LEARN WITH SAEEM

LEARN WITH SAEEM KNOW THYSELF !

এটি অবশ্যই পড়ে ফেলবেন.....
16/06/2026

এটি অবশ্যই পড়ে ফেলবেন.....

16/06/2026

ঢাকা সিটি থেকে টেসলা সরালে ,
ঢাকা সিটির বাসগুলা ইলেকট্রিক বাসে কনভার্ট করে একটা বাঁ দুইটা কোম্পানির আন্ডারে চালালে ,
ঢাকার টার্মিনালগুলাকে ঢাকার বাইরে সরালে ,
এক্সপ্রেসওয়ে আর মেট্রোর এই এক্সপান্সন সম্পন্ন হলে ঢাকা একটা নিঃশ্বাস নেওয়ার মত শহর হবে হয়ত ।চারদিকে AI ক্যামেরা লাগালে আইনের শাসন ও অনেকটা ব্যাক করা সম্ভব ।

ঢাকার জ্যাম বর্তমানের ৫০% ও যদি কমে দেশের ১/৩ বিদেশগামী বাচ্চা বিদেশ যাইতে চাইবে না হয়ত ।

জ্যাম কমে গেলে আর কিছুটা সুশাসন নিশ্চিত করা হলে বাংলাদেশ থাকার জন্য Not a very bad place । বাট এগুলা করতে অনেক গাটস লাগবে । এই গাটস বর্তমান সরকার আসলেই দেখাতে পারে কিনা সফলতার সাথে এটাই দেখার বিষয় ।

দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেইনতুন কোনো দক্ষতা বা কাজ শেখার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই। কোন দক্ষতাটি শ...
16/06/2026

দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই

নতুন কোনো দক্ষতা বা কাজ শেখার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই। কোন দক্ষতাটি শেখা উচিত, কীভাবে শেখা শুরু করব কিংবা সেটা ভবিষ্যতে কতটা কাজে লাগবে-এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই অনেক সময় শেখার উদ্যোগ থেমে যায়। তবে একটি বিষয় সব সময় মনে রাখা জরুরি, ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য কাজ শেখার কোনো বিকল্প নেই।

কোনো একটি খাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করলে অনেক বিষয়ই সহজ ও স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু যারা নতুন, তাদের জন্য একই বিষয় জটিল বা বিভ্রান্তিকর হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।

কোন কাজটি শেখা উচিত, তা নির্ধারণ করার সময় দুটি বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রথমত, কাজটির বর্তমান বাজারে চাহিদা রয়েছে কি না। অনেক সময় আমরা শুধু নিজের পছন্দের কারণে কিংবা অন্য কারও সাফল্য দেখে কোনো দক্ষতা অর্জনের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যে কাজটি একসময় জনপ্রিয় ছিল, তার চাহিদা এখনো একই রকম আছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। তাই বাজারের বর্তমান প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

দ্বিতীয়ত, ডিমান্ড থাকা সব কাজই কিন্তু আমার জন্য নয়। অনেক কিছুই আছে যার ডিমান্ড আছে। কিন্তু আমি হয়তো অতটা ভালো করতে পারব না। অথবা আমি হয়তো ওই কাজগুলো করে মজা পাব না। আমার প্যাশনের জায়গায় সে কাজগুলো নেই। তাই মার্কেট ডিমান্ডের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ভালো লাগার দিকটাও দেখতে হবে।

মার্কেট ডিমান্ড অনেকভাবেই আইডেন্টিফাই করা যায়।এর মধ্যে কয়েকটি হলো-

মার্কেট প্লেসগুলোতে একটু চোখ বুলাতে হবে

ওয়েবে অনেক পপুলার মার্কেট প্লেস আছে, যেমন- আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সার, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি। সেই মার্কেট প্লেসগুলোতে একটু ভিজিট করুন। আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চাচ্ছেন, সেই ক্যাটাগরিতে দেখুন কী ধরনের জব পোস্ট হচ্ছে। তাদের প্রাইসিং, ওয়ার্ক ভলিউম, আনুমানিক সেলারের সংখ্যা ইত্যাদি। যত বেশি ডেটা কালেক্ট করা যাবে, তত ভালোভাবে আইডিয়া জেনারেট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া আপনি লোকাল মার্কেটের জন্য নিয়োগসংক্রান্ত জব পোর্টাল সাইটগুলোও দেখতে পারেন, আপনার ইন্ডাস্ট্রি রিলেটেড কী পরিমাণ জব প্লেস হচ্ছে। এসব দেখে আইডিয়া পাবেন-আপনার কোন কাজটা শেখা উচিত। এসব একটা এক্সেল শিটে নোট ডাউন করে রাখুন।

শেখার প্ল্যান করুন

এবার শর্ট লিস্টেড টাস্কগুলো নিয়ে পরবর্তী প্ল্যান শুরু করুন, কীভাবে শেখা যায়। এখন যেহেতু আপনি ধারণা রাখেন-কী শিখতে চাচ্ছেন, তাই আপনি অনেকটাই এগিয়ে গেছেন। এখন আপনি আর অনেক ব্রড কোনো জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছেন না। আপনি অনেকটাই ন্যারো ডাউন করে নিয়ে আসছেন।

এখন আপনি গুগল, ইউটিউব করে বেসিক ধারণা নিতে পারেন। এক্সপার্ট কারও সঙ্গে কথা বলে কাস্টমাইজড টিপস পেতে পারেন। পেইড কোর্স করে সময় বাঁচাতে পারেন। বই পড়া শুরু করতে পারেন। কারও মেন্টরশিপ সাপোর্ট নিয়ে শুরু করে দিতে পারেন।

নতুন স্কিল ডেভেলপ করুন

কাজ করতে করতে অ্যাডিশনাল স্কিল নিয়ে ভাবতে পারেন, একই ফরমুলায় নতুন নতুন স্কিল ডেভেলপ করবেন। আইটি ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তন হয়। তাই থেমে থাকার কোনো সুযোগ নেই। থেমে গেলেই হেরে যাবেন।
লেখা: তারেক বিন ফিরোজ

আকাশে রংধনু কেন দেখায়??
16/06/2026

আকাশে রংধনু কেন দেখায়??

১৬ জুন, ২০২৬দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন নিজেকে আপডেট রাখুন।
16/06/2026

১৬ জুন, ২০২৬
দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম
নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন নিজেকে আপডেট রাখুন।

কে কয়টা জেলা ঘুরেছেন??
15/06/2026

কে কয়টা জেলা ঘুরেছেন??

১৫ জুন, ২০২৬দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন নিজেকে আপডেট রাখুন।
15/06/2026

১৫ জুন, ২০২৬
দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম
নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন নিজেকে আপডেট রাখুন।

কুরাসাও দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত নেদারল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলা উপকূলের অদূরে অবস্থিত।...
15/06/2026

কুরাসাও দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত নেদারল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলা উপকূলের অদূরে অবস্থিত। এর রাজধানী - উইলেমস্টাড।

নারী-পুরুষ, শিশু সব মিলিয়ে মোট জনসংখ্যা দেড় লাখ! সেই কুরাসাও কীভাবে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলে!আমাদের একটা উপজেলাতেই বাস করে ...
15/06/2026

নারী-পুরুষ, শিশু সব মিলিয়ে মোট জনসংখ্যা দেড় লাখ! সেই কুরাসাও কীভাবে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলে!

আমাদের একটা উপজেলাতেই বাস করে ৫-৬ লাখ মানুষ; সেখানে কুরাসাও নামের একটা দেশের মোট জনসংখ্যা দেড় লাখ। দেশটির আয়তন মাত্র ৩৫০ বর্গ কিলোমিটারের মতো। সেদেশ আজ বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে খেলবে! ভাবা যায়?

কৌতুহল থেকে কিছু জিনিস জানার চেষ্টা করলাম ছোট্ট দেশটি সম্পর্কে। চলেন শেয়ার করি -

কুরাসাও দেশটি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ভেনেজুয়েলার নিকটবর্তী একটা ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র। এটি ২০১০ সাল পর্যন্ত নেদারল্যান্ডস এর কলোনী ছিল। ২০১০ সালে সেখানে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

অত্যন্ত সুন্দর দেশটিতে রয়েছে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটা সংসদ। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সরকার গঠন করে। গত নির্বাচনে সরকারি দলের মোট প্রাপ্ত ভোট ৪৪ হাজার, আর বিরোধী দল পেয়েছে ১২ হাজারের মতো ভোট! 😃

কুরাসাও দেশটির একসময়ের গভর্নর আইন করলেন সকল ভবণ রং করতে হবে। ফলে দেশটির সকল ভবন সুন্দর সুন্দর উজ্জ্বল রং এ সজ্জিত। (গভর্নরের রং এর ব্যবসা ছিল 😃)

দেশটির মাথাপিছু আয় অনেক বেশি। প্রায় ৪৫০০০ ডলার। আমাদের প্রায় ১৫ গুণ আয় ওদের নাগরিকদের।

এতো সব বললাম। আসল ঘটনাই এখনো বলিনি। গুগলে দেখলাম সর্বশেষ ১০ টা ফুটবল খেলার বেশিরভাগ খেলায় ওরা জয়লাভ করেছে। এতো অল্প মানুষের দেশে এতো এতো ভালো ফুটবলার আসে কীভাবে?

ঘটনা হলো দেশটি নেদারল্যান্ডস এর কলোনী থাকায় ওখান থেকে অনেক মানুষ নেদারল্যান্ডস এ চলে আসে। তাঁদের ছেলে মেয়েরা নেদারল্যান্ডস এ থাকে, বিভিন্ন ক্লাবে খেলে। এবারের বিশ্বকাপ দলের ২৬ সদস্যের মধ্যে ২৫ জনেরই জন্ম নেদারল্যান্ডস এ। বাংলাদেশের ফুটবলার হামাজা চৌধুরীর মতো জাতীয় দলে খেলার জন্য ওরা কুরাসাও দলে যোগ দেয়। কাহিনী হলো এইটা!

যাইহোক, ছোট্ট দেশটির জন্য শুভকামনা।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন ও মানবিক ব্যাংকিংয়ের রূপকার: লুৎফর রহমান সরকারবাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে লুৎফর রহমা...
15/06/2026

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন ও মানবিক ব্যাংকিংয়ের রূপকার: লুৎফর রহমান সরকার

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে লুৎফর রহমান সরকার একটি কিংবদন্তি নাম। তিনি ছিলেন একাধারে ব্যাংকার, সংগঠক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষানুরাগী এবং সাহিত্যিক। সততা, দক্ষতা, দূরদর্শিতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে তিনি দেশের ব্যাংকিং খাতে এমন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, যা আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মের ব্যাংকারদের অনুপ্রেরণা জোগায়। আধুনিক বেসরকারি ব্যাংকিং, ইসলামী ব্যাংকিং, মানবিক ব্যাংকিং এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

শৈশব ও শিক্ষা জীবন:

১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৪ সালে বগুড়া জেলার ফুলকোর্ট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন লুৎফর রহমান সরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৫৭ সালে ব্যাংকিং পেশায় যোগ দেন। কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি তাঁর সততা, নিষ্ঠা এবং পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে দ্রুত সুনাম অর্জন করেন। হাবিব ব্যাংক, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে তিনি দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেন।

ইসলামী ব্যাংক এ যোগদান:

১৯৮৮ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সে সময় ইসলামী ব্যাংকিং ছিল দেশের মানুষের কাছে একটি নতুন ধারণা। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার কারণে ইসলামী ব্যাংক দ্রুত সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করে এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ ও শক্তিশালী ব্যাংকে পরিণত হয়।
তাঁর নেতৃত্বে ইসলামী ব্যাংক শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। তিনি বিশ্বাস করতেন ব্যাংকিংয়ের মূল উদ্দেশ্য কেবল মুনাফা অর্জন নয়, বরং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। এই দর্শন থেকেই তিনি হোম লোন, কনজ্যুমার ইনভেস্টমেন্ট, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অর্থায়ন, রিকশাচালকদের জন্য রিকশা প্রকল্প, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ বিনিয়োগ কর্মসূচি এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পৃথক অর্থায়ন সুবিধা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার লক্ষ্যে ‘আর্ন হোয়াইল ইউ লার্ন’ কর্মসূচির ভিত্তিও তাঁর সময়েই শক্তিশালী হয়।

প্রাইম ব্যাংক প্রতিষ্ঠা:

ইসলামী ব্যাংকে সফল নেতৃত্বের পর ১৯৯৪ সালে তিনি প্রাইম ব্যাংক এর প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর নেতৃত্বে প্রাইম ব্যাংক আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, সুশাসনভিত্তিক ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংক হিসেবে দ্রুত প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ব্যাংকিং কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব, দক্ষ মানবসম্পদ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত গ্রাহকসেবার যে সংস্কৃতি তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকের জন্যও একটি অনুসরণীয় মডেল হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর:

১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গভর্নর হিসেবে তিনি ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

BIBM ও ABB প্রতিষ্ঠা:

লুৎফর রহমান সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল ব্যাংকিং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে। তিনি Bangladesh Institute of Bank Management (BIBM)-এর উন্নয়ন ও কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, দক্ষ ও নৈতিক ব্যাংকার তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। ব্যাংকারদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আধুনিক ব্যাংকিং জ্ঞান বিস্তারে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।এছাড়া অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (ABB) প্রতিষ্ঠা ও অন্যান্য ব্যাংকিং সংস্কার আন্দোলন এ তার অসামান্য অবদান ছিল ।

জনকল্যাণমুখী প্রকল্প ও উদ্যোগ গ্রহণ:

বাংলাদেশে সঞ্চয় সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ডিপোজিট পেনশন স্কিম (DPS), মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প, ক্ষুদ্র সঞ্চয় কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ব্যাংকিং সেবার ধারণাকে জনপ্রিয় করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি মনে করতেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো সাধারণ মানুষের সঞ্চয় এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।

সুসাহিত্যিক:

ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক। কবিতা, ছড়া, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও প্রবন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখায় দেশপ্রেম, মানবিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জীবনবোধের গভীর প্রতিফলন দেখা যায়। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সম্মাননা ও স্বীকৃতিতে ভূষিত হন। একজন সফল ব্যাংকার হয়েও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে জ্ঞান ও সৃজনশীলতার কোনো সীমা নেই।

লুৎফর রহমান সরকার এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি ব্যাংকিংকে কেবল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং এটিকে মানুষের কল্যাণ, সামাজিক উন্নয়ন এবং জাতীয় অগ্রগতির হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি ব্যাংকের প্রকৃত সাফল্য শুধু তার মুনাফায় নয়, বরং সমাজে তার ইতিবাচক প্রভাবের মধ্যেই নিহিত।

আজকের বাংলাদেশে আধুনিক ব্যাংকিং, ইসলামী ব্যাংকিং, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ এবং মানবিক ব্যাংকিংয়ের যে ধারা আমরা দেখতে পাই, তার পেছনে লুৎফর রহমান সরকারের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি ব্যাংকিংকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন এবং অর্থনীতিকে মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে তাঁর নাম শুধু একজন সফল ব্যাংকার হিসেবে নয়, বরং একজন যুগস্রষ্টা ও মানবিক ব্যাংকিংয়ের রূপকার হিসেবে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তাঁর কর্ম, চিন্তা, আদর্শ এবং অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অক্ষয় উৎস হয়ে থাকবে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া
সম্পাদনা:
আমিন শহীদ
ব্যাংকার ও সার্টিফাইড ফাইন্যান্স স্পেশালিস্ট

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LEARN WITH SAEEM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share