BCS Insight

BCS Insight

Share

বিসিএস এবং চাকরি প্রার্থীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ।

27/10/2025

১। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়
--২ হাজার ৮২০ ডলার।

২। সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হারিয়েছে?
--কক্সবাজার বিমানবন্দর।

৩। দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর
—বেনাপোল।

৪। বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে?
--১৮ নং।

৫। ইউনেস্কো টাঙ্গুয়ার হাওরকে কত সালে রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করে?
-- ২০০০ সালে।

৬। বাংলাদেশের নাগরিকরা কতটি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশ করতে পারে?
--৩৮ টি।

৭। বিল 'ভবদহ' কোন জেলায় অবস্থিত?
-- যশোর।

৮। আসিয়ানের ৪৭তম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
--কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া (২৬-২৮ অক্টোবর ২০২৫)

৯। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখল জাতিসংঘ সনদের কত নং রেজল্যুশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন?
--রেজল্যুশন ২৩৩৪-এর।

১০। সম্প্রতি বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশন শিশুতোষ গল্পের জন্য কোন পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে?
--দ্য চিলড্রেনস বুকার প্রাইজ।

25/06/2025

অনুমোদন পেলে ৪৪ বিসিএসে পদ বাড়তে পারে চার শতাধিক।

23/06/2025

১ মার্ক কমন!
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত অপারেশনের সাংকেতিক নাম - অপারেশন মিডনাইট হ্যামার

22/06/2025

সরকারি চাকরির জন্য যারা পড়শোনা করে তাদের মিনিমাম কিছু গুণাবলি থাকা লাগে:

১. লম্বা সময় ধরে টানা বসে থেকে পড়াশোনা করার ধৈর্য্য ও মনোযোগ ধরে রাখতে পারা।

২. খুব বোরিং জিনিস বারবার পড়ে মুখস্ত করার ব্যাপারটা ইঞ্জয় করা।

৩. ইংরেজি ভাষায় ন্যাচুরাল দক্ষতা এবং গণিত ভীতি না থাকা।

৪. ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং এ দক্ষতা। কোন একটা বিষয়ের কয়েক পাতা শুদ্ধ ভাষা ও ব্যকরণে বাংলা ও ইংরেজিতে লিখতে পারতে হবে।

৫. মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি— "আমাকে একটা সরকারি চাকরি পেতেই হবে" — এই তাড়নাটা নিজের ভিতর থেকে আসতে হবে। অন্যের চাপিয়ে দিলে হবে না।

এই গুণগুলোর যে কোন একটা নিজের মধ্যে না থাকলে জোর করে সরকারি চাকরির প্রিপারেশনের ক্লান্তিকর দীর্ঘ রাস্তায় না নামাই ভালো।

ইদানিং বিভিন্ন বিসিএসের গ্রুপে প্রায়ই এমন পোস্ট দেখি, "পড়াশোনায় মন বসাতে পারছি না কোনভাবেই, অনেক চেষ্টা করেও, মনে হচ্ছে পড়াশোনার মাঝে হাবুডুবু খাচ্ছি, কিন্তু কোন কুল কিনারা পাচ্ছি না, কীভাবে পড়াশোনায় মন বসাতে পারি?" আমার খুব মন খারাপ লাগে এই ছেলে-মেয়ের জন্য।

এদের আসলে হয়তো এই লাইনে আসার কোন ইচ্ছা ছিলো না। তারা পারপার্শিক ও পারিবারিক চাপে এই লাইনে আসতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এই বোরিং, একঘেয়ে পড়াশোনায় কোন মজা পাচ্ছে না। তাদের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে।

অথচ এই ইফোর্ট আর সময় অন্য কোন স্কিল ডেভেলপমেন্ট, কোন প্রাইভেট জব বা বাইরে যাওয়ার জন্য ব্যয় করলেও লাইফে অনেকটা এগিয়ে যেত। লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজার টাইপের পেশায় থেকে জীবন যাপন করছে, তাদের কেউ না খেয়ে নেই। আমার নিজের ছোটভাই আমার সাফারিং দেখে এ লাইনে আসেনাই, সে ভালোই আছে।

সবচেয়ে বড় কথা, ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একটানা চেয়ার টেবিলে বসে সংবিধানের ধারা, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, লাভ-ক্ষতির অংক বা ইংরেজি পত্রিকার আর্টিকেল পড়ার ধৈর্য রাখতে একজনের একদম অস্তিত্বের গভীর থেকে "আমার আর কোন অপশন নাই, আমাকে এটা পেতেই হবে" — এই উপলব্ধি আর দৃঢ় সংকল্প থাকতেই হবে। নয়তো এই জার্নিটা ভয়ংকর নেভার এন্ডিং দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে।

সদ্য গ্র‍্যাজুয়েটদের শুরুতেই উপরের পয়েন্টগুলো নিজের সাথে বোঝাপড়া করে ডিসিশন নেওয়া উচিৎ। বাকিদের দেখাদেখি অন্ধভাবে ৩-৪ বছর নষ্ট করার পর জোম্বির মত আধমরা অবস্থা হলে না তখন সামনে আসা যায় না তখন পেছনে যাওয়া যায়। এদিকে দেখা যাবে বন্ধুবান্ধবদের অনেকে প্রাইভেট জবে ৬ডিজিট স্যালারিতে চলে গেছে, কেউ আবার ইউরোপের সুন্দর সুন্দর জায়গা থেকে বউ বাচ্চাসহ ছবি আপলোড করছে।

তখন আফসোস করে লাভ হবে না।

আসিফ উর রহমান
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক

17/06/2025

🔴 দেশের নতুন এবং ৫৫তম নদীবন্দর - হাতিয়া (নোয়াখালী)।

এটি দেশের দ্বিতীয় উপকূলীয় বন্দর।

14/06/2025

প্রাচীন যুগ হতে সকল চাকরি পরীক্ষায় নিশ্চিত ১ মার্ক

13/06/2025

বিসিএস বাদে প্রায় সকল ৯ম গ্রেডের জেনারেল চাকরির পরীক্ষায় ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং পার্টে ২০-৩০ মিনিটে ৩/৪ পেইজে বাংলায় এবং ইংরেজিতে লিখতে হয়, যা কিনা স্কুলের বাচ্চাদের উপস্থিত বক্তৃতা প্রদানের মতো। বিষয়টা বেশিরভাগ চাকুরিপ্রার্থীদের কাছেই আতংকের, কারণ সেখানে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে বাসা থেকে পড়ে না যাওয়া টপিকের উপর গুছিয়ে লিখতে আসতে হয়।

এই আতংক থেকে মুক্তি পেতে চাকুরিপ্রার্থীরা ভর্তি হন নানান হ্যান্ডনোট কোর্সে, ফ্যাকাল্টিভিত্তিক প্রস্তুতির কোর্সে, স্পেশালাইজড কোনো চাকরির প্রস্তুতির কোর্সে। এরই সাথে কোন বই পড়লে বিডা, বিসিআইসি কিংবা এনএসআই পরীক্ষার ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং কমন পড়বে - সেই চিন্তায় গলদঘর্ম হওয়া তো আছেই।

এই পোস্টে কম সময়ে ভালো ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং লিখার উপায় নিয়ে একটা স্পেসিফিক উদাহরণ দিবো।

ধরুন, আপনাকে একখানা রচনা লিখতে বলা হইসে "খাদ্যে ভেজাল: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত" এর উপর। সময় মোটামুটি ১২-১৩ মিনিট, লিখতে হবে ১.৫ পেজ (IBA স্টাইল)।
অল্প কথায় পরীক্ষকের সুনজরে আসার জন্য filler কথাবার্তার মধ্যে কাজের কিছু ব্যাপার আনাটাই এখানে চ্যালেঞ্জ। ১-২ বাক্যের সূচনার পরই আসতে হবে এগুলা:
- কীভাবে খাদ্যে ভেজাল দেয়া হয়,
- ভেজাল দ্রব্যগুলো কী কী,
- ভেজাল দেয়া খাদ্যগুলো কী কী,
- খাদ্যে ভেজাল দেয়ার ক্ষতিকর প্রভাব কী কী (মাইক্রো পর্যায়ে স্বাস্থ্যগত এবং ম্যাক্রো পর্যায়ে অর্থনৈতিক)

উপরের আইটেমগুলা মোটামুটি অনেকেই টাচ করবে। আপনি আলাদা হবেন যদি খাদ্যে ভেজাল প্রতিকারের উপায় পর্বে যাওয়ার আগে কয়েক লাইনে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধকল্পে বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন (যেমন: নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯) এবং ভেজাল রোধে নিয়োজিত সংস্থার (যেমন: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআই) নাম লিখে দিয়ে আসতে পারেন। এরপর আপনি চলে গেলেন প্রতিকারের জন্য আপনার পরামর্শ পর্বে; সেখানে গিয়ে যখন আপনি বলবেন "বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ কঠোরভাবে করতে হবে, সংস্থাগুলোর লোকবল বাড়িয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে", তখন আর কথাটা পরীক্ষকের কাছে ফাঁকা বুলি আওড়ানো মনে হবে না কারণ উনার নলেজে আছে যে আপনি জানেন কোন আইনের কথা আপনি বলছেন, আর কোন ধরনের সংস্থার কার্যক্রমের উন্নয়ন চাচ্ছেন। তারপর একজন ইতিবাচক চিন্তাধারাসম্পন্ন নাগরিকের মতো উপসংহার টেনে লিখাটা শেষ করলেন।

ফ্রিহ্যান্ড রাইটিংয়ে শুধু জেনেরিক কথাবার্তা না, দেশের বিদ্যমান ব্যবস্থার উপর যুক্তিসঙ্গত মতামত-ও থাকা লাগে পরীক্ষককে খুশি করে তার হাত থেকে ভালো মার্কস আনার জন্য...সামারি এইটাই।

(কোর্স করা, বই পড়াকে নিরুৎসাহিত করা আমার এই পোস্টের উদ্দেশ্য না, নিজ উদ্যোগে বইয়ের বাইরেও রিসোর্স সংগ্রহ করে পড়া উচিত, এটাই বলে আমার নিজের অভিজ্ঞতা)

সাইফুর রশিদ
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড [মেধাক্রম:০১] (সুপারিশপ্রাপ্ত)

13/06/2025

ফ্রি হ্যান্ড ইংরেজি রাইটিং যেভাবে ভালো করা যেতে পারে।
আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন যে কীভাবে ইংরেজি রাইটিংয়ে ভালো করবেন, লিখতে গেলে আসেই না ইত্যাদি।
এক্ষেত্রে আমরা সর্বাধিক যে সাজেশনটা পাই সেটা হলো রেগুলার পত্রিকা / রিডিং পড়া এবং পাশাপাশি রেগুলার লিখা। ওয়েল, ইট'স অ্যা ভেরি ইফেটিভ সল্যুশন। তবে আমি আমার ব্যাক্তিগত কিছু কথা শেয়ার করব।

উপরের সাজেশনটা তখনই কার্যকর হবে যখন আপনি আগে থেকে মোটামুটি গ্রামারটা জানেন। স্কুল, কলেজে খুব ভালভাবে না পড়লেও মোটামুটি কাজ চালানোর মত পড়েছেন। পরবর্তীতে টুকটাক টিউশন করিয়ে ওটার সাথে কানেক্টেড ছিলেন। তাহলে আপনি মোটামুটি ইংরেজি'র সাথে আছেন বলা যায়। আপনার জন্য উপর সাজেশনটা বেশ উপকারী। বলে রাখা ভালো এই গ্রুপটার জব মার্কেটে এসে খুব বেশি স্ট্রাগল করতে হয় না যদি সে অন্য বিষয়গুলোতেও একটা ব্যালেন্সড প্রস্তুতি নিতে পারে।

এখন কেউ যদি এমন হয় অনেকবছর ইংরেজি এর সাথে চলাচলটা নেই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও দেখা গেল বাংলা মাধ্যমের বইগুলো পড়েছেন, গ্রামার আগে যা পড়েছিলেন সেটারও অনেকটুক বিস্মৃতি হয়ে গেছে। সেক্ষেত্রে ওনি যখন পত্রিকা থেকে পড়তে যাবেন তার ক্ষেত্রে কী ঘটবে?
ওনি পত্রিকা পড়ায় আগ্রহ পাবেন না এটুক শিউর। প্রথমত,
ওনি অনেক শব্দ ত জানবেন না ই, যেগুলো জানবেন সেগুলো সেন্টেন্স এ বসে কীভাবে অর্থপূর্ণ হচ্ছে সেটাও কিন্তু অধরা থেকে যাবে। কেননা ওনি ধরতেই পারতেছেন না আসলে এগুলো একটার সাথে আরেকটা কীভাবে কানেক্টেড। এই সংখ্যাটা নেহায়েত কম নয়। আমার অভিজ্ঞতা বলে সংখ্যাটা বেশ চোখে পড়ার মতো।

এবার চলেন (আমার নিজের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ) দেখে নেই কীভাবে ইংরেজি লিখার হাতটা ক্লিয়ার করতে পারেন।
১) প্রথমে ইংরেজি'র একদম বেসিক গ্রামার একটা বই নিবেন সেখান থেকে বেসিক যে গ্রামার আছে সেগুলো দেখে নিবেন। নিম্নোক্ত টপিকগুলো একদম এ টু জেড ভালভাবে পড়বেন।

** parts of speech (আগাগোড়া সবগুলো ডিটেইলস পড়বেন। noun, pronoun প্রভৃতি সবগুলোর সব প্রকার, কখন কোনটা এপ্লাই হয় এগুলো সব ধরতে জানতে হবে। বইয়ের যত উদাহরণ আছে সব অনুশীলন পড়বেন। রুলস পড়ে সেগুলো হাটতে চলতে মনে মনে এপ্লাই করবেন)

** Tense ( অনেকে একটা বাক্য কোন টেন্সে হবে সেটাই ধরতে পারেন না। ভালভাবে বারবার করে সিকুয়েন্স ধরার চেষ্টা করুন। অনেকের লিখায় এমন হয় হুট করে past tense থেকে future এ ভলে আসেন। এটা কেন হবে না, কেন হবে এগুলো রপ্ত করতে হবে)

** right forms of verb ( এটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। tense পড়ার সময় এটার অনেকটা ক্লিয়ার হয়ে যায় সাধারণত। এটা না জানলে বাক্যের অর্থ অধরা থাকবে। এগুলো আসলে একটা সাথে আরেকটা কানেক্টেড। ধৈর্য নিয়ে যখন একটার পর আরেকটা টপিক পড়বেন তখন এগুলো কানেক্ট করতে পারবেন।

** voice ( প্রচুর ক্যান্ডিডেট আছেন যারা এই একটিভ, প্যাসিভ আইডিয়াটাই এখনো ঠিক বুঝেন না। এটা না বুঝার ফলে বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ ভিন্ন করে ফেলেন)

** Transformation ( এটা জরুরি এজন্য যে, আপনি ট্রান্সমেশনের বেসিক রুলস না জানলে অনেকসময় নিজের ভাষায় ঘুরিয়ে লিখতে পারবেন না।)

** Narration ( এটা যখন আপনি পারবেন তখন অন্যের একটা কথা, পূর্বের ঘটা একটা ঘটনা নিজের মত করে লিখতে গেলে সিকুয়েন্স মেইনটেইন করতে পারবেন।)

** Types of sentence ( বিভিন্ন দিক থেকে বাক্য কত প্রকার, সেগুলো কীভাবে কাজ করে, এক প্রকার বাক্য অন্য প্রকারে কনভার্ট প্রভৃতি। compound, complex, simple এসব বাক্য ধরা, সেগুলো একটা থেকে আরেকটায় নিয়ে এসব transformation করতে গেলেই শিখে যাবেন। এগুলো করতে না পারলে paraphrase করার বিষয়টা প্রায়শই সহজ মনে হবে না।

**phrase, clause ( কোনটা কোন প্রকারের phrase, clause সেগুলো কীভাবে কাজ করে, একটা বড় clause কীভাবে phrase এ পরিণত হয় এগুলো সম্পর্কে ভালো আইডিয়া নিন।

** Modal verb ( যদিও এটা tense, right form of verb এই পড়বেন। তবুও আলাদা করে দেখে নিবেন। বাক্যটার কাল নির্ধারণে প্রয়োজন পড়বে)

এছাড়া conditional, linking verb, causative verb, problem verb, subject-cerb agreement, Dangling modifier, redundancy, comparison প্রভৃতি টপিকগুলো গ্রামার বই থেকে পড়ে নিবেন।

এগুলোর পাশাপাশি একদম বেইসিক লেভের ভুকাবুলারি দিয়ে শুরু ধীরে ধীরে চাকরির বইয়ের যেকোনো একটা বই নিয়ে ভুকাবুলারি পড়তে থাকুন। আরেকটা জিনিস করবেন সেটা হলো ট্রান্সলেশনের বই কিনে দেখে দেখে সেন্টেন্স স্ট্রাকচারটা খেয়াল করে অনুশীলন করা।

# # উপরের বিষয়গুলো একদম বেইসিক। যারা ইংরেজি দেখলেই/নাম শুনলে ভয়ে জবুথবু হয়ে যান তাদের জন্য এই সাজেশন। এখানে পড়া অনেক মনে হলেও খুব বেশি প্যারা হবে না। টুকটাক সবাই কমবেশি এগুলো স্কুল-কলেজে পড়েছেন। এখন শুধু স্মরণ করে নেওয়া।

এগুলো পড়ার পর আপনি পত্রিকা বা অন্য সোর্স থেকে পড়তে গেলে আপনি তখন ধরতে পারবেন এই লাইনটা এভাবে এসেছে। পড়ারও আগ্রহ পাবেন, নিজে লিখতে গেলেও কনফিডেন্স পাবেন।
নিচের বাক্যটা যদি দেখি

The chief adviser reaffirmed Bangladesh's commitment to advancing regional cooperation and development.

এখানে,
The chief advisor = subject (noun phrase)

reaffirmed = verb, এবং যেহেতু অতীতের ঘটনা সুতরাং V2, past tense
বাকি অংশটুকু extension।

Bangladesh's commitment = এটা reaffirm এর object ( এখানে Bangladesh এর পর Apostrophe S হয়েছে কারণ eTa possessive ; এটার পর একটা noun এসেছে।)

আর বাকি অংশটুকু commitment কে modify করেছে।

অনেক জটিল মনে হচ্ছে তাই না? কিন্তু সবগুলো পড়া শেষে দেখবেন আপনি কানেক্ট করতে পারছেন।

[ এই যে উপরে এতকিছু বললাম এগুলোর কোনটাই হয়তো অনেকের করতে হবে না। কারণ তারা একদম বাচ্চাকাল থেকেই ইংরেজিটা একটু একটু করে রপ্ত করে ফেলেছেন। এমন অনেকেই আছে যারা বাক্যটা ভুল সঠিক বলতে পারেন কিন্তু কি কারণে ভুল সেটা স্পেসিফিক নাও জানতে পারেন। কারণ ওনি ভাষাটাকে ভাষার মত করে ধীরে ধীরে আয়ত্তে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু আপনার সেই সুযোগ নেই বিধায় আপনাকে উপরের বিষয়গুলো জানতে হবে। ]

শুভকামনায়,

মোহাম্মদ শাকিল আহমদ
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক
সাবেক সিনিয়র অফিসার, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
BCS Insight

12/06/2025

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সম্প্রতি ছয়টি বিসিএসের সম্ভাব্য টাইমলাইন প্রকাশ করেছে। পয়েন্ট আকারে গুছিয়ে শেয়ার করা হলো:

✅ ৪৪তম বিসিএস:

চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৫

---

✅ ৪৫তম বিসিএস:

লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৫
চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

---

✅ ৪৬তম বিসিএস:

লিখিত পরীক্ষা শুরু: ২৪ জুলাই ২০২৫
লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

---

✅ ৪৭তম বিসিএস:

প্রিলিমিনারি পরীক্ষা: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রিলিমিনারি ফল প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
লিখিত পরীক্ষা শুরু: ২৭ নভেম্বর ২০২৫

---

✅ ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ):

লিখিত পরীক্ষা (MCQ টাইপ): ১৮ জুলাই ২০২৫
লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৫
চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গেজেট প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৫
বিজ্ঞপ্তি জারি: ২৯ মে ২০২৫
চূড়ান্ত সুপারিশের লক্ষ্য: সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে

---

✅ ৪৯তম বিসিএস:

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও আবেদন শুরু: ১ নভেম্বর ২০২৫
আবেদন শেষ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা: বিজ্ঞপ্তি জারির দুই মাস পর (সম্ভাব্য: জানুয়ারি ২০২৬)

---

🔖 অতিরিক্ত তথ্য:

নিয়মিত বিসিএস-এর ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দুই মাস পর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

– RU Insiders
BCS Insight

12/06/2025

বাংলা টু ইংরেজি অনুবাদ

Sampa Aktar:
আজ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ২৭ লাখ মানুষ কর্মহীন এবং এ অর্থনীতিতে বেকারত্বের হার ৫ শতাংশের কাছাকাছি।

Today, 2.7 million people are unemployed in the Bangladeshi economy and the unemployment rate in this economy is close to 5 percent.

বর্তমান অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ২০ লাখ কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে।

Two million jobs have been lost in the Bangladeshi economy in the first six months of the current fiscal year.

যে নিয়মে বেকারত্ব সংজ্ঞায়িত এবং গণনা করা হয়, তাতে বেকারত্বের সরকারি উপাত্ত কর্মহীনতার বাস্তব অবস্থাকে অবপ্রাক্কলিত করে।

The way unemployment is defined and calculated means that official unemployment data underestimates the true state of underemployment.

আদতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সত্যিকারের বেকারত্বের হার সরকারি ভাষ্যের চেয়ে বেশি।

In fact, the real unemployment rate in Bangladesh's economy is higher than the official narrative.

বাংলাদেশে নারী বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। কিন্তু বেসরকারি প্রাক্কলিত সংখ্যাটি হচ্ছে ৯ শতাংশ।

The female unemployment rate in Bangladesh is 3.9 percent, but the private estimate is 9 percent.

05/06/2025

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও ভারতের গুনগান--

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এবার সর্বোচ্চ ২৮৪০ ডলার বলে মিডিয়া প্রকাশ করেছে। গতবছর ভারতের থেকে বেশি হলেও এবছর ভারতের মাথাপিছু আয় ২৮৭৮ ডলার। টপিকটি সেন্সিটিভ। একান্তই ব্যক্তি ভাবনা। অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

এবার ভারতের কিছু গুনগান করি। ভারতের সিভিল সার্ভিসের ২৫% করাপ্টেড। ৫০% ভাল তবে এক্সট্রা অর্ডিনারী ইফিসিয়েন্ট নয়। ২৫% সত্যিকার অর্থে ভারতকে লিড দিচ্ছে। ভারতের শ্রী জয়শঙ্করের ইন্টেলিজেন্স দেখে অভিভূত না হলে উপায় নেই। উনি ওই ২৫% এর একজন।

ভারতের গভর্মেন্ট সার্ভিস পশ্চিমা দেশের মত না হলেও যথেষ্ট ভাল এবং যথেষ্ট ক্যাপাবল জনবল রয়েছে।

সূত্র: https://www.fortuneindia.com/enterprise/25-ias-officers-corrupt-incompetent-or-inefficient-middle-50-complacent-d-subbarao/116843

ভারতের সরকারি সার্ভিসের বেতন কাঠামো নিয়ে একটু কথা বলি। ভারতে বর্তমানে ৭ম পে স্কেল চলমান ২০১৬ থেকে যার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ এ। বাংলাদেশে ৮ম পে স্কেল চলমান ২০১৬ থেকে। বাংলাদেশের সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড ২০ টি আর ভারতের ১৮ টি।

ভারত ৭ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ৬ষ্ঠ পে স্কেল ছিল। সেখানে সর্বনিম্ন গ্রেড ১ এ বেসিক ছিল মাত্র ৭০০০ টাকা। ৭ম পে স্কেল বাস্তবায়নের সময় ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ছিল ২.৫৭। অর্থাৎ যেদিন থেকে ৭ম পে স্কেল চালু হয়েছে সেদিন থেকে ভারতের ১নং গ্রেডে কর্মচারীদের বেসিক ৭০০০*২.৫৭=১৭৯৯০ বা ১৮,০০০ টাকা হয়ে গেল।

বর্তমানে ঝাড়ুদার, গার্ড এরকম সর্বনিম্ন গ্রেডে যারা চাকুরী করেন তাদের বেতন স্কেল ₹18,000 - ₹56,900 রুপিতে। এজন্য প্রায় দেখবেন সেদেশের পিওনের চাকুরীতে পিএইচডি হোল্ডাররা আবেদন করেন।

ওদের সর্বোচ্চ গ্রেড হল ১৮ যেখানে বেসিক ২৫০০০০ লক্ষ রুপি। সব মিলিয়ে বেতন হাফ মিলিয়নের বেশি বা কাছাকাছি।

২০২৫ এ ৭ম পে স্কেলের মেয়াদ শেষ হলে ৮ম পে স্কেল চালু হবে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে এবার ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হবে ২.৮৬। অর্থাৎ সর্বনিম্ন গ্রেড ১ পিয়নের বেসিক দাঁড়াবে ১৮০০০*২.৮৬= ৫১৪৮০ রুপি বা ৫১,৫০০ রুপি। সব মিলিয়ে বেতন ছাড়িয়ে যাবে লাখের উপরে। পিএইচডি করা লোকজন এপ্লাই করলে অবাক হবার আগে ভাববেন দুই বার।

এবার বাংলাদেশের কথা একটু আলোকপাত করি। মাথাপিছু আয় একি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের সর্বনিম্ন গ্রেড হল গ্রেড ২০ যেখানে বেসিক হল ৮,২৫০ টাকা।

প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার বেসিক ২২,০০০ টাকা। রুপিতে কনভার্ট করলে দাঁড়াবে ১৫,৪০০ রুপি ( ১ টাকা =০.৭০ রুপি) হিসাবে।

অর্থাৎ আমাদের দেশের একজন বিসিএস ক্যাডার বেতন পান ভারতের পিওনের থেকে পাক্কা ২,৬০০ রুপি কম।

এবার ট্যাক্স কাঠামোর দিকে তাকালে চক্ষু চড়ক গাছ হবে।
ভারতের ট্যাক্স এক্সেমশন সিলিং ৩ লক্ষ রুপি। বাংলাদেশে সেটা ২,৬২,৫০০ রুপি। (রুপির হিসাবে)।

খাদ্য পণ্যের দাম ও অন্যান্য সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশে পণ্যের দাম ভারতের থেকে ৩০% এর কম না। কিছু ক্ষেত্রে ভারতের দ্বিগুন, তিনগুন। হেলথ কেয়ারেও ভারতের খরচ কম। জীবন যাত্রার বেসিক ব্যয় ভারতে বাংলাদেশের থেকে অনেক কম। এবার অনুধাবন করা সহজ হবে লিভিং স্ট্রান্ডার্ড ভারতে কেমন হতে পারে। নাগরিক সুবিধার একটা সল্প তুলনা দেয়া যেতে পারে। যদিও আমরা ওপেন ডেফিকেশন নিয়ে মোকারি করি।

আমাদের দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক ক্ষেত্রে ইউরোপের অনেক দেশের থেকে বেশি। ট্যাক্স এক্সেমপশন কম। সরকারি চাকুরীতে আয় ভারতের পিওনের থেকেও কম।

শ্রী জয় শঙ্কর যখন কথা বলেন উনার কনফিডেন্স লেভেল খেয়াল করে দেখবেন। এটা এমনি এমনি হয়না। ওরা দেশের ক্রিম মেধাগুলিকে সিভিল সার্ভিসে নিয়ে আসে। এদের মধ্যে ট্রুলি দেশের জন্য ইফোর্ট দেয় ২৫%। এটাই মোর দ্যান ইনাফ।

আমাদের দেশে যখন ব্যক্তি ট্যাক্সের বোঝা কমাতে পরামর্শ দেয়া হয় তখন একদল বলেন আরো ট্যাক্স বাড়াও। বাজেটে সেটাই হয়। সরকারি চাকুরীজীবিদের দূর্মূল্য ভাতা বা নতুন পে স্কেল চাইলে বলে এটা অন্যায্য দাবি। একদল অর্থনীতিবিদ তখন মাইক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অথবা টক শো করে জানান দেয় এটা করলে বাংলাদেশের অর্থনীতি শেষ হয়ে যাবে।

কিন্তু বাংলাদেশের বেসিক সিন্ডিকেট কখনো ভাঙ্গা সম্ভব হয়না। কারন এদেশে সরকারি চাকুরীতে গেলে মানুষ দুটি কারনে যেতে পারে বলে মনে করি।

১. সম্মান
২. দূর্নীতি।

চাকুরীর নিরাপত্তা একটা ন্যাচারাল ইস্যু। একটি সঠিক ভাবে ফাংশনিং দেশে সব খানেই এটা থাকা উচিত।

এখন সম্মান ধুয়ে আসলে পেট চলেনা। অনেকেই আত্মসম্মান নিয়ে সৎ থাকতে গেলে সরকারি চাকুরীকে প্রেফার করেনা। দেশের ক্রিম মেধাদের বিশাল অংশ দেশ হারায়।

সরকারি চাকুরী কেন গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝা উচিত। একটি সরকার সঠিক ভাবে নির্মোহ ও সচ্ছ উপায়ে ফাংশন করলে এদেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান হত। শিক্ষা খাতে শিক্ষকগুলি আসতো দেশের টপ মেধাবিরা। তাদেরকে অন্তত প্রাইভেট টিউশন ছাড়াও সম্মানজনক বিদ্যা সম্প্রাদানের সুযোগ থাকত। বাস্তবে সেটা নেই। এজন্য এই খাতে যত টাকা ঢালেন সবাই ক্ষুধার্ত থাকে। সমস্যার সমাধান আর হয়না।

একজন ডক্টর যেই বেতন পান অন্যান্য দেশে সেটা এদেশে পেলে তাকে চুরি করে প্রাইভেট চেম্বার দেয়া লাগত না। খুব ভালভাবেই দেশের সরকারি হাসপাতাল গুলি রান করত। দক্ষ লোকের সমাবেশ ঘটত। শৃঙ্খলা ফিরত। চিকিৎসা সরঞ্জাম পড়ে পড়ে নষ্ট হতনা।

আমরা বার্মার সামরিক বাহিনীর বেতন নিয়ে হাসাহাসি করি। বলি যে ওদের বাহিনীর সাথে যুদ্ধ বাধলে ওদের যে বেতন তাতে একটু অর্থের লোভ দেখালেও তথ্য বেচে দিবে। আসলেই তাই। মানুষের আদিম চাহিদা হল বেচে থাকার চাহিদা। অন্যের মূখাপেক্ষি না হয়ে আত্ম সম্মান নিয়ে পেট চালানোর মত চাহিদা।

দেশে ২০ লক্ষ সরকারি পদের প্রয়োজন ছিলনা। ৬-৭ লক্ষ দক্ষ জনবলে ২০ লক্ষের থেকে বেটার রেজাল্ট আনা যেত। প্রতিটি পরিকল্পনা হত সঠিক, এক্সিকিউশন হত আরো ইফেক্টিভ।

কিন্তু আমাদের দেশের অর্থনীতিবিদগন যাদের ছেলে মেয়েরা আসলে এদেশকে ডাম্প করে বিদেশে পড়াশুনা করছে, উনারা এগুলা মেনে নিতে পারেন না। এজন্য উনারা বিরোধিতা করেন। যেকোন সমস্যার মূলে হাত দিতে হয়। নৈতিকতার প্রশ্নে আমি ধরে নিলাম যেহেতু আমরাও উপমহাদেশের জাত, ২৫% করাপ্টেড থাকত, কিন্তু বাকি ৭৫% যদি পারফর্ম করত এই দেশ ভিক্ষুকের মত থাকতে হত না।

বিষয়গুলি তিতা কথা। আপনি পররাষ্ট্রনীতিতে শক্তিশালী হবেন, কিন্তু দূতাবাসে কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামো যা দিবেন সেটা হবে হাস্যকর অন্য দেশের তুলনায়। নিগোশিয়েশনে হীনমন্যতা দূর করবেন কিভাবে?

সরকার মহার্ঘ ভাতা দিতে গেলেন। অর্থনীতিবিদদের বাধা আসল। অবশেষে ৫% বিশেষ প্রণোদনা বাতিল করে ১০% বিশেষ প্রণোদনা দিলেন। এতে ২০ তম গ্রেডে বেতন বেড়েছে কত জানেন? ২৩৭.৫০ টাকা। অফিসে যাওয়ার সময় ওই টাকা পকেটে নিয়ে বের হলে দুপুরের খাবারের আগেই সেটা শেষ। ১৪০০০ টাকায় ৪-৫ জন মেম্বারের পরিবার চালাতে গেলে তার অবস্থা কোথায় যায় একটু ভেবে দেইখেন। কেউ অসুস্থ থাকলে কি অবস্থা হয় ভেবে দেইখেন।

মোটাদাগে আমাদের দেশের কমন অর্থনীতিবিদরা যে মত দেন, বেতন বাড়ালে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। হাস্যকর। বাজেটের ৭০০০ কোটির অতিরিক্ত ব্যায়ে মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে লক্ষ কোটির দূর্নীতিতে তাহলে বাড়ছেনা কেন? নাকি পরিকল্পিতভাবেই দেশের আমলাতন্ত্র ও সরকারি ফাংশনকে দুর্বল করে কার্যত দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে সফল হতে বাধা দেয়ার জন্য এটা সুক্ষ্ম কোন পরিকল্পনার অংশ। সরকারি স্কেল বাড়লে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলিকে বেতন বাড়াতেই হবে। শ্রমিকের খাঠুনি খাটিয়ে ১২০০০ টাকা বেতন দেয়ার সুযোগ বন্ধ হবে সেটা তারা চান না।

এদেশের যত বাজেট আসুক, সমস্যার মূল চিহ্নিত করতে হবে। দক্ষ জনবলকে মূল্য দিতে হবে। সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি। কোন দেশ এভাবে সফল হতে পারবেনা।

#বাজেট_ভাবনা

জুন ৪, ২০২৫

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka