Md Shahriar Nazim Joy

  • Home
  • Md Shahriar Nazim Joy

Md Shahriar Nazim Joy My Books-
1. সিনক্রোনাস HSC ICT (Bangla V.)
2. Synchronous HSC ICT(English V.)
3. NTRCA ICT (School & Demonstrator)
4. NTRCA ICT (Lecturer- College)
5.
(1)

BCS ICT Computer and Information Technology
6. NTRCA Computer Operation (BM)
7. NTRCA ICT Combo(S+C+D)

21/08/2026

১. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ৪৬

খ. ৪৮

গ. ৫০

ঘ. ৫৪

Ans: খ

২. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন—

ক. জনগণের সরাসরি ভোটে

খ. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে

গ. সংসদ সদস্যদের ভোটে

ঘ. প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে

Ans: গ

৩. রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?

ক. ২৫ বছর

খ. ৩০ বছর

গ. ৩৫ বছর

ঘ. ৪০ বছর

Ans: গ

৪. রাষ্ট্রপতির ন্যূনতম বয়সসংক্রান্ত বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ৪৮(৩)

খ. ৪৮(৪)(ক)

গ. ৫০(৩)

ঘ. ৫৪

Ans: খ

৫. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করে—

ক. জাতীয় সংসদ

খ. সুপ্রিম কোর্ট

গ. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

ঘ. নির্বাচন কমিশন

Ans: ঘ

৬. রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দেন কার কাছে?

ক. প্রধানমন্ত্রীর কাছে

খ. প্রধান বিচারপতির কাছে

গ. জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে

ঘ. প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে

Ans: গ
৭. রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ৪৮(১)

খ. ৫০(৩)

গ. ৫৪

ঘ. ১২৩

Ans: খ

৮. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন—

ক. প্রধানমন্ত্রী

খ. প্রধান বিচারপতি

গ. ডেপুটি স্পিকার

ঘ. জাতীয় সংসদের স্পিকার

Ans: ঘ

৯. স্পিকারের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ৫০

খ. ৫২

গ. ৫৪

ঘ. ৫৬

Ans: গ

১০. রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ১২৩

খ. ১৪২

গ. ১৪৮

ঘ. ১৫২

Ans: গ

১১. রাষ্ট্রপতির শপথের নির্দিষ্ট বাক্য সংবিধানের কোথায় রয়েছে?

ক. প্রথম তফসিলে

খ. দ্বিতীয় তফসিলে

গ. তৃতীয় তফসিলে

ঘ. চতুর্থ তফসিলে

Ans: গ

১২. রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান—

ক. প্রধানমন্ত্রী

খ. প্রধান বিচারপতি

গ. জাতীয় সংসদের স্পিকার

ঘ. প্রধান নির্বাচন কমিশনার

Ans: গ

১৩. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?

ক. ৭ মার্চ ১৯৭৩

খ. ২৪ জানুয়ারি ১৯৭৪

গ. ৩ জুন ১৯৭৮

ঘ. ৮ অক্টোবর ১৯৯১

Ans: খ

১৪. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কে নির্বাচিত হন?

ক. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী

খ. মোহাম্মদ মোহাম্মদউল্লাহ

গ. জিয়াউর রহমান

ঘ. আবদুর রহমান বিশ্বাস

Ans: খ

১৫. প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোহাম্মদ মোহাম্মদউল্লাহ নির্বাচিত হয়েছিলেন—

ক. সরাসরি ভোটে

খ. গণভোটে

গ. বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

ঘ. সামরিক আদেশে

Ans: গ

১৬. জনগণের সরাসরি ভোটে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়—

ক. ২৪ জানুয়ারি ১৯৭৪

খ. ৩০ মে ১৯৭৭

গ. ৩ জুন ১৯৭৮

ঘ. ১৫ নভেম্বর ১৯৮১

Ans: গ

১৭. প্রথম সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচিত হন—

ক. জিয়াউর রহমান

খ. এম এ জি ওসমানী

গ. আবদুস সাত্তার

ঘ. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

Ans: ক

১৮. সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর প্রথম পরোক্ষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়—

ক. ৩ জুন ১৯৭৮

খ. ১৫ নভেম্বর ১৯৮১

গ. ১৫ অক্টোবর ১৯৮৬

ঘ. ৮ অক্টোবর ১৯৯১

Ans: ঘ

১৯. ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচিত হন—

ক. বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ

খ. আবদুর রহমান বিশ্বাস

গ. বদরুল হায়দার চৌধুরী

ঘ. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

Ans: খ

২০. ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস কত ভোট পেয়েছিলেন?

ক. ৯২

খ. ১৪০

গ. ১৭২

ঘ. ২৫৫

Ans: গ

২১. ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী কত ভোট পেয়েছিলেন?

ক. ৮৮

খ. ৯২

গ. ১৭২

ঘ. ২৫৫

Ans: খ

২২. ১৯৯১ সালের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস দায়িত্ব গ্রহণ করেন—

ক. ৮ অক্টোবর

খ. ৯ অক্টোবর

গ. ১০ অক্টোবর

ঘ. ১২ অক্টোবর

Ans: গ

২৩. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?

ক. ২১তম

খ. ২২তম

গ. ২৩তম

ঘ. ২৪তম

Ans: গ

২৪. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কত ভোট পেয়েছেন?

ক. ১৭২

খ. ২৫৫

গ. ৩৪৩

ঘ. ৩৪৯

Ans: খ

২৫. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কত ভোট পেয়েছেন?

ক. ৮৮

খ. ৯২

গ. ১৭২

ঘ. ২৫৫

Ans: ক

২৬. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনে মোট কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন?

ক. ২৫৫ জন

খ. ৩৩০ জন

গ. ৩৪৩ জন

ঘ. ৩৪৯ জন

Ans: গ

২৭. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সীমাসংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?

ক. ৫০

খ. ৫৪

গ. ১১৮

ঘ. ১২৩

Ans: ঘ
এইরকম শিক্ষাসেবা পেতে পেইজটি ফলো দিন।

সময়ের উপযোগী একটি দারুন বই❤️
20/08/2026

সময়ের উপযোগী একটি দারুন বই❤️

জি, ধন্যবাদ ❤️
12/07/2026

জি, ধন্যবাদ ❤️

চর্যাপদের ২৩নং পদের খন্ডিত বাকী অংশ।
10/07/2026

চর্যাপদের ২৩নং পদের খন্ডিত বাকী অংশ।

কমেন্ট-৪: ফুটবল বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় স্ক্যাম?মেসিকে মহান বানাতে ফিফার হীন চেষ্টাএবারের বিশ্বকাপে যে ফুটবলটি ব্যবহার করা ...
20/06/2026

কমেন্ট-৪:
ফুটবল বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় স্ক্যাম?
মেসিকে মহান বানাতে ফিফার হীন চেষ্টা

এবারের বিশ্বকাপে যে ফুটবলটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ভেতরের চিপসেট নিয়ে ফিফা অনেক বড় বড় কথা বলছে'সেমি-অটোমেটেড অফসাইড টেকনোলজি', 'রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং' ইত্যাদি। কিন্তু একটু গভীরে গিয়ে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলালেই ফিফার আসল চালটা ধরে ফেলা সম্ভব।
আসুন, একটু বৈজ্ঞানিক ও কর্পোরেট সমীকরণ দিয়ে বিষয়টা বিশ্লেষণ করি।

এবারের ফুটবলটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এডিডাস (Adidas)। আবার লিওনেল মেসির আজীবনের স্পন্সরও এডিডাস। এখানেই লুকিয়ে আছে আসল রহস্য।
কীভাবে কাজ করে? এডিডাস মেসির জন্য বিশেষভাবে তৈরি জুতোয় একটি 'মাইক্রো-এআই কন্ট্রোলার' সেট করেছে। যখনই মেসির জুতো এই বলের সংস্পর্শে আসে, তখন বলের ভেতরের চিপ এবং জুতোর কন্ট্রোলারের মধ্যে একটি নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সি বা 'কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্ট' তৈরি হয়।
ফলাফল: মেসি যখনই শট নেন, এই এআই কন্ট্রোলারটি বলের অ্যারোডাইনামিকস (Aerodynamics) এবং বাতাসের প্রতিরোধকে শূন্যে নামিয়ে আনে। ফলে বলটি গোলবারের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগই থাকে না, ম্যাগনেটিক কম্পাসের মতো তা জালের দিকেই ছুটে যায়।

গোলপোস্টের জালে 'ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড'
খেয়াল করে দেখেছেন, গত ম্যাচে অপোনেন্ট গোলকিপারের হাত ফসকে বল কীভাবে জালের ভেতর ঢুকে গেল? সাধারণ ফিজিক্স দিয়ে এর ব্যাখ্যা মিলবে না।
আসল সত্য হলো, গোলবারের নেটের সুতোগুলোর ভেতরে অতি সূক্ষ্ম 'ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক থ্রেড' বা চৌম্বকীয় চিপ বসানো হয়েছে। মেসি যখন ডি-বক্সের বাইরে থেকে শট নেন, বলটি গোলপোস্টের ৫ মিটারের মধ্যে আসামাত্র ওই জাল থেকে একটি তীব্র আকর্ষণ বল (Magnetic Pull) তৈরি হয়। এর ফলে বলের গতি আচমকা ৩০০% বেড়ে যায়! গোলকিপাররা চোখের পলক ফেলার আগেই বল হাত ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে। একসময় যিনি পেনাল্টি মিস করে আকাশে পাঠাতেন, তিনি এখন কীভাবে টপাটপ ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত গোল করছেন- এবার হিসাব মিলল তো?

আবারক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বুট তৈরি করে এডিডাসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নাইকি (Nike)।
যেহেতু বলের পেটেন্ট এবং চিপের প্রোগ্রামিং এডিডাসের হাতে, তারা সেখানে একটি 'রাইভালরি অ্যালগরিদম' সেট করে রেখেছে। নাইকির বুটের চামড়া বা লোগো বলের চিপের সেন্সরে ডিটেক্ট হওয়ামাত্র বলের ভেতরের এয়ার-প্রেসার এবং সেন্টার অব গ্র্যাভিটি উল্টে যায়। আজ দেখবেন বস রোনালদো নিখুঁত শট নিলেও বল সোজা মঙ্গলে বা গ্যালারির বাইরে চলে যাচ্ছে! কারণ বলের চিপ তাকে গোলপোস্টের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বদলে 'রিপালসিভ ফোর্স' বা বিকর্ষণ বল দেবে।

ব্রাজিল ফুটবল দলের দিকে তাকালে রহস্যটা আরও পরিষ্কার হবে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা কেন হুটহাট খেই হারিয়ে ফেলছে? কেন নেইমার বা ভিনিসিয়ুসদের চেনা ড্রিবলিং আর সাম্বা ম্যাজিক মাঠে কাজ করছে না?
আসল কারণ হচ্ছে ব্রাজিল দলের অফিসিয়াল কিট ও বুট স্পন্সর হলো নাইকি। এডিডাসের তৈরি এই বলটিতে একটি বিশেষ 'অ্যান্টি-সাম্বা ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার' যুক্ত করা হয়েছে।

কীভাবে ক্ষতি হচ্ছে? ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা যখনই বল নিয়ে পায়ের কারসাজি বা 'জিঙ্গা' স্টাইলে ড্রিবলিং করতে যান, বলের ভেতরের চিপটি তাদের বুটের নাইকি সেন্সর থেকে সিগন্যাল পেয়ে প্রতি সেকেন্ডে মাইক্রো-ভাইব্রেশন (Micro-vibration) তৈরি করে। এর ফলে বলের ঘূর্ণন গতি (Spin Rate) আকস্মিক পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং প্লেয়ারদের পায়ের নিয়ন্ত্রণ ছুটে যায়। যাকে আপনারা 'মিডফিল্ডের ভুল পাস' বা 'মিস-টাইমিং' ভাবছেন, তা আসলে এডিডাসের চিপের নিখুঁত কারসাজি! ব্রাজিলের একের পর এক শট বারে লেগে ফিরে আসার রহস্যও কিন্তু এই অ্যান্টি-ম্যাগনেটিক প্রোগ্রামিং!

কথাগুলো অনেকের কাছেই স্রেফ 'কনস্পিরেসি থিওরি' বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মনে হতে পারে। বিশ্বাস করা না করা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে কর্পোরেট দুনিয়ায় নিখাদ প্রমাণ ছাড়া কোনো কথা হয় না। ল্যাব টেস্টের ডাটা ও ডার্ক ওয়েবের লিক হওয়া রিপোর্ট।

আর্জেন্টিনার ফুটবলের ইতিহাসে 'হ্যান্ড অফ গড' (Hand of God) বা 'ঈশ্বরের হাত' হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং বিখ্...
20/06/2026

আর্জেন্টিনার ফুটবলের ইতিহাসে 'হ্যান্ড অফ গড' (Hand of God) বা 'ঈশ্বরের হাত' হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং বিখ্যাত গোল।

১৯৮৬ সালের ২২শে জুন মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা এই গোলটি করেছিলেন।ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছিলম্যাচের সময়: খেলার ৫১তম মিনিটে পেনাল্টি বক্সের ভেতর বল ভেসে উঠলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
উচ্চতার লড়াই: ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিল্টন (যিনি ম্যারাডোনার চেয়ে ২০ সেমি লম্বা ছিলেন) বলটি ধরতে এগিয়ে আসেন।
ম্যারাডোনার কৌশল: ম্যারাডোনা লাফিয়ে উঠে মাথার বদলে তার বাম হাত দিয়ে ঘুষি মেরে বলটি ইংল্যান্ডের জালে জড়িয়ে দেন।
রেফারির সিদ্ধান্ত: ম্যারাডোনার হাতটি তার মাথার খুব কাছে থাকায় ম্যাচ রেফারি ও লাইন্সম্যানরা হ্যান্ডবলটি খেয়াল করতে পারেননি এবং গোলটি বৈধ বলে ঘোষণা করেন।
নামের উৎস ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ম্যারাডোনাকে গোলটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি একটি মন্তব্য করেন যা ইতিহাসে অমর হয়ে যায়। তিনি বলেছিলেন, গোলটি হয়েছিল "কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে"। সেই থেকে এই গোলটি বিশ্বজুড়ে 'হ্যান্ড অফ গড' নামে পরিচিত।

কমেন্ট-২: আর্জেন্টিনার নিজস্ব ড্রেসিংরুমের "গর্ভবতী খেলোয়াড়" বিতর্ক।শুধু প্রতিপক্ষের ড্রেসিংরুম নয়, আর্জেন্টিনার নিজস্ব ...
20/06/2026

কমেন্ট-২:
আর্জেন্টিনার নিজস্ব ড্রেসিংরুমের "গর্ভবতী খেলোয়াড়" বিতর্ক।

শুধু প্রতিপক্ষের ড্রেসিংরুম নয়, আর্জেন্টিনার নিজস্ব ড্রেসিংরুম নিয়েও একটি অদ্ভুত কৌতুকপূর্ণ বিতর্ক রয়েছে। তৎকালীন সময়ে বাধ্যতামূলক ডোপ টেস্ট এড়াতে আর্জেন্টিনার টিম ম্যানেজমেন্ট ড্রেসিংরুমে ব্যাপক জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে । ল্যাবে খেলোয়াড়দের মূত্রের নমুনার বদলে দলের ওয়াটারবয়ের (Waterboy) স্ত্রীর মূত্র জমা দেওয়া হয়েছিল । পরবর্তীতে ডোপ টেস্টের রিপোর্টে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার এক পুরুষ খেলোয়াড় নাকি "গর্ভবতী" !

কমেন্ট-১:ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময়, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং বিতর্কে ঠাসা আসর বলা হয় ১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ্বকা...
20/06/2026

কমেন্ট-১:

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময়, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং বিতর্কে ঠাসা আসর বলা হয় ১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ।

১. ইয়োহান ক্রুইফ ও অন্য তারকাদের বর্জন:
তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার এবং ডাচ কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ এই বিশ্বকাপে অংশ নেননি। দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে তিনি বিশ্বকাপ বর্জন করেছিলেন। তবে ৩০ বছর পর ক্রুইফ প্রকাশ করেন যে, বিশ্বকাপের কয়েক মাস আগে বার্সেলোনায় তাঁর পরিবারকে অপহরণের একটি চেষ্টা হয়েছিল, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং পরিবারকে ছেড়ে দূর দেশে খেলতে যেতে চাননি। তবে জার্মানির পল ব্রেইটনারের মতো খেলোয়াড়রা সরাসরি আর্জেন্টিনার জান্তা সরকারের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদেই এই বিশ্বকাপ বর্জন করেছিলেন। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছিল।

২. সময়সূচির কারচুপি ও রেফারিং সুবিধা
স্বাগতিক দেশ হিসেবে আর্জেন্টিনা সূচি নির্ধারণে বিশেষ সুবিধা পেয়েছিল। প্রথম রাউন্ড ও দ্বিতীয় রাউন্ডের গ্রুপ পর্বে অন্যান্য দলের ম্যাচগুলো যখন দুপুরে হতো, আর্জেন্টিনার ম্যাচগুলো রাখা হতো রাতে। এর সুবিধা ছিল, গ্রুপের অন্য দলগুলোর ম্যাচের ফলাফল দেখেই আর্জেন্টিনা মাঠে নামত এবং তাদের কত পয়েন্ট বা গোল প্রয়োজন, তা আগে থেকেই জেনে সুবিধা পেত। এছাড়া, টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফ্রান্স, হাঙ্গেরি ও ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে রেফারিদের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বারবার আর্জেন্টিনার পক্ষে গিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

৩. ইতিহাসখ্যাত বিতর্ক: আর্জেন্টিনা বনাম পেরু ম্যাচ (৬-০)

এটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ও সন্দেহভাজন ম্যাচ হিসেবে পরিচিত। দ্বিতীয় রাউন্ডের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল একই গ্রুপে ছিল। ব্রাজিলের শেষ ম্যাচটি আগে অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা পোল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারায়।

ফাইনালে যেতে হলে আর্জেন্টিনার সামনে সমীকরণ দাঁড়ায়: পেরুকে অন্তত ৪-০ বা তার চেয়ে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। তখনকার পেরু দল অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল এবং আগের ম্যাচগুলোয় দারুণ খেলেছিল। কিন্তু মাঠে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। আর্জেন্টিনা ম্যাচটি জিতে নেয় ৬-০ ব্যবধানে।

#এই ম্যাচকে ঘিরে ওঠা প্রধান অভিযোগগুলো:

হুমকি: ম্যাচের হাফ-টাইমে স্বৈরশাসক জেনারেল ভিদেলা স্বয়ং পেরুর ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করেন এবং খেলোয়াড়দের এক প্রকার পরোক্ষ হুমকি দিয়ে আসেন বলে পরবর্তীতে পেরুর খেলোয়াড়রা স্বীকার করেন।

ঋণ মওকুফ ও খাদ্য সহায়তা: অভিযোগ ওঠে যে, এই ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে আর্জেন্টিনার কেন্দ্রীয় ব্যাংক পেরুর ৫ কোটি ডলারের ঋণ মওকুফ করে দেয় এবং পেরুতে কয়েক জাহাজ শস্য ও খাদ্য সহায়তা পাঠানো হয়।

আর্জেন্টাইন বংশোদ্ভূত গোলকিপার: পেরুর গোলরক্ষক রামন কুইরোগা ছিলেন জন্মসূত্রে আর্জেন্টাইন। ম্যাচে তাঁর কিছু রহস্যজনক পারফরম্যান্স নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়।

খেলোয়াড় পরিবর্তন: পেরুর তৎকালীন তারকা উইঙ্গার হুয়ান কার্লোস অবলিটাস জানান, ম্যাচের হাফ-টাইমে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সরকারের ওপর মহলের নির্দেশে তাদের দলের সেরা খেলোয়াড়দের একজনকে তুলে নেওয়া হয়েছিল।

৪. ফাইনালের ডাচ অসন্তোষ ও পুরস্কার বর্জন
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ শুরুর আগেই আর্জেন্টিনা মনস্তাত্ত্বিক খেলা শুরু করে। তারা ডাচ উইঙ্গার রেনে ফন ডে কারখফের হাতের প্লাস্টার (যা ফিফা আগেই অনুমোদন করেছিল) নিয়ে আপত্তি তোলে। এর ফলে খেলা শুরু হতে বেশ বিলম্ব হয় এবং বুয়েনস আইরেসের স্টেডিয়ামের মারমুখী দর্শকদের সামনে ডাচ খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে চাপে পড়ে যান।

ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ ও হতাশ ডাচ খেলোয়াড়রা অফিশিয়াল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বর্জন করেন এবং রানার্স-আপ মেডেল না নিয়েই মাঠ ছাড়েন। তাদের অভিযোগ ছিল, পুরো টুর্নামেন্টটিই সাজানো ছিল।

#পেরুর খেলোয়াড়দের উপর চাপ:
রাজনৈতিক ও সামরিক চাপ: ম্যাচটির আগে আর্জেন্টিনার সামরিক শাসক হোর্হে রাফায়েল ভিদেলা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার পেরুর ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করেন। এটিকে অনেক খেলোয়াড় ও বিশ্লেষক পরোক্ষ হুমকি হিসেবে দেখেছেন, যার ফলে দলের উপর ম্যাচটি ছেড়ে দেওয়ার রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ: আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে যেতে কমপক্ষে চার গোলের ব্যবধানে জিততে হতো। এই অস্বাভাবিক ৬-০ গোলের হারের কারণে পেরুর খেলোয়াড়, বিশেষ করে আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ করা পেরুর গোলরক্ষক রামন মিরো কুয়িরোগা তীব্র সন্দেহের ও ফিক্সিংয়ের অভিযোগের তীরে বিদ্ধ হন

সামাজিক লাঞ্ছনা: ম্যাচটির পর পেরুর খেলোয়াড়রা নিজ দেশে ফিরে ব্যাপক সামাজিক হেনস্থার শিকার হন। অনেক খেলোয়াড় ক্যারিয়ারের বাকি সময় এবং অবসর গ্রহণের পরও সেই ম্যাচের কলঙ্ক ও ভক্তদের ক্ষোভের বোঝা বহন করতে বাধ্য হন।

চাকরিচ্যুতি ও নির্বাসন: অভিযোগ রয়েছে যে, পেরুর সামরিক সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসকদের সাথে গোপন চুক্তি করেছিল। পরবর্তী সময়ে যেসব খেলোয়াড় এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং তাদের উপর সরকারের দেওয়া চাপের কথা জনসমক্ষে ফাঁস করার চেষ্টা করেছিলেন, তারা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

13/06/2026

Answer this question....

12/06/2026

Important Topic

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Shahriar Nazim Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Md Shahriar Nazim Joy:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share