24/02/2026
শিক্ষা মন্ত্রীর পোস্ট দেখে যেসব বিএসসি এখন টেকনিশিয়ান ফ্যান্টাসিতে ভুগতেসে, তারা জানেই না খেলা কই হইতেসে!!
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কারিকুলাম সমন্বয় করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কারিকুলাম উন্নত করার বিষয়টি আজকের নতুন উদ্যোগ নয়। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স স্ট্রাকচার ইতোমধ্যেই যথেষ্ট মানসম্পন্ন; মূল ঘাটতি বাস্তবায়নে। প্রতি চার বছর অন্তর বিভিন্ন দেশের কোর্স স্ট্রাকচার বিশ্লেষণ করেই পলিটেকনিকের কারিকুলাম হালনাগাদ করা হয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়।
আগে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ফাউন্ড্রি শপে মেটাল-সংক্রান্ত কোর্স ছিল, যা বর্তমানে নেই—কারণ আধুনিক CNC প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। একইভাবে, আগে সিভিল বিভাগে হাতে ড্রইং করতে হতো, এখন CAD ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ, কারিকুলাম আপগ্রেডেশন আজ থেকে শুরু হয়নি; দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রক্রিয়া চলমান।
ইতোমধ্যে কিছু কোর্স কমিয়ে আর্টিফিশিয়িয়াল ইন্টেলিজেন্স–সম্পর্কিত কোর্স কারিকুলামে সংযোজন করা হয়েছে। সাবেক সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টিএমইডিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শুধু অন্যান্য দেশের কাঠামো অনুসরণ করে না; প্রতি চার বছর অন্তর পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশের শিল্পচাহিদা অনুযায়ী শিল্পবিদদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে বিষয়টি কেবল সরকারি চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—পাশ করার সঙ্গে সঙ্গেই কীভাবে শিল্পখাতে যুক্ত হওয়া যায়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ মূলত The perfect 'STEM' ratio ইমপ্লিমেন্ট করা হয়।
এ প্রক্রিয়ায় ASSET Project, TTF, ADB, WB, GoB এবং ZICA সম্মিলিতভাবে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোকে সহায়তা করছে, যা কারিগরি শিক্ষার তথা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজির মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ইতোমধ্যে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জাপানি প্রতিনিধিরা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছেন। এভাবেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। বৈষম্য নয়, দক্ষতার ভিত্তিতেই হবে অগ্রযাত্রা।