَّعْدُودَاتٍ “গণনার কয়েকটি দিন মাত্র” (সূরা বাকারা: ১৮৪)। তা সত্ত্বেও দেখা যায়, অনেক মানুষ এই মূল্যবান সুযোগটি সিনেমা, সিরিয়াল এবং আজেবাজে প্রোগ্রাম দেখে নষ্ট করে ফেলেন, যা কেবল সময়ের অপচয়ই নয়, বরং অন্তর ও মস্তিষ্ককেও কলুষিত করে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং রমজানের আধ্যাত্মিক চেতনার মধ্যে আমরা কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করব? কীভাবে নিম্নমানের মিডিয়ার ফাঁদ থেকে নিজেকে বাঁচাব যা আমাদের এই পবিত্র মাসটিকে চুরি করে নেয়?

প্রথমত: রমজানে নিম্নমানের সিরিয়াল ও কুরুচিপূর্ণ প্রোগ্রামের ভয়াবহতা
বর্তমান সময়ে রমজান একটি মিডিয়া মৌসুমে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রচুর পরিমাণে নাটক ও প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। এগুলোর অধিকাংশেরই কোনো মহৎ উদ্দেশ্য নেই; বরং উল্টো এগুলো অনৈতিকতা ছড়ায় এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে অন্তরকে বিমুখ করে রাখে। এটি এক বিরাট ক্ষতি। প্রিয় নবী ﷺ বলেছেন:
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم رغم أنف رجل ذكرت عنده فلم يصل علي ورغم أنف رجل دخل عليه رمضان ثم انسلخ قبل أن يغفر له ورغم أنف رجل أدرك عنده أبواه الكبر فلم يدخلاه الجنة قال عبد الرحمن وأظنه قال أو أحدهما. أخرجه الترمذي.
অর্থাৎঃ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "সেই ব্যক্তির নাক ধূলিধূসরিত হোক (অর্থাৎ সে লাঞ্ছিত ও ধ্বংস হোক), যার সামনে আমার নাম নেওয়া হলো অথচ সে আমার ওপর দরুদ পড়ল না। সেই ব্যক্তির নাক ধূলিধূসরিত হোক, যার কাছে রমজান মাস এল এবং তা চলে গেল অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না। আর সেই ব্যক্তির নাক ধূলিধূসরিত হোক, যে তার বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে (অথবা তাদের কোনো একজনকে) পেল, অথচ তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাল না (অর্থাৎ তাদের সেবা করে সে জান্নাত নিশ্চিত করতে পারল না)।" — [সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৫৪৫;]

কত মানুষ ক্ষমা না নিয়ে রমজান থেকে খালি হাতে ফিরে আসে, যেমনিভাবে তারা রমযানে প্রবেশ করেছে! কারণ তারা ইবাদতের বদলে বিনোদনে মগ্ন ছিল! নোংরামি শেখার একটি সিরিয়ালের কারণে আমরা কত তাহাজ্জুদের রাকাত, কুরআনের পাতা এবং রোনাজারির দোয়া হারিয়ে ফেলছি!
আল্লাহ তাআলা বলেন: وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ
“মানুষের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য অসার বাক্য ক্রয় করে।” (সূরা লুকমান: ৬)। ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেনঃ والله الذي لا إله إلا هو، إن لهو الحديث هو الغناء
সেই আল্লাহর শফথ যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এখানে 'অসার বাক্য' বলতে গানকে বোঝানো হয়েছে।
গান যদি এই হয়, তবে সেই সিরিয়ালগুলোর অবস্থা কী হবে যা অশ্লীলতা, হারাম সম্পর্ক এবং পাপাচারকে প্রমোট করে?

দ্বিতীয়ত: প্রযুক্তি.. রমজানে এক দোধারী তলোয়ার
প্রযুক্তি নিজে কোনো মন্দ নয়; এটি যেমন ভালো কাজের মাধ্যম হতে পারে, তেমনি মন্দের দরজাও হতে পারে। নবীজি ﷺ বলেছেন:
عَنِ ابنِ عباسٍ - رضي اللهُ عنهما - قال: قال رسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم: نِعمَتانِ مغبونٌ فيهما كثيرٌ من الناسِ: الصَّحَّةُ والفَّراغُ» رواه البخاري.
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "দুটি নিয়ামত এমন রয়েছে, যেগুলোর বিষয়ে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত (অর্থাৎ তারা এগুলোর কদর করে না): একটি হলো সুস্থতা এবং অন্যটি অবসর।" — [সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৪১২]
এটি অনর্থক কাজে সময় নষ্ট করার বিরুদ্ধে এক সতর্কতা। আমরা কীভাবে রমজানের অবসর সময় সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভির সামনে নষ্ট করতে পারি, যেখানে এই সময়টুকু নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াতে ব্যয় করা সম্ভব ছিল?
প্রযুক্তি ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন সহজ করে দিয়েছে—এক ক্লিকেই আমরা আলেমদের দরস শুনতে পারি, তাফসীর পড়তে পারি বা কুরআন শুনতে পারি। কিন্তু একই সঙ্গে এটি সময় অপচয়েরও মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সিরিয়াল দেখায় মগ্ন থাকেন, অথবা কোনো উপকার ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্রল করে রাত পার করে দেন।
রমজানে প্রযুক্তি ও ইবাদতের মাঝে ভারসাম্য রক্ষার উপায়:
১. ফোন ও টিভির জন্য রুটিন করা: ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন, যাতে তা ইবাদতের পথে বাধা না হয়।
২. প্রযুক্তিকে ইবাদতে কাজে লাগানো: ধর্মীয় প্রোগ্রাম দেখুন, কুরআন তিলাওয়াত বা জিকিরের অ্যাপ ব্যবহার করুন।
৩. নিম্নমানের প্রোগ্রাম এড়িয়ে চলা: রমজান বিনোদনের সময় নয়, ইবাদতের সময়। সময় শেষ হওয়ার পর যারা আফসোস করবে, তাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
৪. পারিবারিক আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি: টিভির সামনে না বসে পরিবারের সবাই মিলে কুরআন তিলাওয়াত, কিয়ামুল লাইল বা রমজানের ফজিলত নিয়ে আলোচনা করুন।
৫. তর্কাতর্কি ও ফালতু পোস্ট পরিহার: সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোনো তর্কে জড়াবেন না যা আপনার দুনিয়া বা আখিরাতের কোনো উপকারে আসবে না।

তৃতীয়ত: রমজান.. কয়েকটা দিন মাত্র, একে হারাবেন না
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা রমজানকে “أَيَّامًا مَّعْدُودَاتٍ” বা নির্দিষ্ট কয়েকদিন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, অর্থাৎ এটি খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাহলে আমরা কেন পাপাচার ও অশ্লীলতা ছড়ানো সিরিয়াল বা সস্তা হাসাহাসির প্রোগ্রামে এই সময় নষ্ট করব?
নবীজি ﷺ বলেছেন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ رواه البخاري (38)، ومسلم (760).
“আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।" — [সহিহ বুখারী (৩৮) ও সহিহ মুসলিম (৭৬০)]”

আমরা কি আসলেই সঠিকভাবে রোজা রাখছি, নাকি আমাদের পেট অভুক্ত থাকলেও চোখ ও কান হারাম দিয়ে ইফতার করছে?

চতুর্থত: রমজান.. মিতাচারের মাস, বাড়াবাড়ির নয়
ইসলাম ভারসাম্যের ধর্ম। আমাদের প্রযুক্তি পুরোপুরি ছেড়ে দিতে বলা হয়নি, বরং সচেতনভাবে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেন: وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا “এভাবেই আমি তোমাদের এক মধ্যপন্থী জাতি হিসেবে সৃষ্টি করেছি।” (সূরা বাকারা: ১৪৩)। রমজান যেমন আমাদের খাবারের ক্ষেত্রে সংযম শেখায়, তেমনি প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সংযম চর্চার এক সুযোগ।

উপসংহার: রমজান পরিবর্তনের স্টেশন.. আমরা কি তা গ্রহণ করব?
রমজান পরিবর্তনের এক সুবর্ণ সুযোগ, স্ক্রিনকে আপনার এই সুযোগটি চুরি করতে দেবেন না। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
وعن أبي هريرة، أَنَّ رسولَ اللَّهِ ﷺ قالَ: إِذا جَاءَ رَمَضَانُ، فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الجنَّةِ، وغُلِّقَت أَبْوَابُ النَّارِ، وصُفِّدتِ الشياطِينُ متفقٌ عَلَيْهِ.
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যখন রমজান মাস আসে, জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়।" — [মুত্তাফাকুন আলাইহি: বুখারী (১৮৯৯) ও মুসলিম (১০৭৯)]

জিনের শয়তানরা বন্দি হওয়ার পর আপনি কি মানুষের তৈরি শয়তানি মিডিয়ার (স্ক্রিন) কাছে বন্দি থাকবেন?
রমজানকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হওয়ার এবং হৃদয় ও মস্তিষ্ককে পরিশুদ্ধ করার মাধ্যম বানান। তাদের মতো হবেন না যারা রমজানে যেমন ঢুকেছিল তেমনই বের হয়ে গেল। বরং একে তওবা ও প্রকৃত পরিবর্তনের দ্বার হিসেবে গ্রহণ করুন।
রমজান হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক সুবর্ণ সুযোগ। তাই স্ক্রিন বা পর্দার মোহে এই মাসের আধ্যাত্মিকতা হারিয়ে যেতে দেওয়া আমাদের উচিত নয়। আমরা প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারি, তবে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন আমাদের এই পবিত্র মাসের মূল লক্ষ্য—অর্থাৎ তাকওয়া অর্জন ও নেক আমল থেকে দূরে সরিয়ে না দেয়। আসুন, আমরা রমজানকে ইবাদত ও প্রযুক্তির মাঝে একটি প্রকৃত ভারসাম্য তৈরির সূচনা বিন্দু হিসেবে গ্রহণ করি।

20/01/2026

মাকাসিদুশ শারীয়া: সেশন ১০
বিষয়: ইসলামী শরীয়ায় মানবকল্যাণ
ইনস্ট্রাক্টর
ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
Please LIKE the Page, Get Updated, & Share the Video to Spread the Knowledge.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

ফ্ল্যাট-২০১, সাদিয়া টাওয়ার, রোড নং-৬, ব্লক-বি, নিউ টাউন আবাসিক এলাকা, মাতুয়াইল, ডেমরা
Dhaka
১৩৬২